ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

‘যৌক্তিক কারণ’ দেখালে মোটরসাইকেল চলাচলে বাধা দেবে না পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ জুলাই, ২০২২ ৭:৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
‘যৌক্তিক কারণ’ দেখালে মোটরসাইকেল চলাচলে বাধা দেবে না পুলিশ

‘যৌক্তিক কারণ’ দেখালে ঈদযাত্রায় মোটরসাইকেল চালকদের বাধা দেবে না পুলিশ। প্রয়োজনে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি যেতেও পারবেন তারা। পুলিশ কর্মকর্তারা মনে করেন, ‘মোটরসাইকেল চালানো একজন মানুষের একান্তই ব্যক্তিগত অধিকার। এতে বিধিনিষেধ দেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হতে পারে।’

তবে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর থেকে যেহেতু আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা ফলো (অনুসরণ) করবেন তারা।এক্ষত্রে মানুষকে মোটরসাইকেল চালানো থেকে পুলিশ সদস্যরা নিবৃত্ত করার চেষ্টা করবেন। কেউ যৌক্তিক কারণে মোটরসাইকেল নিয়ে রাস্তায় বের হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মতো কঠোর পদক্ষেপে না যাওয়ার ইঙ্গিত করেছেন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা।

বুধবার (৬ জুলাই) পুলিশের ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় মোটরসাইকেল চলাচলে বিধিনিষেধ নিয়ে আলোচনা হয়। এসময় একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা এমন মতামত তুলে ধরেন।

এদিকে, বিআরটিএ মোটরসাইকেলে চলাচলে যে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, তাতে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবসম্মত নয় বলেও মত বাহিনীর কর্মকর্তাদের। মোটরসাইকেল চালানো একজন মানুষের একান্তই ব্যক্তিগত অধিকার বলেও মনে করছেন তারা।

পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ঈদের সময় প্রতিটি মোটরসাইকেল আটকে তার বাড়ি যাওয়ার কারণ জানার যৌক্তিকতা আছে বলে মনে করেন না তারা। ঈদযাত্রার সময়ে ১ থেকে ২ মিনিট রাস্তা বন্ধ থাকলে দীর্ঘ যানজটের আশঙ্কা তৈরি হয়। বৃহস্পিতবার (৭ জুলাই) থেকে ঢাকায় অন্তত ৮টি চেকপোস্টে পুলিশ থাকবে। সেখানে থাকবে ট্রাফিক পুলিশও। অন্যদিকে ঈদের আগে ও পরে সাতদিন মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধের সরকারি নির্দেশনা কীভাবে কার্যকর করা হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। যৌক্তিক প্রয়োজনে মোটরসাইকেলে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাওয়ার অনুমতি হাইওয়ে পুলিশের কাছ থেকে কীভাবে মিলবে, সেটা নিয়েও পরিষ্কার কোনো ধারণা দিতে পারেননি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা।

জানতে চাইলে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবর রহমান বলেন, ‘দূরপাল্লার মোটরসাইকেল যাতায়াত বন্ধ রাখাটা যৌক্তিক। তবে একজন মানুষের মোটরসাইকেল চালানো তার ব্যক্তিগত অধিকার। এ নিয়ে বিতর্কও তৈরি হতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘মোটরসাইকেলে একজন মানুষকে প্রয়োজনীয়তার জন্যই মুভ করতে হতে পারে। সাধারণত বাইক নিয়ে বাইরেও অনেকেই জরুরি কাজে বেরোতে পারেন। অসুস্থতা থাকতে পারে, সাংবাদিকরা তাদের কাজে মোটরসাইকেল নিয়ে বাইরে বের হতে পারেন, করোনাসহ বিভিন্ন রোগের আক্রান্তদের জন্য জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। এমনকি অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়েও কেউ বাইকে বের হতে পারেন। তবে আদেশ যেহেতু হয়েছে, আমরা আদেশটি ফলো করবো।’

ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার মুনিবর রহমান বলেন, ‘তবে কেউ যদি যৌক্তিক ও সন্তোষজনক কারণ দেখাতে পারেন এবং যদি আমাদের কাছে মনে হয় সেটি লজিক্যাল, তাহলে তা অবশ্যই আমরা বিবেচনা করবো। সরকারি আদেশ বাস্তবায়ন করতে গেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসাতে হবে। এজন্য আমরা বিআরটিএর কাছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চেয়েছি। তাহলে যৌক্তিকভাবে বিষয়টি কার্যকর করতে পারবো এবং মানুষের কাছেও তা গ্রহণযোগ্য হবে।’

যারা নির্দেশনা মানবে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কি না, এমন প্রশ্নে ট্রাফিক বিভাগের প্রধান বলেন, ‘আইনগতভাবে এটি কোনো দোষ না। আমরা মানুষকে নিবৃত করবো।’

এরআগে গত রোববার (৩ জুলাই) সড়ক পরিবহন সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী জানান, ঈদের আগে ও পরে সাতদিন এক জেলা থেকে অন্য জেলায় মোটরসাইকেল চালানো যাবে না। বন্ধ থাকবে মহাসড়কে রাইড শেয়ারিংও। ৭ জুলাই থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকবে।

সরকারি এ নির্দেশনা পরিপালনে আগামী ৭ জুলাই থেকে রাজধানীর প্রবেশমুখে প্রতিটি মোটরসাইকেল আটকানো হবে। তবে রাজধানী থেকে আশপাশে ঢাকা জেলার অধীন কোনো গন্তব্যে চলাচলকারী যানবাহন এর আওতামুক্ত থাকবে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    শিক্ষকদের সুরক্ষিত না রাখলে শিশুরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে: ইউনিসেফ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৭ জুলাই, ২০২২ ৬:৪৭
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    শিক্ষকদের সুরক্ষিত না রাখলে শিশুরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে: ইউনিসেফ

    দেশে শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফ। সংস্থাটি বলছে, শিক্ষকদের সুরক্ষতি না রাখতে পারলে শিশুরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

    বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

    ইউনিসেফের প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট বলেন, বাংলাদেশে শিক্ষকদের ওপর সাম্প্রতিক ধারাবাহিক হামলার ঘটনায় ইউনিসেফ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ইউনিসেফ এসব হামলার নিন্দা জানায় এবং এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। পাশাপাশি, আমরা শিক্ষকদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার আহ্বান জানাই। ইউনিসেফের দেয়া বিবৃতিতে শিক্ষকদের সুরক্ষার দিকে জোর দেয়া হয়। বলা হয়, এ সুরক্ষা দরকার শিশুদের জন্যই।

    তিনি বলেন, শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে শিক্ষকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু এই কাজটি পালন করার জন্য– শিক্ষার্থীদের গঠনমূলক চিন্তা করতে শেখানো, তাদের পরিপূর্ণ সম্ভাবনা অনুযায়ী ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষকদের কোনো ধরনের ভীতি ছাড়াই শেখাতে সক্ষম হতে হবে।

    ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রধান শেলডন ইয়েট বলেন, শিক্ষকদের ওপর হামলা মানে শিক্ষার ওপর হামলা। আমরা যদি শিক্ষকদের সহিংসতা থেকে সুরক্ষিত রাখতে ব্যর্থ হই, তাহলে শেষ পর্যন্ত শিশুরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৩০ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৭ জুলাই, ২০২২ ৬:২৭
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৩০ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে

      গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৩০ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে। ইতোমধ্যে ভর্তি আবেদনের সময়সীমা শেষ হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ শুরু হবে।

      সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ এই তিনটি ইউনিটে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৫২৪ জন ভর্তিচ্ছু আবেদন করেছেন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটে। এই ইউনিটে এক লাখ ৬১ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি আবেদন করেছেন।ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটে আবেদন পড়েছে সবচেয়ে কম। এই ইউনিটে আবেদন করেছে ৪২ হাজারের কিছু বেশি শিক্ষার্থী। আর মানবিকের জন্য নির্ধারিত ‘খ’ ইউনিটে আবেদন করেছেন ৯০ হাজারের কিছু বেশি শিক্ষার্থী।

      তথ্যমতে, গুচ্ছভুক্ত ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার মূল কেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করবে। এই কেন্দ্রের আশপাশে উপকেন্দ্র হবে। পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা মিলে এক লাখ ৪ হাজারের বেশি ভর্তিচ্ছু। এর পরের অবস্থানে রয়েছে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে আবেদন করেছে ২৪ হাজারের বেশি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করেছে ৭ হাজার ৩০০ এর কিছু বেশি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন পড়েছে ৪ হাজার।

      বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন পড়েছে তিন হাজার ৭০০, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮ হাজার, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯ হাজার ৮০০, কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩ হাজার ৪০০, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ হাজার ৮০০, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭ হাজার ৮০০, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪ হাজার ৯০০, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ হাজার ৩০০,নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ হাজার ৭০০, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭ হাজার ৪০০, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক হাজার ৩০০, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ হাজার ৮০০, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ হাজার ৪০০, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ হাজার ৬০০ এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ হাজার ৫০০ এর কিছু বেশি ভর্তিচ্ছু আবেদন করেছে।

      গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২২ বিশ্ববিদ্যালয় হলো- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়; ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়; খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়; কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়; জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়; বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর; বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়; রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়; বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়; শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়; শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় যেতে সর্বোচ্চ ব্যয় হবে ৭৮,৯৯০ টাকা

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৬ জুলাই, ২০২২ ২২:৪২
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় যেতে সর্বোচ্চ ব্যয় হবে ৭৮,৯৯০ টাকা

        বাংলাদেশ থেকে কর্মী হিসেবে মালয়েশিয়ায় যেতে একজনের ব্যক্তিগত পর্যায়ে ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা সর্বোচ্চ ব্যয় হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

        বুধবার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব গাজী মো. শাহেদ আনোয়ার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

        অফিস আদেশ অনুযায়ী, মালয়েশিয়াগামী কর্মীর শুধু বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ ব্যয়গুলো বহন করতে হবে। যার মধ্যে পাসপোর্ট খরচ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, নিবন্ধন ফি, কল্যাণ ফি, বিমা, স্মার্টকার্ড ফি, সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সির সার্ভিস চার্জের মতো বিষয়গুলো রয়েছে। এসব মিলে মোট ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার ব্যয় বিদেশগামীকে নিজে বহন করতে হবে।

        অন্যদিকে ২০২১ সালে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, উড়োজাহাজভাড়া, মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের ‘সিকিউরিটি ডিপোজিট’, বিমা, মালয়েশিয়ায় স্বাস্থ্য পরীক্ষা, করোনার সংক্রমণ পরীক্ষাসহ ১৫টি খাতের ব্যয় সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বহন করবে।

        অফিস আদেশে আরও বলা হয়, জনপ্রতি সর্বোচ্চ অভিবাসন–সংক্রান্ত এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ২য় বর্ষের ফল প্রকাশ

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৬ জুলাই, ২০২২ ২২:১৫
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ২য় বর্ষের ফল প্রকাশ

          জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২০ সালের অনার্স ২য় বর্ষ পরীক্ষার (নিয়মিত, অনিয়মিত ও গ্রেড উন্নয়ন) ফলাফল বুধবার প্রকাশ করা হয়েছে।

          জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক আতাউর রহমান জানান, এ পরীক্ষায় ৩১টি অনার্স বিষয়ে ৮৫০টি কলেজের মোট ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৭৩৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী ২ লাখ ৩৭ হাজার ১২৭ জন ৩য় বর্ষে প্রোমোটেড হয়েছে। পাসের হার ৯২ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

          সন্ধ্যা ৭টা থেকে এসএমএস-এর মাধ্যমে যে কোনো মোবাইল মেসেজ অপশনে গিয়ে nuh2Roll No লিখে ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করে এবং বিশ্বদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.results.nu.ac.bd I www.nubd.info থেকে ফলাফল জানা যাবে।

          এলএলবি প্রথম বর্ষ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ:

          জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২০ সালের এলএলবি ১ম বর্ষ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এ পরীক্ষায় সারাদেশে মোট ১৩ হাজার ২৯৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১০ হাজার ১১৭ জন। পাসের হার ৭৬ দশমিক ৩ শতাংশ।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত