শিরোনাম
ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে ইবি ছাত্রলীগের পদযাত্রা
ইবি প্রতিনিধি : স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে বিশ্বব্যাপী চলমান ছাত্র আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কর্মসূচীর প্রতি একাত্মতা পোষণ করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ফিলিস্তিনের পতাকা উত্তোলন, পদযাত্রা ও ছাত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৬ মে) দুপুর ১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দলীয় টেন্ট থেকে পদযাত্রাটি শুরু হয়। এরপর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালে হয়ে পুনরায় দলীয় টেন্টে এসে ছাত্র সমাবেশে যুক্ত হয়। পদযাত্রা ও ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন ফিলিস্তিনের পতাকা উত্তোলন করেন শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও পদযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতাকর্মীরা ফিলিস্তিনকে সমর্থন করে বিভিন্ন ব্যানার নিয়ে পদযাত্রায় উপস্থিত হয়।
এসময় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত ও সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয়ের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন শাখা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মৃদুল হাসান রাব্বি, রাকিবুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সহ বিভিন্ন হল প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী।
ছাত্র সমাবেশে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয় বলেন, ন্যায্যতা-ন্যায়-মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বাধীন রাষ্ট্র ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি এবং মানবতা বিরোধী অপরাধের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা যে আন্দোলনের সূচনা করেছে তার প্রতি সংহতি প্রকাশ করছে ইবি শাখা ছাত্রলীগ। ফিলিস্তিনের নারী পুরুষ এবং অবুঝ শিশুদের প্রতি যে জঘন্য নিপীড়ন চালানো হচ্ছে, আমরা এর প্রতি তীব্র ঘৃণা ও প্রতিবাদ জানাই।
শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন শোষিত, নিপিড়ীত মানুষের পক্ষে কাজ করে গেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় নিপিড়ীত, নির্যাতিত ফিলিস্তিনি মানুষের দাবি আদায়ে, দখলদার ইসরায়েলী বাহিনীর দখলদারিত্ব এবং নির্বিচারে গণহত্যা, নির্যাতনের বিরুদ্ধে ইবি শাখা ছাত্রলীগ আজ রাজপথে দাঁড়িয়েছে। এই সমাবেশ থেকে ফিলিস্তিনিদের প্রতি জুলুম নির্যাতন বন্ধ করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানাই।
মাভাবিপ্রবিতে 'ইনোভেশন শোকেসিং' অনুষ্ঠিত
ক্যাম্পাস প্রতিনিধিঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ই-গভর্ন্যান্স ও উদ্ভাবন কমিটির আয়োজনে 'ইনোভেশন শোকেসিং' অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল ১০ টা থেকে বেলা ১২ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ১২ তলার কনফারেন্স রুমে প্রর্দশনের আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগের ১৪ টি দল তাদের উদ্ভাবনী প্রর্দশন করে।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন উদ্ভাবনগুলো পরিদর্শন করেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ই-গভর্ন্যান্স ও উদ্ভাবন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহীন উদ্দিন।
প্রর্দশনী শেষে বিজিতদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। উদ্ভাবনী প্রর্দশনীতে ১ম স্থান অর্জন করে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের লাই-ফাই সিকিউর: ডোর লক এন্ড পেমেন্ট সিস্টেম, ২য় স্থান অর্জন করে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের পিকো হাইড্রোইলেকট্রিক পাওয়ার জেনারেশন ইউটিলাইজিং হাউজহোল্ড ও ৩য় স্থান অর্জন করে আইসিটি বিভাগের ডিজিটাল ইলেকট্রিক মিটার।
স্বাধীন ফিলিস্তিনের দাবিতে ছাত্রলীগের পদযাত্রা
স্বাধীন রাষ্ট্র ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি এবং নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি বর্বরতার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী ছাত্রসমাজ, শিক্ষক ও সচেতন নাগরিকদের যে আন্দোলনের সূচনা হয়েছে তার প্রতি সংহতি প্রকাশ করে বিশাল পদযাত্রা ও ছাত্র সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে সোমবার বেলা সাড়ে ১২টায় ছাত্রলীগের বিশাল মিছিল নিয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যের সামনে সমাপ্ত হয়।
ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হাতে ফিলিস্তিন ও বাংলাদেশের পতাকা, ব্যানার ও প্লাকার্ড হাতে নিয়ে পদযাত্রায় অংশ নেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল শাখা ও অন্যান্য ইউনিট থেকে কয়েক হাজার নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত হন।
মিছিলে ফ্রি ফ্রি প্যালেস্টাইন-স্টপ জেনোসাইড, স্বৈরাচার নিপাত যাক-ফিলিস্তিন মুক্তি পাক, উই ওয়ান্ট জাস্টিস-জয় জয় ফিলিস্তিন, ফ্রম দ্য রিভার টু দ্য সি-প্যালেস্টাইন উইল বি ফ্রি ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।
পদযাত্রায় অংশ নেওয়া ছাত্রলীগ নেতারা বলেন, নিপীড়ক ইসরাইল ফিলিস্তিনের মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করছে। ধ্বংস করছে পুরো গাজাকে। আমরা সাধারণ মানুষ হিসেবে এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। ইসরাইল যে গণহত্যা চাচিয়েছে তার নিন্দা জানাই এবং আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় তাদের শাস্তি জানাই।
এর আগে রোববার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সারা দেশে একযোগে বাংলাদেশের পতাকার পাশাপাশি ফিলিস্তিনের পতাকা উত্তোলন, পদযাত্রা ও ছাত্র সমাবেশের ঘোষণা দেয় ছাত্রলীগ।
কুবি উপাচার্যকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিল আবাসিক শিক্ষার্থীরা
কুবি প্রতিনিধিঃ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড এ এফ এম আবদুল মঈন সিন্ডিকেট সভায় হল সমূহে 'প্রচুর অস্ত্র ঢুকছে ও শিক্ষার্থীদেরকে টাকা দেওয়া হচ্ছে' বলে মন্তব্য করেন। এ ঘটনার সত্যতা প্রমাণ করতে না পারলে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরা।
রবিবার (৫ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরে প্রতিবাদলিপি জমা দেন পাঁচ আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরা।
প্রতিবাদলিপিতে থেকে জানা যায়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের স্বাভাবিক পরিবেশ ও শিক্ষার মান সমুন্নত রাখতে উপাচার্যকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে এবং অতিশীঘ্রই আবাসিক হলসমূহ খোলার আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।
আরও জানা যায়, উপাচার্য দাবি করেন 'আবাসিক হলগুলোতে প্রচুর অস্ত্র ঢুকছে ও শিক্ষার্থীদেরকে টাকা দেওয়া হচ্ছে'। আমরা আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরা এই বক্তব্যে হতভম্ব ও বিস্মিত। এই দাবি আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের জন্য লজ্জার ও অপমানজনক। এমন দাবি হলের শিক্ষার্থীদের নৈতিক এবং তাদের স্বাভাবিক জীবন প্রক্রিয়ার দিকে আঙুল তুলে। প্রভোস্টবৃন্দ উপাচার্যের এই সিদ্ধান্তকে অনৈতিক সিদ্ধান্ত বলেছেন। তারা দায়িত্ব নিয়ে বলেছেন হলসমূহে কোন অস্ত্র কিংবা টাকা নেই এবং তারা শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। আমরা দৃঢ় কণ্ঠে বলতে চাই এ ধরনের কোন কার্যকলাপের সাথে আমরা সাথে জড়িত নই।
এ বিষয়ে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রবি চন্দ্র দাস বলেন, 'উপাচার্য স্যার যে অযৌক্তিক দাবি করেছেন তা আমাদের হলের শিক্ষার্থীদের জন্য লজ্জার ও অপমানজনক। এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্যের মাধ্যমে সারা দেশে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান ক্ষুণ্ন করেছেন। আবাসিক হলের স্বাভাবিক পরিবেশ ও শিক্ষার মান সমুন্নত রাখতে উপাচার্য স্যারকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা চাওয়াসহ আমাদের হলসমূহ খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। এই সময়ের মধ্যে তিনি আমাদের দাবি না মানলে আমরা আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপে যাবো।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের পক্ষে ওই প্রতিবাদলিপিতে স্বাক্ষর করেন- রবি চন্দ্র দাস, আবদুল্লাহ আল মাছুম, উজ্জ্বল হক, তানজিনা ইসলাম এবং লাবিবা ইসলাম।

ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে বেরোবি ছাত্রলীগের ফিলিস্তিনি পতাকা উত্তোলন
বেরোবি প্রতিনিধি: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে ফিলিস্তিনি পতাকা উত্তেলন করেছে শাখা ছাত্রলীগের শতশত নেতাকর্মী।
আজ সোমবার (৬ মে) বেলা ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল থেকে শুরু শেখ রাসেল মিডিয়া চত্বরে এসে পথযাত্রা ও সমাবেশ শেষ হয়।
জনসভায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের। এ সময় তারা ফিলিস্তিনের মানুষের মুক্তিকামনা ও গনহত্যা বন্ধের আহবান করেন।পথযাত্রায় অংশ নেওয়া হেলাল মিয়া নামের এক শিক্ষার্থী বলেন,স্বাধীনতা অর্জনের পূর্বে বাংলাদেশ ছিল দ্বিতীয় ফিলিস্তিন, বাংলাদেশ এখন স্বাধীন হয়েছে, পেয়েছে মুক্তির সাধ। কিন্তু ফিলিস্তিন আজও স্বাধীন হয়নি আমি চাই ফিলিস্তিন স্বাধীন হউক, গনহত্যা বন্ধ হউক।
এ সময় বেরোবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি পমেল বড়ুয়া বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নির্যাতিত ফিলিস্তিনের পক্ষেই ছিলেন, সকল নাগরিকের অধিকার আদায়ের যে দাবি এবং চলমান ছাত্র আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে তারই ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নির্দেশে আমরা ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পতাকা উত্তোলন,পথযাত্রা ও ছাত্র সমাবেশের আয়োজন করেছি।এই পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে আমরা ফিলিস্তিনি মানুষের প্রতি শান্তি কামনা করতেছি এবং নির্মম হত্যাকান্ড বন্ধ চাই,এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা বিশ্বশান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতেই আমাদের এই আয়োজন।ফিলিস্তিনের মানুষের উপর যে নির্মম অত্যাচার হচ্ছে তা বন্ধ চাই।আমাদের এই কর্মসূচী নিছক কোন কর্মসূচি নয়। আমরা সারা বিশ্বে যেন শান্তির বার্তা পৌঁছে দিতে পারি।এবং বিশ্বের সকল নির্যাতিত মানুষের প্রতি মমত্ববোধ ও ভালোবাসা যেন বজায় থাকে এই বার্তায় রইলো।
শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম মাহাফুজ বলেন,ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রতি যে বর্বরতা ও নির্যাতন চলতেছে তার প্রতিবাদ স্বরুপ সারাবিশ্বের ছাত্রসমাজ যখন একাত্মা ঘোষণা করেছে,সংগ্রাম আন্দোলন করতেছে আমরা সেই আন্দোলনের সংহতি জানিয়ে ফিলিস্তিনি পতাকা উত্তোলন করেছি।
এম কে পুলক আহমেদ/
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য