ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

মঙ্গল শোভাযাত্রায় হামলার হুমকি দিয়ে চিঠি, শাহবাগ থানায় জিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক
১২ এপ্রিল, ২০২৩ ১৩:৫৬
নিজস্ব প্রতিবেদক
মঙ্গল শোভাযাত্রায় হামলার হুমকি দিয়ে চিঠি, শাহবাগ থানায় জিডি

আসন্ন পয়েলা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রায় হামলার হুমকি দিয়ে চিরকুট পাঠানো হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের এক শিক্ষার্থীর কাছে। চিরকুটে বলা হয়েছে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ কাজটা শিরকের। এখানে এসে ক্ষতি করো না তোমাদের।

এ ঘটনায় আবতাহী রহমান (২৫) নামে এক শিক্ষার্থী শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডি নং ১৫২৭।

আসন্ন পয়েলা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রায় হামলার হুমকি ও সাধারণ ডায়েরির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. শহিদুল্লাহ।

তিনি বলেন, একটা উড়ো চিরকুট এসেছে। মঙ্গল শোভাযাত্রায় হামলা করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখছি।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    জবিতে বাংলা বর্ষবরণের ব্যাপক আয়োজন

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১২ এপ্রিল, ২০২৩ ১৩:২৯
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    জবিতে বাংলা বর্ষবরণের ব্যাপক আয়োজন

    জবি প্রতিনিধি: পুরোনো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে বাংলা নববর্ষ ১৪৩০ মহাসমারোহে উদযাপন করা হবে। বাংলা বর্ষকে বরণ করে নিতে নানা আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের উপ পরিচালক মোহাম্মদ ফিরোজ আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১৪ এপ্রিল দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। মঙ্গল শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রকাশনা উৎসবসহ নানা আয়োজন । মঙ্গল শোভাযাত্রাটির নেতৃত্ব দিবেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. ইমদাদুল হক।

    আরো বলা হয়, মঙ্গল শোভাযাত্রার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ‘শান্তি ও সম্প্রীতি’। মঙ্গল শোভাযাত্রাটি সকাল ৯.৩০টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে ভিক্টোরিয়া পার্ক হয়ে আবার ক্যাম্পাসে ফিরে আসবে। শোভাযাত্রায় শান্তির প্রতীক হিসেবে কবুতরের প্রতিকৃতি তুলে ধরা হবে। এছাড়াও বড় আকারের লক্ষীপ্যাঁচা, ফুল, মৌমাছি ছাড়াও বাঘের মুখোশ স্থান পাবে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিল্ডিংয়ে প্রতীটি দেয়ালে দেয়ালে বাংলার ঐতিহ্য বিষয়ক ছবি আঁকতে ব্যস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষক শিক্ষার্থী।

    শোভাযাত্রা শেষে সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে সংগীত বিভাগের পরিবেশনায় নৃত্য ও দলীয় সংগীত, লোক সংগীত এবং নাট্যকলা বিভাগের আয়োজনে নাটক মঞ্চায়ন।

    উল্লেখ্য, দিনব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাশহিদ রফিক ভবনের নিচতলায় ‘প্রকাশনা প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত হবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      রাজশাহীতে পথশিশুদের মাঝে ইউনিস্যাবের নতুন জামা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১২ এপ্রিল, ২০২৩ ১৩:২৬
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      রাজশাহীতে পথশিশুদের মাঝে ইউনিস্যাবের নতুন জামা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

      রাবি প্রতিনিধি: ইদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে রাজশাহী নগরীর সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের মাঝে ইদের নতুন জামা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে ইউনিস্যাব রাজশাহী ডিভিশন। 'ইদ ফর স্ট্রিট চিল্ড্রেন-২০২৩' নামকরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নগরীর প্রায় ১০০ পথশিশুর মাঝে প্রতিবছরের ন্যায় এবারো ইদের নতুন জামা বিতরণ করেছে সংগঠনটি। সেই সাথে শিশুদের পরিবারের জন্য ইদসামগ্রী ও তাদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণও বিতরণ করা হয়েছে।

      মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ৩টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পথশিশুদের মাঝে এ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

      অনুষ্ঠানটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাবির ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জহুরুল আনিস। বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এবং হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. তানজিল ভূঁইয়া, ইউনিস্যাবের অ্যালামনাই সদস্য সুমাইয়া ইসলাম উর্মি ও আজওয়াদ আমিন তাকি।

      বিকেল ৪টায় সহকারী অধ্যাপক মো. জহুরুল আনিস শিশুদের মাঝে নতুন জামা ও ইদ সামগ্রী বিতরণ শুরু করেন। ইদের নতুন জামা পেয়ে শিশুদের মনে যেন খুশির জোয়ার। তাদের খুশি দেখে ইউনিস্যাবের স্বেচ্ছাসেবীরাও সামনে আরো কাজ করার প্রতি উৎসাহ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন এক স্বেচ্ছাসেবী।

      এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক জহুরুল আনিস বলেন, ইউনিস্যাবের কাজগুলো সবসময় প্রশংসনীয়। ইউনিস্যাব তার স্বেচ্ছাসেবীদের শুধু দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করে না বরং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার বিষয়টিও উপলব্ধি করতে শেখায়। তারই বড় প্রমাণ এই আয়োজন। যেখানে স্বেচ্ছাসেবীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্থ সংগ্রহের মাধ্যমে আজ এই শিশুদের মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলেছে। যত দিন যাচ্ছে ইউনিস্যাব তাদের কাজের বিস্তার ঘটাচ্ছে। সামনে সুযোগ পেলে তিনিও ইউনিস্যাবের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন।

      বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক তানজিল ভূঁইয়া বলেন, সত্যিই এটা একটা মহৎ কাজ। সামনে এধরনের কাজ সব সময় করে যাওয়ার জন্য ইউনিস্যাবের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং সর্বদা পাশে থাকার অঙ্গীকার করছি। এছাড়া ইউনিস্যাবের অ্যালামনাই সদস্যরাও শিশুদের মুখে হাসি দেখে ইউনিস্যাবের বর্তমান স্বেচ্ছাসেবীদের বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

      অ্যালামনাই সদস্য সুমাইয়া ইসলাম উর্মি বলেন, আমি এমন একটা প্রোগ্রামে আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। আজকের শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাই সমাজে সকল শিশুর মাঝে সমঅধীকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যেতে হবে। কোনো শিশুও যেন আনন্দ উৎযাপনে বাদ না পড়ে সেদিকে আমাদেরকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

      প্রোগ্রামের শেষের দিকে ইউনিস্যাব রাজশাহী ডিভিশনের রিজিওনাল সেক্রেটারি অনিক চন্দ্র শীল বলেন, আজ এই শিশুদের মুখে হাসি ফুটাতে পেরে আমরা সত্যিই আনন্দিত। যাদের সহযোগিতাই আজ এই শিশুগুলোর মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলতে পেরেছি তাদের প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। ভবিষ্যতে এধরনের সামাজিক কাজে সকলের সাহায্য পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

      সর্বশেষ সকল শিশুর পড়াশোনার প্রতি উদ্বুদ্ধ করে এবং পথশিশুদের সাথে ফটোসেশনের মাধ্যমে উক্ত অনুষ্ঠান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।

      গত ২ এপ্রিল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও বিশ্ববিদ্যালয় আশে পাশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পথশিশুদের জন্য ইউনিস্যাবের স্বেচ্ছাসেবীরা অর্থ সংগ্রহ করে থাকে। শিক্ষার্থীরাও এই মহৎ কাজে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ডা. জাফরুল্লাহ এক শার্ট-প্যান্ট ৩৫ বছর পরেছেন!

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১২ এপ্রিল, ২০২৩ ১২:৫২
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ডা. জাফরুল্লাহ এক শার্ট-প্যান্ট ৩৫ বছর পরেছেন!

        সাদাসিদে জীবনে অভ্যস্ত ছিলেন গরিবের ডাক্তার খ্যাত জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে একটা শার্ট-প্যান্ট পরেছেন। আর পায়ে দিতেন ২০০ টাকার প্লাস্টিকের স্যান্ডেল।

        তার কথা ছিল, ‘দেশের মানুষ পেট ভরে খেতে পায় না, সবাই জামা-কাপড় পরতে পারে না। আমরা তো মুক্তিযুদ্ধ করেছি মানুষের খাওয়া-পরার সমস্যা না থাকার জন্য। এখানে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। তাই আমার জন্য বিলাসিতা মানায় না।’

        মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) রাতে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ডা. জাফরুল্লাহ। ৮২ বছর বয়সী ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বহুবছর ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন।

        জাফরুল্লাহ চৌধুরীর জন্ম ১৯৪১ সালের ২৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার কোয়েপাড়া গ্রামে। তার বাবা হুমায়ন মোর্শেদ চৌধুরী ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা আর মা হাছিনা বেগম চৌধুরী ছিলেন গৃহিনী। মা–বাবার ১০ সন্তানের মধ্যে জাফরুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন সবার বড়। ছাত্রজীবনে বাম ধারার রাজনীতি করলেও পরবর্তী জীবনে সক্রিয় রাজনীতি করেননি জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

        ১৯৭১ সালে জাফরুল্লাহ চৌধুরী যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরে ভারতের আগরতলায় গেরিলা প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। তিনি বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে তা পরিচালনা করেন। মুক্তিযুদ্ধের পর সেই হাসপাতালের নামেই একটি প্রতিষ্ঠান গড়তে চেয়েছিলেন। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে নাম ঠিক করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

        সামরিক শাসকদের সময়েই স্বাস্থ্যনীতি, ওষুধনীতি ও নারী শিক্ষা— এমনকি সে সময়ে সহজে দেশের মানুষের জন্য পাসপোর্টের ব্যবস্থা করতে সরকারকে রাজি করানো এবং প্রশাসনের বিকেন্দ্রীকরণে সরকারকে প্রভাবিত করতে তার ভূমিকা আলোচনায় এসেছে সবসময়।

        সমাজসেবার স্বীকৃতি হিসাবে জীবনে অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন এই গুণী ব্যক্তি। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখায় ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৮৫ সালে ফিলিপাইন সরকারের র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার, ১৯৯২ সালে সুইডেনের বিকল্প নোবেল হিসাবে পরিচিত রাইট লাভলিহুড পুরস্কার, ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বার্কলি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ইন্টারন্যাশনাল হেলথ হিরো’ পুরস্কার এবং মানবতার সেবার জন্য ২০২১ সালে কানাডা থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। ২০২২ সালে আহমদ শরীফ স্মারক পুরস্কার এবং পল্লীবন্ধু পুরস্কার পান। সবশেষ গত ১৮ মার্চ সমকাল ও চ্যানেল ২৪-এর ‘দেশের যোদ্ধা বন্ধু সবার’ গুণীজন সম্মাননা লাভ করেন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          সবস্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পয়েলা বৈশাখ উদযাপনের নির্দেশনা

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১২ এপ্রিল, ২০২৩ ১১:৩৪
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          সবস্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পয়েলা বৈশাখ উদযাপনের নির্দেশনা

          আসছে ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ বা পয়েলা বৈশাখ পালিত হবে। যা দেশের সবস্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দিবসটি উদযাপন করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বর্তমানে রমজানের ছুটি চলছে তবুও নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আনন্দঘন, উৎসবমুখর পরিবেশে পয়েলা বৈশাখ উদযাপন করতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

          গত ২০ মার্চ বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। পরে গত ২৮ মার্চ সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ সিদ্ধান্তের কথা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়।

          ওই সভায় সিদ্ধান্ত হয়, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করবে। ইউনেস্কো মঙ্গল শোভাযাত্রাকে অপরিমেয় বিশ্ব সংস্কৃতির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে প্রচার করতে হবে। সকালে আবশ্যিকভাবে শিক্ষার্থীদের নিয়ে র‍্যালি করতে হবে।

          এ সংক্রান্ত বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এ বিষয়টি বাস্তবায়ন করবে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত