ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইবি বঙ্গবন্ধু পরিষদের আহ্বায়ক ড. আরফিন ও সদস্য সচিব ড. মাহবুবর

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩ জুন, ২০২৪ ১৯:৩২
নিজস্ব প্রতিবেদক
ইবি বঙ্গবন্ধু পরিষদের আহ্বায়ক ড. আরফিন ও সদস্য সচিব ড. মাহবুবর

ইবি প্রতিনিধি : বঙ্গবন্ধু পরিষদ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: মাহবুবুল আরফিন এবং সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: মাহবুবর রহমান।

সোমবার (৩ জুন) কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু পরিষদ কর্তৃক ৩১ সদস্যবিশিষ্ট এ আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।

কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শেলীনা নাসরীন ও ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মিয়া মো: রাসিদুজ্জামান মনোনীত হয়েছেন।

এছাড়াও অন্যান্য মনোনীত সদস্যরা হলেন, হিসাববিজ্ঞান এ তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী আখতার হোসেন, ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: মামুনুর রহমান, ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্মন, ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়াজিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আহসান-উল-আম্বিয়া, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়াজিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইব্রাহিম আবদুল্লাহ, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রবিউল হোসেন, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ রহুল আমিন, ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. ধনঞ্জয় কুমার, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. তপন কুমার রায়, বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়াজিং বিভাগের অধ্যাপক ড. সুধাংশু কুমার বিশ্বাস, ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ জাহাঙ্গীর সাদাত, গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আনিছুর রহমান, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল্লাহ-আল-মাসুদ, বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়াজিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ রকিবুল ইসলাম, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক প্রদীপ কুমার অধিকারী, সহযোগী অধ্যাপক মোঃ সাজ্জাদ হোসেন জাহিদ ও সহযোগী অধ্যাপক ড. লিটন বরণ সিকদার, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব এম. এম. নাসিমুজ্জামান, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ শরিফুল ইসলাম, ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো: মোস্তাফিজুর রহমান, বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো: রবিউল ইসলাম, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো: শহিদুল ইসলাম, ল' এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাহিদা আখতার, ফাইন আর্টস বিভাগের প্রভাষক মো: ইমতিয়াজ ইসলাম এবং প্রভাষক অনিন্দিতা হাবিব।

এ বিষয়ে আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিন বলেন, বঙ্গবন্ধু পরিষদে আগে দুইটি ভাগ ছিলো আমরা কেন্দ্রের সাথে কথা বলে এটাকে ঐক্যবদ্ধ করেছি। তিনমাসের মধ্যে আমরা পূর্নাঙ্গ কমিটি প্রদান করবো। বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে সমুন্নত রাখার জন্য আমরা আমাদের জায়গা থেকে কাজ করে যাবো। সেইসাথে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশকে সুরক্ষিত রাখার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

নবনির্বাচিত সদস্যসচিব অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান বলেন, কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদ্যোগে দীর্ঘদিনের আদর্শিক শিক্ষকদের বিভাজন একীভূত করে আহবায়ক কমিটি গঠন করায় গভীর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আশা করি সকলের আন্তরিক সহযোগিতায় কেন্দ্রীয় কমিটি ও ইবি শিক্ষকদের প্রত্যাশিত আদর্শিক কর্মকান্ড পরিচালনা করতে আমরা সামর্থ্য হবো।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ছুটিতে হল খোলা রাখার দাবিতে ইবির মূল ফটকে তালা

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৩ জুন, ২০২৪ ১৮:২২
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ছুটিতে হল খোলা রাখার দাবিতে ইবির মূল ফটকে তালা

    ইবি প্রতিনিধি :পবিত্র ঈদ-উল-আযহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে হল খোলা রাখার দাবিতে আন্দোলন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের এক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেইটে তালা ঝুলিয়ে দেন তারা।

    সোমবার (৩ জুন) দুপুর ২ টার বাস ক্যাম্পাস ছেড়ে যাওয়ার সময় হলে মেইন গেইটে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন করেন শিক্ষার্থীরা। এসময় হল গেইটের সামনে শিক্ষার্থীদের বহনকারী বাসের লম্বা লাইন সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ঘণ্টা খানেক পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের উপস্থিতিতে উপাচার্যের সাথে সাক্ষাৎকারের আশ্বাস দিয়ে গেইটের তালা খুলে দেয়া হয়।

    পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহ'র উপস্থিতিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামের কাছে স্মারক লিপি প্রদান করেন।

    এতে বলা হয়,আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় আগামী ৬ জুন থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত মোট ২৩ দিন গ্রীষ্মকালীন ও পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে ছুটি থাকবে। উক্ত ছুটির মধ্যে আবাসিক হলগুলো বন্ধ থাকবে ১০ জুন থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত মোট ১৪ দিন। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন জাতি, ধর্ম ও গোষ্ঠীর শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। নির্দিষ্ট ধর্মীয় এসব ছুটিতে অন্যান্য ধর্মাবলম্বী অনেক শিক্ষার্থীর বাধ্য হয়ে ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে হয় এবং দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।

    সে সময় প্রভোস্ট কাউন্সিলে আলোচনা করবেন বলে শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহ।

    এর আগে, গত ২৮ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে আগামী ১০ জুন সকাল ১০ টা থেকে ২৪ জুন সকাল ১০ টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল সমূহ বন্ধ থাকবে। বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থীদের ১০ জুন সকাল ১০টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশও দেওয়া হয়।

    আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, অনেকের বিজেএস এর প্রিলি হয়েছে সামনে রিটেন পরীক্ষা। তাছাড়া অনেকেই বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাই ওনাদের জন্য এই লম্বা ছুটি ক্ষতির কারণ। অনেক চাকরি পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই প্রভোস্ট কাউন্সিলের সাথে আলোচনা করে ভিসি স্যার এই ছুটি কমিয়ে আনে যেনো সেই দাবী আমাদের সকলের পক্ষ থেকে।

    প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি ও সাদ্দাম হোসেন হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান বলেন, আমাদের প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভায় সিদ্ধান্ত হয় ১১ তারিখ থেকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত হল পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। এখন শিক্ষার্থীদের দাবীর বিষয়টি আমাকে ছাত্র উপদেষ্টা অবগত করেছেন। এখন যদি প্রশাসন থেকে আমাদের চিঠি দেয়া হয় তাহলে বিষয়টি নিয়ে একসাথে বসে কি সিদ্ধান্ত নিবো।

    এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম জানান, ক্যাম্পাস এবং হল নিজস্ব নিয়ম এবং শিডিউল মেনে চলে। বছরের শুরুতেই একাডেমিক ক্যালেন্ডার দিয়ে দেওয়া হয়েছে। হল বন্ধের ব্যাপারটাও পূর্বনির্ধারিত। ছুটির সিদ্ধান্তের রেজুলেশনও হয়ে গেছে। আমি চাইলেই নিয়মবহির্ভূত ভাবে কিছু করতে পারবো না। এবিষয়ে ছাত্র উপদেষ্টাকে বলেছি প্রভোস্ট কাউন্সিলের সাথে যোগাযোগ করতে। তারপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      কলেজে ভর্তি আবেদন ৭ দিনে সাড়ে ৯ লাখ

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৩ জুন, ২০২৪ ১৮:৩
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      কলেজে ভর্তি আবেদন ৭ দিনে সাড়ে ৯ লাখ

      ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য সাত দিনে প্রায় সাড়ে নয় লাখ শিক্ষার্থী অনলাইনে আবেদন করেছে। এর মধ্যে পেমেন্ট সম্পন্ন করেছে নয় লাখ ৩৪ হাজার ১৫৯ আবেদনকারী। এবার ৫১ লাখ ৭০ হাজার বেশি ইএসভিজি চয়েস (কলেজ পছন্দ) দাখিল করেছে আবেদনকারী শিক্ষার্থীরা।

      রোববার (৩ জুন) রাত পৌনে ১২টা পর্যন্ত এ পরিমাণ শিক্ষার্থী আবেদন করেছে। ঢাকা শিক্ষাবোর্ড ও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ওয়েবসাইটে থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

      তিন ধাপের ভর্তির মধ্যে প্রথম ধাপে আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ১১ জুন পর্যন্ত চলবে।

      এছাড়া, শিক্ষাবোর্ড জানিয়েছে, ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবদেন করে পেমেন্ট করতে পারছিল না। গতকাল থেকে সেই সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। এখন আবেদনকারীরা আবেদন ফি বিকাশের মাধ্যমে সরাসরি পরিশোধ করতে পারবে। আবেদন ফি পরিশোধের পর একাদশ শ্রেণিতে স্মার্ট ভর্তির সিস্টেমে লগ ইন করে পোর্টাল থেকে নিশ্চিত হতে পারবে তার পেমেন্ট সম্পন্ন হয়েছে কি না।

      শিক্ষাবোর্ড জানিয়েছে, আবেদন করার সুবিধার্থে আবেদন ফি পরিশোধ না করা থাকলেও আবেদন করতে পারছে ভর্তিচ্ছুকরা। সেক্ষেত্রে অবশ্যই আবেদন করার পরে নির্দিষ্ট সময়সীমার আগেই আবেদন ফি পরিশোধ করতে হবে; নয়তো আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

      আবেদনের সাইট রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রতিদিন রাত ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

      এর আগে, সার্ভার জটিলতার কারণে একাদশ শ্রেণির ভর্তি আবেদন যথাসময়ে শুরু হয়নি। পূর্বঘোষিত তারিখ ও সময় অনুযায়ী গত ২৬ মে সকাল থেকে ভর্তি আবেদন শুরুর কথা ছিল। তবে, সে সময় অনেকে ওয়েবসাইটে প্রবেশে জটিলতায় পড়েছে। পরে ‘লিঙ্গ অপশন’সহ অন্য সমস্যার সমাধান করলে আবেদন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হয়। আবেদনের পোর্টালে আবেদনকারীর লিঙ্গ ভুল দেখানো সংক্রান্ত একটি ত্রুটি গত ২৮ মে সকাল ১০টার দিকে সমাধান করা হয়েছে।

      একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে এবার রাজধানীর কলেজগুলোতে ভর্তি ফি সর্বোচ্চ সাড়ে সাত হাজার ও ইংরেজি মাধ্যমে সাড়ে আট হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা বাদে অন্য মেট্রপলিটন এরিয়ায় পাঁচ হাজার, জেলা শহরে তিন হাজার ও উপজেলায় আড়াই হাজার টাকা। এটাই সর্বোচ্চ ভর্তি ফি।

      এবার একাদশ শ্রেণিতে ২৫ লাখ আসন থাকলেও এসএসসিতে পাস করেছে ১৬ লাখ ৭২ হাজার শিক্ষার্থী। সে হিসেবে আট লাখের বেশি আসন খালি থাকবে। চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন পরীক্ষার্থী। এক লাখ ৮২ হাজার ১৩২ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। নয়টি সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডে গড় পাসের হার ৮৩.০৪ শতাংশ।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        হারানো জিনিস সন্ধানে সিসিটিভি ফুটেজ দেখাতে নারাজ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৩ জুন, ২০২৪ ১৭:৫২
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        হারানো জিনিস সন্ধানে সিসিটিভি ফুটেজ দেখাতে নারাজ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ

        সোহরাওয়ার্দী কলেজ প্রতিনিধিঃ সোহরাওয়ার্দী কলেজ থেকে হেলমেট চুরি হওয়া যেনো একটি সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। চুরি হওয়া এসব হেলমেট ফিরে পেতে কলেজে থাকা সিসি ফুটেজ দেখাতে নারাজ অধ্যক্ষ মোহসীন কবির। ভুক্তভোগীরা তাঁর সাথে যোগাযোগ করতে গেলে, তাদের তিনি নানা ভাবে হয়রানি করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

        গতকাল (২ জুন) রবিবার সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির বিশেষ মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করতে ক্যাম্পাসে আসে সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির উপদেষ্টা ইমরান মাহমুদ। মিটিং শেষে বাইকের কাছে গিয়ে দেখতে পান বাইকে তার হেলমেট নেই। অনেক খুঁজাখুজিরপর সিসি ফুটেজ দেখতে অধ্যক্ষের রুমে গেলে রুম তালাবদ্ধ দেখতে পেয়ে উপাধ্যক্ষের রুমে যান। সেখানে গেলে জানা যায় মাঠের সব সিসি ফুটেজ অধ্যক্ষের রুমে। এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

        প্রায় কলেজ থেকে হেলমেট চুরির ঘটনা ঘটেছে। হেলমেট চুরির ঘটনায় আজ কলেজ সাংবাদিক সমিতির দপ্তর সম্পাদক আকবর চৌধুরী অধ্যক্ষের সাথে দেখা করতে চাইলে, এখন দেখা করা সম্ভব না বলে জানান কলেজে অফিস সহকারী আইয়ুব। সবশেষে সংগঠনের সভাপতি আইয়ুবকে ফোন দিলে সে অধ্যক্ষের সাথে দেখা করিয়ে দেয়। দেখা করার সুযোগ পেয়ে আকবর চৌধুরী অধ্যক্ষের রুমে প্রবেশ করে প্রবেশ করার সাথে সাথে অধ্যক্ষে কি হয়েছে জিজ্ঞেস করে। কথা বলতে আকবর চৌধুরী সামনে গেলে তিনি তাকে দূর থেকে কথা বলতে বলেন এবং সামনে থেকে সরিয়ে দেয়। এসময় অধ্যক্ষ বলেন সিসি ফুটেজ দেখানো কোনো ভাবেই সম্ভব না!

        তারপর বিষয়টি সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের কানে আসলে সে অধ্যক্ষকে ফোন দেয় এবং বিভিন্ন ভাবে রিকুয়েষ্ট করে সিসি ফুটেজ দেখাতে। কিন্তু তিনি বলেন অধ্যক্ষের রুমের সিসি ফুটেজ দেখানো সম্ভব না! প্রতিদিন কোনো না কোনো জিনিস হারানো যাবে আর আমরা সিসি ফুটেজ দেখাবো এটা হবে না! এসময় চুরি হয়েছে সেটা থানায় জিডি করতে বলেন। পুলিশ আসলে ফুটেজ দেখাবো।

        এছাড়াও তিনি বলেন ক্যাম্পাস থেকে কি চুরি হলো সেটা দেখার জন্য সিসি ফুটেজ না! সিসি ফুটেজ হচ্ছে শিক্ষার্থীরা কে আসলো কে গেলো সেটা দেখার জন্য!

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          সার্বজনীন পেনশন স্কীম প্রত্যাহারের দাবিতে মাভাবিপ্রবিতে মানববন্ধন

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৩ জুন, ২০২৪ ১৩:৫৭
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          সার্বজনীন পেনশন স্কীম প্রত্যাহারের দাবিতে মাভাবিপ্রবিতে মানববন্ধন

          মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি: সার্বজনীন পেনশন স্কীম বিধিমালা থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের নাম প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।

          সোমবার (৩রা জুন) সকাল ১১ টায় বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের আহ্বানে , মাভাবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

          মানববন্ধন কর্মসূচিতে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের উপদেষ্টা ও মাভাবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ মফিজুল ইসলাম মজনু, মাভাবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ড. ইকবাল বাহার বিদ্যুৎ বক্তব্য রাখেন এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আজাদ খান ভাসানী।

          মানববন্ধনে বক্তারা সর্বজনীন পেনশন স্কীম বিধিমালার প্রজ্ঞাপন হতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে প্রত্যাহার না করা হলে আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণের ঘোষণা দেন।

          মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগ ও অফিসের কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের গৃহীত কর্মসূচি অনুযায়ী আগামীকাল মঙ্গলবার ২য় দিনে মানববন্ধন ও মৌনমিছিল কর্মসূচি পালিত হবে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত