ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

পঞ্চগড় জেলায় নৌকাডুবির দেড় মাস পর আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক
৯ নভেম্বর, ২০২২ ২০:২৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
পঞ্চগড় জেলায় নৌকাডুবির দেড় মাস পর আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার

শিশির আসাদ, পঞ্চগড়ঃ পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার আউলিয়ার ঘাটে এলাকার করতোয়া নদীতে মর্মান্তিক নৌকাডুবির ঘটনার প্রায় দেড় মাস পর ভূপেন্দ্রনাথ বর্মন (৪০) নামে আরও একজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে মোট ৭০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার সহকারী কমিশন (ভূমি) মো. ইমরানুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মো. ইমরানুজ্জামান বলেন, গত রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নের আউলিয়া ঘাট এলাকার করতোয়া নদীতে শতাধিক যাত্রী নিয়ে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। এ মর্মান্তিক ঘটনায় নদী থেকে ৬৯টি লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে নৌকাডুবির ঘটনার প্রায় দেড় মাস পর আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট ৭০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

তিনি জানান, আরও দুজন এখনও নিখোঁজ আছে।

উদ্ধার ভূপেন (৪০) দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাঙা ইউনিয়নের বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ২৫ সেপ্টেম্বর (রোববার) বিকেলে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের পুণ্যলগ্ন শুভ মহালয়া উপলক্ষে পঞ্চগড়ের বোদা, পাঁচপীর, মাড়েয়া, ব্যাঙহারি এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নৌকায় করে বদেশ্বরী মন্দিরে যাচ্ছিলেন। নৌকাটির ধারণক্ষমতা ৫০ থেকে ৬০ জন হলেও তাতে পারাপার হচ্ছিলেন শতাধিক যাত্রী। একপর্যায়ে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে মাঝ নদীতেই নৌকাটি উল্টে যায়।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    পাঁচ লাখ টাকার মাছ ধরা পড়লো সেন্টমার্টিনে

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৮ নভেম্বর, ২০২২ ২০:৪৯
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    পাঁচ লাখ টাকার মাছ ধরা পড়লো সেন্টমার্টিনে

    তাফহিম, কক্সবাজারঃ টেকনাফের সেন্টমার্টিনে জোড়া পোপা মাছ ধরা পড়েছে এক জেলের বড়শিতে । মাছ দুটির ওজন প্রায় ৬৫ কেজি । জোড়া মাছের মধ্যে একটির ওজন ৩৫ কেজি ও অন্যটির ওজন ৩০ কেজি। ৬৫ কেজি ওজনের মাছ দুটির দাম দিয়েছেন পাঁচ লাখ টাকা । মঙ্গলবার (০৮ নভেম্বর) ভোরে মাছ দুটি ধরা পড়ে ওসমান গনি নামের এক জেলের বড়শিতে ।
    মোহাম্মদ তুহিন সবুজ নামে এক জেলে বলেন, প্রায় ছয় বছর ধরে নাফ নদীতে নৌকা নিয়ে মাছ ধরা বন্ধ রয়েছে। পেটের দায়ে গোপনে বড়শিতে অনেকে মাছ ধরছেন। রাতে বড়শি ফেলেন ভাগিনা ওসমান। ভোরে এসে সে বড়শি টেনে তোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু বড়শিটি বেশ ভারী মনে হওয়ায় আরও একজনের সহযোগিতা নেন। পরে বড়শি টেনে তুলে দেখেন, একটি বড় পোপা মাছ আটকা পড়েছে। সেটির ওজন ছিল ৩৫ কেজি। এরপরে তিনি আবারও বড়শি ফেলেন, এতে তার আরো একটি বড় পোপা মাছ ধরা পড়ে। সেটির ওজন ছিল হয় ৩০ কেজির মতো। জেটিতে মাছ দুটি দেখতে স্থানীয় লোকজন ভিড় করেন। মাছ দুটির দাম দিয়েছেন পাঁচ লাখ টাকা।

    টেকনাফের মনির মাঝি বলেন, স্থানীয়দের কাছে মাছটি ‘কালা পোপা বা বড় কোরাল নামেও পরিচিত। এ মাছের মূল আকর্ষণ হলো পেটের ভেতর থাকা পটকা বা বায়ুথলি (এয়ার ব্লাডার)। এই বায়ুথলি দিয়ে বিশেষ ধরনের সার্জিক্যাল সুতা তৈরি করা হয়।আর এই মাছ খুবই সুস্বাদু হয়। এই মাছ কেজি ধরে বিক্রি করলেও কেজিতে ২ হাজার টাকা করে পাওয়া যাবে।

    টেকনাফ উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, নাফ নদীর মাছ খুবই সুস্বাদু। পোপা মাছ সাধারণত ৩৫-৪০ কেজি ওজনের হয় । কোনো কোনো সময় এর চেয়ে বেশি ওজনের পোপা মাছও পাওয়া যায়। তবে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও ইয়াবার চালান পাচার রোধে দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর ধরে নাফ নদীতে মাছ ধরা বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে প্রজনন মৌসুমসহ সরকারি বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা মেনে চলায় নাফ নদীতে এখন বড় বড় মাছ পাওয়া যাচ্ছে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম, খাবার জোগাতেই হিমশিম বাবা-মা

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৮ নভেম্বর, ২০২২ ১০:০
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম, খাবার জোগাতেই হিমশিম বাবা-মা

      একসঙ্গে ফুটফুটে জমজ তিন ছেলেসন্তানের জন্ম দেন রাজবাড়ী গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ার দরিদ্র পরিবারের গৃহবধূ ববিতা বেগম (২২)। এতে খুশিতে আত্মহারা পরিবারটি। তিনজনই বর্তমানে সুস্থ আছে।

      তবে তিন নবজাতকের লালন পালন ও চিকিৎসা ব্যায় নিয়ে বিপাকে পড়েছে পরিবারটি। তিন সন্তান জন্ম দেয়া গৃহবধূ ববিতা বেগম গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের শাহাদত মেম্বার পাড়ার দিনমজুর মো. কিরণ মুন্সির স্ত্রী। জমজ তিন শিশুর নাম রাখা হয়েছে যথাক্রমে তামিম, তাসিন ও তানজিল। নদীভাঙনে সব হারিয়ে ববিতা-কিরণ দম্পতি আশ্রয় নেন দৌলতদিয়া শাহাদাত মেম্বার পাড়া এলাকায়।

      সেখানেই তিন শতাংশ জমি লিজ নিয়ে গড়ে তোলেন বসতি। দিনমজুরিসহ হরেক রকমের কাজ করে সংসার চালান তারা। চলতি বছরের ৪ নভেম্বর গৃববধূ ববিতা ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে জমজ তিন ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। এর কিছুদিন পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলে মাসহ জমজ তিন ছেলেকে বাড়িতে আনেন কিরণ। এছাড়াও তাদের ৫ বছর বয়সী আরও একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

      বর্তমানে কিরণ দিনমজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। কিন্তু এ কাজ করে তিন জমজ শিশুর খরচসহ ছয়জনের সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন জমজ শিশুদের পেছনে খরচ প্রায় ৭০০-৮০০ টাকা।

      কিন্তু দিনে আয় মাত্র ৫০০ টাকা। ফলে জমজ তিন সন্তানসহ চার সন্তান নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন ববিতা কিরণ দম্পতি। প্রতিবেশীরা জানান, কিরণ দিনমজুরের কাজ করেন। তাতে সংসার চলে না।এখন জমজ তিন ছেলেসহ চার সন্তান নিয়ে পড়েছেন বিপাকে, যা আয় করে তা দিয়েও জমজ তিন শিশুর খাবারের টাকা হয় না। ওই তিন শিশুসহ পরিবারে ছয় সদস্য। কোনো সাহায্য সহযোগিতা পেলে বাচ্চাগুলো নিয়ে বাঁচতে পারবে তারা।

      গৃহবধূ ববিতা জানান, জমজ তিন সন্তান নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন। তার স্বামী দিনমজুরের কাজ করেন। কাজ করলে দিন শেষে ৫০০ টাকা পান। কাজ না করলে টাকা পান না। এ অবস্থায় সরকারের সহযোগিতা পেলে তার সন্তানদের লালন পালন করতে পারতেন। জমজ তিন শিশুর বাবা কিরণ জানান, জমজ তিন ছেলেসন্তান হওয়ায় তিনি খুশি। কিন্তু দিনমজুরের কাজ করে তাদের খাবারসহ অন্যান্য খরচ জোগাতে পারছেন না। কাজ করলে দিনে ৫০০ টাকা পান। কিন্তু শিশুদের দুধ কিনতে লাগে ৬৫০ টাকা।

      এর সঙ্গে অন্যান্য খরচসহ সাংসারিক খরচ রয়েছে। বর্তমানে তার চার সন্তানসহ ছয়জনের পরিবার। দিনমজুরের কাজ করে বাচ্চাদের লালন পালনসহ সংসারের খরচ মেটাতে পারছেন না তিনি। ফলে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

      গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুল হক খান বলেন, জমজ তিন শিশু আল্লাহর নিয়ামত। এই শিশুদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য বাবা-মায়ের দায়িত্ব অনেক। পরিবারটি দরিদ্র হওয়ায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে বলেও জানান তিনি।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ‘প্রশ্নপত্রে সাম্প্রদায়িক উস্কানিদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৭ নভেম্বর, ২০২২ ২০:৪৫
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ‘প্রশ্নপত্রে সাম্প্রদায়িক উস্কানিদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

        বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক গণতন্ত্রের দেশ। এ দেশে কোনো পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে সাম্প্রদায়িক উসকানির মতো কিছু থাকবে তা খুবই দুঃখজনক ও একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

        আজ সোমবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউটে এইচএসসির বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রে সাম্প্রদায়িকতার উসকানি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেছেন তিনি।

        শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের মনে যারা সাম্প্রদায়িক উসকানির বীজ বপন করতে চায় তাদের ভবিষ্যতে এসব কাজের সঙ্গে (প্রশ্নপত্র সেটিং-মডারেটিং) আর সম্পৃক্ত করা হবে না। একইসঙ্গে যারা প্রশ্নপত্রে সাম্প্রদায়িক উসকানি দিয়েছে তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

        দীপু মনি বলেন, প্রশ্ন সেটিং বা প্রশ্ন মোডারেটিং এমনভাবে হয় যে, যিনি প্রশ্ন সেট করে যান তিনি আর সেটি দেখতে পারেন না। যিনি মডারেট করে যান তিনিও আর পুনরায় তা দেখতে পারেন না। একই সঙ্গে মডারেটরের বাইরে ওই প্রশ্নের একটি অক্ষরও কারো দেখার সুযোগ থাকে না। আমাদের একদম সুস্পষ্ট নির্দেশিকা দেওয়া থাকে- কী কী বিষয় মাথায় রেখে এ প্রশ্নগুলো তারা করবেন।

        তিনি আরো বলেন, সেক্ষেত্রে প্রশ্নে কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িকতাও যেন না থাকে সেটিও নির্দেশনায় আছে। খুবই দুঃখজনক কোনো একজন প্রশ্নকর্তা হয়তো প্রশ্নটি করেছেন এবং যিনি মডারেট করেছেন তার দৃষ্টিও হয়তো কোনোভাবে বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন অথবা তিনি স্বাভাবিক ভাবেই নিয়েছেন। আমরা চিহ্নিত করছি এ প্রশ্ন কোন মডারেটর করেছেন। একই সঙ্গে সে অনুযায়ী ব্যবস্থাও নিচ্ছি।

        প্রসঙ্গত, রোববার (৬ নভেম্বর) ঢাকা বোর্ডের এইচএসসির বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে প্রশ্নপত্রে সাম্প্রদায়িক উসকানি দেওয়ার বিষয়ে।

        প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সাম্প্রদায়িকতার উসকানির অংশ-নেপাল ও গোপাল দুই ভাই। দীর্ঘদিন জমি নিয়ে বিরোধ তাদের। অনেক বিচার করেও কেউ তাদের বিরোধ মেটাতে পারেনি। কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। এখন জমির ভাগ বণ্টন নিয়ে মামলা চলছে আদালতে। ছোট ভাই নেপাল বড় ভাইকে শায়েস্তা করতে আব্দুল নামে এক মুসলমানের কাছে ভিটের জমির এক অংশ বিক্রি করে। আব্দুল সেখানে বাড়ি বানিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। কোরবানির ঈদে তিনি নেপালের বাড়ির সামনে গরু কোরবানি দেয়। এ ঘটনায় নেপালের মন ভেঙে যায়। কিছুদিন পর কাউকে কিছু না বলে জমি-জায়গা ফেলে সপরিবারে ভারতে চলে যায়।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          অবৈধ ইটভাটায় বিপন্ন পরিবেশ, খবর পেয়ে ছুটে গেলেন তালার এসিল্যান্ড

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৭ নভেম্বর, ২০২২ ১৭:২৫
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          অবৈধ ইটভাটায় বিপন্ন পরিবেশ, খবর পেয়ে ছুটে গেলেন তালার এসিল্যান্ড

          মোঃ সাইদুজ্জামান শুভ, সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলায় চলছে একাধিক অবৈধ ইটভাটা। পুড়ছে কাঠ। বিপন্ন হচ্ছে পরিবেশ ও ফসলের মাঠ। ইটভাটা নিয়ন্ত্রণ আইনের তোয়াক্কা না করে ড্রাম চিমনি ব্যবহার করে কাঠ দিয়ে ইট পোড়ানো সম্পূর্ণ নিষেধ। তা সত্ত্বেও বছরের পর বছর ওই সব ভাটা বহাল তবিয়তে ইট তৈরির কাজ অব্যাহত রেখেছে। ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রশাসন সাময়িক জরিমানা করলে বা চিমনি ভেঙে দিলেও কয়েক দিনের মধ্যেই আবারও ইটভাটা প্রস্তুত হয়ে যায়।

          সরেজমিনে সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের পাশে রাস্তার কোলঘেঁষে সরকারি খাস জায়গায় ইটের ভাটার মাটি রেখে চলছে (এম,বি ইটভাটা), ওই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ডিসেম্বরের শুরুতে ভাটার প্রস্তুতি শুরু হয়। এরপর টানা মার্চ মাস পর্যন্ত এ ভাটায় পরিবেশ নষ্ট করে ইট তৈরি হয়। এবং ইটভাটা টি সম্পূর্ণ গ্রামের মধ্যে হাওয়ায় পরিবেশের প্রচুর ক্ষতি হচ্ছে। এবং এলাকার বড় থেকে ছোট বাচ্চা পর্যন্ত এই ইটভাটার ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে।

          এ বিষয়ে ভাটার মালিক মোঃ খায়রুল ইসলাম এর মুঠো ফোনে কল করলে তাকে পাওয়া যায়নি।

          এ বিষয়ে ভাটার ম্যানেজার, মোঃ গিয়াশ উদ্দীন বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তারা ভাটার অনুমোদন নিয়েছেন।

          তবে পরিবেশ অধিদফতরের কোন বৈধ ছাড়পত্র দেখাতে পারেননি । নেই লাইসেন্স, নেই কোন কিছু নবায়ন। বি,এস,টি আয়ের স্টান্ডার টেস্টিং কোন রকমে চলছে। ইট পোড়ানোর লাইসেন্স নবায়ন করা নাই। কিন্তু প্রতি বছর ভাটা শুরু আগে অনেক কিছু ‘ম্যানেজ’ করতে হয় তাদের। বেশি চাপাচাপি হলে দর দামও বেশি হয়।

          খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থালে যান তালা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল কুদ্দুস, তিনি ওই অবৈধ ইটভাটা সকল প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র নিয়ে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ইটভাটার ম্যানেজার কে তার অফিসে আসতে বলেন। কাগজপত্র সবকিছু যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আশ্বাস প্রদান করেন।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত