শিরোনাম
সাত কলেজের মাস্টার্স শেষ পর্বের পরীক্ষার ফল সংশোধন করা হচ্ছে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স শেষ পর্বের চূড়ান্ত পরীক্ষার প্রকাশিত ফল সংশোধন করে পুনরায় প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. বাহালুল হক চৌধুরী সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাত কলেজের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার ফলাফল ইতােমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুসরণ করা হয়। পরবর্তীতে উক্ত শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, আলােচ্য শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স কোর্সে ভর্তি হয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী অনার্স ডিগ্রি অর্জন করে। যেহেতু এই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ভর্তিকৃত এবং অনার্স ডিগ্রি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুয়ায়ী অর্জন করেছে সেজন্য তাদের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার ফলও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী সংশােধন করে প্রকাশ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
এতে আরও বলা হয়, তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে আরাে উল্লেখ করা যাচ্ছে যে, পরবর্তী ২০১৮-১৯, ২০১৯-২০ এবং ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স শেষ পর্বের ফলাফল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী প্রকাশ করা হবে।
এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে অনার্স কোর্সে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুসৃত হচ্ছে এবং উক্ত শিক্ষার্থীদের মাস্টার্স ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ হতে মাস্টার্স কোর্সের ফলাফল প্রকাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুসরণ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
প্রসঙ্গত, শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত করা হয়। অধিভুক্তির পর থেকে এসব কলেজের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সম্পর্কিত বিষয়গুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ই দেখভাল করছে।
৪০তম বিসিএসের ফল মার্চে
আগামী মার্চ মাসের মধ্যে ৪০তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ কর্ম কমিশনের (পিএসসি) একাধিক সূত্র। এই বিসিএসকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে ওই সূত্র।
জানা গেছে, করোনাভাইরাসের কারণে বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে ৪০তম বিসিএস পরীক্ষা। করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় একাধিকবার তারিখ পরিবর্তন করেও ভাইভা শেষ করা যায়নি। তবে ৪০তম বিসিএসের ভাইভা এখন শেষ পর্যায়ে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পিএসসির চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইন বলেন, আমরা চেষ্টা করছি খুব দ্রুত ফলাফল প্রকাশ করার জন্য। সে অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি। আগামী মার্চের মধ্যে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের ইচ্ছা আছে আমাদের।
এদিকে এক বিজ্ঞপ্তিতে পিএসসি জানিয়েছে, ৪০তম বিসিএসের কারিগরি ক্যাডারের মৌখিক পরীক্ষা আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে। পরীক্ষা চলবে আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা নগরের পিএসসির প্রধান কার্যালয়ে এ পরীক্ষা নেওয়া হবে। ১ হাজার ৩৩৬ প্রার্থীর ভাইভাতে অংশ নিবে।
গত বছরের ২৭ জানুয়ারি ৪০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। এতে ১০ হাজার ৯৬৪ জন পাস করেন।
২০১৮ সালের আগস্টে ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এই বিসিএসে আবেদন করেছিলেন চার লাখ ১২ হাজার ৫৩২ জন। এর মধ্যে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা দিয়েছেন তিন লাখ ২৭ হাজার জন। প্রিলিমিনারি পাস করেছিল ২০ হাজার ২৭৭ জন। ২০১৮ সালের আগস্টে ৪০ তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি।
৪০তম বিসিএসে মোট ১ হাজার ৯০৩ জন ক্যাডার নেওয়া হবে। এতে প্রশাসন ক্যাডারে ২০০, পুলিশে ৭২, পররাষ্ট্রে ২৫, করে ২৪, শুল্ক আবগারিতে ৩২ ও শিক্ষা ক্যাডারে প্রায় ৮০০ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। মোট ১ হাজার ৯০৩ জন ক্যাডার নিয়োগ দেওয়া হবে। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
এইচএসসির ফল প্রকাশ রোববার
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এ ফল প্রকাশ করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়েরের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি এইচএসসি, আলিম, এইচএসসি ভোকেশনাল, এইচএসসি ব্যবসা ব্যবস্থাপনা ও ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে।
এ বিষয়ে এম এ খায়ের বলেন, আগামী রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এইচএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী এ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি অনুষ্ঠানের সভাপত্বিত করবেন।
তিনি বলেন, রোববার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে ১০টায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন। বেলা ১১টায় দেশের সব শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ২০২১ সালের এইচএসসি-সমমান পরীক্ষার ফলাফল তুলে দিবেন। প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে সে ফলাফল প্রকাশের ঘোষণা করবেন।
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী এইচএসসি-সমমান পরীক্ষার ফলাফল বিষয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য তুলে ধরবেন। এরপর দুপুর ১২টায় শিক্ষামন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের সার্বিক বিষয় গণমাধ্যমে তুলে ধরবেন। সংবাদ সম্মেলনের পর সবার জন্য ফলাফল উন্মুক্ত করা হবে।
২০২১ সালের ২ ডিসেম্বর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। এ পরীক্ষায় ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড এবং মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড মিলিয়ে প্রায় ১৪ লাখ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। গতবারের চেয়ে পরীক্ষার্থী বেশি ছিল ৩৩ হাজার ৯০১ জন। গ্রুপভিত্তিক তিনটি বিষয়ে নম্বর ও সময় কমিয়ে দেড় ঘণ্টার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) ও সৃজনশীল (সিকিউ) অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি ছিল না।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে পক্ষপাতদুষ্ট বললেন শিক্ষা উপমন্ত্রী
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ করেছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।
বুধবার বেলা ১১টায় মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) আয়োজিত 'অনলাইনে শিশু যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ ও শিশুদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার নিশ্চিতকরণ: পরিস্থিতি বিশ্লেষণ ও করণীয় নির্ধারণ' শিরোনামের ভার্চ্যুয়াল গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এই অভিযোগ করেন শিক্ষা উপমন্ত্রী।
মানবাধিকারকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন ও পুলিশি অ্যাকশন নিয়ে যত কথা বলেন, তত বলেন না সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করার বিষয়ে।
বক্তব্য শুরু করে শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, ইন্টারনেট যেমন সুযোগ তৈরি করছে, তেমনি সমাজের সব পর্যায়ে ঝুঁকিও তৈরি করছে। এ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানগুলোর কারণে, যারা ভার্চ্যুয়াল ওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রণ করছে। তারা সব দেশের আইনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকছে। সীমিত ধর্মীয় জ্ঞান নিয়ে কেউ কেউ ওয়াজের নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নারীর সামাজিক ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ন্ত্রণে ফতোয়া দেন। এটা নারী ও শিশুর জন্য ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করছে। ওই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিতে গেলে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো জানায়, তাদের কমিউনিটি আইন অনুযায়ী ওই ব্যক্তিরা আইন ভঙ্গ করছেন না। এই বলে তারা কোনো নিয়ন্ত্রণ মানতে চায় না। ওই ব্যক্তিদের বক্তব্যকে তারা বাক্স্বাধীনতা বলে উল্লেখ করে। অথচ আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে সেসব বক্তব্য সমস্যা সৃষ্টি করছে। ওই ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্ল্যাটফর্মের সহায়তা পাওয়া যায় না। ওই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল ব্যবস্থা নিতে গেলে প্ল্যাটফর্মগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়, বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হচ্ছে। রাজনৈতিক কারণে সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে উল্লেখ করে আইনি ব্যবস্থা নিতে তারা বাধার সৃষ্টি করে। বিদেশি অনুদানের স্বার্থে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাপারে বেসরকারি সংস্থাগুলো কিছু বলতে চায় না। সুনির্দিষ্ট উদাহরণ রয়েছে, অনেক কনটেন্ট নারীর বিরুদ্ধে যায়, বাক্স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যায়, অথচ এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যায় না।
হিন্দু ধর্মাবলম্বী ও মন্দিরে হামলার ঘটনা উল্লেখ করে শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে দাঙ্গা ছড়ালো। অস্থিতিশীলতা তৈরি হলো। কেউ তো ফেসবুক বন্ধের কথা বলছেন না। মানবাধিকার সংস্থা হিসেবে রাজনৈতিক ভূমিকা অগ্রাহ্য করে নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে কথা বলা উচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অব্যাহতভাবে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করা হচ্ছে। তিনি আর্ন্তজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণে সরকারেকে সহায়তা করার জন্য মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি অভিযোগ করেন, মানবাধিকার সংস্থাগুলো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও পুলিশের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যত সোচ্চার, তত সোচ্চার নয় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো নিয়ন্ত্রণ করার বিষয়ে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার জন্য তার সময় বেঁধে দেয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান এবং ভবিষ্যতে কখনো আসকের অনুষ্ঠানে তাকে আমন্ত্রণ না জানাতে বলেন উপমন্ত্রী ।
তিনি বলেন, আপনারা অনুষ্ঠানে কিছু শিষ্টাচার রাখবেন। বিশেষ অতিথিকে সময় বেঁধে দিয়েছেন। এটা অশোভন, দৃষ্টিকটু। এমন ব্যবহার করবেন না, যা শোভন নয়। অভিযুক্ত তারেক রহমানের (বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) লোক আপনাদের বোর্ড অব গভর্ন্যান্সে আছে। আপনারা আর কখনো আমাকে ইনভাইট করবেন না। আমি আপনাদের অনুষ্ঠানে কখনো আসব না।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাঁথা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের লিখে রাখতে আহ্বান
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, নতুন প্রজন্মকে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাঁথা তাদের জানাতে হবে। এজন্য মুক্তিযুদ্ধে নিজেদের বীরত্বগাঁথা লিখে রাখতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী।
বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শাহজাহান কবির (বীরপ্রতীক) রচিত ‘খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাঁথা’ বইয়ের মোড়ক উম্মোচনের সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ হঠাৎ ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা নয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ ২৩ বছরের সংগ্রাম আর ত্যাগের ফসল হচ্ছে স্বাধীন বাংলাদেশ। স্বাধীনতাকে অর্থপূর্ণ করতে হলে দেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নতুন প্রজন্ম যত জানবে তত বেশি তারা দেশপ্রেম নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
এ সময় মন্ত্রী পাকিস্তান আমলে বাঙালিদের প্রতি বিভিন্ন বৈষম্যের চিত্র তুলে ধরেন।
সাবেক সচিব শাজাহান সিদ্দিকীর (বীর বিক্রম) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সাব-সেক্টর কমান্ডার মাহাবুব উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম), মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামরুন নাহার।
বইটির প্রথম অংশে প্রথম দিকে মহান মুক্তিযুদ্ধের সাংগঠনিক কাঠামো, ১১টি সেক্টর কমান্ডারদের নাম ও সেক্টর এলাকাসহ তিনটি ব্রিগেড ফোর্সের বিবরণ, ১১টি সেক্টরের অধীনে সাব-সেক্টর কমান্ডারদের নাম ও এলাকার বিবরণ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। দ্বিতীয় অংশে সাতজন বীরশ্রেষ্ঠ, তৃতীয় অংশে ৩৪ জন বীরউত্তম, চতুর্থ অংশে ৪৬ জন বীরবিক্রম ও শেষাংশে ২১৪ জন বীরপ্রতীকের দুঃসাহসিক যুদ্ধের কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া এসব বীরদের বাল্য জীবন থেকে শুরু করে বর্তমান-অবস্থান পর্যন্ত বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য