ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে সিদ্ধান্ত আপাতত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সীমিত পরিসরেই চলবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ জানুয়ারি, ২০২২ ১৬:৪৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে সিদ্ধান্ত আপাতত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সীমিত পরিসরেই চলবে

আপাতত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সীমিত পরিসরেই চলতে থাকবে। তবে করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতি ঘন ঘন পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে করণীয় ঠিক করতে রোববার রাতে করোনাসংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিসহ সংশ্লিষ্ট অন্যরা। বৈঠকে ওই সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠকের পর রাতে এ কথা জানিয়ে পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা প্রথম আলোকে বলেন, বৈঠকে সব তথ্য-উপাত্ত ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত হয়েছে, আপাতত যেভাবে সীমিত আকারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চলছে, সেভাবেই চলবে। তবে খুব ঘন ঘন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে ও পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বৈঠকের বিষয়ে জানাতে সোমবার বেলা ১১টায় সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

তবে শিক্ষামন্ত্রী রোববার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে করোনার সংক্রমণের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়া নিয়ে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, যারা বলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে, বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তারা শুধু সংবেদনশীলতা সৃষ্টি করার জন্য করছে; অন্য কিছু না। তারা নানাভাবে গুজব ছড়ায়, সব সময়ই গুজব হয়, গুজবে কান দেবেন না। তবে প্রয়োজনে বন্ধ করা হবে। কিন্তু যতক্ষণ না সেই প্রয়োজন অনুভূত হবে, ততক্ষণ বন্ধ করা হবে না।

করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে করণীয় ঠিক করতে রোববার রাতে করোনাসংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে সভা হবে জানিয়ে ওই সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করে কী কী অপশন (বিকল্প) আছে তা খুঁজে বের করে, স্বাস্থ্যবিধি পুরোপুরি বজায় রেখে ও সবাইকে কীভাবে করোনার টিকার আওতায় এনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যায়, সে ব্যাপারে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হবে।

শিক্ষামন্ত্রী এ–ও বলেন‍, ‘তবে এটাও ঠিক, যদি মনে হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার কারণে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা থাকবে, তখন হয়তো বন্ধ করে দেওয়া হবে। কিন্তু এখনো যে অবস্থা আছে, আমরাই চাইছি, চেষ্টা করছি কীভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সুরক্ষিত রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করা যায়। যদি বন্ধ করতে হয় আমরাই বলব। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরে যাক। কাজেই সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।’

করোনা সংক্রমণের কারণে দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর বন্ধের পর গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে। তবে সব দিন সব শ্রেণির ক্লাস হচ্ছে না। সীমিত পরিসরে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ঝুঁকিপূর্ণদের অনলাইনে ক্লাস করার পরামর্শ শিক্ষামন্ত্রীর

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১০ জানুয়ারি, ২০২২ ১৬:৪৩
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ঝুঁকিপূর্ণদের অনলাইনে ক্লাস করার পরামর্শ শিক্ষামন্ত্রীর

    শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি বলেছেন, কিছু শিক্ষার্থী আছেন যাদের ঝুঁকি বেশি। তাদের আমরা বলবো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে না এসে অনলাইনে ক্লাস করুন। টিভিতে যে ক্লাস হয় সেগুলো দেখুন। এসাইনমেন্টগুলোও স্বাস্থ্যবিধি মেনে জমা দিন।

    আজ সোমবার (১০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    এসময় মন্ত্রী আরও বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ শিক্ষার্থী বলতে আমরা ক্যান্সার, কিডনি ও এ্যাজমার সমস্যা যাদের আছে তাদের বলছি। শুধু শিক্ষার্থী না শিক্ষকদের কারো কারো এমন সমস্যা থাকতে পারে। সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত থাকবেন বলে আশা করেন তিনি।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ওমিক্রনে কেউ আক্রান্ত হলে পুরো পরিবার আক্রান্ত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বাসায় থাকলেও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আমাদের সবদিক দেখতে হবে। গত দেড়- দুই বছরের ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করতে হবে। নতুন করে যাতে ঘাটতি তৈরি না হয় সেচেষ্টা করতে হবে। আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যতক্ষণ থাকবে শিক্ষার্থীরা ততক্ষণ তাদের সুরক্ষিত রাখার ব্যবস্থা করতে পারি।

    কওমী মাদরাসায় মনিটরিংয়ের ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমরা এখনো যতটা খবর পাচ্ছি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানার কাজ চলছে। তবে মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং আরো জোরদার করা হবে। আগে স্কুলে মনিটরিং ছিলো। এখন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও করবো। কওমী মাদ্রাসায় মনিটরিংয়ে ঘাটতি রয়েছে। তারা যেহেতু আমাদের নিবন্ধিত না তাদের সরাসরি মনিটরিং করা শক্ত। আশা করছি স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে মনিটরিং করতে পারবো। এ বিষয়ে দুই একদিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

    মন্ত্রী বলেন, সরকারি, বেসরকারি, জাতীয়, উন্মুক্ত ও আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী আছে ৪৪ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫১ জন। এদের মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ২৩ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৮ জন। দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ১৭ লাখ ১৩ হাজার ৩০২ জন। আর নিবন্ধন করেছেন ২৭ লাখ ৩১ হাজার ২৮৭ জন। তার মধ্যে ২৯ লাখ আছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে। জাতীয়, উন্মুক্ত ও ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের একটা বড় সংখ্যা আছে। পাবলিক এবং প্রাইভেটে ৯৫ ভাগ টিকা দেয়া সম্পন্ন হয়ে গেছে। তিনটা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আগামীকাল বসছি। কিভাবে তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে টিকা দেয়া যায় সে বিষয়ে আগামীকাল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      এবারও এসএসসি-এইচএসসি সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১০ জানুয়ারি, ২০২২ ১৬:৩৮
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      এবারও এসএসসি-এইচএসসি সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে

      এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা চলতি বছরের মাঝামাঝি সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সোমবার (১০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

      শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালে এসএসসি নিতে পেরছিলাম, এইচএসসি নিতে পারিনি। ২০২১ সালে আমরা বলেছিলাম দেরিতে হলেও নেওয়ার চেষ্টা করবো, আমরা নিতে পেরেছি। পরিস্থিতি পক্ষে ছিল বলে নিয়েছি।

      তিনি বলেন, নতুন বছর ২০২২ সালেও আমরা পরীক্ষা নিতে চাই। যারা পরীক্ষা দেবে তারা পড়াশোনা করতে পারেনি। আমরা একটা আভাস দিয়েছি যে বছরের মাঝামাঝি নেব। ক্লাস করিয়ে নিয়ে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে বছরের মাঝামাছি পরীক্ষা নেব আমাদের সিদ্ধান্ত সে জায়গায় আছে। সুনির্দিষ্ট তারিখ দেওয়া সম্ভব নয়। আমরা পর্যযক্ষেণ করবো, ক্লাস করাতে থাকবো, যখন নেওয়ার মতো হয় তখন নেব। দুই তিন মাস আগে আমরা জানতে পারবো।

      দীপু মনি বলেন, পরীক্ষার আয়োজন করবে শিক্ষা বোর্ডগুলো। পরীক্ষা কবে হবে, কীভাবে হবে, সেটা বলে দেওয়া হবে। অন্য কে কী বললো দয়া করে শুনবেন না। গুজবে কান দেবেন না। চটকদার অনেক সংবাদ পরিবেশন করে তাদের একটা রোজগার হয়। তাই অন্য কে কী বললো তাদের কথা না শুনে যাদের মূল দায়িত্ব তারা কী বলে সেটা শুনবো।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        মাউশির জরুরি নির্দেশনা

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৯ জানুয়ারি, ২০২২ ২০:৪৩
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        মাউশির জরুরি নির্দেশনা

        দেশে প্রতিদিনই বাড়ছে করেনা সংক্রমণ। এমন পরিস্থিতিতে রোববার রাতে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে আলোচনায় বসছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরমধ্যেই জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

        মাধ্যমিক ও শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুকের স্বাক্ষরিত অফিস আদেশটি রোববার প্রকাশ করা হয়েছে।

        অফিস আদেশে বলা হয়, করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির এই পরিস্থিতিতে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় চলমান শ্রেণি কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন দিতে অগ্রাধিকার নিশ্চিত করতে নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী সকল শিক্ষার্থীকে আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে ভ্যাকসিন দিতে ইতোমধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর গত ৩০ ডিসেম্বর বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছে। রাষ্ট্রের এই গুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রাধিকার কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে নির্দেশনাগুলো দেয়া হলো।

        অফিস আদেশে জানানো হয়, ১২-১৮ বছর বয়সী সকল শিক্ষার্থী (নিবন্ধনকৃত ও অনিবন্ধনকৃত) ভ্যাকসিন গ্রহণ করবে। আদেশে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনে শিক্ষার্থীদের টিকা কেন্দ্রে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে শৃঙ্খলা রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষককেও টিকা কেন্দ্রে প্রেরণ করবেন। টিকা গ্রহণ ছাড়া কোনও শিক্ষার্থী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। টিকা কার্যক্রম চলমান অবস্থায় সকল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সকল কর্মকর্তা কর্মচারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না। এছাড়াও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় সমন্বয় করে ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি বাস্তবায়ন নিশ্চিতে সচেষ্ট থাকবেন।

        দেশের সব অঞ্চলের পরিচালক (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা), সরকারি ও বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, সকল আঞ্চলিক উপপরিচালক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, সকল সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, সকল উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ নিয়ে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৯ জানুয়ারি, ২০২২ ২০:৪১
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ নিয়ে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

          ‘যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করতেই হয়, তখন আমরা ঘোষণা দিয়ে বন্ধ করে দেব। কিন্তু যতক্ষণ সেই প্রয়োজন অনুভূত না হবে, আমরা বন্ধ করব না। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরে যাক’ বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এ সময় তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে গুজবে কান না দিতে সবার প্রতি আহ্বান জানান।

          আজ রোববার দুপুরে সাভারের আশুলিয়ায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নবম সমাবর্তন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই আহ্বান জানান।

          শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আজ কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে আমাদের মিটিং আছে। শিক্ষার্থীদের করোনার টিকাদান কার্যক্রম জোরেশোরে চলছে। সবাইকে টিকার আওতায় নিয়ে এসে কীভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যায়, সেই চেষ্টাই করছি আমরা। তবে এটাও ঠিক, যদি মনে হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখলে সংক্রমণ বাড়বে, তখন আমরা বন্ধ করে দেবো হয়তো।’

          দীপু মনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সুরক্ষিত রেখে সংক্রমণ কীভাবে এড়াতে পারি। যাঁরা বলছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে বা হয়ে যাচ্ছে, তাঁরা গুজব ছড়াচ্ছেন। সব সময়ই এমন গুজব ছড়ানো হয়। আপনারা গুজবে কান দেবেন না।’

          দীপু মনি বলেন, ‘মহামারির সময় নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দাঁড়াতেই পারেনি। সে সময় ভিসি, প্রোভিসি, ট্রেজারার নিয়োগ দেওয়া আরেকটি বাড়তি চাপ। যদিও ভিসি ছাড়া থাকতেই হবে, এ ছাড়া প্রতিষ্ঠান চলবে না। আমরা বারবারই যেখানে যে অভাব আছে, তা পূরণে তাগাদা দিচ্ছি। চেষ্টা করছি দ্রুত এ কাজ শেষ করার। তবে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পক্ষ থেকে আরও বেশি সদিচ্ছা কামনা করছি।’

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত