শিরোনাম
জনপ্রতিনিধিদের ‘সম্মান না পাওয়ার’ বিষয়ে ডিসিদের সংবেদনশীল হতে নির্দেশনা মন্ত্রীর
সংসদ সদস্য থেকে শুরু করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অনেক সময় স্থানীয় প্রশাসন বা অন্য সরকারি অফিসে ‘সেই ধরনের’ সম্মান না পাওয়ার বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) আরও সংবেদনশীল হতে নির্দেশনা দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
আজ বৃহস্পতিবার তিন দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলনের শেষ দিনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত বিষয়ে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই সম্মেলন হচ্ছে।
ডিসিদের দেওয়া নির্দেশনার কথা জানাতে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বলেছি, আমাদের সহকর্মীরা, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা, এমনকি সংসদ সদস্য বলেছেন, স্থানীয় প্রশাসন কিংবা অন্য সরকারি অফিস অনেক সময় সেই ধরনের সম্মান দেয় না কিংবা তাঁরা যেহেতু নির্বাচিত হয়েছেন, কিছু অঙ্গীকার করেছেন, সেগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হয় না। এ বিষয়ে যেন তাঁরা (ডিসি) আরও সংবেদনশীল হন। এটি খুবই দুঃখজনক, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ হয় না। এ জন্যই বলা হয়েছে।’
স্থানীয় পর্যায়ে প্রবাসীদের বিভিন্ন দুঃখ-দুর্দশার কথা জানিয়ে সে বিষয়েও সংবেদনশীল হতে ডিসিদের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, এক কোটির বেশি প্রবাসী বিদেশে আছেন। তাঁরা অভিযোগ করেন, তাঁরা ঠিকমতো পাসপোর্ট পান না, পুলিশের ছাড়পত্র হয় না। সময়মতো বিবাহসনদ, জন্মসনদ হয় না। অনেক সময় দেশে এলে হয়রানি করা হয়। তাঁদের ভূমি অনেকে বেদখল করে ফেলে। তাঁদের মরদেহ আনতে অনেক সময় ঠিকমতো তথ্য পাওয়া যায় না। প্রবাসীদের এ ধরনের একাধিক অভিযোগ আছে। এ জন্য তিনি আশা করেন এ বিষয়ে ডিসিরা অনেক বেশি সংবেদনশীল হবেন। যাতে এই ধরনের সেবা সহজে হয়।
মন্ত্রী আরও বলেন, স্থানীয় প্রশাসন যেগুলো নিজেরাই করতে পারে, সেগুলো অনেক সময় ঢাকায় পাঠিয়ে দেয় এবং নিজেদের দায়িত্ব এড়িয়ে যায়। এর ফলে সবাই ঢাকাকেন্দ্রিক হচ্ছেন। এ বিষয়েও সজাগ হতে ডিসিদের বলা হয়েছে।
৪৩তম বিসিএসের ফল আজই, বৈঠকে পিএসসি
৪৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারির ফল আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশ করবে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। পিএসসির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বিষয়টি জানিয়েছে।
ওই সূত্র বলছে, আজ বেলা সাড়ে তিনটায় সাড়ে তিনটায় পিএসসির চেয়ারম্যান জরুরি সভা ডেকেছেন। এরপর ফলাফল দেওয়া হবে। পিএসসির ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশিত হবে।
এর আগে আজ সকালে পিএসসির একটি সূত্র বলেছে, আজ ফল দেওয়ার জন্য কয়েক দিন ধরে কাজ করছে পিএসসির সংশ্লিষ্ট বিভাগ, এখন শেষ সময়। তাই সবকিছু ঠিক থাকলে আজই ফল দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে পিএসসি। এই বিসিএসে প্রায় চার লাখ প্রার্থী অংশ নেন।
গত বছরের ২৯ অক্টোবর ৪৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। কয়েক দফায় এ বিসিএসের আবেদনের সময় বাড়ানো হয়েছিল। ৪৩তম বিসিএসে আবেদন জমা পড়েছিল ৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯০টি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ফাইনাল পরীক্ষা শেষ না হওয়ার কারণে তিন দফায় ৪৩তম বিসিএসের আবেদনের সময় বাড়িয়েছিল পিএসসি।
৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৮১৪ জন কর্মকর্তা নেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ৩০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১০০ জন, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ২৫ জন, শিক্ষা ক্যাডারে ৮৪৩ জন, অডিটে ৩৫ জন, তথ্যে ২২ জন, ট্যাক্সে ১৯ জন, কাস্টমসে ১৪ জন ও সমবায়ে ১৯ জন নিয়োগ দেওয়া হবে।
প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বিষয় ও নম্বর বণ্টন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ৩৫, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য ৩৫, বাংলাদেশ বিষয়াবলি ৩০, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ২০, ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ১০, সাধারণ বিজ্ঞান ১৫, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ১৫, গাণিতিক যুক্তি ১৫, মানসিক দক্ষতা ১৫, নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন ১০ নম্বর।
শাবিপ্রবিতে অনশনরত ৩ শিক্ষার্থী অসুস্থ
উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে আমরণ অনশনরত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) তিন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের অনশনরত স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। জানা যায়, অনশনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে একজন শিক্ষার্থী বুধবার (১৯ জানুয়ারি) দিনগত রাত ৩টার দিকে বমি করেন, আরেকজনের জ্বর আসে, অপর এক শিক্ষার্থী ভোর ৫টার দিকে দুর্বল হয়ে পড়েন।
বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা দিতে আসেন রাগীব রাবেয়া মেডিক্যালের চিকিৎসক ডা. বাবলু।
তিনি বলেন, আমি আসার পর দু’জন শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছি। বাকি যারা অসুস্থতাবোধ করছেন তাদেরও দেখতেছি।
ডা. বাবলু বলেন, যাদের চিকিৎসা দিয়েছি তাদের মধ্যে একজন এজমা রোগী ছিলেন। রাতে বেশি শীত থাকায় তার শ্বাসকষ্ট বেড়েছে। তাই তার পালস বেশি হচ্ছে। বাকি সব ঠিক আছে। কেউ গুরুতর অসুস্থ হয়নি।
বুধবার বিকেল ৩টা থেকে অনশন কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এতে ২৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। এরমধ্যে ১৫ জন ছেলে এবং ৯ জন মেয়ে রয়েছেন।
অনশনরত শিক্ষার্থী শাহরিয়ার বলেন, আমদের উপাচার্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করায় আমরা আমরণ অনশন শুরু করেছি। পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমরা অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাবো।
২৪ অনশনকারী শীতের সারা রাত ছিলেন উপাচার্যের বাসভবনের সামনে
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগের দাবিতে অনশনকারী ২৪ শিক্ষার্থী গতকাল বুধবার শীতের সারা রাত উপাচার্যের বাসভবনের সামনে ছিলেন। গতকাল বেলা ২টা ৫০ মিনিট থেকে আমরণ অনশন শুরু করেন এই শিক্ষার্থীরা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অনশনকারী শিক্ষার্থীরা একই জায়গায় অবস্থান করছিলেন। তাঁদের সমর্থন ও সাহস জোগাতে আছেন আরও অনেক শিক্ষার্থী।
গতকাল রাত ৮টা ৪০ মিনিটে আন্দোলনস্থলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সহমর্মিতা প্রকাশ করতে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষসহ প্রায় দুই শ শিক্ষক। তবে এ সময় তাঁদের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বক্তব্য দিতে দেননি। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, উপাচার্যের পদত্যাগের দাবির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করলেই তাঁরা বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পাবেন। এ সময় শিক্ষকেরা হ্যান্ডমাইকে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কথা বলতে চাইলেও তাঁরা দাবি আদায়ের স্লোগান শুরু করেন।
রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা চাই শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার বিচার হোক। বিনা দোষে যাতে শাস্তি না পান, সে বিষয়টিও মনে রাখা উচিত। এ জন্য উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করার প্রয়োজন। তদন্তের মাধ্যমে যাঁর বিরুদ্ধে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলবে, সে যে-ই হোক, তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার ব্যাপারে আমরা ছাত্রদের সঙ্গে একমত। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে এ সুযোগ আমরা শিক্ষার্থীদের কাছে চেয়েছিলাম।’ পরে শিক্ষকেরা রাত একটার দিকে আন্দোলনস্থল ছেড়ে যান।
এ আন্দোলনের সূত্রপাত ১৩ জানুয়ারি। ওই দিন রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের কয়েক শ ছাত্রী। ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যার দিকে ছাত্রলীগ হলের ছাত্রীদের ওপর হামলা চালায়। পরের দিন বিকেলে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি ভবনে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করেন। তখন পুলিশ শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটা ও তাঁদের লক্ষ্য করে শটগানের গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। ওই দিন রাতে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ও শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা তা উপেক্ষা করে উপাচার্যের পদত্যাগ চেয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।
শিক্ষায় আবার শঙ্কা
দেড় বছর কার্যত বন্ধ থাকার পর সবে একটু একটু করে চালু হচ্ছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীরে শ্রেণিকার্যক্রম। কিন্তু করোনা সংক্রমণ আবার যে হারে বাড়তে শুরু করেছে, তাতে কত দিন এটা চালু রাখা যাবে, তা নিয়ে শঙ্কা জাগছে। যদিও সরকার বলছে, পরিস্থিতি একেবারে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত বিবেচনা করা হচ্ছে না।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবমতে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা শনাক্ত হয়েছে সাড়ে ৯ হাজারের বেশি। আর সংক্রমণের হার ২৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। এক সপ্তাহে রোগী বেড়েছে ২২৮ শতাংশ।
করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ৩০ দিনের জন্য সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইনে ক্লাস করানোর নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ গতকাল বুধবার এই আবেদন করেন। আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মুনিরুজ্জামানের বেঞ্চে এই বিষয়ে শুনানি হবে বলে জানান তিনি।
এই পরিস্থিতিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) সশরীর ক্লাস বন্ধ করে অনলাইনে শ্রেণিকার্যক্রম শুরু করেছে। পাশাপাশি ঢাকা, জগন্নাথ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নানা নির্দেশনা জারি করেছে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয় প্রস্তুত আছে অনলাইনে আবার পুরোদমে ক্লাস শুরুর জন্য। কিন্তু সরকার যেহেতু এখনই সশরীরে ক্লাস বন্ধ করতে চাইছে না, তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অপেক্ষায় আছে সরকারি সিদ্ধান্তের।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) এ এস এম মাকসুদ সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এখন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগ-ইনস্টিটিউটগুলো চাইলে অনলাইনে ক্লাস নিতে পারবে।
তবে শিক্ষার্থীদের বড় অংশ সশরীরে ক্লাস-পরীক্ষা চালু রাখার পক্ষে, কারণ এখনো অনেকের পরীক্ষা চলমান। তাই এখনই অনলাইনে চলে গেলে তারা আবারও শিক্ষাজটে পড়তে পারে। তবে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের আরেকটা অংশ অনলাইন শিক্ষা-কার্যক্রম পরিচালনারও দাবি জানিয়েছে।
তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের চিন্তা নেই। কারণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে ১২ থেকে ১৭ বছরের শিক্ষার্থীদের টিকা দিতে সমস্যা হবে। অবস্থার পরিবর্তনের ফলে যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও করোনা ছড়িয়ে পড়ে এবং যদি দেখা যায় আমরা ক্লাস চালু রাখা সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে অনলাইনে যেতে হতে পারে বলে গত মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এখনো বন্ধের কথা ভাবছি না। কারণ, করোনা এমনভাবে ছড়িয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীরা বাড়িতে থাকলেও সংক্রমিত হতে পারে।’
এদিকে সব শিক্ষার্থীকে টিকার আওতায় আনতে জোরেশোরে কাজ চলছে টিকাদান কার্যক্রম। গত সোমবার পর্যন্ত ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৮৫ লাখ শিক্ষার্থী টিকা নিয়েছে। অন্যদিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় ৯৫ শতাংশ শিক্ষার্থী করোনার টিকা নিয়েছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. এম তারিক আহসান বলেন, ‘বাস্তবতা হলো আমাদের দেশের যে শিক্ষাকাঠামো, সেখানে এখনই যদি পুরোপুরি অনলাইনে চলে যাই তাহলে সব শিক্ষার্থী অনলাইনের সুবিধা নিতে পারবে না। এ জন্য আমাদের ব্লেন্ডেড (একই সঙ্গে অফলাইন-অনলাইন শিক্ষা) পদ্ধতিতে যাওয়া দরকার।’
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য