ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

কেক কেটে ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন ছাত্রলীগের

নিজস্ব প্রতিবেদক
৪ জানুয়ারি, ২০২২ ১২:৫৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
কেক কেটে ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন ছাত্রলীগের

কেক কেটে ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন করেছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।

এ সময় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যসহ কেন্দ্রীয় এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও মহানগর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, বিগত কয়েক বছর অনিবার্য কারণে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আনন্দ শোভাযাত্রা করা হয়নি। এ বছর বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীদের মিলনমেলায় মুখরিত হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ, সেখানে আনন্দ শোভাযাত্রা এবং আলোচনা হবে।

জয় আরও বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সব ধরনের ইতিবাচকতা বজায় রেখে আগেকার দিনের মতো শিক্ষার্থীর স্বার্থে এবং দেশের স্বার্থে ভূমিকা রাখবে।

এর আগে সকাল সাড়ে ৭টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ও দেশব্যাপী সংগঠনের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৮টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ঐতিহাসিক ভবনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান ছাত্রলীগের নেতারা।

এ ছাড়া ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের প্রতিনিধিদল টুঙ্গিপাড়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ, ফাতিহা পাঠ ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করতে যান।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী দুপুর ২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভ উদ্বোধন ও আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়া আগামীকাল বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে আলোচনাসভা হওয়ার কথা রয়েছে। ওই আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে গণভবন থেকে সরাসরি ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসংলগ্ন স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরে পথশিশুদের মধ্যে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ এবং বিকেল ৩টায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হবে।

শুক্রবার বেলা ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরে দুস্থদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে। ৮ জানুয়ারি বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘অপরাজেয় বাংলা’ সংলগ্ন বটতলায় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি পালন করবে সংগঠনটি।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    নেদারল্যান্ডসে উচ্চশিক্ষা ঋণ নিয়ে পড়া যাবে

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৪ জানুয়ারি, ২০২২ ১২:৫০
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    নেদারল্যান্ডসে উচ্চশিক্ষা ঋণ নিয়ে পড়া যাবে

    উচ্চশিক্ষা অর্জনের স্বপ্ন শিক্ষার্থীরা অন্তরে লালন করেন। তাই নিজের স্বপ্নপূরণের পথে শিক্ষা ও গবেষণার জন্য বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে ছুটছেন শিক্ষার্থীদের অনেকেই। তবে বিদেশে উচ্চশিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে প্রথমেই তাঁদের নজর রাখতে হয় স্কলারশিপের দিকে। প্রয়োজনের সঙ্গে স্কলারশিপের সামঞ্জস্য না হওয়ায় অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত বিষয়ে ভর্তি হতে পারেন না তাঁরা। তবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা সহজ করতে এবং জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে সমাজে অবদান রাখার সুযোগ করে দিতে একাধিক স্কলারশিপ ও সরাসরি লোনের মাধ্যমে অনেক কম খরচে পড়াশোনার সুযোগ করে দিচ্ছে উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের দেশ নেদারল্যান্ডস। পর্যাপ্ত স্কলারশিপসমৃদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আমস্টারডাম ইউনিভার্সিটি, ওয়াজেনিনজেন ইউনিভার্সিটি, ডেলফট ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি, ইউট্রেকট ইউনিভার্সিটি ইত্যাদি। আজ জেনে নেওয়া যাক নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম ইউনিভার্সিটির গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে পড়ালেখা সম্পর্কে।

    যেসব বিষয়ে পড়তে পারবেন

    সিলেকটিভ এবং কোটাসহ বিষয়

    বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সাইকোলজি

    সিলেকটিভ বিষয়

    লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস পলিটিকস সাইকোলজি ইকোনমিকস স্কলারশিপ

    নেদারল্যান্ডস গভমেন্ট স্কলারশিপ ইউনিভার্সিটি অব আমস্টারডাম স্কলারশিপ গ্লোবাল স্টুডেন্টস কনটেস্ট স্কলারশিপ ডক ২৪ লেগেটেট বিশেষ সুযোগ-সুবিধা

    সরাসরি লোন নিয়ে পড়াশোনার সুযোগ নির্ধারিত সময়ে কাজের সুযোগ আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ

    উচ্চমাধ্যমিক বা ডিপ্লোমার ট্রান্সক্রিপ্ট ইংরেজি ভাষাদক্ষতার সনদ জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) ভাষাদক্ষতা

    আবেদনকারীকে শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার সনদ জমা দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে আইইএলটিএস বা টোফেলের রেজাল্ট গ্রহণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে আইইএলটিএস স্কোর সব মিলিয়ে থাকতে হবে ন্যূনতম ৬.৫; তবে কিছু বিশেষ বিষয়ে পড়ার ক্ষেত্রে স্কোর ৬ থাকলেও চলবে। টোফেলের ক্ষেত্রে সব মিলিয়ে ন্যূনতম ৯২ এবং লিখিত অংশে ন্যূনতম ২২। কেমব্রিজ সি-১ অ্যাডভান্স ও কেমব্রিজ সি-২ অ্যাডভান্স পরীক্ষার ফলাফলও গ্রহণযোগ্য হবে।

    আবেদনের শেষ তারিখ

    সিলেকটিভ এবং কোটাসহ বিষয়: ১৫ জানুয়ারি ২০২২।

    সিলেকটিভ বিষয়:

    ১ ফেব্রুয়ারি ২০২২।

    ফলাফল: আবেদনের প্রক্রিয়া শেষ হলে ই-মেইলের মাধ্যমে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      চলতি সপ্তাহে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সাক্ষাৎকার

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৪ জানুয়ারি, ২০২২ ১২:৪২
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      চলতি সপ্তাহে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সাক্ষাৎকার

      জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে সোমবার (৩ জানুয়ারি)।

      আগামী ৫ ও ৬ জানুয়ারি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ইউনিটের ভর্তি সাক্ষাৎকার কার্যক্রম চলবে। ফলাফল দেখা যাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের (www.jkkniu.edu.bd) ওয়েবসাইটে।

      তবে চারুকলা অনুষদের ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৬ জানুয়ারি বেলা ১১টায় এবং সংগীত ও থিয়েটার অ্যান্ড পারফর্ম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ব্যবহারিক পরীক্ষা ৫ ও ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোতে হবে।

      উল্লেখ্য, এ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ২৮ হাজার ৯০৭ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে কলা অনুষদে (ভাষা ও সাহিত্য) ১৮০টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৫ হাজার ৬২৫, কলা অনুষদে (পারফর্মিং আর্ট) ৮০টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৩০৯, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদে ১৬০টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ২ হাজার ৪৪৩, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদে ২৩০টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৮ হাজার ৮০৮, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে ৩৫০টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৯ হাজার ৪৬৭, আইন অনুষদে ৫০টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ১ হাজার ৯৫৮ ও চারুকলা অনুষদে ৪০টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ২৯৭টি।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        যে নতুন ‘শপথবাক্য পাঠ’ করতে হবে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৪ জানুয়ারি, ২০২২ ১২:৪০
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        যে নতুন ‘শপথবাক্য পাঠ’ করতে হবে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের

        দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নতুন শপথবাক্য পাঠ করার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আলমগীর হুসাইনের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

        এতে বলা হয়, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিদিনের সমাবেশে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর শপথবাক্য পাঠ করতে হবে। ইংরেজি ও বিদেশি মাধ্যমের স্কুল-কলেজগুলোকেও মানতে হবে এ নির্দেশনা।

        এবার কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের পর নতুন শপথবাক্য পাঠ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

        সোমবার (৩ জানুয়ারি) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের উপসচিব কাইজার মোহাম্মদ ফারাবি স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

        আদেশে বলা হয়, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন সব সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিদিনের সমাবেশে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর শপথ পাঠ করতে হবে।

        শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশ অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রাত্যহিক সমাবেশে যে শপথবাক্য পাঠ করতে হবে তা হলো- ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিসংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। বিশ্বের বুকে বাঙালি জাতি প্রতিষ্ঠা করেছে তার স্বতন্ত্র জাতিসত্তা।

        আমি দৃপ্তকণ্ঠে শপথ করছি যে, শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না। দেশকে ভালোবাসব, দেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণে সর্বশক্তি নিয়োগ করব। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আদর্শে উন্নত, সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার সোনার বাংলা গড়ে তুলব।

        মহান সৃষ্টিকর্তা আমাকে শক্তি দিন।’

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ইসি নিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাউন্সিল গঠনের প্রস্তাব

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৩ জানুয়ারি, ২০২২ ২১:৪৪
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ইসি নিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাউন্সিল গঠনের প্রস্তাব

          নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে কমিশনার নিয়োগে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি ও অ্যাটর্নি জেনারেলকে নিয়ে একটি সাংবিধানিক কাউন্সিল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে গণতন্ত্রী পার্টি।

          সোমবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে বঙ্গভবনে নির্বাচন কমিশন গঠনের সংলাপে অংশ নিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছে এ প্রস্তাব পেশ করে দলটি।

          বঙ্গভবন প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নির্বাচন কমিশন গঠন বিষয়ে রাষ্ট্রপতির চলমান আলোচনায় সোমবার অংশ নিয়েছে গণতন্ত্রী পার্টি ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন।

          প্রথমে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশ নেয় গণতন্ত্রী পার্টি। বিকেলে বঙ্গভবনের দরবার হলে অনুষ্ঠিত আলোচনায় সাত সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দলটির সভাপতি ব্যারিস্টার আরশ আলী।

          বঙ্গভবন প্রেস উইং জানায়, আলোচনাকালে গণতন্ত্রী পার্টির প্রতিনিধিদল নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়নসহ আট দফা প্রস্তাব পেশ করে। তারা নির্বাচন কমিশন গঠনে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি ও অ্যাটর্নি জেনারেলকে নিয়ে একটি সাংবিধানিক কাউন্সিল গঠনেরও প্রস্তাব দেন।

          নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে কাউন্সিল গঠনের এ প্রস্তাব ছাড়াও এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির সংলাপে অংশ নেওয়া কয়েকটি দল সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে। জাতীয় পার্টি, বিকল্প ধারা, তরিকত ফেডারেশনসহ কয়েকটি দল সার্চ কমিটির জন্য নামও প্রস্তাব করে এসেছে রাষ্ট্রপতির কাছে।

          সিইসি কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। পরবর্তী নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

          সার্চ কমিটির মাধ্যমেই প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও শাহাদাত হোসেন চৌধুরীকে বাছাই করে বর্তমান নির্বাচন কমিশনার গঠন করা হয়েছিল।

          নির্বাচন কমিশন বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিতে বঙ্গভবনে আসা গণতন্ত্রী পার্টিকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, রাজনীতিতে সহমত ও সৌহার্দ্যের সংস্কৃতি গড়ে তোলা অপরিহার্য।

          গণতন্ত্রকে বিকশিত করতে রাজনৈতিক দলগুলোকে অন্যের মতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

          পরে নির্বাচন কমিশন গঠন বিষয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রতিনিধিরা। দলটির চেয়ারম্যান মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী সাত সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।

          বঙ্গভবন প্রেস উইং জানায়, আলোচনাকালে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন একটি শক্তিশালী, দক্ষ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য স্থায়ী আইন প্রণয়নসহ ছয় দফা পেশ করে। তারা নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রস্তাব করেন।

          খেলাফত আন্দোলনের প্রতিনিধিরা বলেন, ধর্মবিদ্বেষী, চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ, কালো টাকার মালিক, অবৈধ সম্পদের অধিকারী, সন্ত্রাসী, সাজাপ্রাপ্ত অপরাধী ও ঋণ খেলাপির সঙ্গে জড়িত ও তাদের পরিবারকে নির্বাচন কমিশনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে।

          এছাড়া ধর্মভিত্তিক দলটি নির্বাচন কমিশন কর্তৃক রাজনৈতিক দলগুলোর ৩৩ শতাংশ নারী নেতৃত্ব রাখার বাধ্যবাধকতাকে ঐচ্ছিক করার প্রস্তাব দিয়েছে।

          বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রতিনিধিদের বঙ্গভবনে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, সুস্থ রাজনীতির বিকাশে দল পরিচালনায় নীতি ও আদর্শের প্রতিফলন জরুরি।

          তিনি বলেন, জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনে ব্যক্তি ও রাজনৈতিক দলগুলোকে জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

          এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন ও সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত