শিরোনাম
প্রাথমিকের ক্লাস শুরু বুধবার, চলবে ২০ রমজান পর্যন্ত
আগামী বুধবার (২ মার্চ) থেকে শুরু হচ্ছে প্রাথমিক স্তরের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শ্রেণিকক্ষে পাঠদান। তবে প্রাক-প্রাথমিকের (প্লে, নার্সারি, কেজি) ক্লাস শুরু হবে দুই সপ্তাহ পর।
করোনার ক্ষতি পোষাতে প্রাথমিকের ক্লাস চলবে ২০ রমজান পর্যন্ত। ২১ রমজান থেকে শুরু হবে ঈদুল ফিতরের ছুটি। ঈদের ছুটি শেষে আবার যথারীতি ক্লাস শুরু হবে। সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মাহবুবুর রহমান বলেন, রোববার (২৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের মাসিক সমন্বয় সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ২০ রমজান পর্যন্ত প্রাথমিকের ক্লাস চলবে। এরপর ২১ রমজান থেকে ঈদের ছুটি শুরু হবে। ঈদের পর আবার আগের নিয়মে ক্লাস শুরু হবে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানিয়েছে, বুধবার থেকে প্রাথমিকে স্বাভাবিক শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হলেও শিক্ষার্থীদের জন্য মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। আর এ বিষয়টি অভিভাবকদের নিশ্চিত করতে হবে।
নওগাঁ-ঠাকুরগাঁওয়ে হচ্ছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়
দেশে আরও দুইটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে। এজন্য দুটি আইনের খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
বিশ্ববিদ্যালয় দুইটি হচ্ছে- বঙ্গবন্ধু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়-নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরু হয়। সভায় ‘বঙ্গবন্ধু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়-নওগাঁ আইন, ২০২২’ এবং ‘ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২২’ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।
দেশে মোট ৫৮টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। নতুন দুইটি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০টিতে। দেশের প্রতিটি অঞ্চলে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করতে এমন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
গত কয়েক বছরে শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেড়েছে। কিন্তু সে হিসেবে বাড়েনি উচ্চ শিক্ষার আসন। এ কারণে অনেক শিক্ষার্থীই উচ্চ শিক্ষা অর্জনের সুযোগ পান না। শিক্ষার্থীরা মনে করেন, নতুন নতুন বিশ্ববিদ্যালয় সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের জন্য উচ্চ শিক্ষা অর্জনের পথ মসৃণ হবে। তবে শিক্ষাবিদরা বলছেন, শুধু বিশ্ববিদ্যারয় প্রতিষ্ঠা করেই দায়িত্ব শেষ করলে হবে না। সেই সঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে শিক্ষার গুণগত মান।
মেডিকেলে আবেদন করতে পারছেন না মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা
দেশের সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি আবেদন শুরু হয়েছে। আজ সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে আবেদন করছেন শিক্ষার্থীরা। তবে মাদ্রাসা থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারছেন না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তারা বলছেন, আবেদন করতে ওয়েবসাইটে গেলে তাদের ‘আবেদনের জন্য যোগ্য নয়’ বলে জানাচ্ছে।
চট্টগ্রাম থেকে শোয়েবুর রহমান নামে এক ভর্তিচ্ছু জানান, মাদ্রাসা বোর্ড থেকে যারা পাস করেছে তারা কেউই মেডিকেলে আবেদন করতে পারছে না। আবেদন করতে গেলে ‘আপনি আবেদনের যোগ্য নয়’ লেখা দেখাচ্ছে। এসএসসি ও এইচএসসির একটি অথবা দুইটাই মাদ্রাসা বোর্ড থেকে যারা পাস করেছেন তারা এই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। তিনি বলেন, সাধারণ শিক্ষা বোর্ড থেকে যারা পাস করেছে তারা আবেদন করতে পারছে। একই অভিযোগ করেছেন আবদুল্লাহ মাহমুদ নামে আরেকজন ভর্তিচ্ছু।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. এ কে এম আহসান হাবিব বলেন, এ ধরনের কোনো সমস্যার কথা এখনো জানি না। তবে বিষয়টি নিয়ে টেলিটকের সাথে কথা বলে দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে। এ বিষয়ে জানতে টেলিটক কর্তৃপক্ষকে কল দিলেও ধরেন নি তারা।
আজ থেকে শুরু হওয়া আবেদন চলবে ১০ মার্চ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। আবেদন ফি এক হাজার টাকা। ১১ মার্চ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত টেলিটকের মাধ্যমে আবেদন ফি জমা দেওয়া যাবে।
মেডিকেল ভর্তি সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৬ মার্চ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে। আর ১ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত সারাদেশে একযোগে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশি নাগরিক যারা বিদেশি শিক্ষা কার্যক্রম থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন তাদের সার্টিফিকেট সমতাকরণ করতে হবে। এজন্য দুই হাজার টাকা জমা দিয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন) বরাবর আবেদন করতে হবে।
পূর্ববর্তী বছরের ন্যায় এইচএসসি পাস প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মোট নম্বর থেকে ৫ নম্বর এবং পূর্ববর্তী বছরের সরকারি মেডিকেল, ডেন্টাল কলেজ ডেন্টাল ইউনিটে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মোট নম্বর থেকে ৭ দশমিক ৫ নম্বর কেটে মেধাতালিকা তৈরি করা হবে।
যারা ২০২০ বা ২০২১ সালে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় (পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞানসহ) উত্তীর্ণ হয়েছেন, তারা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। আর এইচএসসি পাসের পূর্ববর্তী তিন বছরের মধ্যে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীরা আবেদনের করতে পারবেন না।
এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ মোট ২০০ নম্বর হিসাবে নির্ধারণ করে মূল্যায়ন করা হবে। এক্ষেত্রে এসএসসিতে প্রাপ্ত জিপিএ এর জন্য ৭৫ নম্বর এবং এইচএসসিতে প্রাপ্ত জিপিএর জন্য ১২৫ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। মোট ৩০০ নম্বরের ভিত্তিতে মেধাতালিকা প্রণয়ন করা হবে।
ভর্তি পরীক্ষা ১০০ নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় ১০০টি এমসিকিউ প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রতিটির প্রশ্নের মান ১। এমসিকিউ পরীক্ষা হবে ১ ঘণ্টায়। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় পদার্থবিদ্যায় ২০, রসায়নে ২৫, জীববিজ্ঞানে ৩০, ইংরেজিতে ১৫ এবং সাধারণ জ্ঞান, ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ১০ নম্বরের (মোট ১০০) প্রশ্ন থাকবে।
এমসিকিউ পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ২৫ নম্বর কাটা যাবে। লিখিত পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ন্যূনতম ৪০ নম্বর পেতে হবে। এর কম পেলে অকৃতকার্য বলে বিবেচিত হবে। কেবল কৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের মেধাতালিকাসহ ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
যে কয়টি বিষয় ও যত নম্বরে এবারের এসএসসি–এইচএসসি
চলতি বছরও এসএসসি ও এইচএসসিতে সব বিষয়ে পরীক্ষা হচ্ছে না। তবে গতবারের চেয়ে এবার দুটি পাবলিক পরীক্ষাতেই বিষয় বাড়ছে। এর মধ্যে এসএসসিতে তিনটি বিষয় বাদ যাচ্ছে। আর এইচএসসিতে বাদ যাচ্ছে একটি বিষয়। এ ছাড়া এবারও এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা হবে কম নম্বরে ও কম সময়ে।
এসব প্রস্তাব দিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানদের সংগঠন ‘আন্তশিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানস কমিটি’। আজ রোববার কমিটির সভায় এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে ‘নির্বাচনী পরীক্ষা (টেস্ট) না নেওয়ারও প্রস্তাব এসেছে। এ ক্ষেত্রে বিকল্প হিসেবে পরীক্ষা শুরুর আগে প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব করেছে কমিটি। করোনা সংক্রমণের কারণে ঠিকমতো শ্রেণিকার্যক্রম না হওয়ার কারণেই মূলত এসব প্রস্তাব এসেছে।
এখন পর্যন্ত যে সিদ্ধান্ত আছে, তাতে আগামী জুন মাসে এসএসসি এবং আগস্টে এইচএসসি পরীক্ষা হবে। ইতিমধ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) তৈরি করা পুনর্বিন্যস্ত পাঠ্যসূচি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
করোনার সংক্রমণের কারণে দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর গত বছরের শেষ দিকে ২০২১ সালের এসএসসি ও এইচএসসিতে শুধু গ্রুপভিত্তিক তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। এবার সেগুলোর সঙ্গে বাংলা, ইংরেজি, গণিতসহ বেশির ভাগ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব করলেন শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানরা। নম্বর বিভাজনের ক্ষেত্রে প্রস্তাব এসেছে, যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক শিক্ষা নেই, সেসব বিষয়ে ৫৫ নম্বরের (সৃজনশীল ৪০, এমসিকিউ ১৫) পরীক্ষা হবে। আর যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক শিক্ষা আছে, সেসব বিষয়ে ৪৫ নম্বরের (সৃজনশীল ৩০, এমসিকিউ ১৫) পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে আজকের সভায়।
করোনা মহামারির কারণে এসএসসি ও এইচএসসির পুরো শিক্ষাপঞ্জি এলোমেলো হয়ে গেছে। করোনার সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছিল সরকার। এ কারণে ক্লাসের সঙ্গে পরীক্ষাও পিছিয়ে যায় বা বাতিল করতে হয়েছে। দীর্ঘ ১৮ মাস পর গত বছরের সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছিল। কিন্তু নতুন করে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ২১ জানুয়ারি আবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করেছিল সরকার। এই ছুটি শেষে ২২ ফেব্রুয়ারি আবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে।
তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও করোনার অভিঘাতের কারণে এ বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সাধারণত ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি এবং এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হলেও এখন তা বছরের মাঝামাঝিতে নিতে হচ্ছে।
আজকের সভার বিষয়ে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার প্রথম আলোকে বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে বেশ কিছু প্রস্তাব এসেছে। তবে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রস্তাবগুলো এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে উপস্থাপন করা হবে। মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলে খুব শিগগির এসব সিদ্ধান্ত পরিষ্কার করে সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হবে।
মেডিকেলে ভর্তির আবেদন শুরু, দেখে নিন নিয়ম
দেশের সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি আবেদন আজ সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে।
সকাল ১০টা থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে ১০ মার্চ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন চলবে। আবেদন ফি এক হাজার টাকা। ১১ মার্চ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত টেলিটকের মাধ্যমে আবেদন ফি জমা দেওয়া যাবে।
মেডিকেল ভর্তি সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৬ মার্চ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে। আর ১ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত সারাদেশে একযোগে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশি নাগরিক যারা বিদেশি শিক্ষা কার্যক্রম থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন তাদের সার্টিফিকেট সমতাকরণ করতে হবে। এজন্য দুই হাজার টাকা জমা দিয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন) বরাবর আবেদন করতে হবে।
পূর্ববর্তী বছরের ন্যায় এইচএসসি পাস প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মোট নম্বর থেকে ৫ নম্বর এবং পূর্ববর্তী বছরের সরকারি মেডিকেল, ডেন্টাল কলেজ ডেন্টাল ইউনিটে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মোট নম্বর থেকে ৭ দশমিক ৫ নম্বর কেটে মেধাতালিকা তৈরি করা হবে।
যারা ২০২০ বা ২০২১ সালে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় (পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞানসহ) উত্তীর্ণ হয়েছেন, তারা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। আর এইচএসসি পাসের পূর্ববর্তী তিন বছরের মধ্যে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীরা আবেদনের করতে পারবেন না।
এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ মোট ২০০ নম্বর হিসাবে নির্ধারণ করে মূল্যায়ন করা হবে। এক্ষেত্রে এসএসসিতে প্রাপ্ত জিপিএ এর জন্য ৭৫ নম্বর এবং এইচএসসিতে প্রাপ্ত জিপিএর জন্য ১২৫ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। মোট ৩০০ নম্বরের ভিত্তিতে মেধাতালিকা প্রণয়ন করা হবে।
ভর্তি পরীক্ষা ১০০ নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় ১০০টি এমসিকিউ প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রতিটির প্রশ্নের মান ১। এমসিকিউ পরীক্ষা হবে ১ ঘণ্টায়। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় পদার্থবিদ্যায় ২০, রসায়নে ২৫, জীববিজ্ঞানে ৩০, ইংরেজিতে ১৫ এবং সাধারণ জ্ঞান, ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ১০ নম্বরের (মোট ১০০) প্রশ্ন থাকবে।
এমসিকিউ পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ২৫ নম্বর কাটা যাবে। লিখিত পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ন্যূনতম ৪০ নম্বর পেতে হবে। এর কম পেলে অকৃতকার্য বলে বিবেচিত হবে। কেবল কৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের মেধাতালিকাসহ ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য