শিরোনাম
সাত কলেজের মেধাতালিকা প্রস্তুত, যেকোনো সময় প্রকাশ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অধিভুক্ত রাজধানীর সরকারি সাতটি কলেজের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী দু’একদিনের মধ্যে যেকোনো সময় মেধাতালিকা প্রকাশিত হবে। ভর্তিচ্ছুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে গিয়ে ফল দেখতে পারবেন।
শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির দেয়া সময় অনুযায়ী আগামীকাল শনিবার (১৫ জানুয়ারি) মেধাতালিকা প্রকাশের কথা ছিল। ফল প্রকাশের লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং সাত কলেজে ভর্তির বিষয়টি সমন্বয় করতে গিয়ে সাত কলেজের মেধাতালিকা প্রকাশে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। এছাড়া আমাদের নিজেদেরও কিছু টেকনিক্যাল ব্যাপার রয়েছে। তবে এখন ফল প্রস্তুত আছে। আগামী দু’একদিনের মধ্যে ফল প্রকাশিত হবে।
এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল আজ সোমবার (১০ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের বিষয় ও কলেজ পছক্রমের ফল প্রকাশিত হবে।
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কলেজ ও সাবজেক্ট চয়েজের ফল প্রকাশের পর আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে কলেজগুলোর ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে। পরে ক্লাস শুরু বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হবে
গত ৫ ডিসেম্বর থেকে সাত কলেজের বিজ্ঞান অনুষদ, বাণিজ্য অনুষদ, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কলেজ ও বিষয় পছন্দ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পরে ২০ ডিসেম্বর এ প্রক্রিয়া শেষ হয়।
এর আগে, গত বছরের ৫, ৬ নভেম্বর সাত কলেজের বাণিজ্য, বিজ্ঞান অনুষদ এবং ১৩ নভেম্বর কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ভর্তি পরীক্ষায় বাণিজ্য অনুষদে পাশের হার প্রায় ৭৩ শতাংশ, বিজ্ঞান অনুষদে পাশের হার ৫৭.৭০ শতাংশ ও কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে পাশের হার ৬৭.৯ শতাংশ।
যুক্তরাষ্ট্রে যেখানে প্রয়োজন, তদবির করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনে লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ দেওয়া একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং যেখানে প্রয়োজন, সেখানে বাংলাদেশ তাদের ব্যবহার করবে।
শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল’ অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক কনফারেন্স শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, আমাদের দেশে এটিকে আমরা তদবির বলি। যেখানে দরকার হবে, সেখানে আমরা তদবির চালাব।
মন্ত্রী বলেন, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) ওপর একটা নিষেধাজ্ঞা এসেছে, কিন্তু স্টেট ডিপার্টমেন্ট বলছে এবং স্বীকার করেছে যে র্যাব সন্ত্রাস অনেকটা কমিয়েছে। তারা সেগুলো চিন্তাভাবনা করবে। তাদের যে লক্ষ্য, সন্ত্রাস কমানোসহ অন্যান্য কাজ, র্যাব সেগুলোই করছে এবং সফলভাবে করছে। এ কারণে র্যাব বাংলাদেশের জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। আমার মনে হয়, সবাই এটা বুঝবে এবং তখন অবস্থার পরিবর্তন হবে।
তিনি বলেন, আমরা আইনের দেশ। এ দেশের সৃষ্টিই হয়েছিল গণতান্ত্রিকভাবে। আমেরিকাও গণতান্ত্রিক দেশ। গণতন্ত্রে অনেক ধাক্কা আসে। সব গণতন্ত্রতেই অপূর্ণতা আছে। আমরা দিনে দিনে পরিপক্কতা অর্জন করেছি। আমরা আমাদের গণতান্ত্রিক নিয়মে চলছি। এর মধ্যে যদি কোনো ধাক্কা আসে, আমরা সেটা গুরুত্বের সঙ্গে দেখব।
এর আগে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল' অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (বিলিয়া) অডিটোরিয়ামে একটি আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিলিয়ার পরিচালক অধ্যাপক মিজানুর রহমান।
অনুষ্ঠানে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. রহমত উল্লাহ, বিলিয়ার চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট ব্যরিস্টার এম আমির-উল ইসলাম, বিলিয়ার আজীবন সদস্য মুহাম্মদ জামিরসহ অনেকে। এসময় দেশের বাইরে থেকেও বিভিন্ন অতিথি অনলাইনে যুক্ত হন।
বাংলাদেশ সময়: ১৩২৪ ঘণ্টা, জানুয়ারি ১৪, ২০২২
৪৪তম বিসিএসের আবেদন নিয়ে প্রার্থীদের জিজ্ঞাসা ও উত্তর
প্রশ্ন: আমি বিসিএস আবেদন ফরমে স্নাতক পরীক্ষার রেজাল্ট লিখতে ভুল করেছি। এখন কী করব?
উত্তর: বিসিএস আবেদন ফরম পূরণে কোন ভুল হলে, টাকা জমা না দিয়ে নতুন করে আরেকটা আবেদন করবেন এবং নতুন ইউজার আইডি দিয়ে টাকা পরিশোধ করবেন (পুরাতন আবেদন ৭২ ঘণ্টা পর বাতিল হয়ে যাবে)। আর কোনো ভুল করে টাকা জমা দেওয়া হয়ে গেলে, সেটি গুরুতর ভুল হলে পিএসসিতে আবেদন করে বর্তমান আবেদন ফরম বাতিল করে পুনরায় আবেদন করবেন। সেটি ছোটখাটো ভুল হলে, লিখিত পরীক্ষা পাসের পর সংশোধনের সুযোগ পাবেন। কোনো ভুল হলে দুশ্চিন্তা না করে, পিএসসির হেল্প ডেস্কে যোগাযোগ করুন।
প্রশ্ন: আমি একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি করি। ৪৪তম বিসিএসের আবেদনে কি চাকরিজীবী উল্লেখ করতেই হবে?
সানজিদা রিতু
উত্তর: ৪৪তম বিসিএস নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ৬.০ নির্দেশনা অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মে চাকরিরত প্রার্থীদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে আবেদন করতে হবে এবং ৩১.১ নির্দেশনা অনুযায়ী প্রার্থী কোনো তথ্য গোপন করলে তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়া সুপারিশের পর, নিয়োগের পূর্বে আপনার তথ্যের ভ্যারিফিকেশন করা হবে। তাই সঠিক তথ্য দিয়ে আবেদন করা ভালো।
প্রশ্ন: আমাদের ভাড়া বাসার ঠিকানা স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে জাতীয় পরিচয়পত্রে দেওয়া আছে। কিন্তু ওখানে আমাদের নিজের কোনো জমি নেই। এই স্থায়ী ঠিকানা বিসিএসের আবেদন ফরমে দিলে কি সমস্যা হবে? অথবা আমি নারায়ণগঞ্জ থেকে আমার পড়াশোনা শেষ করেছি। আমার এনআইডি কার্ডও নারায়ণগঞ্জ থেকেই করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের হোমটাউন ময়মনসিংহ। এখন বিসিএসে আবেদনের সময় আমার স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা কোনটা দেব?
আকাশ কুমার সাহা
উত্তর: আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রে ঠিকানা যেটাই থাকুক বা আপনি যেকোনো এলাকার ভোটার হোন বা না কেন, আপনার পূর্বপুরুষ দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন বা নিজস্ব ভূমি আছে—এমন ঠিকানা স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করবেন। এতে ওই এলাকার বাসিন্দারা আপনাকে সহজেই শনাক্ত করতে পারবেন, ফলে পুলিশ ভ্যারিফিকেশনের সময় সুবিধা হবে।
প্রশ্ন: আমার শারীরিক ওজন ৪২ কেজি। আমি কি আবেদন করতে পারব? অথবা পুলিশ ও আনসার ভিন্ন অন্যান্য ক্যাডারের ক্ষেত্রে পুরুষের ন্যূনতম ওজন ৪৫ কেজি। কোনো পুরুষ প্রার্থী মেধাতালিকায় থেকে শারীরিক ওজনের শর্তটি পূরণ করতে না পারলে তাকে কি নিয়োগ দেওয়া হবে না?
নাজমুল হক
উত্তর: ৪৪তম বিসিএস নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ২৯.১ নির্দেশনা অনুযায়ী, পুরুষ প্রার্থীকে পুলিশ ও আনসার ক্যাডারে ৫৪.৫৪ কেজি ও অন্যান্য ক্যাডারের জন্য ৪৫ কেজি ওজন (ন্যূনতম) থাকতে হবে। অন্যথায়, মেডিকেল পরীক্ষায় সেই প্রার্থী অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। তবে, যেহেতু মেডিকেল পরীক্ষা নিয়োগের সর্বশেষ ধাপ, আপনি অসুস্থ না হলে, এই সময়ের মধ্যে নির্ধারিত ওজনে যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাবেন।
প্রশ্ন: আমার পরীক্ষা শেষ হবে ৩১ জানুয়ারি, ২০২২। কিন্তু এখনো ৩য় বর্ষের একটি সাবজেক্টে অনুত্তীর্ণ আছে। আমি কি বিসিএসে আবেদন করতে পারব? অথবা, অনার্স ২য় বর্ষে ইম্প্রুভমেন্ট এক্সাম আছে, কিন্তু অনার্স চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা ৩১ জানুয়ারি, ২০২২ তারিখে শেষ হবে। আমি কি ৪৪তম বিসিএসে আবেদন করতে পারব? অথবা আমি অনার্স চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষার্থী। অনার্স তৃতীয় বর্ষে একটি বিষয়ে আমি অনুত্তীর্ণ এবং কন্ডিশনালি প্রোমটেড হই। এখন তৃতীয় বর্ষের আগে চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা হচ্ছে। আমি কি ৪৪তম বিসিএসে অ্যাপিয়ার্ড প্রার্থী হিসেবে আবেদন করতে পারব?
ইমতিয়াজ হোসেন
উত্তর: ৪৪তম বিসিএসের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ১.৩ নির্দেশনা অনুসারে, কোনো প্রার্থী এমন কোনো পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়ে থাকলে যে পরীক্ষায় পাস করলে তিনি ৪৪তম বিসিএসে আবেদনের যোগ্যতা অর্জন করবেন, তাহলে তার পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের আগপর্যন্ত অবতীর্ণ প্রার্থী হিসেবে আবেদন করতে পারবেন। এই নির্দেশনা অনুসারে ধারণা করা যায়, কোনো প্রার্থীর এক বা একাধিক বিষয়ে অনুত্তীর্ণ আছে, কিন্তু সে পরীক্ষা এখনো অনুষ্ঠিত হয়নি—এমন হলে অবতীর্ণ প্রার্থী হতে পারবে না। তবে মানোন্নয়ন পরীক্ষা থাকলে সেটি গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
প্রশ্ন: আমার জাতীয় পরিচয়পত্র ও সার্টিফিকেটে বাবা-মায়ের নাম ঠিক আছে। তবে আমার বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রে বাবা এবং মায়ের নাম ভুল আছে। এটা চাকরি ক্ষেত্রে কতটুকু প্রভাব পড়বে?
মমিনুর রহমান
উত্তর: আপনি চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হলে নিয়োগের আগে আপনার সব তথ্য, পরিচিতি ও ঠিকানা ভ্যারিফিকেশন করা হবে। এখানে প্রার্থীর বাবা-মায়ের নামের বিষয়টি প্রার্থীর সার্টিফিকেট ও বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের মধ্যে অসামঞ্জস্য দেখা দিলে প্রার্থীর পরিচিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। তাই কোনো কাগজপত্রে ভুল থাকলে সেটি দ্রুত সংশোধন করা ভালো।
প্রশ্ন: আমি একজন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। আমি কি জেনারেল আর টেকনিক্যাল উভয় ক্যাডারে আবেদন করতে পারব?
শামীমা আক্তার
উত্তর: একজন প্রার্থী সব জেনারেল ক্যাডার এবং তার স্নাতক বিষয়সম্পর্কিত প্রফেশনাল বা টেকনিক্যাল ক্যাডার পছন্দক্রমের তালিকায় রাখতে পারবে। কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকসম্পন্ন একজন প্রার্থী জেনারেল ক্যাডারের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা ক্যাডারে আবেদন করতে পারবে, অর্থাৎ আপনি উভয় ক্যাডারে আবেদন করতে পারবেন।
প্রশ্ন: কেউ যদি বিসিএস লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা মিলিয়ে সর্বোচ্চ নম্বর পায়। তাহলে তিনি কি যেকোনো ক্যাডারে নিতে পারবেন? যেমন যদি তার প্রথম পছন্দ পুলিশ ক্যাডার এবং দ্বিতীয় পছন্দ প্রশাসন ক্যাডার হয়, তিনি কি প্রথম চয়েস রেখে দ্বিতীয় চয়েসের ক্যাডারে যোগ দিতে পারবেন?
রাকিবুল হাসান
উত্তর: মেধাতালিকা ও পছন্দের তালিকা অনুসারে একজন প্রার্থীকে বিভিন্ন ক্যাডারে সুপারিশ করা হয়। আপনি সর্বোচ্চ নম্বর পেলে আপনাকে সুপারিশ করার সময় পছন্দক্রমের উপরের ক্যাডার পেয়ে গেলে পরের ক্যাডার পাওয়ার আর সুযোগ নেই। তাই এখন থেকেই আপনার ক্যাডার পছন্দক্রম অনেক চিন্তাভাবনা করে নির্দিষ্ট করা উচিত।
প্রশ্ন: ৩ বছরের ডিগ্রি পাস কোর্স করার পর প্রিলি–মাস্টার্স পাস করলে ৪৪তম বিসিএসে কি আবেদন করা যাবে?
ফারুক শিকদার
উত্তর: বিসিএস আবেদনের শিক্ষাগত যোগ্যতায় এইচএসসি পাসের পর চার বছর মেয়াদী শিক্ষা সমাপনী ডিগ্রির থাকতে হবে বলা আছে। তাই তিন বছর মেয়াদি পাস কোর্স ডিগ্রি সম্পন্ন করা প্রার্থীদের অতিরিক্ত দুই বছর মেয়াদি মাস্টার্স সম্পন্ন করে বিসিএসে আবেদন করতে হবে।
কারিগরিতে ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থী ভর্তি নিশ্চিত করতে চায় সরকার
উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ২০৪১ সালের মধ্যে কারিগরিতে ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থী ভর্তি নিশ্চিত করতে চায় সরকার। বুধবার (১৩ জানুয়ারি) ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
ডা. দীপু মনি বলেন, ‘রূপকল্প ২০৪১’-এ কারিগরি শিক্ষায় দেশের ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থী ভর্তি (এনরোলমেন্ট) নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষিত ডিগ্রিধারীদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে এই কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়।
কারিগরি শিক্ষায় এনরোলম্যান্ট বৃদ্ধির এই মহাপরিকল্পনার প্রশংসা করেন ইইউ প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
ইইউ প্রতিনিধিদের শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ‘২০০৯ সালে কারিগরিতে এনরোলমেন্ট ছিল ১ শতাংশ। ক্ষমতায় আসার পর টার্গেট নেওয়া হয়েছিল ২০২০ সালের ২০ শতাংশ নিশ্চিত করার। তখন এটাকে উচ্চাভিলাষী মনে করেছিলেন অনেকেই। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে এনরোলমেন্ট হয়েছে ১৭ শতাংশের বেশি। আমরা চাই— ২০৪১ সালের মধ্যে কারিগরিতে ৫০ শতাংশ এনরোলমেন্ট করতে।
ইইউ প্রতিনিধি দলকে শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশের প্রতিটি উপজেলায় কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করা হচ্ছে। মাইন্ডসেট চেঞ্জ করে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তুলতে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। অনেকে মনে করে কারিগরিতে কম মেধাবীরা পড়াশোনা করে। তাই মাইন্ডসেট পরিবর্তন করতে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সারাদেশে ১৬টি শতবর্ষী অনার্স কলেজ রয়েছে। আরও কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে দেড়শ বছরেরও পুরাতন । এসব প্রতিষ্ঠানগুলোয় অনার্স-মাস্টার্স চালু রেখে অন্যান্য কলেজগুলোয় ডিগ্রি কোর্স করানো হবে। ডিগ্রি কোর্সের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কারিগরি ট্রেড পড়ানো হবে। এতে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অনেকে মনে করছেন শিক্ষকদের চাকরি থাকবে না। আসলে তা নয়, কর্মরত শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে শিক্ষার্থীদের ট্রেড কোর্স পাড়ানো হবে। শিক্ষার্থীরা ডিগ্রি কলেজগুলোতে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমাও করতে পারবেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকা দিতে আলাদা বুথ করার নির্দেশ
জাতীয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকা দিতে জেলা পর্যায়ে থেকে ঢাকার জন্য আলাদা আলাদা বুথ করার নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়, জাতীয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সহ সমপর্যায়ের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাইভেট শিক্ষার্থীদের (ও লেভেল/এ লেভেল) কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদান করার নিমিত্তে উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা পর্যায়ে জেলা সদর হাসপাতালে প্রত্যেকটিতে একটি করে বুথ করতে হবে। আর ঢাকা জেলার জন্য ডিএনসিসি করোনা ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বুথ নির্দিষ্ট করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
টিকা নিতে শিক্ষার্থীদের জাতীয় পরিচয়পত্র জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র ব্যবহার করে সুরক্ষা অ্যাপে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে টিকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, জাতীয় পরিচয়পত্র/ জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র না থাকলে তালিকা প্রস্তুত করে ভ্যাকসিন কার্ডের মাধ্যমে (সংযুক্ত) ভ্যাকসিন প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন ছাড়া টিকা নিলে ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে না।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য