ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ স্বাধীনতার ইতিহাসে অনন্য মাইলফলক

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ জানুয়ারি, ২০২২ ১১:১০
নিজস্ব প্রতিবেদক
শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ স্বাধীনতার ইতিহাসে অনন্য মাইলফলক

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ আমাদের মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধীনতার ইতিহাসে একটি অনন্য মাইলফলক। গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে শহীদ আসাদের এ অসামান্য অবদান দেশের গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) শহীদ আসাদ দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, “দেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে শহীদ আসাদ দিবস একটি অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে দেশের ছাত্রসমাজের ১১ দফা দাবির মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ছাত্রনেতা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ওরফে আসাদ। আজকের এ দিনে আমি শহীদ আসাদকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে শহীদ আসাদ একটি অমর নাম। তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলনে তার আত্মত্যাগ আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে। স্বাধিকারের দাবিতে সোচ্চার সব শ্রেণিপেশার মানুষ জেল-জুলুম উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে। পর্যায়ক্রমে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হতে থাকে। পরে সেই আন্দোলন গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়। পতন হয় স্বৈরশাসক আইয়ুবের। এ গণ-অভ্যুত্থানের পথ ধরেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

তিনি শহীদ আসাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ৩৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত, পুলিশ ভেরিফিকেশনও চলবে

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২০ জানুয়ারি, ২০২২ ১১:১
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৩৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত, পুলিশ ভেরিফিকেশনও চলবে

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে যোগদানের জন্য ৩৮ হাজার ২৮৩ জন চাকরিপ্রার্থীর অবশেষে অপেক্ষার অবসান হচ্ছে। পুলিশ ভেরিফিকেশন চলমান রেখেই তাঁদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে আজ বুধবার বলেন, ‘স্কুল-কলেজগুলোয় অনেক শিক্ষকের পদ ফাঁকা। এ জন্য আমরা পুলিশ ভেরিফিকেশন চলমান রেখেই তাঁদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। গত পরশু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

    কবে নাগাদ নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘শিক্ষকদের নিয়োগের জন্য আমাদের সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আশা করি, তারা খুব দ্রুত নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু করবে।’

    নিয়োগের পর পুলিশ ভেরিফিকেশনে কারও বিরুদ্ধে বিরূপ মন্তব্য এলে তা এনটিআরসিএকে জানানো হবে এবং তাঁদের নিয়োগ বাতিল হবে বলে জানান তিনি। এনটিআরসিএর তৃতীয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আওতায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৩৮ হাজার ২৮৩ জন প্রার্থীর নিয়োগ পুলিশ ভেরিফিকেশনের কারণে এত দিন আটকে ছিল। উত্তীর্ণ হয়েও চাকরিতে যোগ দিতে না পারায় হতাশ হয়ে পড়েছিলেন নিয়োগের জন্য সুপারিশ পাওয়া এসব চাকরিপ্রত্যাশী। এ নিয়ে প্রথম আলোতে গত ২৪ ডিসেম্বর ‘এনটিআরসিএ: তিন বছরেও শেষ হয়নি শিক্ষক নিয়োগপ্রক্রিয়া’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল।

    এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, সারা দেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ৫৪ হাজার ৩০৪ জন শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২০১৮ সালের ২৮ নভেম্বর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের এই প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ১৯ এপ্রিল। প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা হয় ২০১৯ সালের জুলাইয়ে। এরপর মৌখিক পরীক্ষা হয় ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর থেকে ২০২০ সালের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয় গত বছরের ১৫ জানুয়ারি।

    এনটিআরসিএ সূত্র আরও জানায়, ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্য থেকে স্কুল ও কলেজে শিক্ষক নিয়োগের জন্য গত বছরের ৩০ মার্চ তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। গণবিজ্ঞপ্তির আলোকে ৪ এপ্রিল আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে শেষ হয় ৩০ এপ্রিল। গত ১৫ জুলাই ৩৮ হাজার ২৮৩টি পদে নিয়োগের সুপারিশ করে এনটিআরসিএ। এর মধ্যে ৩৪ হাজার ৬০৭টি এমপিওভুক্ত পদ ও ৩ হাজার ৬৭৬টি নন-এমপিও পদে নিবন্ধিত প্রার্থীদের নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়।

    এর আগে দুটি গণবিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে দুই দফায় শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে এনটিআরসিএ। ওই দুই গণবিজ্ঞপ্তিতে ২০১৫ ও ২০১৬ সালে নিয়োগ পেয়েছেন প্রায় ৩৬ হাজার শিক্ষক।

    এর আগে দুটি গণবিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে দুই দফায় শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে এনটিআরসিএ। ওই দুই গণবিজ্ঞপ্তিতে ২০১৫ ও ২০১৬ সালে নিয়োগ পেয়েছেন প্রায় ৩৬ হাজার শিক্ষক।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট নির্বাচন স্থগিত

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২০ জানুয়ারি, ২০২২ ১০:৫৭
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট নির্বাচন স্থগিত

      শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। পরে সুবিধাজনক সময়ে এ নির্বাচনের আয়োজন করা হবে। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট নির্বাচনের কথা ছিল।

      গতকাল মঙ্গলবার রাতে সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।

      বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে গত বৃহস্পতিবার আন্দোলন শুরু করেন হলের কয়েক শ ছাত্রী। শনিবার সন্ধ্যার দিকে ছাত্রলীগ হলের ছাত্রীদের ওপর হামলা চালায়। পরের দিন বিকেলে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি ভবনে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করেন। তখন পুলিশ শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটা ও তাঁদের লক্ষ্য করে শটগানের গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। ওই দিন রাত সাড়ে আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ও শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার ঘোষণা দিলেও শিক্ষার্থীরা তা উপেক্ষা করে উপাচার্যের পদত্যাগ চেয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকা, রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর, খুলনা ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        রাবিতে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার দাবি শিক্ষক সমিতির

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২০ জানুয়ারি, ২০২২ ১০:৪৭
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        রাবিতে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার দাবি শিক্ষক সমিতির

        করোনাভাইরাসের অমিক্রন ও ডেলটা ধরনের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীর ক্লাস বন্ধ করে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি। আজ বুধবার সকালে সংগঠনের কার্যনির্বাহী সদস্য সাজ্জাদ বকুলের পাঠানো এবং সভাপতি দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক মো. কুদরত-ই-জাহান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

        বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিদিন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলিয়ে প্রায় ৪০ হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। বিভিন্ন বিভাগে ইতিমধ্যে নতুন বর্ষের ক্লাস শুরু হয়েছে। এর পাশাপাশি অনেক বিভাগে পরীক্ষা চলছে। করোনা সংক্রমণ বেড়ে গেলেও অনেকের মধ্যেই এখনো যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ক্ষেত্রে অনীহা লক্ষণীয়। এ পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় জুবেরী ভবনে সমিতির অফিসে একটি নির্বাহী পরিষদের জরুরি সভা আহ্বান করে।

        বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ওই সভায় চারটি বিষয়ে প্রস্তাব গ্রহণ করে সেসব বিষয়ে শিগগিরই ব্যবস্থা নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানানোর সিদ্ধান্ত হয়। প্রস্তাবগুলো হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান সব ক্লাস সশরীর গ্রহণের পরিবর্তে যত দ্রুত সম্ভব অনলাইনে নেওয়ার ব্যবস্থা করা; ক্যাম্পাসে অবস্থিত সব ধরনের দোকানপাটে করোনার বিধিনিষেধ কঠোরভাবে পালনের উদ্যোগ নেওয়া; ক্যাম্পাসে বহিরাগত ব্যক্তিদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং ক্যাম্পাসের ভেতর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ; বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে করোনার চিকিৎসার সুব্যবস্থা করা, বিশেষত প্রয়োজনীয় সংখ্যক অক্সিজেন সিলিন্ডার নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নেওয়া।

        দাবিগুলো আজ সকালে লিখিত আকারে উপাচার্য গোলাম সাব্বির সাত্তারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সংগঠনের গতকালের সভায় সমিতির পক্ষ থেকে নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের সমন্বয়ে একটি কোভিড রেসপন্স টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিম প্রয়োজনে করোনায় আক্রান্ত শিক্ষক ও তাঁদের পরিবারের পাশে থাকবে। এ ছাড়া সমিতির সদস্যদের নিয়ে একটি উপকমিটিও গঠন করা হয়। এ কমিটি করোনা বিষয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ক্যাম্পাসে সবার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          দ্বিতীয়বার ও সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে ইউজিসির চিঠি

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২০ জানুয়ারি, ২০২২ ১০:৪৩
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          দ্বিতীয়বার ও সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে ইউজিসির চিঠি

          ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয়বার সুযোগ রাখা এবং সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের আলোকে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে মতামত জানতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে চিঠি পাঠিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।

          বুধবার (১৯ জানুয়ারি) ইউজিসির পক্ষ থেকে সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর এই চিঠি পাঠানো হয়। এতে ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ জামিনুর রহমান স্বাক্ষর করেছেন।

          চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘‘শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় ইউজিসির সাথে সাম্প্রতিক এক সভায় এইচএসসি ২০২১ পরীক্ষার্থীদের জন্য পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাসের আলোকে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পর্যায়ে ভর্তি পরীক্ষা এবং স্নাতক পর্যায়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগদান প্রসংগে বিশ্ববিদ্যালয়ের মতামত দ্রুততম সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবার জানার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন৷ এ সংক্রান্ত বিষয়ে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের মতামত জানানোর অনুরোধ করছি।’’

          এর আগে গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের আলোকে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের পরামর্শ দেন।

          ওইদিন শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার জন্য আমরা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) নির্দেশ দিয়েছি। তারা উপাচার্যদের সাথে কথা বলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

          এদিকে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, আসলে চাকরির পরীক্ষা এবং ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে স্ক্রিনিং। এগুলোর কোনো সিলেবাস হয় না। চাকরির পরীক্ষা এবং ভর্তি পরীক্ষার জন্য কোনো অনুমোদিত সিলেবাস নেই। এর বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়।

          এদিকে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা সম্পূর্ণ সিলেবাসে আয়োজনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শিগগিরই পরীক্ষার তারিখসহ বিস্তারিত জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

          সোমবার (১৭ জানুয়ারি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে আয়োজিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

          বৈঠক শেষে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. আবু ইউসুফ ফকির দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেছিলেন, সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের বিষয়টি তোলা হয়েছিল। তবে সেটিতে কেউ রাজি নন। তাই ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা সম্পূর্ণ সিলেবাসের আলোকেই অনুষ্ঠিত হবে। সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা হবে না।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত