ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ১ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীতে ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটির শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ মার্চ, ২০২৩ ১৬:১৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীতে ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটির শ্রদ্ধা

মোস্তাক মোর্শেদ, ইবি : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) কর্মরত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও প্রগতিশীলতায় বিশ্বাসী সাংবাদিক সংগঠন ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি’।

শুক্রবার (১৭ মার্চ) বেলা ১১টায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক তাসনিমুল হাসান প্রান্ত'র নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের 'মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব' মুর‍্যালের পাদদেশে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সহ-সভাপতি তারিক সাইমুম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন আদনান, সাংগঠনিক সম্পাদক সোহান সিদ্দিকী, কার্যনির্বাহী সদস্য সামি, যায়িদ, ইমন, মং সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

এর আগে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক সমিতি, শাপলা ফোরাম, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, কর্মকর্তা সমিতি, ইবি শাখা ছাত্রলীগ, বিভিন্ন হল ও বিভাগ।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বাউয়েটে নানা আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর ১০৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৭ মার্চ, ২০২৩ ১৬:৯
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    বাউয়েটে নানা আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর ১০৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন

    বাউয়েট প্রতিনিধিঃ আজ শুক্রবার (১৭ মার্চ) বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি (বাউয়েট) এর ক্যাম্পাসে নানা আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩তম জন্মদিবস ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২৩ উদ্যাপন উপলক্ষে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

    সকাল সাড়ে আটটায় বাউয়েট স্কাইলাইট হলে শিক্ষক, শিক্ষার্থীগণ, কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা ও বঙ্গবন্ধুর জীবনীর উপর নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল প্রফেসর মোঃ মোস্তফা কামাল (অব.)। প্রধান অতিথি বলেন, 'দেশ ও জনগণের প্রতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসামান্য অবদানের জন্য বাংলা বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু আজ এক অভিন্ন সত্তায় পরিণত হয়েছে।'

    ইংরেজি বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক মোঃ হামিদুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আলোচনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার শেখ শামীম হোসেন (অব.), আইন ও বিচার বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ শহীদুল ইসলাম, আইসিই বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ রুবেল বাশার, সিএসই বিভাগের প্রভাষক মোঃ নাজমুস সালেহীন, ইইই বিভাগের সহকারী টেকনিক্যাল অফিসার হোসাইন কবির, ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সানজিদা এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ শাফায়াত হোসেন।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডিনগণ, বিভাগীয় প্রধানগণ, প্রক্টর, ছাত্র কল্যাণ উপদেষ্টা, ডেপুটি রেজিস্ট্রার এবং অন্যান্য বিভাগের শিক্ষকমন্ডলী, ছাত্র-ছাত্রী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

    সকালে সূর্যদয়ের সাথে সাথে ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন ও সম্মান প্রদর্শন করেন যথাক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মোস্তফা কামাল (অব.) এবং রেজিস্ট্রার শেখ শামীম হোসেন (অব.)। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জুম্মা নামাজের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রূহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া-মোনাজাত ও তবারক বিতরণ, রাতে ক্যাম্পাসে আলোকসজ্জা, ফ্যাকাল্টি এন্ড অফিসার্স মেস, আবাসিক হলগুলোতে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      জাবিতে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক মাইম উৎসব শুরু আজ

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৭ মার্চ, ২০২৩ ১৬:৬
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      জাবিতে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক মাইম উৎসব শুরু আজ

      জাবি প্রতিনিধিঃ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘রঙ্গন মাইম একাডেমি’র আয়োজনে ১৭ ও ১৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক মূকাভিনয় উৎসব। দেশি-বিদেশি ২১ টি মাইম দলের অংশগ্রহণে দুই দিনব্যাপী এই উৎসবে থাকছে স্ট্রিট মাইম, সেমিনার, মূকাভিনয় কর্মশালা, উন্মুক্ত আলোচনা, একক ও দলগত মূকাভিনয় সহ আরো নানা আয়োজন।

      ১৭ মার্চ, শনিবার বিকাল ৪ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন কলা ভবন সংলগ্ন মৃৎমঞ্চ থেকে এক র‍্যালির মাধ্যমে শুরু হবে উৎসব। র‍্যালির উদ্বোধন করবেন কলা ও মানবিকী অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক।

      এরপর সন্ধ্যা ৬টায় জহির রায়হান মিলনায়তনে থিয়েটার হলে ট উৎসবের উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নূরুল আলম। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক শেখ মনজুরুল হক, নাট্যকার ও গবেষক অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকী, টিভি ও চলচ্চিত্র অভিনেতা এবং বিশিষ্ট মূকাভিনেতা শুভাশীষ ভৌমিক ও বাংলাদেশ মূকাভিনয় ফেডারেশানের সেক্রেটারী জেনারেল ধীমান সাহা জুয়েল। সন্ধ্যা ৭ টায় নৃত্য পরিবেশনা করবেন আকাশ সরকার ও তার দল। সন্ধ্যা সাতটা ১০ মিনিট থেকে মূকাভিনয় পরিবেশন করবে আমন্ত্রিত দেশ বিদেশের মূকাভিনয় দলসমুহ।

      উৎসবের দ্বিতীয় দিন ১৮ মার্চ, শনিবার সকাল ১১টায় মূকাভিনয় বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সেট ডিজাইন কক্ষে। সেমিনারে ‘বাঙলা মূকাভিনয়ের মুক্তি কোন পথে?’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন স্বপ্নদলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সম্পাদক জাহিদ রিপন। সেমিনারে আলোচনা রাখবেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্বদ্যিালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশনাবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আল জাবির, পশ্চিমবঙ্গের অসিত আচার্য্য, জলপাইগুড়ি উজ্জীবন মাইম থিয়েটারের প্রিয়াংকা মন্ডল, বাংলাদেশ মূকাভিনয় ফেডারেশানের সেক্রেটারী জেনারেল ধীমান সাহা জুয়েল, প্যান্টোমাইম মুভমেন্টের রিজোয়ান রাজন। সেমিনারে সভাপতিত্ব করবেন অধ্যাপক ড. ইস্রাফিল আহমেদ।

      বেলা ৩ টায় নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের আফসার আহমদ থিয়েটার ল্যাবে থাকছে মূকাভিনয় বিষয়ক কর্মশালা। কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে থাকবেন জলপাইগুড়ি উজ্জীবন মাইম থিয়েটারের প্রিয়াংকা মন্ডল, অসিত আচার্য্য ও রিজোয়ান রাজন। এরপর সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে সন্ধ্যা ৭টা থেকে নৃত্য পরিবেশনা করবেন আকাশ সরকার ও তার দল। সন্ধ্যা ৭টা থেকে মূকাভিনয় পরিবেশন করবে আমন্ত্রিত দেশ বিদেশের মূকাভিনয় দলসমুহ।

      রঙ্গন মাইম একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও বাংলাদেশ মূকাভিনয় ফেডারেশানের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইস্রাফিল আহমেদের সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এই উৎসবের।

      উৎসবের বিষয়ে রঙ্গন মাইম একাডেমির পরিচালক অধ্যাপক ড. ইস্রাফিল জানান, ‘মোট ২১ টি দলের অংশগ্রহণে এই মূকাভিনয় উৎসবের আয়োজনটি করা হয়েছে, যার মধ্যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৩টি দল অংশগ্রহণ করছেন। মূল অনুষ্ঠানের পাশাপাশি দুইদিন ব্যাপি এই আয়োজনে প্রতিদিন ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্পটে উন্মুক্ত স্ট্রীট মাইম শো এর ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

      তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমবারের মত আন্তর্জাতিক এই মূকাভিনয় উৎসব আয়োজনের অভিজ্ঞতা থেকে সিদ্ধান্ত নিতে পারব যে পরবর্তীতে এ ধরণের আয়োজন অব্যাহত রাখা যায় কি না। সবার সহযোগিতা পেলে আমরা প্রতিবছর এ ধরণের আয়োজন চালিয়ে যেতে চাই।’

      দুইদিনব্যাপি এই আয়োজনে অংশগ্রহণকারী মূকাভিনয় দলগুলো হল জলপাইগুড়ি উজ্জীবন মাইম থিয়েটার, পশ্চিমবঙ্গ; লিটল ড্রামা অর্গানাইজেশন, ত্রিপুরা, ভারত; অঙ্গ কল্পনা, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ; জলছবি মাইম থিয়েটার, কিশোরগঞ্জ; ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশন; শ্রুতি মাইম থিয়েটার, নারায়নগঞ্জ; থিয়েটার সার্কেল মাইম, মুন্সীগঞ্জ; মুক্তমঞ্চ নির্বাক দল, গাজীপুর; মাইম ফেইস, নারায়নগঞ্জ; মাগুরা মাইম থিয়েটার; নাট্যতরী, দ্য মামার্স, মুক্ত বিহঙ্গ, রংপুর; মিরর মাইম, ঢাকা ; মাইম ট্রুপ, চট্টগ্রাম; মনন মাইম থিয়েটার, দেওয়ান মামুন, চট্টগ্রাম; সাইলেন্ট থিয়েটার, চট্টগ্রাম; প্যান্টোমাইম মুভমেন্ট, চট্টগ্রাম; রঙ্গন মাইম একাডেমি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        বিনোদপুরে খুলেছে দোকানপাট, নেই ক্রেতা সমাগম, যাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৭ মার্চ, ২০২৩ ১৪:৫১
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        বিনোদপুরে খুলেছে দোকানপাট, নেই ক্রেতা সমাগম, যাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা

        বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ছয় দিন পর স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে বিনোদপুর বাজার। ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করেছে দোকানপাট। কিন্তু নেই ক্রেতা সমাগম। শুক্রবার (১৭ মার্চ) সকালে বিনোদপুর বাজারে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।

        শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় সংঘর্ষে এতদিন বিনোদপুর বাজারের সব দোকানপাট বন্ধ ছিল। আশপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল। সংঘর্ষের ছয়দিন পর বিনোদপুর বাজারের ব্যবসায়ীরা তাদের পুড়ে যাওয়া ও ভেঙে যাওয়া দোকানপাট মেরামতের পর খুলেছেন। কিন্তু সেখানে যাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা। বাজারের ওপর দিয়ে চলে যাওয়া ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক আছে।

        বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭টি হলের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী বিনোদপুরে বাজারে কেনাকাটা করে থাকেন। তবে সংঘর্ষের দিন থেকে তারা বিনোদপুরে বাজারে যাচ্ছেন না। অনেকেই বিনোদপুর বাজারকে বয়কটের ঘোষণা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারে পোস্ট করেছেন। তারা কেনাকাটার জন্য বেছে নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরের স্টেশন বাজার। অনেক শিক্ষার্থী আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে কাঁচাবাজার বসানোর চিন্তাভাবনা করছেন।

        খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিনোদপুর বাজারে প্রায় দুশতাধিক দোকান আছে। এর মধ্যে বাজারের অলিগলিতে এখনো অনেক দোকান বন্ধ। খোলা দোকানগুলোর মধ্যে অধিকাংশই সবজি, মাছ ও মুরগির। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিনোদপুর বাজারে যাচ্ছেন না। ফলে বেচাকেনা নেই দোকানিদের।

        বিনোদপুর বাজারের উত্তর পাশে মো. বাদশাহ ও আলাউদ্দিন নামের দুই ব্যক্তি খাঁচায় কিছু মুরগি নিয়ে বসেন। বাদশাহ বলেন, সকাল থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সাত-আটটি মুরগি বিক্রি করতে পেরেছি। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী আসেননি। যারা কিনেছেন তারা সবাই বিনোদপুর এলাকার বাসিন্দা।

        বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজার সমিতির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করছি। তাদের সঙ্গে আমাদের ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমেই এটাকে সমাধান করতে হবে। শিক্ষার্থীরাই এ বাজারের প্রাণ। তাদের সঙ্গে আমাদের আগের সম্পর্ক ফিরে আসুক এটাই প্রত্যাশা।

        বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. সুলতান- উল-ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। ক্লাসের পাশাপাশি পরীক্ষাও চলছে। শিক্ষার্থীরা একাডেমিক কাজে মন দিচ্ছেন। পাশাপাশি দাপ্তরিক কাজও চলছে।

        বিনোদপুর বাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পর্কের উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে স্থানীয় মেস মালিকদের সঙ্গে বসেছি আমরা। সেখানে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে কথা হয়েছে। তারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভালো আচরণের নিশ্চয়তা দিয়েছেন। সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে বিনোদপুরের ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও আলোচনায় বসার কথা আছে। দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান হবে বলে।

        উল্লখ্য, গত ১১ মার্চ সন্ধ্যায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে বাসচালকের তর্কাতর্কির জেরে নগরের বিনোদপুর বাজারে সংঘর্ষের সূত্রপাত। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও লোকজন এ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          উচ্চ মাধ্যমিক পাসের আগেই যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটিতে পড়ার সুযোগ পেল নাফিস

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৭ মার্চ, ২০২৩ ১৪:৪৪
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          উচ্চ মাধ্যমিক পাসের আগেই যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটিতে পড়ার সুযোগ পেল নাফিস

          বিশ্বের সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর একটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি)। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ পেয়েছেন চাঁদপুর সরকারি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের (এইচএসসি) বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র নাফিস উল হক ওরফে সিফাত। এইচএসসি পাসের আগেই বিশ্বসেরা প্রতিষ্ঠানে স্নাতকের সুযোগ পেয়ে অবাক নাফিস নিজেও।

          বাংলাদেশী পড়ুয়াদের মধ্যে নাফিস সবচেয়ে কম বয়সে এমআইটির আন্ডারগ্রাজুয়েটে (স্নাতক) পড়ার সুযোগ পেয়েছেন বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

          জানা যায়, চাঁদপুর শহরের চেয়ারম্যান ঘাটে নাফিসের বাড়ি। তার মা ও বাবা দুইজনেই শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত আছেন। চাঁদপুর সরকারি কলেজের দ্বাদশ বিজ্ঞান শাখার মেধাবী শিক্ষার্থী মো. নাফিস উল হক সিফাত যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের কেমব্রিজ শহরে অবস্থিত বিশ্ব খ্যাত ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (এমআইটি) স্নাতক (সম্মান) কোর্সে পড়ার জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

          তথ্য মতে, এমআইটি বিশ্বের শীর্ষ ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অন্যতম। এটি এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রকৌশল ও মৌলিক বিজ্ঞানের বিষয়গুলো সব সময় আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংয়ে প্রথমে থাকে। এই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন বিশ্বের নামকরা সব পণ্ডিত ও গবেষকরা। ১৮৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) সুনাম দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি সংক্রান্ত গবেষণায় এর পরিচিতি বিশ্বব্যাপী। নোবেল বিজয়ীদের মধ্যে ৭৬ জন এই প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেছেন।

          এই প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন নাফিস। বিষয়টি জানার পর বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) বেলা ২টায় নাফিস কলেজ ক্যাম্পাসে পৌঁছলে কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশ নাফিসকে বুকে টেনে নেন। তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছাও জানান।

          এমআইটিতে নাফিসের ইচ্ছা কম্পিউটার বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করার। নাফিস এর আগে ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াড ইন ইনফরমেটিক্স (আইওআই) এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেন।

          উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পাশের আগেই কীভাবে এই অসাধ্য সাধন সম্ভব হলো?— এমন প্রশ্নের জবাবে হেসে নাফিস বলেন, ‘কোন কিছুই আসলে অসম্ভব নয়। চেষ্টা থাকতে হবে, আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে। ওরা আসলে দেখতে চায় পড়ালেখায় একজন ছাত্র কতটা ভালো, মানুষ হিসেবে কেমন, কোন বিষয়ে আগ্রহ আছে এবং সে কীভাবে সমস্যার সমাধান করছে। আমি আসলে অলিম্পিয়াড ইন ইনফরমেটিক্স এ ব্রোঞ্জ পদক লাভ করায়, তারা আমাকে সম্মান শ্রেণিতে ভর্তির জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করে। আমি সবার দোয়া চাই। বাংলাদেশের মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। নবীন শিক্ষার্থীদের কাছে অনুরোধ থাকবে, ভালোভাবে পড়াশোনা করতে হবে এবং এর পাশাপাশি এক্সটা কারিকুলাম একিটিভিটিসগুলোতে নিজেদেরকে যুক্ত রাখতে হবে।’

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত