শিরোনাম
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের দেশে কোন মানুষ ঠিকানাহীন থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী
তাফহীমুল আনাম, কক্সবাজার: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের দেশে কোন মানুষ ঠিকানাহীন থাকবে না। প্রতিটি এলাকায় ভূমিহীন, গৃহহীন মানুষের তথ্য পেলে নাম ঠিকানা দেবেন। তাদের জমিসহ ঘর দেয়া হবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, জামায়াত-বিএনপি এদেশের মানুষকে কী দিয়েছে? অগ্নিসন্ত্রাস, খুন, মানি লন্ডারিং এগুলো দিয়েছে।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আমাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে দিনেদুপুরে গ্রেনেড হামলা করেছিল তারেক-খালেদা গং। যুদ্ধের ময়দানের গ্রেনেড আমাদের ওপর ছোড়া হয়েছিল। আইভী রহমানসহ ২২ জন নেতাকর্মী মারা যায়। আল্লাহর রহমতে আমি বেঁচে গিয়েছিলাম।
বুধবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।
এর আগে বুধবার বিকাল ৩ টা ৫২ মিনিটের সময় তিনি সভাস্থলে এসে পৌঁছেন। এরপর তিনি সারাসরি উদ্বোধন মঞ্চে যান। ওখানে ২৯ টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৪ প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।
এর পর মঞ্চে গিয়ে বিকাল ৪ টা ২৫ মিনিটে তিনি বক্তব্য রাখা শুরু করেন। ৪ টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত ৩০ মিনিটের বক্তব্যে কক্সবাজারের উন্নয়নের মেগা প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে আরো উন্নয়নের ঘোষণা দেন।
একই সঙ্গে আবারও নৌকায় ভোট দেয়ার জন্য হাত তুলে ওয়াদা করিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।
পুরো স্টেডিয়াম জুড়ে জনারণ্যে ঠাঁইহীন পরিস্থিতি তৈরী হয়। মানুষে মানুষে ভারপুর জনসভাস্থলের আশে-পাশে বিজয় সরণীর হলিডে মোড় থেকে সৈকতের লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত এলাকায় মানুষের ভীড় দেখা গেছে।
সভা মঞ্চে বক্তব্য রেখেছেন, আওয়ামীলীগ নেতা, ওবায়দুল কাদের, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি, সিরাজুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, মাহবুবুল আলম হানিফ, বাহাউদ্দিন নাছির, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, ড. হাসান মাহমুদ, মোস্তাক আহমদ চৌধুরী,আমিনুল হক আমিন, আশিকুর রহমান, ব্যরিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, জাফর আলম এমপি, আশেক উল্লাহ রফিক এমপি, সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি, কানিজ ফাতেমা আহমেদ এমপি, প্রশান্ত ভূষণ বড়ুয়া, মাহবুব মোর্শেদ, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, আলমগীর চৌধুরী, শহীদুল্লাহ শহীদ, সিরাজুল ইসলাম বাবলা, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, তারেক বিন ওসমান, শামশুল আলম মন্ডল।
দুপুর বারোটার পরপর কোরআন, গীতা, ত্রিপিটক ও বাইবেল পাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয় জনসভার আনুষ্ঠানিকতা। এর পর কক্সবাজারের স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা একে একে বক্তব্য রেখেছেন । ১১ টা থেকে চলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
এর আগে বুধবার সাড়ে ১১ টার পর পর প্রধানমন্ত্রী উখিয়া উপজেলার সমুদ্র তীরবর্তী ইনানীতে বাংলাদেশসহ ২৮টি দেশের নৌবাহিনী ও উপকূলীয় সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ৪ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ফ্লিট রিভিউ-২০২২ এর উদ্বোধন করেছেন ।
প্রধানমন্ত্রীর নতুন মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া
প্রধানমন্ত্রীর নতুন মুখ্য সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। বুধবার (৭ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
তোফাজ্জল হোসেন মিয়া সাবেক মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত অপর একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

এ ছাড়া, সাবেক মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসকে আগামী তিন বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদমর্যাদায় বিশ্ব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ‘বিকল্প নির্বাহী পরিচালক’ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, '২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।' আজ বুধবার কক্সবাজার শেখ কামাল স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো বলেন, 'আপনারা ২০১৮ সালে ভোট দিয়েছেন নৌকা মার্কায়। আমরা এই কক্সবাজারের উন্নয়ন করেছি। পরপর তিনবার ক্ষমতায় আসতে পেরেছি।
তিনি বলেন, 'ধারাবাহিকভাবে ২০০৯ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত গণতান্ত্রিক পদ্ধতি আছে বলেই, দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাচ্ছে।'
'২০২৩ এর পরই ২০২৪ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনেও আমি আপনাদের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চাই,' বলেন তিনি।
নাড়ি কাটার আগেই কাঁচি ধরে ফেললো শিশু, নাম রাখা হলো ‘নেইমার’!
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ব্রাজিল ও দক্ষিণ কোরিয়ার খেলা চলাকালীন জন্ম নেওয়া এক শিশুর নাম রাখা হয়েছে ‘নেইমার’। অস্ত্রোপচার করেন ডা. লেলিন। শিশুটির কান্ড দেখে আনন্দিত হয়ে তিনিই শিশুটির নাম রাখেন ‘নেইমার’।
সোমবার (৫ ডিসেম্বর) দিনগত রাত ২টার দিকে কলাপাড়া ক্লিনিকে শিশুটির জন্ম দেন ফাতেমা বেগম নামের এক নারী। ফাতেমা কলাপাড়া পৌর শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নজিবুল্লাহর স্ত্রী।
ক্লিনিক সূত্র জানায়, সোমবার দিনগত রাতে কলাপাড়া ক্লিনিকে বসে খেলা দেখছিলেন কলাপাড়া হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. লেলিন খান, অ্যানেস্থেসিয়া বিশেষজ্ঞ পার্থ সমদ্দারসহ সেবিকারা। খেলা শুরুর প্রথমার্ধ্বে ৪ গোল দেওয়ার পর হঠাৎ খবর আসে ফাতেমা বেগম নামের এক নারী হাসপাতালের বেডে প্রসব বেদনায় কাতরাচ্ছেন। রোগীর অসুস্থতা বেড়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়।
সেখানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একটি পুত্রসন্তান জন্ম দেন ফাতেমা বেগম। মায়ের পেট থেকে বের করার পরই অস্ত্রোপচারের কাজে ব্যবহৃত একটি যন্ত্র (কাঁচি) ধরে ফেলে নবজাতকটি। এ সময় ডা. লেলিন উচ্ছ্বসিত হয়ে ওই শিশুর নাম রাখেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকার নামে ‘নেইমার’। ওই মুহূর্তের ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার করলে তা ভাইরাল হয়ে যায়।
অনেকে কমেন্ট করে ওই নবজাতককে জার্সি উপহার দেওয়ার কথা জানান। বর্তমানে শিশু ও তার মা ক্লিনিকে ভর্তি রয়েছেন।শিশু নেইমারের ছোট চাচি অন্তরা বেগম জানান, ফাতেমাকে অস্ত্রোপচার করেন ডা. লেলিন। তিনিই শিশুটির নাম রাখেন ‘নেইমার’।
ওই ক্লিনিকের সেবিকা আলো বেগম বলেন, ‘ব্রাজিল ৪ গোল দেওয়ার পর আমরা অনেকটা উচ্ছ্বসিত ছিলাম। এ সময় ওই রোগীকে ক্লিনিকে নিয়ে আসা হলে আমরা খেলার প্রথমার্ধ্ব শেষ হওয়ার আগেই তাকে সিজারিয়ান কক্ষে নিয়ে যাই। সিজার শেষে বাচ্চাটি অবাক কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলে। সে ডা. লেলিনের সিজারিয়ান কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রটি ধরে ফেলে। এরপরই ডা. লেলিন তার নাম রাখেন নেইমার।
কলাপাড়া হাসপাতালের আরএমও ডা. লেলিন বলেন, আমরা ক্লিনিকের সবাই একসঙ্গে বসে ব্রাজিলের জার্সি পরে খেলা উপভোগ করছিলাম। ৪ গোল হওয়ায় খেলাটি বেশ জমে উঠেছিল। এ সময় ওই রোগীর অবস্থা খারাপ দেখে খেলার বিরতির মাঝে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে অস্ত্রোপচার করি। মজার বিষয় হচ্ছে নবজাতকটিকে আমি হাতের ওপর নেওয়ার পর তার মায়ের নাড়ি কাটার আগেই আমার হাতের একটি যন্ত্র ধরে ফেলে। এবং যন্ত্রটি অনেকক্ষণ ধরে রাখে। এতে আমার সঙ্গে থাকা সবাই অনেকটা আনন্দিত হয়। এ সময় আমি তার নাম ‘নেইমার’ রেখে দেই।
আজ কক্সবাজারে ২৯ প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
পাঁচ বছরের বেশি সময় পর কক্সবাজার আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সবশেষ ২০১৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর তিনি কক্সবাজার আসেন। প্রধানমন্ত্রী আজ (বুধবার) উখিয়া উপজেলার সমুদ্র তীরবর্তী ইনানীতে বাংলাদেশসহ ২৮টি দেশের নৌবাহিনী ও উপকূলীয় সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ৪ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ফ্লিট রিভিউ-২০২২ এর উদ্বোধন করবেন।
ওই অনুষ্ঠান শেষে দুপুর ২টায় কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। জনসভা মঞ্চ থেকে তিনি কক্সবাজারে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনে ১৯৬৩.৮৬ কোটি টাকার ২৯টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং চারটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
প্রকল্পের নথি অনুসারে জানা গেছে, ১৯৬৩.৮৬ কোটি টাকার মধ্যে ২৯টি উন্নয়ন প্রকল্প ১৩৯২.৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত হয়েছে এবং আজ চালু করা চারটি প্রকল্পের জন্য ৫৭১.৪৯ কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে।
বুধবার কক্সবাজারে উদ্বোধনের অপেক্ষায় ২৯টি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে বকখালী নদী বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন, সেচ ও ড্রেজিং প্রকল্প (প্রথম পর্যায়), রামু উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন, বিমানবন্দর সড়ক আরসিসি তৈরি ও অন্যান্য কাজ, শহীদ সরণি আরসিসি তৈরি ও অন্যান্য কাজ, বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়াম রোড আরসিসি ও অন্যান্য কাজ, টেকনাফ উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন, মহেশখালী উপজেলা পরিষদ ভবন, শেখ হাসিনা জোয়ারিয়ানলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবনির্মিত চার তলা একাডেমিক ভবন, নবনির্মিত চার তলা বিশিষ্ট শিক্ষা ভবন, রামু-ফতেখারকুল-মারিচ্যা মহাসড়কের প্রশস্তকরণ এবং উপযুক্ত গুণমান নিশ্চিতকরণ, টেকনাফ-শাহ পরীর দ্বীপ জেলা মহাসড়ক হাড়িয়াখালী থেকে শাহ পরীর দ্বীপ পর্যন্ত পুনর্গঠন, প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ। আব্দুল মা’বুদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে চার তলা একাডেমিক ভবন, রামু কালঘর বাজার-রাজারকুল ইউপি সড়কের বকখালী নদীর ওপর ৩৯৯ মিটার দীর্ঘ সংসদ সদস্য ও রাষ্ট্রদূত ওসমান সরওয়ার আলম সেতু, নবনির্মিত ছয়টি ইউনিয়ন ভূমি অফিস ভবন, উখিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, শাহপরীর দ্বীপে সি ডাইকে বাঁধ পুনর্নির্মাণ ও সুরক্ষা কাজ, ক্ষতিগ্রস্ত পোল্ডার পুনর্বাসন প্রকল্প, লিংক রোড-লাবনী ক্রসিং রোডকে চার লেনে উন্নীতকরণ, নাজিরারটেক শুটকি মহল রোড ও অন্যান্য কাজ, টেকপাড়া রোড আরসিসি তৈরি ও অন্যান্য কাজ, সি বিচ রোড আরসিসি তৈরি ও অন্যান্য কাজ, মুক্তিযোদ্ধা সরণি আরসিসি তৈরি ও অন্যান্য কাজ, সৈকত-সরন আবাসিক তৈরি, কক্সবাজার পৌরসভায় এরিয়া রোড আরসিসি ও অন্যান্য কাজ, কক্সবাজার গণপূর্ত পার্ক, বাহারছড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা মাঠ, কক্সবাজার জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় ভবন, মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবনির্মিত চার তলা একাডেমিক ভবন, কুতুবদিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন, পেকুয়া উপজেলা ভূমি অফিস ভবন এবং কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির অ্যানেক্স ভবন।
আজ যে চারটি প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হবে সেগুলো হলো- বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট প্রকল্প (২য় পর্যায়), ধুরং ঘাটে ১৫৩.২৫ মিটার দীর্ঘ জেটি এবং ধুরং জিসি মিরাখালী রোডের আকবর আলী ঘাটে আরেকটি ১৫৩.২৫ মিটার দীর্ঘ জেটি নির্মাণ। কুতুবদিয়া উপজেলা, মহেশখালী গোরকঘাটা ঘাটে জেটি নির্মাণ এবং কক্সবাজার জেলার বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়াতে উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত নাফ নদীর ধারে (৬৭/অ, ৬৭, ৬৭/ই এবং ৬৮) পোল্ডার পুনর্বাসন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য