শিরোনাম
নানান সমস্যায় জর্জরিত রাবিপ্রবির ক্যাফেটেরিয়া
আহসান হাবীব, রাবিপ্রবিঃ প্রায় এক বছর আগে ঘটা করে উদ্বোধন করা হয় রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) ক্যাফেটেরিয়া। উদ্বোধনের পরে ক্যাফেটেরিয়ার সংকট কাটলেও এখনো পুরো সমস্যার সমাধান দেখেননি রাবিপ্রবিয়ানরা। খাবারের দাম, মান ও পরিমাণ নিয়েও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ।
শিক্ষার্থীদের অপেক্ষাকৃত কম দামে ভালো মানের খাবার সরবরাহের জন্যই সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে ক্যাফেটেরিয়া বা খাবারের দোকানের অনুমতি দিয়ে থাকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। দেশের প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিন মালিকরাও বিষয়টি মেনেই তাদের ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তবে রাবিপ্রবিতে দেখা গেছে এর বিপরীত চিত্র। নানা অজুহাতে বাহিরের তুলনায় বেশি দামে খাবার বিক্রি করছেন কাফেটেরিয়া কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, খাবারের দাম বেশি কিন্তু সে তুলনায় খাবারের পরিমাণ বাহিরের তুলনায় অনেক কম। পাশাপাশি শিক্ষার্থীবান্ধব বসার সুন্দর পরিবেশ দিতে পুরো ব্যর্থ ক্যাফেটেরিয়া কর্তৃপক্ষ। দাম বৃদ্ধির কারণে প্রয়োজনের তুলনায় অল্প খাবার কিনেই ক্ষান্ত থাকতে হচ্ছে রাবিপ্রবিয়ানদের। এর মাঝে কখনো রোদে দাঁড়িয়ে কিংবা বৃষ্টিতে ভিজে নানান ভোগান্তির মাঝে খাবার সংগ্রহ করছেন তাঁরা।
সরজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে যে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক খাবারের কোন দাম নির্ধারণ না থাকায় ক্যাফেটেরিয়া কর্তৃপক্ষ তাদের মনমতো দাম নিচ্ছেন। ফলাফল কিছু শিক্ষার্থী অর্থ সংকটের কারণে দুপুরের খাবারের পরিবর্তে হালকা নাস্তা করে পুষিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে।
অন্যদিকে ক্যাফেটেরিয়ার কর্মচারী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ) বলেন,” ক্যাফেটেরিয়ার ভাড়া, কর্মচারী ও রাঁধুনির খরচ দিয়ে আমাদের সামান্য লাভ থাকে। এছাড়াও স্থানীয় বাজার থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আনতে উলটো পরিবহনের অতিরিক্ত খরচ প্রদান করতে হয়। এসব দিক বিবেচনা করে এর চেয়ে কম দামে খাবার বিক্রি করলে আমাদের কিছুই থাকেনা ।
শিক্ষার্থী ও ক্যাফেটেরিয়ার কর্মচারীদের এসব পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. কাঞ্চন চাকমা বলেন” ক্যাফেটেরিয়ার কমিটিকে দ্রুত আলোচনায় বসতে আমরা তাগিদ দিয়েছি। ক্যাফেটেরিয়া শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা ভেবে তৈরি করা হয়েছে। দাম নির্ধারণ সহ শিক্ষার্থীবৃন্দ যেন উপকৃত হয় আমরা তার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আশাকরি দ্রুত এই সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে”।
রাবিপ্রবির ক্যাফেটেরিয়ার সমস্যা কবে সমাধান হবে তা এখন শুধুই অপেক্ষার বিষয়। তবে রাবিপ্রবিয়ানরা মনে করেন প্রশাসনের সদিচ্ছা থাকলে যে কোন সমস্যা খুব দ্রুত সমাধান সম্ভব।
ইবি স্পোর্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি বুলবুল, সম্পাদক তামজিদ
ইবি প্রতিনিধি : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সকল ধরনের খেলাধুলা পরিচালনায় সহায়তা ও খেলোয়াড়দের সার্বিক সহযোগীতা করার লক্ষ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন দা’ওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এইচ এম বুলবুল এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তামজিদ হায়দার।
মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) সংগঠনটির উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শাহজাহান মন্ডল, সহযোগী অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন, সহকারী অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম, ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত ও নাসিম আহমেদ জয় স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সহ-সভাপতি বোরহান উদ্দিন (ক্রিকেট-আম্পায়ার), তামিমুর রহমান (বাস্কেটবল), জিয়ন সরকার (ফুটবল), স্মরন খন্দকার (ক্রিকেট), রিজওয়ান খান (ক্রিকেট), দ্বীপন আইচ (বাস্কেটবল) ও তামিম হৃদয় (হ্যান্ডবল), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিজন কৃষ্ণ রায় (ফুটবল), নাইমুল ইসলাম জয় (টেবিল টেনিস), সাইম হোসেন শুভ (হ্যান্ডবল), রাব্বি (টেবিল টেনিস), শুভ (হ্যান্ডবল) ও মনিরা বিথি (ক্রিকেট), সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল (ভলিবল), শেখ সাকলাইন (ক্রিকেট), কাজী জামিলুর রহমান জামিল (ব্যাডমিন্টন), সাদী শাহরিয়ার জাহিন (বাস্কেটবল) ও সাব্বির আহমেদ (ক্রিকেট-আম্পায়ার)। অর্থ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস তানজিনা, দপ্তর সম্পাদক আরাফাত (ব্যাডমিন্টন), রত্না রানী (ক্রিকেট) ও জায়েদ (ভলিবল), প্রচার সম্পাদক বদরুল আমিন পিয়াস (হ্যান্ডবল), ইশতিয়াক ফেরদৌস ইমন, মেজবাহুল ইসলাম (ব্যাডমিন্টন), তানভীর হীরক ও হাসিন ইনতেসাফ অর্প।
এছাড়াও সদস্য হিসেবে রয়েছেন কাজী সুমন (ক্রিকেট), মাহফুজুল ইসলাম (ক্রিকেট), সাইফুল ইসলাম (ক্রিকেট), পূর্ণ (ক্রিকেট), মতিউর রহমান মতি (ক্রিকেট), সাজ্জাদ হোসেন তালুকদার (ক্রিকেট), আসাদ ও রুমন আহমেদ (ফুটবল)।
কমিটিতে উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহজাহান মন্ডল, আল-ফিকহ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম জুয়েল, শারীরিক শিক্ষা বিভাগের উপ-পরিচালক শেখ মুস্তাফিজুর রহমান, শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত ও সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয়, বিকেএসপির ফুটবলার মুহাইমিনুল ইসলাম মিশু, সংবাদকর্মী ইমানুল সোহান, ফাহিম ফয়সাল, জিহাদ হাসান পাপন ও আব্দুল মান্নান মেজবাহ।
ডেঙ্গু সচেতনতায় কুবিতে কর্মসূচি
কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল পরিবারের উদ্যাগে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান, মশক নিধন, বৃক্ষরোপণ ও ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) বিকেল ৫ টায় বঙ্গবন্ধু হলের প্রধান ফটকে বৃক্ষরোপনের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির।
এসময় হলের আবাসিক শিক্ষক ড. রেজাউল ইসলামের সঞ্চালনায় এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, প্রভোস্ট ড. মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম, আবাসিক শিক্ষক মু. আবু বকর সিদ্দিক, মু আলী মুর্শেদ কাজেম এবং হল ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তাহারাতবির হোসেন পাপন মিয়াজী।
বঙ্গবন্ধু হলের প্রভোস্ট ড. মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম বলেন, ডেঙ্গু যে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে তা তোমরা মনে হয় খোঁজখবর রাখো না। দিনদিন ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এ বিষয়ে আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি আজকের এ কর্মসূচির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু হল থেকে পুরো ক্যাম্পাসে সচেতনামূলক প্রচার ছড়িয়ে যাবে ।
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ছাত্র হিসেবে তোমার প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে তোমার আঙ্গিনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। আমরা নিজেরা সচেতন হলে ডেঙ্গুর মতো রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। পরিবেশের পরিবর্তনের সাথে সাথে মশার জীবন চক্র পরিবর্তন হচ্ছে। তাই আমাদের নিজেদের রক্ষার জন্য সতর্ক থাকতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা হল প্রশাসনের একার পক্ষে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা সম্ভব নয় আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রতিরোধ সম্ভব।
এসময় হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা অতিথিদের সাথে বৃক্ষরোপন, হলের আঙ্গিনা পরিষ্কার পরিচন্ন করেন।
কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু: প্রতি আসনে লড়বে ২৩ জন
বাকৃবি প্রতিবেদক: কৃষি গুচ্ছভূক্ত দেশের আটটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) থেকে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন। কৃষি গুচ্ছের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা গেছে, গুচ্ছভুক্ত ৮টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা তিন হাজার ৫৪৮টি। এর বিপরীতে ৮৪ হাজার ৫১টি আবেদন জমা পড়লেও নির্দিষ্ট আবেদন ফি পরিশোধ করেছেন মোট ৮১ হাজার ২১৯ জন ভর্তিচ্ছু। গতবারের চেয়ে আবেদন সংখ্যা বেড়েছে ২ হাজার ৭২টি, পাশাপাশি বেড়েছে ৯টি আসন। সে হিসেবে প্রতি আসনের জন্য লড়াই করবেন ২২ দশমিক ৮৯ জন শিক্ষার্থী।
দেশের গুচ্ছভূক্ত আটটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে গত ১০ জুলাই।
এবার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক হাজার ১১৬ আসন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭৫, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬৯৮, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩১, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৪৩, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৪৫, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫০ এবং হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯০টি আসন রয়েছে।
জানা গেছে, এবার ৮ টি মুল কেন্দ্র ও ৩টি উপকেন্দ্রে ভর্তি পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৮টি মুল কেন্দ্রের মধ্যে বাকৃবি কেন্দ্রে ১২৬২০, বশেমুরকৃবি কেন্দ্রে ৭০০০, শেকৃবি কেন্দ্রে ৭৫০০, সিকৃবি কেন্দ্রে ৪২০০, হকৃবি কেন্দ্রে ৪১১, সিভাসু কেন্দ্রে ২০০০, পবিপ্রবি কেন্দ্রে ৪০০০ ও খুকৃবি কেন্দ্রে আসন পড়বে ২০০০ জন শিক্ষার্থীর। এছাড়াও ৩টি উপকেন্দ্রের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ২৬৮১৭, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ১০০৪২ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে আসন পড়বে ৪৬২৯ জন ভর্তিচ্ছুর।
কৃষি গুচ্ছের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরকৃবি), গাজীপুর; শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা; পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী; চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম; সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট; খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা এবং হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ।
ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এবার এমসিকিউ পদ্ধতিতে ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৫ আগস্ট (শনিবার) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আটটি কেন্দ্র ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এক বা একাধিক উপকেন্দ্রের অধীনে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। ২০২২ সালের এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী ইংরেজিতে ১০, প্রাণিবিজ্ঞানে ১৫, উদ্ভিদবিজ্ঞানে ১৫, পদার্থবিজ্ঞানে ২০, রসায়নে ২০ এবং গণিতে ২০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১.০০ (এক) নম্বর প্রদান করা হবে এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে।
মোট ১৫০ নম্বরের ভিত্তিতে ফলাফল প্রস্তুত করা হবে। ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বরের সাথে এসএসসি/সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের (চতুর্থ বিষয় ব্যতিত) ভিত্তিতে ২৫ এবং এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের (চতুর্থ বিষয় ব্যতিত) ভিত্তিতে ২৫ নম্বর যোগ করে ফলাফল প্রস্তুত করে মেধা ও অপেক্ষমান তালিকা তৈরি করা হবে।
রাবিতে নিয়োগের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়
রাবি প্রতিনিধি: নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর আরোপিত সকল প্রকার নিয়োগের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে আর কোনো বাঁধা থাকলো না।
আজ মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব শতরুপা তালুকদার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সমুন্নত রাখার স্বার্থে এ বিভাগের ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে জারিকৃত নিয়োগ স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারপূর্বক সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান ও নীতিমালা অনুসরণ করে সুষ্ঠুভাবে সকল নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য অনুমতি প্রদান করা হলো।
এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এম. আব্দুস সোবহানের বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা শিথিল ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে নিজের মেয়ে ও জামাতাকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০২০ সালের ১০ ও ১৩ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পৃথক ১২টি নোটিশের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের নিয়োগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাবিতে বর্তমানে ১ হাজার ৪৯০টি সৃজিত শিক্ষক পদের মধ্যে শূন্য ৪৩৫টি। অর্থাৎ বর্তমানে শিক্ষক রয়েছেন ১ হাজার ৫৫ জন। তাঁদের মধ্যে আবার ৫২ জন শিক্ষক সম্প্রতি অবসরে গেছেন কিংবা মারা গেছেন। অন্যদিকে কর্মকর্তার ৭৯২টি পদের মধ্যে শূন্য ২০০টি, সহায়ক কর্মচারীর ১ হাজার ৪২টি পদের মধ্যে শূন্য ২৫১টি। এ ছাড়া সাধারণ কর্মচারীর ১ হাজার ৯০৯টি পদের মধ্যে শূন্য ৯০৯টি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার পাণ্ডে বলেন, আমরা একটি পিডিএফ ফাইল পেয়েছি। কিন্তু আমাদের কাছে এখনো পর্যন্ত কোনো চিঠি আসেনি। দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ নিষেধাজ্ঞার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কাজে ব্যাঘাত ঘটছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল প্রকার কাজে গতিশীলতা বাড়বে বলে আমরা আশাবাদী।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, আমরাও বিষয়টি শুনেছি। তবে আমাদের হাতে অফিসিয়ালি কোনো চিঠি আসেনি। চিঠি আসলে আমরা তা ওয়েবসাইটে জানিয়ে দিব। তবে এমন কিছু হলে তা অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ে জন্য ইতিবাচক। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মচারী মিলিয়ে সাড়ে ১৩শ পদ শূণ্য রয়েছে। নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ফলে আমাদের যে সংকট আছে সেটা পূরণ করা সম্ভব হবে।

সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য