ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

প্রতিটি নির্বাচনই চ্যালেঞ্জ, ভয় পেলে চলবে না: নতুন সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ২০:৫১
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রতিটি নির্বাচনই চ্যালেঞ্জ, ভয় পেলে চলবে না: নতুন সিইসি

নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, প্রতিটি নির্বাচন একটি চ্যালেঞ্জ। কিন্তু কোনো চ্যালেঞ্জ ভয় পেলে চলবে না। দায়িত্ব নেওয়ার পর বোঝা যাবে চ্যালেঞ্জ আছে কি না। তখন চ্যালেঞ্জ কীভাবে মোকাবিলা করতে হবে, সেই লক্ষ্যে দৃষ্টিভঙ্গি, কর্মপদ্ধতি এবং কৌশল নিরূপণ করা হবে।

আজ রোববার সিইসি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর কাজী হাবিবুল আউয়াল সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। বিকেল সাড়ে চারটার পর সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী নতুন সিইসি এবং চার নির্বাচন কমিশনারদের শপথ পাঠ করান।

শপথের পর নতুন সিইসি উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, শুধু নির্বাচন কমিশনই নির্বাচন করে না। নির্বাচন একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। এর সঙ্গে অনেকেই জড়িত। সব অংশীজন যদি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, তাহলে তাদের (নির্বাচন কমিশন) প্রধান দায়িত্ব হবে এই সহযোগিতা আদায় করে নেওয়া।

সিইসি আরও বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত আশাবাদী, যেসব সহকর্মী পেয়েছি, তাঁদের ওপর আস্থা আছে। আগামী যে নির্বাচন, তাতে সর্বোচ্চ যেটা দেওয়া সম্ভব, তা দেওয়ার চেষ্টা করব।’

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    এ বছর এসএসসি-এইচএসসিতে হবে না নির্বাচনী পরীক্ষা

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ২০:৪৮
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    এ বছর এসএসসি-এইচএসসিতে হবে না নির্বাচনী পরীক্ষা

    চলতি বছরও এসএসসি-সমমান ও এইচএসসি-সমমান পরীক্ষার আগে নির্বাচনী পরীক্ষা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড। রোববার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সভায় উপস্থিত একটি সূত্র।

    তবে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চাইলে প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষা নিতে পারবে।

    ঢাকা শিক্ষাবোর্ড থেকে জানা গেছে, চলতি বছরের এসএসসি-সমমান পরীক্ষা আগামী ১৯ মে ও এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা ১৮ জুলাই থেকে শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে এ বিষয়ে কোন ধরনের নির্দেশনা জারি করা হয়নি। সেটি চূড়ান্ত করতে আজ আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের সভা ডাকা হয়। তবে সভায় পরীক্ষার তারিখ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক তপন কুমার সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভায় আলোচনা হয়েছে। সভায় কর্মকর্তারা বিভিন্ন প্রস্তাবনা করেছেন। তা আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরবো। শিগগিরই এ বিষয়ে অনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।

    উল্লেখ্য, এরআগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার টেস্ট পরীক্ষা ৩ এপ্রিলের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিলো।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      দাখিল ও আলিম পরীক্ষার্থীদের দুই সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ১২:৩৭
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      দাখিল ও আলিম পরীক্ষার্থীদের দুই সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

      ২০২২ সালের দাখিল ও আলিম পরীক্ষার্থীদের দুই সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে দুইটি পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

      দাখিল ও আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্টে স্বাক্ষর করেছেন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন) মো. জিয়াউল আহসান।

      বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোভিড ১৯ পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের আলোকে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্তৃক পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচির আলোকে ২০২২ সালের দাখিল ও আলিম পরীক্ষার্থীদের ১৭তম ও ১৮তম সপ্তাহের অ্যাসইনমেন্ট রুবিক্সসহ প্রেরণ করা হলো।

      এতে আরও বলা হয়, শিক্ষার্থীদের যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ পূর্বক অ্যাসাইনমেন্ট গ্রহণ ও জমা দানের নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

      দাখিল পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট দেখতে এখানে ক্লিক করুন

      প্রসঙ্গত, দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর ২০২০ সালের ১৭ মার্চ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। সেসময় শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি মেটাতে অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম শুরু করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। স্কুল-কলেজ খোলা হলেও এখনো অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম চলমান রাখা হয়েছে।

      আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্টদেখতে এখানে ক্লিক করুন https://therisingcampus.com/wp-content/uploads/2022/02/দেখতে-এখানে-ক্লিক-করুন.pdf

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        এবারও নারী শিক্ষার্থীদের জন্য ‘উইমেন ইন স্টেম স্কলারশিপ’

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ১২:৩৩
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        এবারও নারী শিক্ষার্থীদের জন্য ‘উইমেন ইন স্টেম স্কলারশিপ’

        যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ অংশীদারত্ব দেশের জন্য নানা সুফল বয়ে এনেছে। এর অন্যতম দিক হলো নারীদের শিক্ষা ও ক্ষমতায়ন। এরই ধারাবাহিকতায়, দ্বিতীয় বছরের মতো স্টেম (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত) বিষয়ে নারীদের বৃত্তি দিতে যাচ্ছে ব্রিটিশ কাউন্সিল।

        শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্ততে এ তথ্য জানানো হয়। এই বৃত্তি যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টেমের বিষয়গুলোতে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য বিশ্বের ১০০ এর বেশি নারীকে সহায়তা করবে।

        জানানো হয়, ব্রিটিশ কাউন্সিল স্কলারশিপ ফর উইমেন ইন স্টেম যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল বা গণিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনে আগ্রহী নারীদের সহায়তা করে।

        এই সম্মানজনক বৃত্তি দক্ষিণ এশিয়া, পূর্ব এশিয়া, আমেরিকাসহ নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের ১০০ এর বেশি নারীকে যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি বা আর্লি একাডেমিক ফেলোশিপ অর্জনের সুযোগ দেবে। তাদের স্টেমের বিষয়সমূহে ক্যারিয়ার গড়ার আরও সুযোগ দেবে।

        যুক্তরাজ্যের ২৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে এ স্কলারশিপ স্কিমে টিউশন ফি, মাসিক উপবৃত্তি, ভ্রমণ খরচ, ভিসা ও স্বাস্থ্য কভারেজ ফি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ডিপেন্ডেন্ট আছে এমন নারীরাও এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে ও অতিরিক্ত সহায়তা পেতে পারবেন।

        জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থার (ইউনেস্কো) তথ্য অনুসারে, বিশ্বে ৩০ শতাংশেরও কম নারী গবেষক রয়েছে ও মাত্র ৩০ শতাংশ নারী শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষায় স্টেম সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বেছে নেন। যেহেতু একজন সাধারণ স্টেম কর্মী অন্যদের তুলনায় দুই-তৃতীয়াংশ বেশি উপার্জন করে, তাই নারীদের স্টেমে ক্যারিয়ার গড়ার সমান সুযোগ দিলে তা বেতনে লৈঙ্গিক বৈষম্য কমাতে সাহায্য করবে ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য ৫: ‘লিঙ্গ সমতা অর্জন, সব নারী ও কন্যা শিশুর ক্ষমতায়ন’ অর্জনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে। এ অটাম সেশনে ১১৯ জন স্কলারের প্রথম ব্যাচ তাদের নির্বাচিত কোর্সে ভর্তি হয়েছেন।

        যুক্তরাজ্যের ১২টি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার নারীদের জন্য স্টেম (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, গণিত) বিষয়গুলোতে বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম অফার করছে। এ বছর দক্ষিণ এশিয়ার নারীদের জন্য ৬৫টি বৃত্তি রয়েছে। সবগুলোই বাংলাদেশসহ সব দেশের জন্য উন্মুক্ত, যা প্রতিটি দেশের জন্য গত বছরের বরাদ্দের তুলনায় বেশি।

        ব্রিটিশ কাউন্সিলের রিজিওনাল ডিরেক্টর এডুকেশন সাউথ এশিয়া সালভাদর লোপেজ বলেন, স্টেমে যুক্তরাজ্যের শীর্ষমানের ডিগ্রি অর্জনে দক্ষিণ এশিয়ার মেধাবী ও যোগ্য নারীদের সহায়তা করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। আমরা নারীদের শিক্ষা ও একাডেমিসহ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে লিঙ্গ ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য নারীর ক্ষমতায়ন, যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করে এখানকার মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনা।

        এতে অংশ নেওয়া যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় ও উপলব্ধ কোর্সের সম্পূর্ণ তালিকাসহ আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য করে ভিজিট করুন: www.britishcouncil.org। ব্রিটিশ কাউন্সিল স্কলারশিপ ফর উইমেন ইন স্টেমের জন্য আগামী মাসের ৩১ তারিখ পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          সেসিপের চূড়ান্ত সুপারিশপত্র কবে— জানে না এনটিআরসিএ

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ১২:২৪
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          সেসিপের চূড়ান্ত সুপারিশপত্র কবে— জানে না এনটিআরসিএ

          সেন্ডোরি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেসিপ) প্রকল্পে নিয়োগের প্রাথমিক সুপারিশপ্রাপ্ত ৬৬৪ জনের চূড়ান্ত সুপারিশপত্র কবে দেয়া হবে সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানাতে পারেনি বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।

          এনটিআরসিএ বলছে, সেসিপ প্রকল্পে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের পুলিশ ভেরিফিকেশন চলমান রেখে নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশপত্র দিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো এ বিষয়ে অনুমোদন দেয়া হয়নি। মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন পেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত সুপারিশপত্র দেয়া হবে।

          এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এনটিআরসিএ সদস্য (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন) এ বি এম শওকত ইকবাল শাহীন বলেন, সেসিপ প্রকল্পে সুপারিশপ্রাপ্তদের চূড়ান্ত নিয়োগপত্র কবে দেয়া হবে সে বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। বিষয়টি মন্ত্রণালয় ভালো বলতে পারবে। সুপারিশপত্র দেয়ার অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অনুমতি পেলে সেটি দিয়ে দেয়া হবে।

          এদিকে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ৩৮ হাজারের বেশি শিক্ষকের পুলিশ ভেরিফিকেশন চলমান রেখে নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশপত্র দেয়া হলেও সেসিপ প্রকল্পে ৬৬৪ জনকে সুপারিশপত্র না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রার্থীরা। বিষয়টি সমাধানে শিক্ষা মন্ত্রী, শিক্ষা সচিব ও এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপিও জমাও দিয়েছেন তারা। তবে এখনো কোনো সুরাহা হয়নি।

          বিভিন্ন সময় জমা দেওয়া স্মারকলিপিতে প্রার্থীরা জানান, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) শিক্ষক নিয়োগের ৩য় গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৩৮ হাজার শিক্ষকের চুড়ান্ত সুপারিশপত্র দেয়া হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় সেসিপ প্রকল্পে ৬৬৪ জন শিক্ষকের চূড়ান্ত নিয়োগ না হওয়ার কারণে বেকার, অসহায় এসব প্রার্থীরা চরম মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। অনিশ্চয়তা ও হতাশায় তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে।

          তারা বলেন, মুজিববর্ষে আমাদের এই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি। প্রিলি, রিটেন ও ভাইবা পাশ করে চূড়ান্ত নিয়োগ সম্পন্ন না হওয়ায় আমরা পারিবারিক, সামাজিক ও আর্থিকভাবে প্রতিনিয়ত চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। এদিকে সারাদেশে সেসিপ প্রকল্পের আওতাভুক্ত অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষক পদ শূন্য। যে উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে সেসিপ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিল; শূন্যপদে যথাসময়ে শিক্ষক নিয়োগ করতে না পারায় সেই উদ্যোগ ভেস্তে যেতে বসেছে। শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ঠিক রাখা, কার্যকরী পাঠদান ও ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করার জন্য সেসিপ প্রকল্পে আওতাভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ অত্যন্ত জরুরী।

          তারা আরও জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদানের স্বাভাবিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও দক্ষ শিক্ষকের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত পাঠদান নিশ্চিত করতে সেসিপ প্রকল্পে ৬৬৪ জন শিক্ষকের চূড়ান্ত যোগদান জরুরী। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে ৬৬৪ জন শিক্ষকের চূড়ান্ত সুপারিশপত্র প্রদানের দাবি জানাচ্ছি।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত