শিরোনাম
বাকৃবিতে কালো সৈনিক পোকার লার্ভা গবেষণার ফলাফল বিষয়ক কর্মশালা
বাকৃবি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) কালো সৈনিক পোকার লার্ভা লালন পালন সম্পর্কিত গবেষণার ফলাফল বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের সম্মেলন কক্ষে ঐ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ‘নিরাপদ মৎস্য পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক ভ্যালু চেইন উপ-প্রকল্পের আওতায় গবেষণাটি সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য প্রদান করেন প্রকল্পের প্রধান গবেষক একোয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. মো আব্দুস সালাম।
অনুষ্ঠানে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ কে এম নওশাদ আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কুমার পাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একোয়াকালচার বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো আলী রেজা ফারুক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফাতেমা হক শিখা, অধ্যাপক ড. ইসমাইল হোসেন, পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. বাপন দে সহ মাৎস্যবিজ্ঞান, পশুপালন এবং কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের বিভাগের শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় অধ্যাপক আব্দুস সালাম বলেন, কালো সৈনিক পোকা বিকল্প প্রোটিনের উৎস হিসেবে কাজ করে। শুকনো অবস্থায় এই পোকার লার্ভা থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত উচ্চ প্রোটিন পাওয়া সম্ভব, যা প্রাণিজ প্রোটিনের একটি বড় উৎস।
তিনি আরও বলেন, আমরা দেশের হাস মুরগির খাদ্যের সমস্যা সমাধানে কালো সৈনিক পোকা নিয়ে গবেষণা করেছি। যা বাসাবাড়ির ও বাজারের ময়লা আবর্জনা পুন:ব্যবহার করে উৎপাদন করা যায়। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও কম্পোস্টিং এই পোকার লার্ভা যেকোনো জৈব বর্জ্য ভক্ষণ করতে পারে। প্রশিক্ষণ নিয়ে বেকার যুবক, মৎস্য এবং পোল্ট্রি খামারীরা পোকার চাষ করে লাভবান হতে পারবে। ময়লা আবর্জনা পুন:ব্যবহারের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং আগামী দিনে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে কালো সৈনিক পোকা ভূমিকা রাখবে।
বেরোবিতে স্বদেশ প্রত্যবর্তন দিবস উদযাপন
বেরোবি প্রতিনিধি: রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
আজ বুধবার (১০ জানুয়ারি) প্রত্যবর্তন দিবস উপলক্ষে সকালে বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য প্রফেসর ড.হাসিবুর রশীদ বলেন, ১০ জানুয়ারি বাঙালি জীবনের একটি ঐতিহাসিক দিন। ১৯৭২ সালের এই দিনে স্বাধীন দেশের মাটিতে ফিরে আসেন স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বাঙালি জাতি বিজয়ের পূর্ণতা লাভ করে।
তিনি আরো বলেন, ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বঙ্গবন্ধুর দেশে ফিরে আসাটা বাঙালি জাতির জন্য অনেক বড় গর্ব ও আশীর্বাদ। বিশ্বের ইতিহাসে এমন ঘটনা খুবই বিরল।
বেরোবিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস-২০২৪ পালন কমিটির আহবায়ক প্রফেসর কমলেশ চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. সরিফা সালোয়া ডিনা ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মজিব উদ্দিন আহমদ। এসময় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. সরিফা সালোয়া ডিনা বলেন, ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এবং দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে বাঙালির স্বাধীনতা অর্জন হয়। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আমাদের স্বাধীনতাকে আরো সংহত করে। বঙ্গবন্ধুর ফিরে আসার মাধ্যমে বাঙালি জাতি পায় সামনে অগ্রসর হওয়ার প্রেরণা।
আলোচনা সভায় বেরোবি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস-২০২৪ পালন কমিটির সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোঃ শরিফুল ইসলাম, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট ড. বিজন মোহন চাকী, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান মন্ডল আসাদ, একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক উমর ফারুক, মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শেখ মাজেদুল হক, লোকপ্রশাসন বিভাগের প্রভাষক সাইফুল ইসলাম, বাংলা বিভাগের প্রভাষক খাইরুল ইসলাম ও বেরোবি ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া বক্তব্য রাখেন।
এর আগে সকালে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক সমিতি, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, কর্মচারী ইউনিয়ন ও বেরোবি ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সংগঠন, বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
একক ভর্তির নতুন পদ্ধতি সন্ধানে ফের কমিটি গঠন
দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে একক ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি বের করতে নতুন করে আবার কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিকে নতুন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির একটি গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি বের করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ে মঞ্জুরি কমিশন সূত্র এমন তথ্য জানিয়েছে।
কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরি কমিশনের (ইউজিসি) নতুন সদস্য প্রফেসর ড. হাসিনা খান। এছাড়া অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের সাবেক সদস্য প্রফেসর ড. সঞ্জয় কুমার অধিকারী ও ইউজিসির একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউজিসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলমগীর। তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় একক ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে ফের নতুন প্রস্তাব চেয়েছে। এর আলোকেই নতুন তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। ওই কমিটিকে কাজ শুরু করতে বলেছি। তারা সবার সঙ্গে কথা বলে নতুন প্রস্তাব দিলে তা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। তবে কতদিনের মধ্যে নতুন পদ্ধতি দেবে তা ঠিক করে দেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।
জানা গেছে, ২০২১ সালে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ে একক ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছিল (ইউজিসি)। এজন্য একটি খসড়া অধ্যাদেশও তৈরি করে সম্মতির জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানে হয়। কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও কয়েকটি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাধায় সেই খসড়ায় সম্মতি মেলে না। চিন্তা ছিল ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ায়। কিন্তু শেষ পযন্ত সেই উদ্যোগও ভেস্তে যায়। ফলে এ বছরও আগের পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন করে একক ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি কার্যক্রমে জটিলতা, দীর্ঘসূত্র, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিরাপত্তাহীনতা ও দুর্ভোগ, অতিরিক্ত টাকা ব্যয় ও সময়ক্ষেপণ হয়। এ জন্য বিদ্যমান ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সংস্কার প্রয়োজন। রাষ্ট্রপতিও একক ভর্তি পরীক্ষা চালুর অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন।
মুঠোফোন ব্যবহার নিয়ে শাসন করায় ফাঁস নিল কিশোরী
নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ নোয়াখালীর চাটখিলে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত নিপা আক্তার (১৫) উপজেলার নোয়াখলা ইউনিয়নের মো.রিপনের মেয়ে। সে স্থানীয় ফয়জুর নেছা মাদরাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
বুধবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর আগে, গতকাল দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার খিলপাড়া ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের নাহারখিল গ্রামের পুরাতন দেওয়ান বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত নিপা তার এক ভাই সহ নানার বাড়িতে থাকত। তার মা চট্রগ্রামের একটি গার্মেন্টেসে চাকরি করে। গত কিছু দিন ধরে নিপা মুঠোফোন ব্যবহারে আসক্ত হয়ে পড়ে। এ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কলহ দেখা দেয়। একপর্যায়ে মুঠোফোন ব্যবহার নিয়ে তাকে নানার পরিবারের সদস্যরা শাসন করে। এতে অভিমান করে নানার বাড়ির মানিক নামের এক আত্মীয়ের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেয়। পরে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে স্বজনেরা।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে।
রাবির হল ডাইনিংয়ে ২য় দফায় খাবারের দাম বাড়লো
রাবি প্রতিনিধি: দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও খাবারের গুণগতমান ঠিক রাখতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ১৭টি আবাসিক হলের ডাইনিংয়ে খাবারের দাম বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত ১২ ডিসেম্বরে প্রাধ্যক্ষ পরিষদের এক সভায় ৪ নম্বর সিদ্ধান্ত মোতাবেক এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৫ জানুয়ারি থেকে থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাধ্যক্ষ পরিষদের আহ্বায়ক সোহরাওয়ার্দী হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
সভা সূত্র জানায়, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও খাবারের মান বৃদ্ধির জন্য আবাসিক হলের ডাইনিংয়ে খাবারের দাম বাড়ানো হয়েছে। দুপুরের খাবার ২৮টাকা থেকে ৩৫ টাকা এবং রাতের খাবার ২২ টাকা থেকে ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সে হিসাবে দুবেলায় ১০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। তবে শর্ত দেওয়া হয়েছে, অবশ্যই খাবারের মান বাড়াতে হবে। সব হলে খাবারের দাম বাড়ানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে।
দাম বাড়ানোর বিষয়ে প্রাধ্যক্ষ পরিষদের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধির ফলে কর্মচারীরা ডাইনিং চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। তারা দীর্ঘদিন যাবত দাম বাড়ানোর বিষয়টি বলে আসছিলেন। এদিকে দাম বাড়ানো হলে শিক্ষার্থীদেরও সমস্যা। তাই শিক্ষার্থী ও ডাইনিং কর্মচারীদের কথা চিন্তা করে দুবেলা খাবারে ১০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ডাইনিংয়ে খাবারের মান বৃদ্ধি ও প্রতিদিন আলাদা খাবারের তালিকা তৈরি করার শর্তে দাম বাড়ানো হয়েছে।
এর আগে, গত জুলাই মাসের ১ তারিখে প্রথম দফায় দুবেলা খাবারের দাম ৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিলো। দুপুরের খাবার ২৪ টাকা থেকে ২৮ টাকা এবং রাতের খাবার ১৮ টাকা থেকে ২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিলো। এবার দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতিতে আবারও দ্বিতীয় দফায় খাবারের দাম বাড়ানো হয়েছে।
এদিকে, হল প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তকে নেতিবাচক হিসেব দেখছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। দাম বাড়ানোর পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেতিবাচক পোস্ট করতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য