ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কয়রায় ৫ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ আগস্ট, ২০২৩ ১৭:৫১
নিজস্ব প্রতিবেদক
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কয়রায় ৫ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

মিনহাজ দিপু, কয়রা (খুলনা): সুন্দরবন উপকূলের পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় কয়রা সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

রবিবার (২০ আগস্ট ) সকাল ১০টায় সুন্দরবন বালিকা বিদ্যালয়ের মাঠে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক নিশিত রঞ্জন মিস্ত্রী ও কয়রা সাংবাদিক ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা মাস্টার খায়রুল আলম। এসময় ফলজ, বনজ, ঔষধি ও শোভা বর্ধনকারী গাছের চারা রোপণ করা হয়।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে আম,লেবু, আমলকি, পেয়ারা, ডালিম, মেহেগনি, কদম, প্রভৃতি ফলদ, বনজ, ঔষধি ও শোভা বর্ধনকারী গাছের চারা রোপণ করা হয়।

কয়রা সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি তারিক লিটু বলেন, ‘বর্তমান সময়ে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো পরিবেশ-প্রতিবেশ সংরক্ষণ। বিশ্বের সকল মানুষ এখন পরিবেশ সংরক্ষণের উপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। আর পরিবেশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। এই কর্মসূচির আওতায় আমরা পাঁচ হাজার গাছের চারা রোপণ করবো।’

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রাম্য কবি আব্দুল রাজ্জাক মদিনাবাদী,কয়রা সাংবাদিক ফোরামের উপদেষ্টা মো. হাফিজুর রহমান মিস্ত্রী,সহ-সভাপতি মো.মোক্তার হোসেন,যুগ্ম সম্পাদক জিয়াউল হাসান জিল্লুর,আবির হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক মিনহাজ দিপু,প্রচার সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল জুবায়ের, সাংবাদিক বায়জিদ হোসেন,ইউনুস বাবু,সোহরাব হোসেন,আব্দুল আলিম,আজিজুর রহমান,আসিফ সিদ্দিকী, অফিস স্টাফ আবু জাফর মোহাম্মদ ছোটন ও প্রমুখ।

উল্লেখ্য, কয়রা সাংবাদিক ফোরাম দেশের গণমাধ্যমে উপজেলাকে তুলে ধরার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক দায়িত্ব পালন করে থাকে। এর অংশ হিসেবে প্রতিবছর বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি পালন করে থাকে সংগঠনটি,।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে কোন গাড়ির কত টাকা টোল?

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২০ আগস্ট, ২০২৩ ১৩:২২
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে কোন গাড়ির কত টাকা টোল?

    ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে চার ক্যাটাগরিতে চলাচল করা যানবাহনের কাছ থেকে টোল আদায় করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    রোববার দুপুর ১২টায় সচিবালয়ে সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা জানান তিনি।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, আগামী ২ সেপ্টেম্বর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সাড়ে ১১ কিলোমিটার কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত উদ্বোধন করা হবে।

    চার ক্যাটাগরিতে টোল আদায় হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ক্যাটাগরি-১ এ কার, ট্যাক্সি, জিপ, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল, মাইক্রোবাস (১৬ সিটের কম) এবং হালকা ট্রাক (৩ টনের কম) ৮০ টাকা,

    ক্যাটাগরি-২ এ মাঝারি ট্রাক (৬ চাকা পর্যন্ত) ৩২০ টাকা, ক্যাটাগরি-৩ এ ট্রাক (৬ চাকার বেশি) ৪০০ টাকা, ক্যাটাগরি-৪ এ সব ধরনের বাস (১৬ সিট বা তার বেশি) ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এ সময় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম নুরুল আমিন উল্লাহ নুরী, সেতু সচিব মো. মনজুর হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ‘৭৫-এর বীরপুরুষ কর্নেল জামিল, আমরা সবাই কাপুরুষ’

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৬ আগস্ট, ২০২৩ ১৭:১৪
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ‘৭৫-এর বীরপুরুষ কর্নেল জামিল, আমরা সবাই কাপুরুষ’

      আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘১৯৭৫ সালের বীরপুরুষ কর্নেল জামিল, আমরা সবাই কাপুরুষ। আমাদের যাদের বঙ্গবন্ধু ডেকেছিলেন, ভয়ে সাড়া দেননি, তাদের বীরপুরুষ বলা যাবে? আমরা কাপুরুষ। ইতিহাসে এ সত্যকে অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই।’

      বুধবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

      আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সব সত্য আমরা এখনো জানিনা। সব সত্য এখনো বের হয়ে আসেনি। অজানা অনেক তথ্য রয়ে গেছে। সত্য প্রকাশ হবেই। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার করেছেন, সেখানে অনেক সত্য বেরিয়ে এসেছে। কিন্তু এ সত্য আমরা কতজনে স্বীকার করি? ৭৫ সালে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু কয়েকজনকে ফোন করেছিলেন। কে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন? সত্য যদি বলতে হয়, শুধুমাত্র কর্নেল জামিল ছুটে এসেছিলেন ৩২ নম্বরে। আমাদের কোনো নেতা আসেননি। আমরা কেউ বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে ৩২ নম্বর আসিনি। ঘাতকরা যখন গুলি করছিলেন তখন বঙ্গবন্ধু কর্নেল জামিলকে ফোন করেছিলেন, কর্নেল জামিল কোনো বাধা মানেননি। তিনি ছুটে গিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর ভবনের দিকে, আর তাকে পথের মধ্যেই হত্যা করা হয়।’

      তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের বিবেকের কাছে অপরাধী। বঙ্গবন্ধুর জন্য আমরা বড় পদে এসেছি, বড় নেতা হয়েছি। জামিল যে সাহস, আনুগত্য, দেশপ্রেম দেখিয়েছিলেন সেটা কি কোনো পলিটিশিয়ান দেখাতে পেরেছেন? পারেননি। এটাই সত্য।’

      ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আগস্ট মাস এলে বিএনপি নেতাদের চোখ মুখ শুকিয়ে যায়। সত্যের মুখোমুখি হতে তারা ভয় পান। ইতিহাসের অনেক প্রশ্ন আছে, সেই প্রশ্নের জবাব বারবার চেয়েও তাদের কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। জিজ্ঞেস করেছিলাম- ১৫ আগস্টের খুনিদের নিরাপদে বিদেশে পাঠাল কে? তাদের বিদেশে চাকরি দিয়ে পুরস্কার করল কে? জিয়াউর রহমান?’

      তিনি বলেন, ‘হত্যা যে করেন আর হত্যায় যে মদদ দেন, উভয়ই সমান অপরাধী। হত্যাকারীদের দুঃসাহস দিয়েছেন জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমানের দুঃশাসন না হলে পৃথিবীতে এ ঘটনা ঘটত না।’

      তিনি আরও বলেন, ‘মির্জা ফখরুলকে আমি বারবার একই প্রশ্ন করেছি। খন্দকার মোস্তাকের সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী বাংলাদেশের সংবিধানের অন্তর্ভুক্ত করেছিল কে? জিয়াউর রহমান। পঞ্চম সংশোধনী কে করেছিল? মির্জা আব্বাসের লজ্জা করে না? আব্বাস যখন বলেন সংবিধানের কাঁটাছেড়া করেছে আওয়ামী লীগ, তাদের কাঁটাছেড়া সংবিধান আমরা মানি না, মির্জা আব্বাসের লজ্জা করে না? জিয়াউর রহমান এ সংশোধন এনেছিলেন বঙ্গবন্ধু খুনিদের বিচার বন্ধ করতে।’

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেল আরও ২২ হাজার পরিবার

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৯ আগস্ট, ২০২৩ ১২:৩৩
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেল আরও ২২ হাজার পরিবার

        আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় আরও ২২ হাজার ১০১ পরিবারকে আধাপাকা ঘর বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে এক লাখ ১৫ হাজার মানুষের মুখে হাসি ফুটল। এ ছাড়া আজ পাবনাসহ দেশের ১২ জেলা ও ১২৩ উপজেলাকে ভূমিহীনমুক্তের ঘোষণা দেন তিনি।

        বুধবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব ঘর হস্তান্তর করেন তিনি।

        বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে তার মেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগে ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষকে দুই শতক জমিসহ ঘর দেওয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী আজ তিন উপজেলায় ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ২২ হাজার পরিবারকে ঘর হস্তান্তর করেন।

        প্রধানমন্ত্রী খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার বারাসত সোনার বাংলা পল্লী আশ্রয়ণ প্রকল্প, পাবনার বেড়া উপজেলার চাকলা আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের আমানউল্লাহপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধাগ্রহীতাদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করছেন।

        গত সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্প বিশ্বে একটি অনন্য প্রকল্প, কারণ পৃথিবীর আর কোনো দেশে এত বিপুলসংখ্যক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বাড়ি বিতরণ করা হয়নি।

        প্রসঙ্গত, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার মেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্যোগ নেন দেশে একটি মানুষও গৃহহীন-ভূমিহীন থাকবে না। এরই অংশ হিসাবে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি এ পর্যন্ত চার দফায় ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৫১টি ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। আজ বুধবার পঞ্চম ধাপে আরও ২২ হাজার ১০১টি গৃহহীন-ভূমিহীন পরিবারকে ঘরসহ বাড়ি হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্য দিয়ে আরও ১২টি জেলাকে গৃহহীন ও ভূমিহীনমুক্ত হবে। এ নিয়ে মোট ২১টি জেলা গৃহহীন ও ভূমিহীনমুক্ত হবে।

        প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে খুলনার তেরখাদার বারাসাত সোনার বাংলা পল্লী আশ্রয়ণ প্রকল্প, পাবনার বেড়া উপজেলার চাকলা আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের আমানউল্যাহপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর হস্তান্তর করবেন। এর মধ্য দিয়ে ১২৩টি উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করা হবে। আগের ২১১টিসহ মোট ৩৪৩টি উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত হবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          বুধ ও বৃহস্পতিবার ৫ জেলায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৮ আগস্ট, ২০২৩ ১৮:২২
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          বুধ ও বৃহস্পতিবার ৫ জেলায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

          টানা বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে অধিকাংশ রাস্তাঘাট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তলিয়ে যাওয়ায় তিন পার্বত্য জেলাসহ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামীকাল বুধবার ও বৃহস্পতিবার এসব এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

          মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) বিকেলে ‘এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে জাতীয় মনিটরিং ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা’ শেষে এ ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি।

          শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিন পার্বত্য জেলাসহ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এজন্য বুধ-বৃহস্পতিবার এসব এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। আশা করছি, আগামী দুই দিনের মধ্যে সব এলাকার পানি নেমে যাবে এবং পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে। আগামী রোববার থেকে এ ৫ জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যথারীতি ক্লাস শুরু করা যাবে বলে আমরা আশাবাদী।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত