শিরোনাম
ইবির লোক প্রশাসন বিভাগে "এ্যান্টি র্যাগিং" কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
মোস্তাক মোর্শেদ, ইবিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্ম-পরিকল্পনা ২০২২-২৩ এর অংশ হিসেবে এ্যান্টি র্যাগিং কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় লোক প্রশাসন বিভাগের উদ্যাগে মীর মশাররফ হোসেন একাডেমিক ভবনের ২০৪ নং কক্ষে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
কর্মসূচিতে লোক প্রশাসন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক এ. কে. এম. মতিনুর রহমান, লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মেদ আসাদুজ্জামান,অধ্যাপক ড. জুলফিকার হোসাইন, অধ্যাপক ড. গিয়াসউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্ম-পরিকল্পনার ফোকাল পয়েন্ট ও উপ-রেজিস্ট্রার চন্দন কুমার দাস, লোক প্রশাসন বিভগের কর্মকর্তা, কর্মচারী সহ অন্যান্য বিভাগ, অফিসের কর্মকর্তা এবং বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী আরিফা ইসলাম ভাবনা।
প্রধান আলোচক হিসেবে অধ্যাপক ড. মোহাম্মেদ আসাদুজ্জামান শিক্ষার্থীদের র্যাগিং বিষয়ক করণীয় এবং বর্জনীয় বিষয়গুলো অত্যন্ত সুচারুরূপে তুলে ধরে দীর্ঘ আলোচনা করেন।
এসময় সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান বলেন, শিক্ষা হচ্ছে দো-তলা ঘরের ন্যায়। নিচ তলা জীবাত্মা, উপর তলা পরম-আত্মা। নিচ তলা থেকে উপর তলায় উঠতে সিড়ি লাগে আর সে সিড়িটা হচ্ছে শিক্ষা। এ শিক্ষা ধর্মীয় শিক্ষা, কারিকুলাম, একাডেমিক শিক্ষা ইত্যাদি বিষয়গুলো যদি আমরা সঠিকভাবে শিখতে পারি তাহলে অবশ্যই র্যাগিং দূরীভূত হবে।
ইবি সাদ্দাম হল ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি দিদারুল- সম্পাদক নাহিদ
নিয়ামতুল্লাহ, ইবিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাদ্দাম হোসেন হল ডিবেটিং সোসাইটির নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি হয়েছেন আল-ফিকহ এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী দিদারুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ল' এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাহিদুর রহমান। সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আসাদুজ্জামান ও সংগঠনটির সাবেক সভাপতি আল আমিন মিলন এই কমিটির অনুমোদন দেন।
১৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অন্যরা হলেন সহ-সভাপতি আবু সোহান, তাজমুল হক, আব্দুল্লাহ আল ফাহমি, তপন চন্দ্র বর্মণ, প্রতাপ পাল ও মাসুদ রানা। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তুহিন বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক আল ইমরান, দপ্তর সম্পাদক মুনতাকিমুর রহমান, প্রচার সম্পাদক মোর্শেদ মামুন, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মোতালেব বিশ্বাস, অর্থ সম্পাদক রাসেল মহাজন, বিতৰ্ক গবেষণা সম্পাদক আব্দুল বারি শরীফ ও আইন সম্পাদক আবদুল্লাহ আল কাফি।
কমিটিতে উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য হিসেবে আছেন সাদ্দাম হোসেন হলের আবাসিক শিক্ষক ড. জাহাঙ্গীর আলম, ড. শেখ শাহিনুর রহমান, ড. সুতাপ কুমার ঘোষ, রবিউল ইসলাম, শিমুল রায় ও খাইরুল ইসলাম।
নবনিযুক্ত সভাপতি দিদারুল ইসলাম বলেন, বিতর্ক মানুষের মনের দুয়ার খুলে দেয়। এমন জায়গায় আসতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। সাদ্দাম হোসেন হল ডিবেটিং সোসাইটিকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। এজন্য সকালের সহোযোগিতা একান্ত কাম্য।
গুচ্ছের সেশনজট ফাঁদে ইবি, শিক্ষার্থীদের স্বস্তির পরিবর্তে ভোগান্তি
নাজিম হোসেন, ইবিঃ শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে ২০২০-২১ সেশন থেকে ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০২১-২২ সেশনে আরো ২টি বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত হয় গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায়। ভোগান্তি ও সময় অপচয় রোধে গুচ্ছ পদ্ধতি চালু হলেও এই পদ্ধতি এখন শিক্ষার্থীদের জন্য হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘ মেয়াদি ভর্তি প্রক্রিয়ার দরুণ সেশনজটহীন ক্যাম্পাসগুলোও এখন তীব্র একাডেমিক সেশনজটের আশঙ্কায় রয়েছে।
গুচ্ছ পূর্ববর্তী সময়ে সেশনজটহীন উৎসবমুখর পরিবেশেই আয়োজিত হতো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ভর্তি প্রক্রিয়া। ভর্তি প্রক্রিয়া শেষে বছরের প্রথম মাসেই ক্লাস শুরু করতো এই বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর প্রথম সেশনের ক্লাস শুরু হতে সময় নেয় অতিরিক্ত চার মাস। বর্তমানে ভর্তি পরীক্ষার ৬ মাস পরও ক্লাস শুরু করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এদিকে ১০ম মেধাতালিকায় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরও মিলছে না শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৯০ আসনের মধ্যে ৩' শতাধিক এর অধিক আসন খালি রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় আইসিটি সেল অফিস সূত্রে জানা যায়, নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর জন্য এখন পর্যন্ত ১০ম মেরিট লিস্ট প্রকাশ করা হয়েছে। আসন বেশি ফাঁকা থাকায় গণ বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়। কিন্তু তারপরও আসন পূরণ হচ্ছে না। সর্বশেষ মেরিট লিস্ট ডাকার পরও খালি আছে প্রায় ৩০৫টি আসন।
ইবিতে ভর্তি হতে আসা নবীন শিক্ষার্থী আরমান হোসেন শান্ত বলেন, 'যেখানে গুচ্ছ বহির্ভূত বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ভর্তি হওয়া আমাদের সেশনের শিক্ষার্থীরা তাদের একাডেমিক জীবনের অর্ধবর্ষ শেষ করে ফেলেছে সেখানে আমাদের ক্লাস শুরু নিয়েই অনিশ্চয়তা। কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি প্রক্রিয়া হবার কথা থাকলেও সবক্ষেত্রে তা না করায় অনেক টাকা খরচ ও ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থার এমন উদাসীনতা সত্যিই হতাশাজনক। "
গুচ্ছ পদ্ধতি ভর্তি কার্যক্রমকে স্বস্তির নামে প্রহসন অভিহিত করেন ইবি শিক্ষার্থী আসিফুর রহমান বলেন, " গুচ্ছ পদ্ধতি চালু হয়েছিল শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি লাগবের জন্য এবং শিক্ষার্থীবান্ধব ভর্তি পরিক্ষার পরিবেশ তৈরি করার জন্য। কিন্তু বাস্তব চিত্র হলো শিক্ষার্থী হয়রানি, প্রহসন, নাটকীয়তা, কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনা, দায়িত্বহীনতার আরেক নামে এসে দাড়িয়েছে গুচ্ছ নামক এই তথাকথিত পদ্ধতি।
ভর্তি প্রক্রিয়ার এমন জটিলতার জন্য গুচ্ছ পদ্ধতিকে অভিযুক্ত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির সাথে সংশ্লিষ্টরা। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির প্রধান অধ্যাপক ড. আহসান-উল-আম্বিয়া বলেন, 'গুচ্ছের অন্তর্ভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর সমন্বয়হীনতার কারণে জটিলতাগুলো তৈরি হয়েছে। যদি সঠিক পরিকল্পনা ও নির্দেশনা অনুযায়ী সমন্বয় করা হতো তাহলে এই ভোগান্তি ও ভর্তির দীর্ঘ প্রক্রিয়া তৈরি হতোনাহ। এই জটিলতার কারণে একটা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসন ফাঁকা থেকে যাচ্ছে।'
গুচ্ছ পদ্ধতি থেকে বের হয়ে স্বতন্ত্র ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করতে একমত পোষণ করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক জৈষ্ঠ্য শিক্ষক জানান, 'গুচ্ছতে ভর্তি প্রক্রিয়া হওয়ায় তীব্র ভোগান্তিতে আছে অপেক্ষমান শিক্ষার্থীরা। ভোগান্তি কমানোর জন্য চালু হওয়া পদ্ধতি এখন আমাদের জন্য কাল হয়ে দাড়িয়েছে। ভর্তি পরীক্ষার অর্ধবছর পার হলেও আমরা এখনো ২০২১-২২ সেশনের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করতে পারিনি। এখন সময় এসেছে আমাদের এই পদ্ধতি কে বয়কট করার।'
গুচ্ছ পদ্ধতি থেকে বের হয়ে স্বতন্ত্র ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আব্দুস সালাম বলেন, ‘এটা জাতীয় সিদ্ধান্ত। চাইলেই আমরা বের হতে পারি না। আর বের হওয়ায় তোহ কোন স্থায়ী সমাধান নয়। কি কি কারণে এই জটিলতা ও ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে, সেটি পর্যালোচনা করে সমাধানের পথে যাওয়া উচিৎ।'
উপাচার্যের সাথে বাকৃবি সাংবাদিক সমিতি নবগঠিত কমিটির মতবিনিময়
বাকৃবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসানের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির (বাকৃবিসাস) নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় উপাচার্যের বাসভবনে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মহির উদ্দীন এবং সহযোগী ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম।
মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান বিভিন্ন সমস্যা, ছাত্রী হলের সিট সংকট, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবিসহ ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার বিষয়গুলো তুলে ধরেন সাংবাদিকরা। এসময় উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।
উপাচার্য বলেন, ‘তোমরা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারের পাশাপাশি সততার সাথে কাজ করবে। বাকৃবিতে কর্মরত সাংবাদিকেরা প্রতিনিয়ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অর্জন জাতির সামনে তুলে ধরছে। সাংবাদিকরা তাদের সুচিন্তিত লিখনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে আসছে। সামনের দিগুলোতেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে স্মার্ট সাংবাদিকতা করতে হবে।'
মতবিনিময় সভা শেষে উপাচার্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বাকৃবি সাংবাদিক সমিতির নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা।
পাবিপ্রবি এবং বিওআরআই এর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি সম্পন্ন
পাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ এবং বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বিওআরআই)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।
রবিবার (৫ই ফেব্রুয়ারি) সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান উপলক্ষে সকালে বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার ভবনের ভার্চুয়াল রুমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এস মোস্তফা কামাল খান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কে এম সালাহ্ উদ্দীন এবং বিওআরআই-এর মহাপরিচালক সৈয়দ মাহমুদ বেলাল হায়দার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. রাহিদুল ইসলাম রাহি।
সমঝোতা স্মারক চুক্তির আওতায় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সমুদ্র সংক্রান্ত গবেষণা কাজে বিওআরআই’র সকল ধরনের সহযোগিতা পাবেন। তাদের গবেষণাকর্মও এক সাথে প্রকাশ করা হবে। সমঝোতার স্মারকের মাধ্যমে এখানকার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা গবেষণা করতে পারবেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুন বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মেরিন সায়েন্স স্থাপন করেন। যেটি সমুদ্র নিয়ে গবেষণাকারী প্রথম প্রতিষ্ঠান, যারা এখনো কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের বঙ্গোপসাগরে সম্পদের ব্যাপক প্রাচুর্য রয়েছে। সেই সমুদ্র সম্পদ কাজে লাগানোর জন্য সরকার ২০১৫ সালে বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট স্থাপন করেছে। এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা খুবই উপকৃত হবেন। তারা সমুদ্র নিয়ে গবেষণা করতে পারবেন। প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে উন্নত, দক্ষ হবেন।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কে এম সালাহ্ উদ্দীন এবং বিওআরআই-এর পক্ষে মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) সৈয়দ মাহমুদ বেলাল হায়দার সমঝোতা স্মারকে স্মাক্ষর করেন।
এছাড়া এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক হুমায়ূন কবির, রাজশাহী বিশ্বদ্যিালয়ের রেজাউর রহিম, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুজিবুর রহমান, পল্লী উন্নয়ন একাডেমির পরিচালক মেহেদী হাসান, রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রহ্ম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য বিওআরআই হলো সমুদ্র নিয়ে গবেষণাকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ সরকার ২০১৫ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করে। ২৭ জন সমুদ্র বিজ্ঞানী এর গবেষণা কাজের সাথে জড়িত আছেন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য