ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

সব বিষয়ে হবে এবারের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৭ জানুয়ারি, ২০২২ ১১:৪১
নিজস্ব প্রতিবেদক
সব বিষয়ে হবে এবারের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা

চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষা জুনে ও এইচএসসি পরীক্ষা আগস্টে নেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এবার এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা সব বিষয়ে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে। ইতোমধ্যে প্রশ্নপত্র তৈরির কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

গত বছর এইসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে বিষয় কমিয়ে নেয়া হয়। তবে বোর্ড বলছে, এবার বছর সব বিষয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে।

গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয়ক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন কাজটি যেহেতু বেশ সময়সাপেক্ষ তাই আমরা ইতোমধ্যে এর প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছি। এসএসসি পরীক্ষা হয়তোবা জুনের দিকে আর এইচএসসিটা হয়তো আগস্ট বা সেপ্টেম্বরের দিকে নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, স্কুলে যে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস দেয়া হয়েছে সেটার উপর ভিত্তি করেই সব বিষয়ে এবারে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়াও এস্যাইনমেন্ট দেয়া হবে। সেগুলো মনোযোগ দিয়ে করতে হবে। তবে সব কিছু নির্ভর করবে করোনা পরিস্থিতির উপর।

একাধিক শিক্ষক বলছেন, সশরীরে একাধারে ক্লাস চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না। তাই সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে সব বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে শিক্ষার্থীদের।

এদিকে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামী দুই সপ্তাহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ২১ জানুয়ারি থেকে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকবে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    শাবিপ্রবি উপাচার্যকে সরানো হচ্ছে

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৭ জানুয়ারি, ২০২২ ১১:৩৫
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    শাবিপ্রবি উপাচার্যকে সরানো হচ্ছে

    অবশেষে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একদফা দাবি বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। উপাচার্যের পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে।

    সরকারের সংশ্লিষ্ট একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, কোনো নাটকীয় মোড় না আসলে আগামী সপ্তাহে প্রজ্ঞাপন জারি করে শাবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হবে। শাবিপ্রবি থেকেই কোনো শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। এজন্য ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজনের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।

    ওই সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, শাবিপ্রবির আন্দোলন পরিস্থিতি ও সার্বিক বিষয় নিয়ে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা গোপন প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এসব প্রতিবেদনে ঘটনার নানা দিক উঠে এসেছে। এই প্রতিবেদন নীতিনির্ধারণী দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে। ওই প্রতিবেদনের একটিতে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একই ব্যক্তিকে দ্বিতীয় মেয়াদে উপাচার্য নিয়োগের বিষয়টি নিরুৎসাহিত করা দরকার। এছাড়া শাবিপ্রবির বর্তমান উপাচার্যের জায়গায় ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অথবা সিলেটের কোনো উপযুক্ত শিক্ষককে মনোনীত করা যেতে পারে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গণমাধ্যমে জানান, শাবিপ্রবির বর্তমান উপাচার্যকে সরিয়ে দেয়ার কাজ চলছে। আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। নতুন উপাচার্য হিসেবে শাবিপ্রবির দু’জন শিক্ষকের নাম আলোচনায় আছে। তারা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়টির বর্তমান শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. তুলসী কুমার দাস ও বর্তমান কোষাধ্যক্ষ ড. আনোয়ারুল ইসলাম।

    এদিকে গণমাধ্যমের হাতে আসা গোপন প্রতিবেদনে বলা হয়, শাবিপ্রবিতে উপাচার্য বিরোধী আন্দোলনে সিলেটের আওয়ামী লীগের রাজনীতির ছায়া রয়েছে। সিলেটের বাসিন্দা ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের সঙ্গে বর্তমান উপাচার্যের সখ্য আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের টেন্ডারসহ অন্যান্য কার্যক্রমে তাকে প্রাধান্য দিয়ে আসছেন উপাচার্য। তবে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খানের সঙ্গে ভিসির দূরত্ব রয়েছে।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শাবিপ্রবির বর্তমান আন্দোলনে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের ছাত্র অধিকার পরিষদ ও বাম সংগঠনগুলো নানাভাবে উস্কানি-মদদ দিয়ে ভিন্ন খাতে নেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে একে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার অপতৎপরতা রয়েছে।

    সরকারের কাছে দেওয়া প্রতিবেদনে আগামীতে শিক্ষার্থীদের যে কোনো যৌক্তিক আন্দোলনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়। এতে বলা হয়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি মনিটরিং সেল গঠন করা যেতে পারে। শিক্ষার্থীদের যে কোনো সমস্যা নিয়ে শুরুতেই আলোচনা করে তা সমাধান করা সম্ভব। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্বায়ত্তশাসিত হওয়ায় নিজস্ব আইন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। ছাত্র কল্যাণ, শিক্ষকদের সমস্যা, হলের আবাসিক সুযোগ-সুবিধাসহ প্রক্টরিয়াল বডির কার্যক্রম তদারকির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশন বা শিক্ষা মন্ত্রণালয় তেমন কোনো ভূমিকা পালন করতে পারে না। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোটখাটো সমস্যা সমাধানে তৃতীয় পক্ষের অংশগ্রহণের সুযোগ না থাকায় সামান্য আন্দোলন ব্যাপক আকার ধারণ করে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      দ্বিতীয় মেয়াদে কাউকে ভিসি নিয়োগ না দেওয়ার সুপারিশ

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২৭ জানুয়ারি, ২০২২ ১১:২৯
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      দ্বিতীয় মেয়াদে কাউকে ভিসি নিয়োগ না দেওয়ার সুপারিশ

      সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একই ব্যক্তিকে দ্বিতীয় মেয়াদে ভিসি নিয়োগ না দিতে সুপারিশ করেছে সরকারের একটি সংস্থা। সম্প্রতি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) সৃষ্ট ঘটনায় দেয়া প্রতিবেদনে এমন সুপারিশ করেছে ওই সংস্থাটি।

      সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শাবিপ্রবিতে চলমান আন্দোলনের ঘটনায় সরকারের একাধিক সংস্থা নীতি নির্ধারনী পর্যায়ের কাছে গোপন প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে শাবিপ্রবির ঘটনার নানা দিক উঠে এসেছে। ওই প্রতিবেদন গুরুত্বের সাথে দেখছে সরকার। বিষয়টি নিয়ে দ্রুত সমাধানে যেতে চায় তারা।

      জমা দেওয়া প্রতিবেদনগুলোর একটিতে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একই ব্যক্তিকে দ্বিতীয় মেয়াদে উপাচার্য নিয়োগের বিষয়টি নিরুৎসাহিত করা দরকার। এছাড়া শাবিপ্রবির বর্তমান উপাচার্যের জায়গায় ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অথবা সিলেটের কোনো উপযুক্ত শিক্ষককে মনোনীত করা যেতে পারে।

      জানা গেছে, বড় ধরনের কোনো নাটকীয় মোড় না আসলে আগামী সপ্তাহে শাবিপ্রবির বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিনকে সরিয়ে নেয়া হবে। একই সাথে প্রজ্ঞাপন জারি করে শাবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হবে। শাবিপ্রবি থেকেই কোনো শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। এজন্য ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজনের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।

      নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গণমাধ্যমে জানান, শাবিপ্রবির বর্তমান উপাচার্যকে সরিয়ে দেয়ার কাজ চলছে। আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। নতুন উপাচার্য হিসেবে শাবিপ্রবির দু’জন শিক্ষকের নাম আলোচনায় আছে। তারা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়টির বর্তমান শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. তুলসী কুমার দাস ও বর্তমান কোষাধ্যক্ষ ড. আনোয়ারুল ইসলাম।

      এদিকে গণমাধ্যমের হাতে আসা গোপন প্রতিবেদনে বলা হয়, শাবিপ্রবিতে উপাচার্য বিরোধী আন্দোলনে সিলেটের আওয়ামী লীগের রাজনীতির ছায়া রয়েছে। সিলেটের বাসিন্দা ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের সঙ্গে বর্তমান উপাচার্যের সখ্য আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের টেন্ডারসহ অন্যান্য কার্যক্রমে তাকে প্রাধান্য দিয়ে আসছেন উপাচার্য। তবে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন খানের সঙ্গে ভিসির দূরত্ব রয়েছে।

      প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শাবিপ্রবির বর্তমান আন্দোলনে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের ছাত্র অধিকার পরিষদ ও বাম সংগঠনগুলো নানাভাবে উস্কানি-মদদ দিয়ে ভিন্ন খাতে নেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে একে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার অপতৎপরতা রয়েছে।

      সরকারের কাছে দেওয়া প্রতিবেদনে আগামীতে শিক্ষার্থীদের যে কোনো যৌক্তিক আন্দোলনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়। এতে বলা হয়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি মনিটরিং সেল গঠন করা যেতে পারে। শিক্ষার্থীদের যে কোনো সমস্যা নিয়ে শুরুতেই আলোচনা করে তা সমাধান করা সম্ভব। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্বায়ত্তশাসিত হওয়ায় নিজস্ব আইন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। ছাত্র কল্যাণ, শিক্ষকদের সমস্যা, হলের আবাসিক সুযোগ-সুবিধাসহ প্রক্টরিয়াল বডির কার্যক্রম তদারকির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশন বা শিক্ষা মন্ত্রণালয় তেমন কোনো ভূমিকা পালন করতে পারে না। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোটখাটো সমস্যা সমাধানে তৃতীয় পক্ষের অংশগ্রহণের সুযোগ না থাকায় সামান্য আন্দোলন ব্যাপক আকার ধারণ করে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার নীতিমালা চূড়ান্ত

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২৭ জানুয়ারি, ২০২২ ১১:২৫
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার নীতিমালা চূড়ান্ত

        ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই নীতিমালার আলোকেই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

        স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষার একটি খসড়া নীতিমালা তৈরি করেছিল স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। এই নীতিমালা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছিল। এটিতেই চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

        নীতিমালা প্রণয়নকারী কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আগামাী ১ এপ্রিল এমবিবিএস ও ২২ এপ্রিল বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এছাড়া আগের মতোই সম্পূর্ণ সিলেবাসের আলোকেই ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত নীতিমালার আলোকেই ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

        নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা সম্পূর্ণ সিলেবাসের আলোকেই হবে। নীতিমালায় এটিই চূড়ান্ত করা হয়েছে।

        এদিকে করোনা পরিস্থিতির অবনতি না হলে যথা সময়েই ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। তবে দেশে লকডাউন দেয়া হলে কিংবা পরিস্থিতির অবনতি হলে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হবে।

        এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু ইউসুফ ফকির বুধবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে বলেন, সম্পূর্ণ সিলেবাসের আলোকেই এবার মেডিকেল ও ডেন্টালের ভর্তি পরীক্ষা হবে। আগামী ১ এপ্রিল এমবিবিএস ও ২২ এপ্রিল বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা হবে।

        পরীক্ষা পেছানো হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, পরীক্ষা পেছানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে পেছানো হবে। তবে আশা করছি এপ্রিলের আগেই করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে চলে আসবে।

        প্রসঙ্গত, করোনা মহামারীর মধ্যে গত বছরের ২ এপ্রিল সারাদেশে একযোগে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সেবার ৩৭টি সরকারি মেডিকেলে ৪ হাজার ৩৫০টি আসনের বিপরীতে ১ লাখ ২২ হাজার ৮৭৪ জন ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আবেদন করেছিলেন। পরীক্ষায় উপস্থিত ছিলেন ১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। ভর্তি পরীক্ষার একদিন পর ৪ এপ্রিল ফল প্রকাশ করা হয়। এতে পাস করেন ৪৮ হাজার ৪৮ হাজার ৯৭৫ জন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ভিসির বাসভবন অবরোধ তুলে নিলেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৭ জানুয়ারি, ২০২২ ১০:৪১
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ভিসির বাসভবন অবরোধ তুলে নিলেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

          শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্যের বাসভবনের সামনে থেকে অবরোধ তুলে নিয়ে বাসভবনের মূল ফটক খুলে দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

          বুধবার (২৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে এই অবরোধ তুলে গেট খুলে দেয়া হয় তাদের পক্ষ থেকে। বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও লেখক জাফর ইকবালের আশ্বাসে টানা ৭ দিনের অনশন ভাঙেন উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে অনশনে বসা ২৮ শিক্ষার্থী।

          এদিকে অনশন ভাঙলেও শাবিপ্রবির উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যাবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে।

          এছাড়াও আজ বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন ও প্রশাসনিক ভবনের তালাও খুলে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

          বুধবার রাত ১১ টায় সংবাদ মাধ্যমের সামনে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য তুলে ধরেন তাদের মুখপাত্র মোহাইমিনুল বাশার রাজ আর রোমিও নিকোলাস রোজারিও।

          এসময় তারা বলে, আন্দোলনের অংশ হিসেবে ২৫ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী টানা ১৬৩ ঘণ্টা ১৭ মিনিট অনশনরত থাকার পর অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এবং অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন হকের অনুরোধে অনশন থেকে সরে এসেছেন। তবে আপাতত অনশন থেকে সরে আসা হলেও উপাচার্যের পদত্যাগের আগ পর্যন্ত চলমান আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। আন্দোলনের অংশ হিসেবে নাটক, গান, কবিতা আবৃত্তি, র‍্যালিসহ বেশকিছু কর্মসূচি হাতে নেবার কথাও জানায় তারা।

          এছাড়াও শাবিপ্রবি ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের দখলে থাকবে বলেও ঘোষণা দেয়া হয় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে।

          এসব দাবি পূরণে শিক্ষার্থীরা আশ্বাস পেলেও মূল দাবি ভিসিকে অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে প্রত্যাহার করা হয়নি। তবে ছাত্র উপদেষ্টা ও প্রক্টরিয়াল বডির অপসারণের দায়িত্ব ড. জাফর ইকবাল এবং ড. ইয়াসমিন হক নিয়েছেন।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত