ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

চবির ক্যারিয়ার ক্লাব অফ আর্টস ফ্যাকাল্টি'র সভাপতি মোস্তাফিজুর, সম্পাদক ইউনুছ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৬:৪১
নিজস্ব প্রতিবেদক
চবির ক্যারিয়ার ক্লাব অফ আর্টস ফ্যাকাল্টি'র সভাপতি মোস্তাফিজুর, সম্পাদক ইউনুছ

সাইফুল মিয়া, চবিঃ  চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করা "ক্যারিয়ার ক্লাব অফ আর্টস ফ্যাকাল্টি'র" তৃতীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ-২০২৩ ঘোষণা করা হয়েছে।

নতুন কমিটিতে সভাপতি মনোনীত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মোস্তাফিজুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ইউনুছ আলী।

১৮ সদস্যের এই কমিটিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্যান্য সদস্যগণ হলেন- সহ সভাপতি- আজিজুল হক, আল-আমিন এবং সিরাজুম মনিরা, যুগ্ম সম্পাদক - শাহারুল ইসলাম এবং মোরশেদ ইসলাম, অর্থ সম্পাদক - মোঃ রিয়াদ মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক- এম.এ ইব্রাহিম, এন.জি সাগর সিংহ এবং আশরাফুল ইসলাম, অনুষ্ঠান সম্পাদক- মিরাজ হোসেন এবং ওমর এফ ফারাজি, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক- সাইফুল মিয়া এবং মমিনুর রহমান আসিফ, গনমাধ্যম ও যোগাযোগ সম্পাদক- জনিকা সাবনুর সাথী এবং একলাস উদ্দিন দিহান, নারী বিষয়ক সম্পাদক- জান্নাতুল ফেরদাউস।

এছাড়াও এই কমিটির মেন্টর হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন ক্লাবটির সাবেক সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা রুহুল আমীন।

ক্যারিয়ার ক্লাব অব আর্টস ফ্যাকাল্টি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য একুশ শতকের প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে ক্যারিয়ার সংশ্লিষ্ট দক্ষতা, জ্ঞান ও মান উন্নয়নে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদান।

এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ক্লাবটি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও মান উন্নয়নে ব্যাপক কার্যাবলী ও কর্মসূচি সম্পন্ন করেছে। নিয়মিত ওপেন পার্লামেন্ট, প্রমিত উচ্চারণ ও উপস্থাপনা, লিডারশীপ এন্ড কমিউনিকেশন স্কিল ডেভেলপমেন্ট, টিম ওয়ার্ক, আর্টিকেল রাইটিং, সিভি রাইটিং, ইংলিশ স্পিকিং কোর্স ও পাবলিক স্পিকিং উল্লেখযোগ্য। ক্লাবটির ব্যতিক্রমী দিক হলো তারা গতানুগতিক অন্য ক্লাবগুলোর ন্যায় খণ্ডকালীন ওয়ার্কশপ না করিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ প্রদান পদ্ধতিতে কাজ করে।

করোনাকালীন সময়েও অনলাইনে শিক্ষার্থীদের জন্য তারা বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল। এসময় অনলাইনের মাধ্যমে যুক্ত রেখে বিভিন্ন প্রশিক্ষন কর্মসূচি চলমান ছিল।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ছাত্রী নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্তদের বক্তব্য শুনছে তদন্ত কমিটি

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১২:২৯
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ছাত্রী নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্তদের বক্তব্য শুনছে তদন্ত কমিটি

    নিয়ামতুল্লাহ,ইবি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে অমানবিক ছাত্রী নির্যাতন ও র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় অভিযুক্তদের বক্তব্য শুনছে তদন্ত কমিটি।

    সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মোশাররফ হোসেন ভবনের এক শিক্ষকের রুমে তদন্তের কাজটি চলছে। উপস্থিত আছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রেবা মণ্ডল, সদস্য অধ্যাপক ড. দেবাশীষ শর্মাসহ তদন্ত কমিটির অন্যরা৷

    এদিকে সোমবার সকালে গোপনে প্রক্টরের গাড়িতে করে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেত্রী সানজিদা চৌধুরী অন্তরা ও তাবাসসুম ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      হিউম্যান রিসোর্সের নিয়োগটার চেকটা একটু নিয়ে আইসেন : ইবি উপাচার্য

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১২:২৭
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      হিউম্যান রিসোর্সের নিয়োগটার চেকটা একটু নিয়ে আইসেন : ইবি উপাচার্য

      নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামের নতুন আরো একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। শনিবার (১৯ ফেব্রুয়ারী) বিকালে মিসেস সালাম নামের একটি ফেসবুক একাউন্ট থেকে অডিও ক্লিপটি পোস্ট করা হয়। এনিয়ে উপাচার্যের নিয়োগ বাণিজ্যের মোট ৬ টি অডিও ক্লিপ প্রকাশিত হলো।

      এক মিনিট পাঁচ সেকেন্ডের এই অডিওক্লিপে কথাপোকথন গুলো ছিলো, 'আচ্ছা হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট নাকি যেন চেয়ারম্যান আসছিলোনা। বাচ্চা একটা চেয়ারম্যান। নামটা কি ওনার। আমার এখানে আসছিলো, দেখেনতো নামটা কি ওনার। হিন্দু বোধ হয় ছেলেটা, শিমুল। আপনি অইযে হিউম্যান রিসোর্সের অই নিয়োগটা, শুধু চেকটা একটু নিয়ে আইসেন। না আমি যে অই চেক করব আমার মনে হয় উনি যেনো সেই নামটা ও বলল যে স্যার বোধ হয় তাদের ডিপার্টমেন্টের জন্য সুপারিশ করা হইছে কিনা। যদি মিলে যায় তাহলে সবগুলো খোলার দরকার নাই। আর না হইলে আপনি ওইটা ব্যাংকিং এন্ড ফিন্যান্স আছেনা ওটাও সাথে করে নিয়ে আইসেন।'

      তবে শুধু একপাক্ষিক কন্ঠ শোনা যাওয়ায় কার সাথে কথা বলছেন তিনি তা বোঝা যায়নি।

      এবিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুস সালামকে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ইবিতে ফের তালা লাগিয়ে আন্দোলন; নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১২:২৩
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ইবিতে ফের তালা লাগিয়ে আন্দোলন; নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন

        নিয়মোতুল্লাহ, ইবি : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ভিসি প্রফেসর ড. শেখ আবদুস সালামের অডিও ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভিসির কার্যালয়ে ফের তালা লাগিয়ে আন্দোলন করেছে চাকরি প্রত্যাশি সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ও অস্থায়ী চাকরিজীবী পরিষদ। সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় তারা ফের তালা লাগিয়ে আন্দোলন শুরু করে। ফলে ভিসির নিরাপত্তা ও পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ভবনের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

        এসময় আন্দোলনকারীরা 'হই হই রই রই, সালাম চোর গেলি কই' 'সালাম চোরের চামড়া তুলে নিবো আমরা' 'শেখ হাসিনার বাংলায় দূর্নীতির ঠাই নাই' 'শেখ হাসিনার বাংলায় সালাম চোরের ঠাই নাই' ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে।

        জানা যায়, ফারাহ জেবিন’ ও ‘মিসেস সালাম’ নামে ফেসবুক আইডি থেকে অগ্রিম চাকরির প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারির নিয়োগ বাণিজ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে ভিসির একাধিক অডিও ক্লিপ ফাঁস হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এদিকে অডিও ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভিসিকে দূর্নীতিবাজ ও চোর আখ্যা দিয়ে রবিবার ডে লেবার ও 'অস্থায়ী চাকরিজীবী পরিষদ' ভিসির পদত্যাগের দাবিতে তাঁর কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন করে। আন্দোলনকারীরা বিশ্বাবিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও বিভাগে দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে কাজ করেন। তাদের বেশিরভাগই সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকর্মী বলে জানা গেছে।

        এদিকে একই ঘটনার জের ধরে আজ (সোমবার) সকালে আবার তালা ঝুলিয়ে দেয় আন্দোলনকারীরা। ফলে ভিসির নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ইবি দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে সিসিটিভি ফুটেজ ১৯৭০ সালের!

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১০:৫২
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ইবি দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে সিসিটিভি ফুটেজ ১৯৭০ সালের!

          নিয়মতুল্লাহ, ইবিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২০২২-২২ শিক্ষাবর্ষের এক নবীন ছাত্রী নির্যাতনের ঘটনায় দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে ১৯৭০ সালের সিসিটিভি ফুটেজ দেখা গেছে। গতকাল (১৮ ফেব্রুয়ারি) শনিবার সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করার সময় এটি তদন্ত কমিটির নজরে আসে।

          সূত্রমতে, হলের বাইরে এবং ভেতরে সব মিলিয়ে মোট ৮টি সিসিটিভি ক্যামেরা আছে। এর মধ্যে দুইটি অচল। ক্যামেরাগুলো যে অবস্থানে লাগানো রয়েছে তাতে ওই রাতের ঘটনার একটা অংশ ভিডিও থাকার কথা এসব ক্যামেরায়।

          এ বিষয়ে দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের প্রভোস্ট ড. শামসুল আলম বলেন, টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে আমরা এখনও ফুটেজ পাইনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সেন্টারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হার্ডডিস্কে ট্রাবল হওয়ায় ফুটেজ শো করছে না।

          এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের পরিচালক ড. আহসানুল আম্বিয়া সিসিটিভির বায়োসের ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ফুটেজে এত পুরোনো তারিখ দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ওই ব্যাটারির মাধ্যমে সিসিটিভি ফুটেজে তারিখ ও সময় দেখা যায়। সেটি নষ্ট থাকায় ইনিশিয়াল তারিখে চলে গেছে। ফুটেজ হার্ডডিস্কে থাকার কথা। সেখান থেকে রিকভারি করার চেষ্টা চলছে।

          উল্লেখ্য, গত রোববার রাতে এক নবীন ছাত্রীকে ডেকে নির্যাতন করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সানজিদা চৌধুরীর নেতৃত্বে তাঁর অনুসারীরা। নির্যাতনের সময় তাকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ, গালাগাল এবং এই ঘটনা কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত