ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

কোটা সংস্কারের দাবিতে রুয়েট শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
৮ জুলাই, ২০২৪ ১৪:২৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
কোটা সংস্কারের দাবিতে রুয়েট শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল

রাবি প্রতিনিধি: কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সাধারণ শিক্ষার্থীরা। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ ৫৬ শতাংশ কোটা পুনর্বহালের আদেশের বিরুদ্ধে আন্দোলনে করছেন তারা।

সোমবার (৮ জুলাই) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরীর সামনে বিভিন্ন রকম প্লেকার্ড নিয়ে তারা জড়ো হোন। তারপর সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে তালাইমারি হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফলকে অবস্থান করেন তারা।

এসময় 'দফা এক দাবি এক, কোটা নট কামব্যাক', 'জেগেছে রে জেগেছে রূয়েটবাসী যেগেছে', 'সংবিধান পরিপন্থী কোটা ব্যবস্থা নিপাত যাক', 'স্বাধীন বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই' , 'হয় যদি কোটার চাষ পড়বো কেন বারো মাস', 'আঠারোর হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার' , 'সারা বাংলায় খরব দে কোটা প্রথার কবর দে' এমনসব স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনে ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী তানভীর আহমেদ ইমন বলেন, আমরা মূলত কোটা সংস্কারের দাবিতে এখানে এসেছি। বিভিন্ন রকম কোটার কারণে আমাদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে। বাংলাদেশের সরকারি চাকরিতে কোটার প্রভাব অনেক বেশি। আমরা কোটা বাতিল চায় না কিন্তু চাই এটা সংস্কার করা হোক। ১০% মুক্তিযোদ্ধা আর বাকি ১০% অন্যান্য কোটা থাকলে ভালো হয়। যাদের আসলেই প্রয়োজন শুধুমাত্র তাদেরকেই কোটার আওতায় আনা উচিত। প্রতিবন্ধী বা উপজাতিদের কোটা দেওয়া যায় ‌।

টেক্সটাইল প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ফাহাদ বিন ইউসুফ জানান, ১৯৭২ যখন আমাদের সংবিধানে কোটা আসা হলো এটা ছিলো অস্থায়ী। যেখানে সংবিধানের ২৮(৪) নং বলা হয়ে হয়েছে যারা পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠী শুধু তাদের জন্য এ কোটা বরাদ্দ থাকবে। থার্ড জেনারেল কখনোই পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠী বলা যায় না।

তিনি আরো বলেন, আমরা ২০১৮ সালের যে আন্দোলন ছিল এটা কোটা সংস্কার আন্দোলন ছিল নট কোটা বাতিলের আন্দোলন। কিন্তুু বর্তমানে সরকারি চাকুরী যে কোটা করা হয়েছে এটা পুরাটায় সংবিধান অনুযায়ী অবৈধ।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী নাবিল ফাহমিদ বলেন, ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় আমাদের শিক্ষার্থীরা অনেকে ক্যাম্পাসে আসেননি যার কারণে আমরা আন্দোলনটা শুরু করতে পারিনি। সবাইকে এক করতে আমাদের একটু দেরি হয়ে গেল আন্দোলন শুরু করতে। আমাদের আন্দোলন আপাতত একদিনের জন্য ছিল এরপরে আমরা শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া দেখবো। যদি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ থাকে তাহলে পরবর্তীতে আমরা আবারো আন্দোলনে নামবো।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    কোটা আন্দোলন : যশোর প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ করেছে যবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৮ জুলাই, ২০২৪ ১৪:৬
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    কোটা আন্দোলন : যশোর প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ করেছে যবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    যবিপ্রবি প্রতিনিধি: সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে দেশব্যাপী গণআন্দোলনের সাথে সংহতি জানিয়ে যশোর প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এসময় তাঁরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে কোটা প্রথা সংস্কার করে দেশের মেধাবী সন্তানদের যোগ্য স্থানে বসতে দেওয়ার দাবি জানান।

    সোমবার (৮ জুলাই) বেলা ১২ টায় যশোর শহরের পালবাড়ি থেকে মিছিল শুরু করে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। যবিপ্রবিসহ যশোরের আরও কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী মিছিলটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ শেষে যশোর প্রেসক্লাবের সম্মুখ সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে। এসময় জেলা সার্কিট হাউস সড়ক ও মুজিব সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।

    আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, এই ৫৬% কোটার মাধ্যমে দেশের মেধাবীদেরকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। অযোগ্য কোটাধারীদের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বসিয়ে দেশের উন্নতি কখনোই সম্ভব নয়। আজ দেশের মেধাবীরা তাদের যথাযথ মূল্যয়ন না পেয়ে ভিন দেশে পাড়ি জমাচ্ছে। আমরা আমাদের দেশের মেধা বিক্রি করে দিচ্ছি এই কোটা প্রথার মাধ্যমে। যদি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে চান তাহলে অবশ্যই কোটা প্রথা সংস্কার করে যোগ্য মেধাবীদের সুযোগ দিতে হবে। তাই আমরা চাই অবিলম্বে এই কোটা প্রথার সংস্কার হোক। আমরা ৫২ তে রক্ত দিয়েছি, ৬৬ এর ছয় দফা আন্দোলন করেছি এবং এই বাংলাদেশের প্রতি ধাপে ছাত্রসমাজ ভূমিকা রেখেছে। এই ২৪ এ এসেও আমরা সফল হবো এটাই আমাদের বিশ্বাস।

    এসময় শিক্ষার্থীরা কোটার বিরুদ্ধে 'কোটা না মেধা? মেধা মেধা’, আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘আঠারোর পরিপত্র, পুনর্বহাল করতে হবে’, ‘কোটাপ্রথা নিপাত যাক, মেধাবীরা মুক্তি পাক’, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটাপ্রথার কবর দে’, ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

    উল্লেখ্য, কোটা সংস্কারের দাবিতে গত রবিবার (৭ জুলাই) বিকাল তিনটা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ঢাকা-চৌগাছা স্বাধীনতা সড়ক অবরোধ করে কোটা আন্দোলনকারী। এর প্রায় ১ ঘন্টা পর বিকাল চারটার দিকে অবরোধ তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীন সড়কে মিছিল করে তাঁরা।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      রেললাইন অবরোধ করে রাবি শিক্ষার্থীদের কোটা আন্দোলন

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৮ জুলাই, ২০২৪ ১৩:৪১
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      রেললাইন অবরোধ করে রাবি শিক্ষার্থীদের কোটা আন্দোলন

      রাবি প্রতিনিধি: সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির সংস্কার ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখার দাবিতে রেললাইন অবরোধ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ফলে রাজশাহী রেল স্টেশনের সাথে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছাড়া বাকি সব জেলার সাথে রেল যোগাযোগ বন্ধ আছে।

      সোমবার (৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের পাশের রেললাইন অবরোধ করে আন্দোলন করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

      এসময় ‘মুক্তিযুদ্ধের মূলকথা, সুযোগের সমতা’, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’, ‘আঠারোর হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্রসমাজ জেগেছে’, ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’ এমনসব স্লোগান দেন।

      এসময় কোটাবিরোধী আন্দোলনে সমন্বয়ক আমানুল্লাহ আমান বলেন, হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী মোট কোটা আছে ৫৬ শতাংশ আর মেধাবীদের জন্য মাত্র ৪৪ শতাংশ। এটা মেধাবীদের জন্য একটা বৈষম্য। আমরা এই বৈষম্য চাই না। আমাদের দাবি এখনো সরকার মেনে নেয়নি। তাই আমাদের চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ রেললাইন অবরোধ করেছি। আজ থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের শিক্ষার্থী ক্লাস-পরীক্ষা আনুষ্ঠানিকভাবে বর্জন করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের কোনো বাসও চলাচল করতে পারবে না।

      তিনি আরো বলেন, প্রথমে আমরা চারটি দাবি নিয়ে আন্দোলন করলেও আজ থেকে এক দফা দাবি নিয়ে আন্দোলন করা হবে। সেটা হলো সব গ্রেডে, সব ধরনের অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে সংসদে আইন পাস করতে হবে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        আজ বিকাল সাড়ে তিনটা থেকে ‘বাংলা ব্লকেড’

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৮ জুলাই, ২০২৪ ১৩:২৫
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        আজ বিকাল সাড়ে তিনটা থেকে ‘বাংলা ব্লকেড’

        কোটা সংস্কার ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের জন্য ২০১৮ সালে সরকারের জারি পরিপত্র বহালের দাবিতে ঘোষিত ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজও (সোমবার) বিকাল সাড়ে তিনটা থেকে কর্মসূচি শুরু হবে। গতকাল রবিবার (৭ জুলাই) আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম প্রথম দিনের কর্মসূচির সমাপনী বক্তব্য দেওয়ার সময়ে রাত পৌনে আটটায় এই ঘোষণা প্রদান করেন।

        এ সময় তিনি বলেন, আমরা আজ বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি করেছি কারওয়ান বাজার পর্যন্ত। আগামীকাল (সোমবার) আমরা ফার্মগেট পার হয়ে যাবো।

        নাহিদ বলেন, আমাদের দাবি মেনে নিন। না হয় ১০০ পারসেট কোটা দিয়ে দিন। ঘোষণা করে দিন— এটা কোটাধারীদের দেশ। আমাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে ছাত্রধর্মঘট চলবে। পাশাপাশি বাংলা ব্লকেড কর্মসূচিও চলবে। আগামীকাল বিকাল সাড়ে ৩টার সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে জড়ো হয়ে শাহবাগে ব্লকেড কর্মসূচি পালন করবো। সারা দেশে এ কর্মসূচি পালন করারও আহ্বান জানান তিনি।

        আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ এক দফা দাবি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, আমাদের চার দফা দাবি ছিল। এখন থেকে আমাদের দাবি একটাই, সব গ্রেডে বৈষম্যমূলক ও অনায্য কোটা বাতিল করে যৌক্তিকভাবে সংস্কার করতে হবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          সোহরাওয়ার্দী কলেজে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৭ জুলাই, ২০২৪ ২৩:৪৯
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          সোহরাওয়ার্দী কলেজে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

          ক্যাম্পাস প্রতিনিধি: রাজধানীর পুরান ঢাকার লক্ষীবাজারে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ। সম্প্রতি সময়ে এ কলেজে অনার্স চতুর্থ বর্ষ ও মাষ্টার্সে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি নোটিশে বিভিন্ন খ্যাত দেখিয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

          গত ৯ মে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে মাস্টার্স শেষ পর্বের ভর্তি ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন।

          বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে শুধুমাত্র অত্র কলেজ হতে ২০২২ সনের অনার্স ৪র্থ বর্ষ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ (CGPA প্রাপ্ত) শিক্ষার্থীদের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে এম.এ/এম.এস.এস/এম.বি.এ/এম.এসসি শেষ পর্ব নিয়মিত কোর্সে ভর্তি কার্যক্রম আগামী ১২/০৫/২০২৪ হতে ১০/০৬/২০২৪ তারিখের মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যামে অনলাইনে সম্পন্ন করে। শিক্ষার্থীগণ উল্লেখিত তারিখের মধ্যে ভর্তি ফি জমা দিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার।

          এ বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয় যে, এম.এ (বাংলা, ইংরেজী, ইসলাম শিক্ষা, ইসলামের ইতিহাস, দর্শন), এম.এস.এস (সমাজকর্ম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি) ও এম.বিএ (হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা) ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ মাস্টার্স শেষ পর্বে ভর্তি ফি বাবদ ৪২৪০ টাকা। এবং এম.এস.সি (রসায়ন, উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণিবিদ্য, মৃত্তিকা বিজ্ঞান, ভূগোল ও পরিবেশ, গণিত) ৪৪৯০ টাকা।

          তাছাড়াও গত ১৪ই মে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে অনার্স চতুর্থ বর্ষের ভর্তির এক বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করেন। এ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, ঢাকা হতে ২০২২ সনের অনার্স ৩য় বর্ষ (২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ (Promoted) ছাত্র-ছাত্রীদের আগামী ১৫.০৫.২০২৪ হতে ০৩.০৬.২০২৪ তারিখের মধ্যে নিম্নে বর্ণিত বেতন ও সেশন চার্জ জমা দিয়ে অনার্স ৪র্থ বর্ষে ভর্তি হওয়ার।

          সেখানে আরো বলা হয়েছে অনার্স ৪র্থ বর্ষে ভর্তি ও সেশন চার্জ বাবদ বাংলা, ইস. ইতিহাস, দর্শন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ৩৩২৫ টাকা। ইংরেজি, ইসলামী শিক্ষা, সমাজকর্ম, অর্থনীতি, উদ্ভিদবিদ্যা, প্রাণিবিদ্যা ৩৪২৫ টাকা। হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা বিভাগের ৩২২৫ টাকা। পদার্থবিদ্যা, গণিত বিভাগের জন্য ৩৫২৫ টাকা। ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের ৩৭২৫ টাকা। রসায়ন বিভাগে ৩৩৭৫ টাকা এবং সর্বশেষ মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগে ৩৫৭৫ টাকা।

          এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই অনলাইনে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যায় শিক্ষার্থীরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। মাষ্টার্সে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী  জানান, আমাদের সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ আয়াতনের দিকদিয়ে ছোট্ট একটা ক্যাম্পাস। এখানে আমাদের যাতায়াতের জন্য কোন পরিবহন নেই। অন্যান্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজের মতো আমাদের তেমন কোন সংগঠন নেই। তবুও কেনো অন্যান্য কলেজের থেকে ভর্তি ও সেশন চার্জ বাবদ বাড়তি টাকা নেওয়া হয়? আর এই বাড়তি টাকা কোথায় ব্যবহার করেন।

          অনার্সের চতুর্থ বর্ষে ভর্তিচ্ছু বাংলা বিভাগের এক শিক্ষার্থী জানান বিজ্ঞান ক্লাবের কোন কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য পরিবহন আমাদের কলেজে আছে বলে তো কোনদিন দেখেনি। এই খাতে আমাদের থেকে প্রতিবছর বাড়তি টাকা নিয়ে কোন খাতে ব্যবহার করছেন।

          বাংলা বিভাগের অন্য আরেক শিক্ষার্থী জানান , ইডেন মহিলা কলেজে বাংলা বিভাগে ভর্তি ও সেশন চার্জ বাবদ নেওয়া হচ্ছে ২৯৬০ টাকা কিন্তু আমাদের থেকে নেওয়া হচ্ছে ৩৩২৫ টাকা। যা তুলনামূলক ৩৬৫ টাকা আমাদের থেকে বাড়তি নিচ্ছেন।

          শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে হিসাব সহকারী শফিকের সাথে কথা বললে তিনি জানান এই বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না অধ্যক্ষ স্যার আমাকে যেভাবে বলেন ঐ আমি ঐভাবেই কাজ করি। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ থাকলে অধ্যক্ষ স্যারের সাথে কথা বলুন এই বলে মিটিং এর কথা বলে অফিস থেকে বের হয়ে যান।

          এ বিষয়ে অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ মহসিন কবীর স্যারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান , "অন্যান্য সাত কলেজের সবার থেকে আমাদের কলেজের ফি সবসময় ৩০০-৪০০ টাকা কম নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ফি বাহিরে টাকা নেওয়া হয়না। দুয়েক জায়গায় আমরা কমিয়ে দিয়েছি আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখেন।

          উল্লেখ্য যে সাত কলেজের বাকি কলেজ গুলোতে ভর্তি ও সেশন চার্জ বাবদ পূর্ণ বিবরণের তালিকা প্রকাশ করা হয় কিন্তু এ কলেজে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি সেশন চার্জ ও পূর্ণাঙ্গ বিবরণের তালিকা প্রকাশ করা হয়না।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত