ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬ ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইবির মার্কেটিং বিভাগে নতুন শিক্ষকদের বরণ অনুষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক
৮ নভেম্বর, ২০২২ ২০:১০
নিজস্ব প্রতিবেদক
ইবির মার্কেটিং বিভাগে নতুন শিক্ষকদের বরণ অনুষ্ঠান

ইবি প্রতিনিধি : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) উষ্ণ অভ্যর্থনার মাধ্যমে নবীন শিক্ষকদের বরণ করে নিয়েছে মার্কেটিং বিভাগ।

মঙ্গলবার (০৮ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের পরীক্ষা কক্ষে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রভাষক মো. রুহুল আমিন সুমন এবং মো. আলাল উদ্দিনকে বরণ করে নিতে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মার্কেটিং বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক শাহ আলম কবির প্রামানিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডীন প্রফেসর মোঃ সাইফুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মার্কেটিং বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ জাকারিয়া রহমান, বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ সাদিকুল আজাদ এবং সহকারী অধ্যাপক মোঃ মাজেদুল হক।

জানা যায়, অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করা হয়। এরপর অতিথিদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে বরণ করে নেয়া হয়। পরে নবনিযুক্ত শিক্ষকদের সম্মাননা স্মারক ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।

এসময় বক্তারা নবনিযুক্ত শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি, বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে মার্কেটিং বিভাগের গৌরবময় পথচলার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

এদিকে, বিভাগের পঞ্চম ব্যাচের শিক্ষার্থী জেবিন তৃষ্ণা এবং তাহসিন জাওয়াদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    শীতের আগমনে রাবিতে জমেছে পিঠা খাওয়ার ধুম

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৮ নভেম্বর, ২০২২ ২০:৭
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    শীতের আগমনে রাবিতে জমেছে পিঠা খাওয়ার ধুম

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, রাবি: চলছে শীতকাল। আর শীত মানেই পিঠা খাওয়ার ধুম। পিঠার ঘ্রাণে মৌ মৌ করছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদ্যাপীঠ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাস জুড়ে। শীত আসতে না আসতেই এরই মধ্যে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় বসেছে পিঠার দোকান। আর এসব দোকানের গরম পিঠায় জমে উঠেছে পিঠা প্রেমি শিক্ষার্থীদের আড্ডা। কেউ পিঠা খাওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে আছে ঘন্টার ঘন্টা, আবার কেউবা কতটা পিঠা একাই খেতে পারবে তা নিয়ে ধরছে বাজি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের খালেদা জিয়া হলের সামনে, রোকেয়া হলের সামনে পিঠার দোকান, শেখ রাসেল স্কুল মাঠে বসলেও সবচেয়ে বেশি জমে উঠেছে রোকেয়া হলের সামনের দোকানগুলো। বিকাল হলেই পিঠার দোকানের আশপাশে বসে ছোট ছোট আড্ডার আসর। এখানে তিন রকমের পিঠা পাওয়া যায়। চিতই পিঠা ১০ টাকা, ভাপা পিঠা ১০ টাকা এবং তেলের পিঠা ১৫ টাকা। এছাড়াও ভর্তার জন্য আলাদা দাম পরিশোধ করতে হয়।

    সরেজমিনে দেখা যায়, সারিসারি পাতানো আছে চুলা। তাতে তৈরি হচ্ছে পিঠা। সিদ্ধ চাল দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ভাপা পিঠা আর আতপ চালের আটা দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে চিতই পিঠা। গরম গরম পিঠা খেতে দলে দলে আসছে শিক্ষার্থীরা। সাত রকমের ভর্তা তৈরি করে প্লেট সাজিয়ে দিচ্ছেন তারা। ভর্তাগুলোর মধ্যে হচ্ছে চিংড়ি ও মাছের শুঁটকি, ধনিয়া পাতা, কালিজিরা ভর্তা, বেগুনও কাঁচামরিচ। পিঠার সঙ্গে সঙ্গে ভর্তার প্লেটও পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

    ক্যাম্পাসের ছোট্ট পিঠার দোকানে বন্ধুরা মিলে যখন একসঙ্গে পিঠা খাওয়া হয়, তখন নিজের অজান্তেই ক্ষণিকের জন্য মনে পড়ে যায় গ্রামের বাড়িতে চুলার ধারে বসে মায়ের হাতের পিঠা খাওয়ার কথা। তাই তো পরিবার-পরিজন থেকে শত শত মাইল দূরে ক্যাম্পাস যেন আরেকটা পরিবার।

    পিঠা খেতে খেতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী আশিকুল ইসলাম বলেন, এখানকার পিঠা খেতে অসাধারণ। আমরা আমাদের পরিবারের সঙ্গেও পিঠা খেয়ে থাকি। কিন্তু সেখানকার মজা আর এখানকার পিঠা খাওয়ার মজা আলাদা। নানা ধরনের পিঠার আমেজে মনকে বাঁধা দিতে না পেরে পশ্চিমপাড়ায় আসলাম পিঠা খেতে। সন্ধ্যায় কুয়াশায় মোড়ানো এই শীতে উষ্ণ কাপড় জড়িয়ে বন্ধুদের সঙ্গে পিঠা খাওয়ার মজায় আলাদা। যদিও পিঠা পেতে অনেক বেগ পোহাতে হয়েছে। তবুও এটা আমার কাছে বেশ উপভোগ্য।

    প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী আবু সুফিয়ান বলেন, শীত মানেই পিঠা খাওয়ার মৌসুম। তেমনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালের শীতের সন্ধ্যা মানেই পশ্চিম পাড়ার পিঠা উৎসব। যেখানে পিঠা খেতে হলে রীতিমত যুদ্ধ করতে হয়। একটু পরে গেলেই যেনো সিরিয়াল মেলা ভাড়। পশ্চিম পাড়াতে চিতই এবং ভাপা পিঠা খুবই জনপ্রিয়। সঙ্গে বেশ কয়েক প্রকারের ভর্তা। বন্ধু-বান্ধবী, বড়-ছোট ভাইদের সঙ্গে মিলে পশ্চিম পাড়ায় রোকেয়া হলের সামনে পিঠা খাওয়াটা যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যের সাথে জুড়ে গেছে।

    পিঠা বিক্রেতা শুকুর আলী জানান, আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের সামনে চার বছর ধরে পিঠা বিক্রি করছি। এখানে ভাপা ও চিতই পিঠা বিক্রি করি। শুধু শিক্ষার্থীরাই নয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও পিঠা খেতে আসেন। ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেও অনেকে আসেন পিঠা খেতে।

    তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিয়ম অনুযায়ী রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে দোকান তুলে ফেলতে হয়। এই সময়ের মধ্যে প্রতিদিন ভাপা পিঠার জন্য ২০ কেজি এবং চিতই পিঠার জন্য ৩০-৩৫ কেজি চাল লাগে। প্রতিদিন প্রায় ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা বিক্রি হয়। শীত বাড়লে আরো বিক্রি বাড়বে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      রাবির নতুন উপ-উপাচার্য হলেন অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবীর

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৮ নভেম্বর, ২০২২ ২০:৩
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      রাবির নতুন উপ-উপাচার্য হলেন অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবীর

      রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) নতুন উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর।

      মঙ্গলবার ( ৮ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোছা. রোখসানা বেগম স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনে নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।

      প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর এর অনুমোদনক্রমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৭৩ (সংশোধিত আইন, ১৯৯৯) এর ১৩ (১) ধারা অনুসারে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগের অধ্যাপক (গ্রেড-১) ড. মো. হুমায়ুন কবীরকে রাবির উপ-উপাচার্য পদে ৪ শর্তে চার বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হলো। রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজন মনে করলে এ নিয়োগ যে কোনো সময় বাতিল করতে পারবেন।

      উপর্যুক্ত পদে তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন ভাতার প্রাপ্য হবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধাদি ভোগ করবেন।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        বিসিএস পরামর্শ, ৪০ তম বিসিএসেই প্রথম ক্যাডার তিলা।

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৮ নভেম্বর, ২০২২ ১৯:৫৯
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        বিসিএস পরামর্শ, ৪০ তম বিসিএসেই প্রথম ক্যাডার তিলা।

        সবে মাত্র খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে( কুয়েট) থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে ২০১৭ সালে বি এস সি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া শেষ করেন। এরপর ৪০ তম বিসিএসে প্রথমবারের মত অংশগ্রহণ করে প্রশাসন ক্যাডারে প্রথম হন তিনি। প্রথম হওয়ার অভিজ্ঞতা ও বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন জান্নাতুল ফেরদৌস তিলা।

        নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল বিসি এস চাকারির বাজারে সবচেয়ে পরতিযোগিতামূলক পরীক্ষা। যেখানে আমি বিসিএস প্রথমবার পরীক্ষা দিয়েই প্রথম হব,এটা স্বপ্নেও ভাবিনি। মার্চ মাসের মধ্যেই চূরান্ত ফল প্রকাশ হবে। এটা জানার পর থেকেই রেজাল্টের ভয় ও দুশ্চিন্তা হতে থাকে প্রতিনিয়ত। অবশেষ যখন ফলাফল জানতে পারি,নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল সৃষ্টিকর্তার সাহায্য, মা- বাবার দোয়া ও আমার পরিশ্রম মিলেই আমার এই সাফল্য।

        স্বপ্নযাত্রা শুরু বিশ্ববিদ্যালয়ে পাসের পর দুইটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করি। তখনো আমার বিসিএস দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল না। ব্যক্তিগত জীবনে আমি চ্যালেঞ্জ নিতে খুব একঘেয়ে লাগা শুরু হয়। এ ছাড়া আমার বন্ধুদের অনেকেই তখন চাকরিতে না ডুকে বিসিএস এর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। পরিচিত কয়েক জনের কাছে বিনিএস সম্পর্কে ধারণা নিই। আমার সধ্যে আগ্রহ জন্মালো। কয়েক মাস পরই আমার বিয়ে হয়ে যায়।আমার স্বামী ৩৪ তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে কর্মকর্তা। আমার স্বামীকে দেখে অনুপ্রেরনা পাই এবং প্রশাসন ক্যাডারের বৈচিত্রময় কাজের সুযোগের জন্য এটি আমাকে বেশ আকর্ষণ করে।

        নিয়মিত চর্চা করলে কোনো বিষয়ই কঠিন না বিসিএস দেওয়ার পরিকল্পনা করার পরই আমি চাকরি ছেড়ে দিই এবং বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি থেকে চাকরির অফার পাওয়ার পর ও জয়েন করিনি। নিজেকে উৎসর্গ করেছিলাম বিসিএস এর জন্য। বাজারে প্রচলিত গাইডবইয়ের পাশাপাশি বোর্ড নিধারিত পাঠ্যবইকে গুরুত্ব দিয়েছিলাম। সংসার সামলে ও প্রতিদিন পড়ার চেষ্টা করতাম। বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী হওয়ায় বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি, বাংলা ও ইংরেজি সাহিত্য, সুশাসন ও নৈতিকতা, ভূগোল এস বিষয় আয়ত্ত করা আমার জন্য বেশ কষ্টসাধ্য ছিল। তবুও নিয়মমাফিক পড়লে ও নিয়মিত চর্চা করলে কোনো বিষয়ই কঠিন না।

        প্রস্তুতির ধরণ

        বিসিএস প্রিলিমিনারি সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক ওগুরুত্বপূর্ন ধাপ। এ ক্ষেত্রে প্রচলিত গাইডবইয়ের ওপর পুরোপুরিভাবে নির্ভর না করে পাঠ্যবই অনুসরন করা উচিত। তাই পড়া শুরু করার আগে বুঝতে হবে কী কী জিনিস পড়া আর কী কী বাদ দেব। আর এর জন্যই বিগত বছরের প্রশ্ন হতে পারে সহায়ক। গণিত ও ইংরেজি নিয়মিত চর্চা করতে হবে। অন্যান্য বিষয় মুখস্ত না করে বুঝে বুঝে কয়েক বার পড়তে হবে। তাহলে ভালো মনে থাকবে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় শুধু মুখস্তনির্ভর তথ্য দিয়ে ভালো করা যায় না। তখন অনেক গভীর থেকে প্রশ্ন করা হয় তাই বেসিক স্ট্রং করতে হয়। যেহেতু প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় নম্বর পার যোগ হয় না এবং এই পরীক্ষায় ২০০ নম্বরের মধ্যে প্রায় ১১০-১২০ নম্বর পেলেই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা যায়। তাই বেশি দাগাতে গিয়ে ভুল উওর দিয়ে নেগেটিভ নম্বর না বাড়ানোই ভালো। এছাড়া পরীক্ষার আগে বাসায় বসে ঘরে বসে মডেল টেস্ট দিতে হবে।

        লিখিত পরীক্ষার নম্বরই মূলত ক্যাডারপ্রাপ্তি নির্ধারণ করে দেয়। এখানে জেনারেল ক্যাডারে ৯০০ নম্বর ও নিজ বিষয়ে পরীক্ষা দিলে মোট ১১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা দিতে হয়। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পড়া জিনিসগুলোই আরেকটু বিস্তারিতভাবে পড়তে হবে ও গণিতের চর্চা করতে হবে। বাংলা ও ইংরেজি নিজ ভাষায় গুছিয়ে লেখার চর্চা করতে হবে, শব্দভান্ডার বাড়াতে হবে। এবং নিয়মিত পত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পড়তে হবে। লিখিত অযাচিত তথ্য উপাত্ত,মানচিত্র ইত্যাদি দিয়ে না লিখে প্রশ্ন অনুযায়ী অল্প কথায় সঠিক তথ্য দিলে ভালো নম্বর পাওয়া সম্ভব। তবে প্রশ্নের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক ও প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত ও উদ্ধৃতি দেওয়া যেতে পাড়ে। তার জন্য বেশি লেখা চর্চা করতে হবে।

        ভাইবাতে ভালো করার উপায়:

        ভাইবার মোট ২০০ নম্বর লিখিত পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে যোগ হয়ে চূরান্ত ফর নির্ধারিত হয়। ভাইবাতে পিএসসির সম্মানিত বিজ্ঞ সদস্যরা প্রার্থীদের মেধার পাশাপাশি অন্যান্য গুনবালি ও যাচাই করে থাকেন। যেমন বাচন ভঙ্গি, উপস্থিত বুদ্ধি ইত্যাদি। ভাইভার জন্য সমসাময়িক বিষয়াবলি, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ, নিজ পঠিত বিষয় প্রদত্ত পছন্দের ক্যাডার সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। নিয়মিত পত্রিকা পড়ার অভ্যাস করতে হবে। এছাড়া ইংরেজিতে কথা বলার চর্চা থাকলে ভালো।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          বাবু-নুরুল্লাহর নেতৃত্বে পাবিপ্রবি ছাত্রলীগের নতুন কমিটি

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৮ নভেম্বর, ২০২২ ২০:১৪
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          বাবু-নুরুল্লাহর নেতৃত্বে পাবিপ্রবি ছাত্রলীগের নতুন কমিটি

          তানিম, পাবিপ্রবিঃ পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি) ছাত্রলীগের নতুন কমিটি দেওয়া হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে ফরিদুল ইসলাম বাবু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ নুরুল্লাহকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

          সোমবার (৭ই নভেম্বর) রাত নয়টার ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ০১ বছরের জন্য ১৯ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়।

          উক্ত কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে আছেন অলক সরকার, মাহমুদুল হাসান, বি এম জুনায়েদ, আবদুল্লাহ আল-মামুন খান, শাহেদ হোসেন, মো. বিল্লাল হোসেন, শুভ হাসান, মো. লাওহী মাহফুজ সুমন ও রেদওয়ান আহমেদ অভি।

          এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন সাইদুজ্জামান সৌরভ, মো. রাফাত বিন ইসলাম শোভন, মো. ফাহাদ ও মো. লিংকন হোসেন।

          সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে আছেন হামিদুর রহমান শামীম, মো. আশিকুজ্জামান রাব্বী, আল আমিন অন্ত ও ইসান খান।

          এছাড়াও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে মাহমুদ কামাল তুহিনকে রাখা হয়েছে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত