ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

হাসনাতের অনশন ভাঙালেন ঢাবি উপাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৫:১২
নিজস্ব প্রতিবেদক
হাসনাতের অনশন ভাঙালেন ঢাবি উপাচার্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রশাসনিক জটিলতায় সৃষ্ট নানা রকম হয়রানি বন্ধ ও ৮ দফা দাবিতে আমরণ অনশনরত ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহর অনশন ভাঙালেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা ১০ মিনিটের দিকে প্রায় ২৭ ঘণ্টা পর পানি খাইয়ে অনশন ভাঙান উপাচার্য।এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের সব দাবি পূরণের আশ্বাস দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, আজ সকাল ৭.৩০ মিনিটের দিকে অনশনে থাকায় অজ্ঞান হয়ে যান তিনি। এ সময় তার শারীরিক অবস্থা ক্রমান্বয়ে অবনতি হচ্ছিল। কিছু দিন আগেই তিনি নিউরোলজিতে জটিলতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বলেও জানা।

চিকিৎসক তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তির তাগিদ দিলেও, যতক্ষণ পর্যন্ত ভিসি তার দাবি মেনে নেবেন না ততক্ষণ পর্যন্ত অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছিলেন হাসনাত।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: কুড়িগ্রামে কেন্দ্রসচিবসহ গ্রেপ্তার ৩

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৪:৫৪
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: কুড়িগ্রামে কেন্দ্রসচিবসহ গ্রেপ্তার ৩

    কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে এসএসসি-২০২২ সালের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষাকেন্দ্রের সচিব ও প্রধান শিক্ষকসহ ওই বিদ্যালয়ের অপর দুই সহকারী শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় একজন পলাতক রয়েছেন।

    মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ দেন দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের সদস্য উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আদম মালীক চৌধুরী। এরপরই তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।

    প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নজরে এলে তাঁরা প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেন। পরে ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ায় নড়েচড়ে বসে প্রশাসন ও পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার ইংরেজি দ্বতীয় পত্র পরীক্ষার দিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপক কুমার দেব শর্মা, সহকারী পুলিশ সুপার মোর্শেদুল হাসান, ওসি আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল ভূরুঙ্গামারী নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয় পরীক্ষাকেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে গণিত, কৃষিবিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র উদ্ধার করে। এই বিষয়গুলোর পরীক্ষা এখানো অনুষ্ঠিত হয়নি। প্রশ্নপত্র ভূরুঙ্গামারী নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমানের কক্ষে রয়েছে নিশ্চিত হয়ে তাঁরা অভিযান চালান। পুলিশ জানতে পারে ইংরেজি প্রথম পত্রের পরীক্ষার প্যাকেটে ওই প্রশ্নপত্রগুলো ঢোকানো ছিল। পরে বিকেলে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমান ও প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমানকে থানায় আনে। রাতে প্রধান শিক্ষককে আটক করা হলেও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে ইংরেজি শিক্ষক আমিনুর রহমান রাসেল, চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক জোবায়ের হোসাইনকে আটক করা হয়।

    অন্যদিকে বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোরে ভূরুঙ্গামারী নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হামিদুর রহমান ও সোহেল আল মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলার অপর আসামি অফিস সহকারী আবু হানিফ পলাতক রয়েছেন। প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম, পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম, দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপক কুমার দেব শর্মা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কক্ষে প্রায় তিন ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে তারা অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা না বলে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।

    ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি আলমগীর হোসেন বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একজন পলাতক রয়েছেন। মামলার তদন্ত চলছে। আরও কেউ জড়িত থাকলে তাঁদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।’

    ভূরুঙ্গামারী-কচাকাটা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোর্শেদুল হাসান বলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও ভূরুঙ্গামারী নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয় পরীক্ষাকেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার আদম মালিক চৌধুরী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশনে চাকরি, বেতন স্কেল পৌনে দুই লাখ

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১০:৪৭
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশনে চাকরি, বেতন স্কেল পৌনে দুই লাখ

      নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড লোকবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে কর্মকর্তা নেওয়া হবে। আগ্রহীদের ডাকযোগে বা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

      পদের নাম: ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদসংখ্যা: ১ যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল বা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে অথবা ফাইন্যান্স, বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা ম্যানেজমেন্টে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের কোনো পর্যায়ে তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য নয়। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অন্তত ২৫ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এর মধ্যে পাঁচ বছর সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট পজিশনে জেনারেশন ইউটিলিটিসে চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সরকারি আইনকানুন জানতে হবে। কোম্পানি আইন, শ্রম আইন, টিকিউএম, টিপিএম ও করপোরেট গভর্ন্যান্সে পারদর্শী হতে হবে। নেতৃত্বের দক্ষতা থাকতে হবে। যোগাযোগে দক্ষ হতে হবে। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় সাবলীলসহ কম্পিউটার চালনায় পারদর্শী হতে হবে।

      বয়স: ২০২২ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর সর্বোচ্চ ৬০ বছর বেতন স্কেল: ১,৭৫,০০০ টাকা সুযোগ–সুবিধা: মূল বেতনের সঙ্গে বাসাভাড়া, স্বাস্থ্য ভাতা, বোনাস, গ্র্যাচুইটি, টেলিফোন বিল, ফ্রিঞ্জ বেনিফিট ও পরিবহন সুবিধা দেওয়া হবে।

      আবেদন যেভাবে আগ্রহীদের জাতীয় পরিচয়পত্র, সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের তিন কপি ছবি, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সনদ ও কভার লেটারসহ বিস্তারিত জীবনবৃত্তান্ত ডাকযোগে বা কুরিয়ারে চেয়ারম্যান বরাবর পাঠাতে হবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এই লিংক থেকে জানা যাবে।

      আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা: জেনারেল ম্যানেজার (এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন) নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড, ইউনিক ট্রেড সেন্টার (লেভেল–৪), ৮, পান্থপথ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।

      আবেদনপত্র পাঠানোর শেষ তারিখ: ১০ অক্টোবর ২০২২।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        চার বছর ধরে হাঁটুতে ভর দিয়ে স্কুলে যায় রুজি

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১০:৩৯
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        চার বছর ধরে হাঁটুতে ভর দিয়ে স্কুলে যায় রুজি

        সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ফাইজা আক্তার রুজি। জন্ম থেকেই দুই পা প্রতিবন্ধী। শ্রমজীবী শওকত মিয়া ও মা মনিরা খাতুন দম্পতির মেয়ে। শ্রমিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করায় মা-বাবার ইচ্ছা থাকলেও সাধ্য হয়ে ওঠেনি তাকে একটি হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করে দেয়ার। মেয়েকে ২০১৯ সালে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিতে ভর্তি করিয়ে দেন দুর্লভপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ভর্তির শুরু থেকেই প্রতিবন্ধি রুজিকে তার মা প্রথমেই কোলে-পিঠে করে স্কুলে পৌঁছে দিতেন। একটু বড় হওয়ার পর নিজেই হাটুতে ভর দিয়ে তিন বছর ধরে বাড়ি থেকে স্কুল পর্যন্ত প্রতিদিন স্কুলে যাতায়াত করছে।

        উপজেলার দূর্লভপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী রুজি। বাড়িতে লেখাপড়া চালিয়েই ক্লাসে তার রোল হয়েছে ১২। শারিরীক প্রতিবন্ধী থেকেও এভাবেই কষ্ট করে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া দৃশ্য এলাকাবাসী চোখে পড়লেও কারো সাধ্য হয়ে ওঠেনি তাকে সহযোগিতার।

        প্রতিবেদকের ফেসবুক আইডিতে স্ট্যাটাস দিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি সবার নজরে আসে।

        পারিবারিকভাবে জানা যায়, ওই স্কুলের প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী রুজির জন্য একটি হুইল চেয়ার ব্যবস্থা করার বিষয়ে বার বার রুজির মা মনিরা খাতুন স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে বলেছেন। প্রধান শিক্ষক রুজির মাকে বার বার শুধু আশ্বস্তই করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী রুজির হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা হয়নি।

        প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর মা মিনারা খাতুন বলেন, ‘আমরা গরীব মানুষ কোনো রকম খাইয়া বাইচ্চা আছি। কয়েক বছর ধরে আমার মেয়ে হাঁটুতে ভর দিয়ে এভাবেই স্কুলে যাওয়া-আসা করে। মেয়ের কষ্ট দেখে চোখে পানি আসে। স্কুলের হেড স্যারের কাছে তিন বছর ধইরা কইছি আমার মেয়ের একটা উইল চেয়ার কিনে দেয়ার লাইগা। কোনো ব্যবস্থা করতে পারি নাই। হেড স্যারে খালি কই, আমি উপজেলার শিক্ষা স্যারকে জানাইছি বিষয়টা। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন। তিন বছর ধইরা আশ্বাসের বাণী খালি শুনতাসি। এখন কইছি ঋণ কইরা হইলেও আমার মেয়ের লাগি একটা হুইল চেয়ার কিনতাম ‘

        এ ব্যাপারে দুর্লভপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আবদুল গফ্ফার বলেন, রুজির মা আমাকে বারবার বলে রুজিকে একটি হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করে দেয়ার জন্য। না হয় ঋণ করেই তিনিই একটি হুইল চেয়ার কিনবেন। রুজির মায়ের কথা শুনে আমি অনেক লজ্জিত হই।

        তিনি আরো বলেন, হাঁটুর উপর ভর দিয়ে রোজ স্কুলে আসায় আমার নিজেরও খুব খারাপ লাগে। আমি বেশ কয়েক বার আমাদের উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি বলেছি। তিনি জানিয়েছেন তার তালিকা করা হয়েছে।

        জামালগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শরিফ উদ্দিন বলেন, ওর জন্য হুইল চেয়ার কেনা হয়েছে। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর তালিকাভুক্ত সাতজন শারীরিক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর মাঝে বিতরণ করা হবে। তবে তিন বছরের মধ্যে এই শিক্ষার্থী হুইল চেয়ার পাইনি কেন এমন প্রশ্ন করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে বলেন আমরা আগে তথ্য পাইনি।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          আগামী ১১ ও ১২ অক্টোবর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তির জন্য আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে।

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১০:১৩
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          আগামী ১১ ও ১২ অক্টোবর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তির জন্য আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে।

          আগামী ১১ ও ১২ অক্টোবর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তির জন্য আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যের অফিস কক্ষে এ সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সচিব মো. আবু হাসান সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

          বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা ১১ টা পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনের বেলা ১১ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনির (দাদা/দাদী) সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। অপরদিকে ১২ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনির (নানা/নানী) সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে।

          বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, সাক্ষাৎকারের সময় অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.molwa.gov.bd এ সংরক্ষিত যে কোন একটি প্রমাণক এবং মুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত সরকারী ভাতা প্রাপ্তির প্রমাণপত্র সঙ্গে আনতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার নাতি - নাতনির ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধার সাথে সম্পর্ক প্রমাণের জন্য শিক্ষার্থীর পিতা/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (জাতীয় পরিচয়পত্রে মুক্তিযোদ্ধার নাম থাকতে হবে) না থাকলে এস.এস.সির সনদ, এস.এস.সির সনদ না থাকলে জন্ম নিবন্ধন সনদ (অনলাইন কপি), জন্ম নিবন্ধন সনদ না থাকলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা/নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট-এর অফিসিয়াল প্যাডে সিল ও স্বাক্ষরযুক্ত সংগৃহীত সম্পর্কের প্রমাণপত্রের মূল কপি আনতে হবে।

          আবেদনপত্রের এক সেট ফটোকপিও সাক্ষাৎকারের সময় অবশ্যই সঙ্গে আনতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তির যে কোন পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্র ও নাতি-নাতনির ক্ষেত্রে সম্পর্কের প্রমাণপত্রসহ প্রদত্ত অন্যান্য তথ্য অসত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সাক্ষাৎকারে অনুপস্থিত আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের ভর্তির কোন সুযোগ থাকবে না।

          ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সম্পর্কিত ওয়েবসাইটে (academic.juniv.edu) প্রচার করা হবে এবং এসএমএস - এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত