শিরোনাম
সার্বভৌমত্বের কৃতিত্বে বিজয় দিবস উদযাপিত নিটারে
লাবিবা সালওয়া ইসলাম: সাভারের নয়ারহাটে অবস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তি ইউনিট অধিভুক্ত ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ কর্তৃক মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং নিটার কনফারেন্স রুমে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য ত্যাগ ও সংগ্রামের স্মারক বিজয় দিবসকে ধারণ করেন নিটারের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। নিটারের পরিচালক জনাব ড. মো: জোনায়েবুর রশীদ, প্রোক্টরগণ, বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের ডিপার্টমেন্ট হেড, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, লেকচারারসহ উৎফুল্ল শিক্ষার্থীরা মিলে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গন থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশ্যে র্যালি করেন। সকলে মিলে জাতীয় স্মৃতিসৌধে সফলভাবে একাত্তরের শহীদদের উদ্দেশ্যে ফুল অর্পণ করেন। শিক্ষক, কর্মচারী, শিক্ষার্থীসহ সকলের জন্য খাবারের আয়োজন ও থাকে।
এরপরই নিটারের কনফারেন্স রুমে কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় নিটার কালচারাল ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠান। নিটার কালচারাল ক্লাবের সদস্যরা একে একে জাতীয় সংগীত, দেশাত্মবোধক গান, কবিতা, বক্তব্য এবং নাচ উপস্থাপন করেন।
পরবর্তীতে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা শুরু হয়। নিটারের ডিপার্টমেন্ট অফ কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. মো: আবুল কালাম এবং ডিপার্টমেন্ট অফ ফ্যাশন ডিজাইনিং অ্যান্ড অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং এর অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর এবং হেড ইসমাত জেরিন তাঁদের দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন। নিটারের মাননীয় পরিচালক জনাব ড. মো: জোনায়েবুর রশীদ তাঁর তথ্য এবং উপাত্ত সমৃদ্ধ বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তিনি রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বিশ্বব্যাপী এর প্রভাব, মাথানিচু করে পাকবাহিনীর আত্মসমর্পণের দৃশ্যপট তুলে ধরেন। নিটার কালচারাল ক্লাবের মডারেটর ইন্দ্রজিৎ পাল তাঁর বাস্তব জীবনের চেতনা থেকে শিক্ষার্থীদের স্বাধীনতার চেতনার সংজ্ঞায় উদ্বুদ্ধ করেন।
এই দেশ, এই বাংলা, এই বাংলার মাটিতে সার্বভৌমত্বের এই ঋণ একাত্তরের সেই বীরশ্রেষ্ঠ, বীরবিক্রম, বীরপ্রতিক; সেই ত্রিশ লক্ষ শহীদ এবং সেই দু'লক্ষ সম্ভ্রম হারানো মা-বোনদের প্রতি। সর্বোেপরি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং তাঁর আত্মার মাগফেরাতপূর্বক আলোচনা সভার সমাপ্তি ঘটে।
চাঁবিপ্রবিতে বিজয় দিবস উদযাপন
এস এম মানজুরুল ইসলাম সাজিদ: নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উদযাপিত হয়েছে মহান বিজয় দিবস।
শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল থেকে দিবসটি উদযাপন শুরু হয়। এদিন সকালে বিজয় দিবস উপলক্ষে চাঁদপুরস্থ "অঙ্গীকার স্মৃতিসৌধে" পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন চাঁবিপ্রবি’র মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নাছিম আখতার। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন কম্পিউটার সায়েন্স ইন্জিনিয়ারিং বিভাগ, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ,ইনফরমেশন এন্ড কমিনিউকেশন টেকনোলজি বিভাগের সকল শিক্ষকবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
পরে সকাল ১০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে আলোচনা সভা ও মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রামান্যচিত্র প্রদর্শনী এবং সকল বীর শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনাসহ জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
স্বাধীনতা বিনষ্টকারী ও দেশবিরোধী সকল ষড়যন্ত্র রুখে দেয়ার দায়িত্ব তরুণদের- রবীন্দ্র উপাচার্য
রাকিব মাহমুদ, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর শাহ আজম এ কথা বলেন।
আজ ১৬ই ডিসেম্বর সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে অবস্থিত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে প্রতিষ্ঠিত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবসের কর্মসূচি সূচনা করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শাহ্ আজম।
সকালে পুস্পার্ঘ্য অর্পণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপাচার্য শাহ্ আজমের নেতৃত্বে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-৩ এ মিলিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।
এসময় রবীন্দ্র উপাচার্য তার বক্তব্যে বলেন , ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালি জাতি পরাধীনতার শেকল ভেঙে প্রথম স্বাধীনতার স্বাদ গ্রহণ করে। ২৪ বছরের আগ্রাসন ও ষড়যন্ত্রের নাগপাশ ছিন্ন করে জাতির ভাগ্যাকাশে দেখা দেয় এক নতুন সূর্যোদয়। প্রভাত সূর্যের রক্তাভ মুক্তির কিরণ ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশের সর্বত্র। আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হয় স্বাধীনতার বার্তা, জয় বাংলা বাংলার জয়, পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল, রক্ত লাল, রক্ত লাল। মহামুক্তির আনন্দ ঘোর আর বিজয়ের উল্লাস বাঙালির প্রাণোন্মাদনা সৃষ্টি করে, সজীব করে। যুগ যুগ ধরে শোষিত-বঞ্চিত বাঙালি চোখে আনন্দ অশ্রু আর ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তা নিয়ে এগিয়ে যায় সামনে। বিন্দু বিন্দু স্বপ্নেরা অবশেষে মিলিত হয় জীবনের মোহনায়।
রবি উপাচার্য শাহ্ আজম আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৪৮ সাল থেকে ৫২'র ভাষা আন্দোলন, ৬৬'র ছয় দফা, ৬৯'র গণঅভ্যুত্থান, ৭১'র ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ, ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা, ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠন এবং রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ মা-বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাক সেনাদের আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। বিজয়ের ৫২ বছর পূর্তির দিন আজ।
তিনি বলেন, আনন্দের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমরা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে দেশের নেতৃত্বে দেখতে চাই। এই চাওয়া পূরণ করতে সমর্থ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বদ্বীপ এই বাংলায় আর কোনদিন যেন মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী ষড়যন্ত্রকারীরা ক্ষমতায় আসতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। স্বাধীনতা বিনষ্টকারী ও দেশবিরোধী সকল ষড়যন্ত্র রুখে দেয়ার দায়িত্ব এদেশের তরুণদের।
উল্লেখ্য আলোচনা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এছাড়া উক্ত বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমেদ, রেজিস্ট্রার জনাব সোহরাব আলী, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
বিজয়ের লাল সবুজ সাজে সেজেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
সাকিবুল ইসলাম, জবি প্রতিনিধি: রাত পোহালেই মহান বিজয় দিবস। বিজয় দিবস ঘিরে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতেছে জাতি। এ উপলক্ষে রাজধানীর পুরান ঢাকার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিস ও স্থাপনায় করা হয়েছে লাল-সবুজ আলোকসজ্জা। দেশের অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) লাল-সবুজ আলোয় ঝলমল করছে ক্যাম্পাসের আঙিনা। ঝলমলে রঙিন আলোয় প্রতিফলিত হচ্ছে বিজয়ের প্রতিচ্ছবি।
সরেজমিনে দেখা যায়, লাল-সবুজ আর নীল রঙের আলোকসজ্জায় সেজেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা প্রাঙ্গন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক, ফটকের দুইপাশের দেয়াল থেকে শুরু করে শেষ প্রান্ত পর্যন্ত, নতুন একাডেমিক ভবন, একাত্তরের গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি ভাষ্কর্য, ভাষা শহীদ রফিক ভবন, অবকাশ ভবন সেজেছে সবুজ আলোয়। মাঝের প্রশাসনিক ভবন লাল আলোয় সাজানোয় ফুটে উঠেছে লাল-সবুজের পতাকার প্রতিচ্ছবি। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারও সেজেছে লাল সবুজে। শহীদ মিনারের সামনে লাল সবুজের আলোয় ফুটিয়ে তুলা হয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।
সূর্য ঢলে পড়ার পর সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে ক্যাম্পাসে জ্বলে ওঠে লাল-সবুজ আলো। আলোকসজ্জায় রঙিন ক্যাম্পাস যেন পরিণত হয়েছে একখণ্ড লাল সবুজের পতাকায়। সন্ধ্যা থেকেই ক্যাম্পাস ঘুরে ঘুরে বর্ণিল আলোকসজ্জা দেখে বেড়াচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। মনকড়া এমন আলোকসজ্জায় মুগ্ধ সবাই। ঘুরে দেখার পাশাপাশি আবার অনেকে সুন্দর এ দৃশ্য ক্যামেরায় ধারণ করছেন। বিজয়ের উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছেন সবাই। বিজয় দিবসকে বরণ করে নিতেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বর্ণিল সাজ। লাল, সবুজ, সাদাসহ বিভিন্ন রঙে সেজেছে পুরো ক্যাম্পাস। দলবেঁধে আলোকসজ্জায় ঘেরা রাতের ক্যাম্পাস দেখতে এসেছেন অনেক শিক্ষার্থী।
এদিকে সন্ধ্যার পর থেকেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মাইকে বাজানো হচ্ছে দেশাত্মবোধক গান। আলোকসজ্জা দেখতে আসা দর্শনার্থীরাও ঠোঁট মেলাচ্ছেন গানের সাথে। পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন রঙের আলোকসজ্জায় ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। সন্ধ্যা থেকেই ক্যাম্পাস ঘুরে ঘুরে বর্ণিল আলোকসজ্জা দেখে বেড়াচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। মনকড়া এমন আলোকসজ্জায় মুগ্ধ সবাই। ঘুরে দেখার পাশাপাশি আবার অনেকে সুন্দর এ দৃশ্য ক্যামেরায় ধারণ করছেন।
আলোকসজ্জা দেখতে আসা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ ইবনে সাইম বলেন, 'মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পুরো ক্যাম্পাস লাল-সবুজের আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে। সবুজ-শ্যামল বাংলাদেশের লাল-সবুজের জাতীয় পতাকার সৌন্দর্য্য ফুটিয়ে তুলা হয়েছে। সুন্দর লাগছে।
আরেক শিক্ষার্থী ইউছুব ওসমান বলেন, ক্যাম্পাসে মনকড়া এমন আলোকসজ্জায় মুগ্ধ সবাই। বাইরে থেকে দর্শনার্থীরা এসেও বিজয়ের উল্লাসে মেতেছেন। বিভিন্ন রঙ ও বর্ণের এসব আলোকসজ্জা উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
সাফা আক্তার নামের আরেক দর্শনার্থী বলেন, 'ত্রিশ লক্ষ মানুষের রক্তের বিনিময়ে এই বিজয় অর্জন করেছি। লালা-সবুজের পতাকা পেয়েছি। মহান বিজয় দিবসে লাল-সবুজের এই সাজ আমাদের শহীদ যোদ্ধাদের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। তাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।'
এবিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বলেন, '১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ক্যাম্পাস সাজানো হয়েছে। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার আলোকে লাল-সবুজের প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তুলার চেষ্টা করা হয়েছে।'
বিজয়ের শুভেচ্ছা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ভবনে লাল সবুজের আলো মেখে বিজয়ের বরণ করে নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। আমরা বিজয় দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছি।
এছাড়াও পুরান ঢাকার কবি নজরুল সরকারি কলেজের পুরো ক্যাম্পাসজুড়েও বাহারি রঙের ছড়াছড়ি। সমগ্র ক্যাম্পাস মেতেছে যেন বিজয়ের উল্লাসে। আলোকসজ্জায় রঙিন ক্যাম্পাস পরিণত হয়েছে একখণ্ড লাল সবুজের পতাকায়। আলোরও আছে নিজের ভাষা। সে ভাষায় লাল সবুজ মানেই প্রিয় বাংলাদেশ। তাই আলোয় এই দুই রঙের প্রভাবই একটু বেশি। তবে আনন্দের এই রঙিন শহরে ঠাঁই হয়েছে নীল-হলুদসহ বাহারি আলোর।
এছাড়াও পার্শ্ববর্তী সরকারী সোহরাওয়ার্দী কলেজ ক্যাম্পাসও পরিণত হয়েছে একখণ্ড লাল সবুজের পতাকায়। আলোরও আছে নিজের ভাষা। সে ভাষায় লাল সবুজ মানেই প্রিয় বাংলাদেশ। তাই আলোয় এই দুই রঙের প্রভাবই একটু বেশি। তবে আনন্দের এই রঙিন শহরে ঠাঁই হয়েছে নীল-হলুদসহ বাহারি আলোর।
এদিকে বিজয়ের দিন ঘিরে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতেছে পুরো বাঙালি জাতি। এ উপলক্ষে রাজধানীর পুরান ঢাকার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিস ও স্থাপনায় করা হয়েছে লাল-সবুজ আলোকসজ্জা।
লাল-সবুজের সাজে সেজেছে কবি নজরুল কলেজ!
নজরুল কলেজ প্রতিনিধি : মাত্র কয়েক ঘন্টা পরেই ১৬ ডিসেম্বর, বিজয়ের ৫২ বছরে পা দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। মহান বিজয় দিবসকে বরণ করে নিতে তাই বর্ণিল সাজে সেজেছে সরকারি কবি নজরুল কলেজ । বাহারি রঙের ছড়াছড়ি যেন পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে। সমগ্র ক্যাম্পাস মেতেছে বিজয়ের উল্লাসে।
আজ শুক্রবার, (১৫ ই ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় কলেজ ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, এ ভবন, বি ভবন, সি ভবনগুলোতে বাহারি রঙের ছড়াছড়ি। লাল-সবুজ মানেই বাংলাদেশ। তাই আলোকসজ্জায় এই দুই রঙের প্রভাবই একটু বেশি। লাল ইটের ক্যাম্পাসে রং গুলো যেন আরো বেশি বর্ণিল হয়ে উঠেছে।
আলোকসজ্জা উপভোগ করতে কলেজের আশেপাশে বসবাস কারী শিক্ষার্থীরা সহ পুরান ঢাকাবাসী কলেজের সামনে ভীড় জমিয়েছেন। অনেকেই তাদের মুঠো ফোনে ক্যাম্পাসের সুন্দর দৃশ্যের ছবি ক্যামেরাবন্দি করছেন।
কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ ডিপার্টমেন্টে শিক্ষার্থী একরাম উল্যাহ বলেন, লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা বাঙালি জাতির নিকট এক মহামূল্যবান সম্পদ৷ বিজয় দিবসে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি এদেশের সেই সূর্যসন্তানদের যারা নিজেদের প্রাণ ও সম্ভ্রমের বিনিময়ে স্বাধীনতা নামক স্বপ্ন ছিনিয়ে এনেছেন৷ শুধুমাত্র তাদের জন্যই আজ বাঙালি জাতি হিসেবে আমরা গর্ববোধ করতে পারি।
যে বিজয় লাখো জীবনের বিনিময়ে অর্জিত, সেটা ধরে রাখার কর্তব্য সবার। আমাদের সবার উচিত আমাদের দেশের ঐতিহ্য ও দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া। এবারের মহান বিজয় দিবসে এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী জাকারিয়া বলেন, আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে ক্যাম্পাস। লাল নীল আলোতে ক্যাম্পাস রঙিন হয়ে উঠেছে। অনেক ভালো লাগছে দেখতে। আগামীকাল ১৬ই ডিসেম্বর আমরা বিজয়ের ৫২ বছর পূর্তি পালন করতে যাচ্ছি। তিনি কলেজ প্রশাসনকে ধন্যবাদ দিয়ে বলেন,নানান রঙের এই বাহারি আলোই বলে দিচ্ছে বিজয়ের বরণ করে নিতে কবি নজরুল সরকারি কলেজ প্রশাসন প্রস্তুত।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য