শিরোনাম
উপাচার্য বিরোধী আন্দোলনে শাবিপ্রবিতে এবার ফুটবল টুর্নামেন্ট
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে এবার ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করলো শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের হ্যান্ডবল গ্রাউন্ডে এই ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান উপাচার্য বিরোধী আন্দোলনে টানা ৭ দিন অনশনে থাকার পর বুধবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে অধ্যাপক জাফর ইকবালের আশ্বাসে অনশন ভাঙেন ২৮ শিক্ষার্থী। ঐদিন রাতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে থেকে অবরোধও তুলে নেয় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
তারপ্রেই তারা ঘোষণা দেয় অনশন ভাঙলেও উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। অহিংস পথে চলমান থাকবে আন্দোলন। মিছিল, নাটকসহ অন্যান্য ক্রার্যক্রমের মধ্য দিয়ে চল্বে আন্দোলন। তারই অংশ হিসাবে গতকাল এই ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করে শিক্ষার্থীরা।
ভূমি অধিগ্রহণে অনিয়ম, যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী
চাঁদপুরে সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের সঙ্গে আমার পরিবারের কোনভাবে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) মন্ত্রীর বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই অধিগ্রহণ থেকে আমার বা আমার পরিবারের আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার কোথাও কোনো সুযোগ নেই। কাজেই আমাকে এবং আমার পরিবারের বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো প্রতিবেদন ভিত্তিহীন-অসত্য-উদ্দেশ্যপ্রণোদীত হতে পারে।
তিনি বলেন, ভিত্তিহীন ও অসত্য তো বটেই, একজন মন্ত্রী-সংসদ সদস্য ও প্রধানতম রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল পদে আছেন তার সম্পর্কে এ ধরনের রিপোর্ট যদি করা হয় তাহলে আমি বলবো, কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদীত হয়ে করেছে।
মন্ত্রী পরিবার দুর্নীতি জড়িত নয় দাবি করে দীপু মনি বলেন, ভূমি অধিগ্রহণে দুর্নীতি হয়েছে কি না, তা সরকারের বিভিন্ন সংস্থা খুঁজে বের করতে পারে। এর সঙ্গে আমার পরিবার জড়িত নয়।
তিনি আরও বলেন, চাঁদপুরে আমার ক্রয় সূত্রে কোনো জমি নেই। পৈত্রিক সূত্রে থাকতে পারে। আমার কাছে যা তথ্য প্রমাণ আছে, তাতে থেকে বলতে পারি আমার বড় ভাই অধিগ্রহণের আগেই বিক্রি করে দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই জায়গায় আমার বা পরিবারের কারও জমি নেই। রাজনৈতিক কোনো সহককর্মীর জমি থাকতে পারে।
চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চাঁবিপ্রবি) জন্য জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ। সম্প্রতি ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক প্রতিবেদনে তিনি দাবি করেছেন, ‘ওই প্রক্রিয়ায় সরকারের প্রায় ৩৬০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে।
এ নিয়ে বেশ আলোচনা তৈরি হয়েছে। পক্ষে-বিপক্ষে বক্তব্য দিচ্ছেন অনেকে। খোদ ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নেতারাও এই আলোচনা-সমালোচনায় জড়িয়ে গেছেন। তাদের দাবি, ‘এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির পরিবার ও তার ঘনিষ্ঠজনরা সম্পৃক্ত।’ এসব বিষয় নিয়ে নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন তিনি।
সেশনজট নিরসনে মহাসড়কে শিক্ষার্থীরা
সেশনজট নিরসন ও দ্রুত পরীক্ষা নেয়াসহ ৫ দফা দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন, অবস্থান এবং বিক্ষোভ মিছিল করেছে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের নগরীর সিএন্ডবি রোড টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সামনে এই মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনের আগে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল বের করে শিক্ষার্থীরা। তারা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় তাদের দাবি বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে রয়েছে- সশনজট নিরসন ও দ্রুত পরীক্ষা গ্রহণ, সেমিস্টার ফলাফল প্রকাশের পর নম্বর ফর্দ প্রদান, প্রতি বিষয়ে ইমপ্রুভমেন্ট পরীক্ষা ও রিকেট পরীক্ষার ফি সহনীয় মাত্রায় নির্ধারণ ও স্বতন্ত্র বোর্ড গঠন।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন বরিশাল টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসিব ধ্রুব আহমেদ শাহ মাসুদ ও ওবায়দুল কবির এবং সপ্তম ব্যাচের নেছার রাজন ও তৃনা দেবনাথসহ অন্যান্যরা। বক্তারা অনতিবিলম্বে এই দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।
সংসদে ইসি গঠন বিল পাস
নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল-২০২২’ বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন। পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
এর আগে বিরোধীদলীয় কয়েকজন এমপি বিলটি জনমত যাচাই-বাছাইয়ের জন্য কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব তুললে তা নাকচ হয়ে যায়। এছাড়া বিরোধীদলের অনেকগুলো সংশোধনী গ্রহণ করা হয়। এগুলোর মধ্যে একটি হলো সার্চ কমিটিতে থাকবেন একজন নারী।
এর আগে সকালে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়। সংসদে উত্থাপিত এ বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটি উত্থাপিত বিলে দুটি সংশোধনী এনে পাসের সুপারিশ করলে ধারা দুটি সংশোধন করে বিলটি পাস হয়। এখন রাষ্ট্রপতি সই করার পর গেজেট আকারে প্রকাশ হলেই প্রথমবারের মতো প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে আইন পাবে বাংলাদেশ।
উল্লেখ্য, প্রথমে বিলের নাম ছিল, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল’। সংসদে সংশোধনী প্রস্তাব গ্রহণের মাধ্যমে এখন নাম হয়েছে ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল’।
গত রোববার বিলটি সংসদে উত্থাপন করে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। পরে বিলটি পরীক্ষা করে ৭ দিনের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি।
জবিতে ফাঁকা আসন ৬২২টি, ষষ্ঠ মেধাতালিকা প্রকাশ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য এখনও ৬২২টি আসন ফাঁকা রয়েছে। আসনগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে ষষ্ঠ মেধাতালিকা এবং পঞ্চম মাইগ্রেশন তালিকা প্রকাশিত হয়েছে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসন ২ হাজার ৭৬৫টি। মেরিট তালিকা অনুযায়ী, ‘এ’ (বিজ্ঞান) ইউনিটে আসন খালি ছিল ৪৩৩টি। এ ইউনিটে ৩৭১৮ থেকে ৪১৫০ মেধাতালিকা পর্যন্ত বিষয়ের জন্য মনোনীত হয়। এ ছাড়া ‘বি’ (মানবিক) ইউনিটে আসন খালি ছিল ১২৪টি। এই ইউনিটে বিষয় পেয়েছেন ১৫৫১ থেকে ১৭৭৪ পর্যন্ত মেধাতালিকায় থাকা শিক্ষার্থীরা। ‘সি’ (বাণিজ্য) ইউনিটে ৬৪টি সিট ফাঁকা থাকায় ১১২৬ থেকে ১১৯২ পর্যন্ত মেধাতালিকার শিক্ষার্থীরা বিষয়ের জন্য মনোনীত হন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর ও আইটি সেল থেকে আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানা গেছে।
ষষ্ঠ মেধাতালিকা থেকে ভর্তি হওয়া যাবে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত জমা দেয়া যাবে। নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধ ও ভর্তি না হলে পরে ভর্তির সুযোগ পাওয়া যাবে না বলেও জানানো হয়েছে।
স্বয়ংক্রিয় মাইগ্রেশন বন্ধ করতে লগইন করে আবেদন ফরমটি ডাউনলোড করে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট ডিন অফিসে জমা দিতে হবে। সিট খালি থাকা সাপেক্ষে সপ্তম মেধাতালিকা, সাবজেক্ট ও মাইগ্রেশন প্রকাশ করা হবে।
‘এ’ ইউনিটের জন্য ১৩টি বিভাগে আসনসংখ্যা ৮২৫, ‘বি’ ইউনিটে ১৭ বিভাগে ১ হাজার ২৭০টি আসন রয়েছে৷ ‘সি’ ইউনিটের চারটি বিভাগের আসনসংখ্যা ৫২০টি।
এ ছাড়া সংগীত, চারুকলা ও নাট্যকলা বিভাগে ৪০টি করে এবং ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগে ৩০টি আসন রয়েছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য