ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

সাবেক প্রধান বিচারপতি ফজলুল করিম মারা গেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬ নভেম্বর, ২০২৪ ১১:১৪
নিজস্ব প্রতিবেদক
সাবেক প্রধান বিচারপতি ফজলুল করিম মারা গেছেন

ডেস্ক রিপোর্ট:সাবেক প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ ফজলুল করিম (৮১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (১৬ নভেম্বর) ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটো রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মারা যান। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শনিবার (১৬ নভেম্বর) দুপুর দেড়টায় সুপ্রিম কোর্টের ইনার গার্ডেনে বিচারপতি ফজলুল করিমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

ফজলুল করিম ১৯৪৩ সালে ৩০ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার সুচক্রদণ্ডি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম আহমেদ কবীর। তিনি আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদের বংশধর।

তিনি ১৯৫৮ সালে পটিয়ার কাজেম আলী হাইস্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন এবং ১৯৬০ সালে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে বিএ পাস করেন। এরপর ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি নেওয়ার পর ১৯৬৯ লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে বার অ্যাট ল’ হন।

১৯৬৫ সালে তিনি আইনজীবী হিসেবে চট্টগ্রাম বারে তালিকাভুক্ত হন। এরপর ১৯৭০ সালে হাইকোর্টে এবং ১৯৭৯ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

বিচারপতি ফজলুল করিম ১৯৮২ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন।

১৯৯২ সালের ১ নভেম্বর তিনি হাইকোর্টের অস্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন। দুই বছর পর স্থায়ী হন তিনি। ২০০১ সালের ১৫ মে তিনি আপিল বিভাগে যোগ দেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ‘অন্যদল করলে সে প্রতিপক্ষ ও শত্রু, এই মানসিকতা থেকে বের হতে হবে’

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৬ নভেম্বর, ২০২৪ ১১:২
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ‘অন্যদল করলে সে প্রতিপক্ষ ও শত্রু, এই মানসিকতা থেকে বের হতে হবে’

    ডেস্ক রিপোর্ট: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক এবং জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম বলেছেন, ‘কেউ একজন যদি অন্যদল করে সে প্রতিপক্ষ ও শত্রু, এই মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। আমাদের প্রত্যেকের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকা উচিত। কারও আমি সুনাম করব, সে যেই দলেরই হোক না কেন যদি তার কাজ ভালো হয়। আবার সমালোচনার তীরে বিদ্ধ করব যদি তার কাজ খারাপ হয়।’

    শুক্রবার রাতে পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার মির্জা গোলাম হাফিজ ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত মাসব্যাপী ঐতিহ্যবাহী রাসমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে তিনি এসব কথা বলেন।

    সারজিস আলম বলেন, ‘আমরা দেখেছি বিগত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ কীভাবে বিএনপি, জামায়াতসহ অন্য দলের নেতাকর্মীদের মিথ্যে মামলা দিয়েছে, গুম, খুন ও নির্যাতন করেছে। ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনা প্রশাসনকে অপব্যবহার করে যে কাজগুলো করেছে এর ফল কি হতে পারে তা ১৬ বছর পর স্বচক্ষে দেখিয়েছে। যেই নেতাকর্মীরা তার উপর এতো ভরসা করত তাদেরকে খোলা মাঠে রেখে ভয়ে হেলিকপ্টারে করে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা আছে। এই শিক্ষাটা আমাদের নিতে হবে। এই একই কাজ যেন এখন থেকে আমরা না করি। যারা ভালো, ভালো কাজ করেছে, কোন অপকর্মের সাথে জড়িত ছিল না তারা যে দলেরই হোক তাদের সাথে যেন নতুন করে অন্যায় না হয়।’

    তিনি বলেন, ‘আগামীতে যারা ক্ষমতায় আসবে তারা যদি একই কাজ করে তাহলে এক দলের সঙ্গে আরেক দলের কামড়াকামড়ি যাবে না। সুস্থ রাজনৈতিক চর্চা সেটা কোনোদিন স্টাবলিশ হবে না। হাসিনার কোনো দোসর যদি বিগত সময়ে অন্যায়, অত্যাচার ও অপকর্ম করে থাকে তাদের আইনগতভাবে যে শাস্তি হওয়া দরকার সেটিই যেন হয়। একইভাবে কোনো নির্দোষ মানুষ কোনোভাবে এখন যেন কারও দ্বারা অন্যায়ের শিকার না হয়। সৃষ্টিকর্তা ও প্রকৃতির একটি ন্যাচারাল রিভেঞ্জ আছে। যেটা শেখ হাসিনা এখন পাচ্ছে।’

    সারজিস বলেন, ‘উত্তরবঙ্গের মানুষ ভালো, মন মানসিকতা ভালো। সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে সামান্য কিছুতেই আমাদের মধ্যে প্রচুর মনোমালিন্য প্রচুর বিভাজন। এই জিনিসটা থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। মাদকের সাথে যারাই যুক্ত থাকবে, তার পেছনে যেই থাকুন না কেন, সে যত বড়ই কিছুই হোক না কেন, যেই পদধারী হোক না কেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।’

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক সাবেত আলী, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সীসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও মেলা কমিটির সদস্যরা।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ফ্যাসিবাদের দোসরদের শেকড় অনেক গভীরে : আসিফ মাহমুদ

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৫ নভেম্বর, ২০২৪ ২০:৪
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ফ্যাসিবাদের দোসরদের শেকড় অনেক গভীরে : আসিফ মাহমুদ

      ডেস্ক রিপোর্ট: ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে চলে গেলেও ফ্যাসিবাদের দোসরদের শেকড় অনেক গভীরে রয়ে গেছে বলে মনে করেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

      শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে অফিসার্স ক্লাবে গণঅভ্যুত্থানের ৩ মাস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

      যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা এখানে বসতে পারছি, কথা বলতে পারছি। দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারছেন।

      ‘ফেসবুকে একটা পোস্ট দিতে গেলে এখন আর বারবার ভাবতে হচ্ছে না, ব্যাকস্পেস দিয়ে কেটে দিতে হচ্ছে না’ উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ বলেন, আমরা ভয়হীনভাবে আলোচনা-সমালোচনা করতে পারছি। রাষ্ট্র পুনর্গঠনে নিজেদের মতামত দিতে পারছি। সংস্কার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারছি।

      ‘আমরা নতুনভাবে স্বপ্ন দেখছি এ দেশের মানুষকে নিয়ে একটি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলার। আমরা সবধরনের ফ্যাসিবাদীদের উপকরণ মুছে ফেলার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করছি। শুধু ২৪ জন উপদেষ্টা এবং একজন প্রধান উপদেষ্টাই কিন্তু সরকার না। আপনারাও সরকারের অন্যতম অংশ। আমাদের কাজ হচ্ছে পলিসিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া। আর বাস্তবায়নের কাজ হচ্ছে মূলত আপনাদের,’ বলেন তিনি।

      বিগত সময়ে যে ফ্যাসিবাদী সরকার ছিল, তাদের পলিসি গুলোই ছিল গণবিরোধী, গণতন্ত্র হত্যাকারী এবং মানুষের জীবন নেয়ার মতো পলিসি ডিসিশন তারা দিয়েছে এবং প্রশাসনে থাকা তাদের দোসররা সেগুলো বাস্তবায়ন করেছে।

      অফিসার্স ক্লাবে উপস্থিত সবাইকে উদ্দেশ্য করে উপদেষ্টা বলেন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছে। সেটা কিভাবে নিশ্চিত করা যায় সে বিষয়ে আপনারা মতামত দিবেন। কীভাবে সংস্কার করলে বা কাঠামোগত পরিবর্তন করলে ভবিষ্যতে আর কখনও প্রশাসনে এতটা দলীয়করণ সম্ভব হবে না, ভবিষ্যতে এতোটা দলদাসের মতো কার্যক্রম হবে না, জনবিরোধী অবস্থান নিবে না সেটা নিশ্চিত করার জন্য আপনাদের মতামত দেবেন।

      গণ অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে নিরপেক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানকে ধারণ করার আহ্বান জানান তিনি।

      জনকল্যাণমূলক কাজে সরকারি কর্মকর্তাদের আমলাতান্ত্রিক জটিলতার দোহাই দেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় দোসরদের বের করে দক্ষ লোকদের নিয়োগ দেওয়ার কাজ করা হচ্ছে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        আসছে আদর-বুবলীর ‘পিনিক’

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৫ নভেম্বর, ২০২৪ ১৯:৫৭
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        আসছে আদর-বুবলীর ‘পিনিক’

        ডেস্ক রিপোর্ট: ঢালিউডে আরও নতুন একটি সিনেমার খবর পাওয়া গেল। জাহিদ জুয়েল পরিচালিত এই সিনেমায় থাকছেন আদর আজাদ ও শবনম বুবলী।

        গত বৃহস্পতিবার সিনেমাটির পোস্টার তথা ফার্স্টলুক প্রকাশিত হয়। সেখানেই ছবির নাম ঘোষণা করা হয়। ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে শ্যুটিং, যা চলবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।

        ছবির ওই পোস্টারে পাওয়া গেল অ্যাকশনের আমেজ। বিশাল অস্ত্রাগারের মধ্যে পায়ের ওপর পা তুলে বসে আছেন আদর আজাদ। চোখে চশমা, ঠোঁটে জ্বলন্ত সিগারেট। পুরো ঘরে থরে থরে অস্ত্র সাজানো। ট্যাগ লাইনে লেখা ‘কেউ নিষ্পাপ না’।

        সিনেমাটিতে আদর আজাদ, শবনম বুবলী ছাড়াও অভিনয় করছেন আলিরাজ, ফজলুর রহমান বাবু, জয়িতা মহলানবীশ, আজাদ আবুল কালাম, মোমেনা চৌধুরী, মাসুম বাশার, সমু চৌধুরী, শরীফ সিরাজ, এ কে আজাদ সেতু, নাজনীন শবনম, নাফিস আহমেদ বিন্দু প্রমুখ। সিনেমাটি প্রযোজনা করছে ইউরো বাংলা এন্টারটেইনমেন্ট।

        সৈকত নাসিরের ‘তালাশ’ ছবির মাধ্যমে জুটি হিসেবে পথচলা শুরু আদর আজাদ ও শবনম বুবলীর। এরপর সাইফ চন্দনের ‘লোকাল’ ছবি দিয়ে আলোচনায় আসেন তারা। এবার জাহিদ জুয়েলের ‘পিনিক’ ছবিতে দেখা যাবে এই জুটিকে। শোনা যাচ্ছে, আগামী বছর ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাবে ছবিটি।

        ঈদ মানেই সিনেমার বাজারে নতুন আশা। কারণ, সারা বছরের মধ্যে দুই ঈদেই খানিকটা আলোর মুখ দেখে হল ব্যবসায়ীরা। নির্মাতা, প্রযোজকদেরও পরিকল্পনা থাকে ঈদে সিনেমা নির্মাণের। আজাদ-বুবলীর ‘পিনিক’ হয়তো ঈদে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ছেলে নয়, নারীকে হত্যার পর মরদেহ ফ্রিজে রাখেন বাড়ির ভাড়াটিয়া

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৫ নভেম্বর, ২০২৪ ১৯:৪০
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ছেলে নয়, নারীকে হত্যার পর মরদেহ ফ্রিজে রাখেন বাড়ির ভাড়াটিয়া

          বগুড়ার দুপঁচাচিয়ায় গৃহবধূ উম্মে সালমাকে হত্যার পর ডিপ ফ্রিজে রাখার ঘটনা নতুন মোড় নিয়েছে। হত্যাকাণ্ডের দুদিন পর উম্মে সালমার ছেলে সাদ বিন আজিজুর রহমান এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে দাবি করেছিল র‌্যাব।

          তবে পুলিশ বলছে সালমার ছেলে সাদ নয়। এতে সরাসরি জড়িত তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

          গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সাদ এর বাসার চারতলার ভাড়াটিয়া উপজেলার চামরুল ইউনিয়নের উত্তর সাজাপুর গ্রামের আইয়ুব আলীর স্ত্রী মাবিয়া বেগম (৫০), তার সহযোগী গুনাহার ইউনিয়নের তালুচ পশ্চিমপাড়ার আব্দুর রহিমের ছেলে মোসলেম উদ্দিন (২৬) ও একই এলাকার নিখিল রবিদাসের ছেলে ভ্যানচালক সুমন রবিদাস (২৮)।

          শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বগুড়া জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন রঞ্জন সরকার।

          এর আগে, গত রোববার দুপচাঁচিয়া উপজেলার জয়পুরপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে হত্যাকাণ্ডের পর খুনিরা উম্মে সালমার মরদেহ ফ্রিজে রেখে যান। দুদিন পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উম্মে সালমার ছোট ছেলেকে আটক করে র‌্যাব। পরদিন র‌্যাব জানায় উম্মে সালমার ছেলে সাদ বিন আজিজুর রহমান স্বীকার করেছেন তিনি নিজেই তার মাকে হত্যা করেছেন।

          আর এখন জেলা পুলিশ বলছে, সাদ তার মাকে হত্যা করেননি, তাদের বাড়ির ভাড়াটিয়া মাবিয়া আক্তার ২ সহযোগীকে নিয়ে হত্যা করেছেন উম্মে সালমাকে। মাবিয়া ও তার দুই সহযোগী সুমন চন্দ্র এবং মোসলেমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

          দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের সময় ওই বাসা থেকে খোয়া যাওয়া ওয়াইফাই রাউটার এবং দুটি মোবাইলের সূত্র ধরে তারা প্রথমে আটক করেন বাসার ভাড়াটিয়া মাবিয়া আক্তারকে।

          মাবিয়া পুলিশকে জানান, চার মাস আগে উম্মে সালমার ওই বাসা ভাড়া নিয়ে তিনি এখানে মাদক ও অনৈতিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বিষয়টি টের পাওয়ার পর উম্মে সালমা ও তার স্বামী আজিজুর রহমান ভাড়াটিয়া মাবিয়া আক্তারকে এক মাস ধরে বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলছিলেন। তার কাছে দুই মাসের ভাড়াও পাওনা ছিল। বিষয়গুলো নিয়ে মাবিয়া বাড়ির গৃহকর্ত্রী উম্মে সালমার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। তাই তিনি তার সহযোগী ও মাদক ব্যবসায়ী সুমন চন্দ্র সরকার এবং মোসলেমকে নিয়ে গেল শনিবার উম্মে সালমাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।

          পরিকল্পনা মাফিক ঘটনার সময় মাবিয়া প্রথমে ওই বাসায় প্রবেশ করেন। পরে মোবাইল ফোনে ডেকে নেন দুই সহযোগী সুমন ও মোসলিমকে। তারা দুজন বাসায় ঢুকেই চেতনানাশক স্প্রে করে উম্মে সালমাকে অচেতন করেন। এরপর তার নাক মুখ ও হাত বেঁধে বাসার ডিপ ফ্রিজে ঢুকিয়ে রেখে তারা তিনজন সেখান থেকে বেরিয়ে যায়।

          বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন রঞ্জন সরকার বলেন, আটকের পর মাবিয়া, সুমন ও মুসলিম উম্মে সালমাকে হত্যার কথা স্বীকার করে ঘটনার পুরো বিবরণ দিয়েছে। পরে তাদের দেখানো জায়গা থেকে পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত জিনিসপত্র এবং ওই বাসা থেকে খোয়া যাওয়া জিনিসপত্রগুলো উদ্ধার করে। বিকেলে তাদের তিনজনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়ার জন্য বগুড়ার আদালতে নিয়েছে পুলিশ।

          তিনি আরও বলেন, আমরা এ ঘটনার আরও অধিকতর তদন্ত করছি। বিস্তারিত তথ্য তদন্ত শেষে জানানো হবে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত