ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

নিহত বুলবুলের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা দেবে শাবি প্রশাসন

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৮ জুলাই, ২০২২ ৮:৩৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
নিহত বুলবুলের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা দেবে শাবি প্রশাসন

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নিহত শিক্ষার্থী বুলবুল আহমেদের পরিবারকে ৫ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বুধবার (২৭ জুলাই) দুপুরে প্রশাসনিক ভবন-১ এর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটি জানান উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, ছুরিকাঘাতে নিহত শাবি শিক্ষার্থী বুলবুলের পরিবারকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। আগামী সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল থেকে এই টাকা বুলবুলের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

উপাচার্য বলেন, ক্যাম্পাসের বেশিরভাগ জায়গায়ই ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা (সিসিটিভি) আছে। যেসব জায়গায় এখনও ক্যামেরা নেই দ্রুত সেসব জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্যামেরা বসানো হবে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    অনলাইনে যেভাবে হবে প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৮ জুলাই, ২০২২ ৮:৩৩
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    অনলাইনে যেভাবে হবে প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলির কাজটি হবে পুরোপুরি অনলাইনে। নির্ধারিত একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে নির্ধারিত আইডি ব্যবহার করে শিক্ষকদের বদলির জন্য আবেদন করতে হবে। এর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ওই শিক্ষক বদলির যোগ্য কি না বা কোন বিদ্যালয়ে বদলি হবেন, তা নির্ধারণ হবে।

    নতুন এই পদ্ধতিতে বদলি প্রত্যাশী শিক্ষক অনলাইনে আবেদনটি করার পর সেটি প্রাথমিকভাবে যাচাই করবেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিনিও ওই সফটওয়্যার ব্যবহার করেই যাচাই করে দেবেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে। তিনি সেটি যাচাই করে পাঠাবেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার (ডিপিইও) কাছে। ডিপিইও সেটি মঞ্জুর করে পাঠিয়ে দেবেন আবার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে। তিনি তখন বদলির বিষয়ে আদেশ জারি করবেন এবং শিক্ষক সেটি অনলাইনেই জেনে যাবেন।

    তিন ধাপের এই যাচাইয়ে প্রত্যেক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তিন দিন করে সময় পাবেন। এই তিন দিনের মধ্যে যাচাই করে নিষ্পত্তি না করলে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই যাচাইয়ের জন্য নিয়োজিত পরবর্তী ব্যক্তির কাছে চলে যাবে। তখন নিষ্পত্তি না করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে।

    আজ বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বদলি শুরু করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। আজ শুধু পরীক্ষামূলকভাবে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে নতুন পদ্ধতিতে ১৮টি বিদ্যালয়ে শূন্য পদে বদলি করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নতুন এই পদ্ধতিতে আগামী মাস (আগস্ট) থেকে সারা দেশে বদলির কাজ শুরু করার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে।

    তবে ঢাকাসহ ১১টি মহানগরে বদলির এই কার্যক্রম আপাতত বন্ধ থাকবে। মহানগরের ক্ষেত্রে পৃথক ব্যবস্থা করা হবে। তাই মহানগরের বাইরে কর্মরত কোনো শিক্ষকের মহানগরে বদলি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

    উল্লেখ্য, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ হয় উপজেলাভিত্তিক। তাই সাধারণ নিয়মে উপজেলার মধ্যেই শিক্ষকদের বদলি হতে হবে। তবে বিশেষ কারণে উপজেলা বা জেলা পরিবর্তনেরও সুযোগ আছে।

    বর্তমানে সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৬৫ হাজার ৫৬৬টি। এগুলোতে মোট শিক্ষক আছেন প্রায় পৌনে ৪ লাখ। এখন নতুন করে আরও ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।

    করোনার সংক্রমণজনিত পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলির কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এখন সেই কার্যক্রম আবার শুরু হলো। সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, বদলিকে কেন্দ্র করে মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর এবং উপজেলা পর্যায়ে একটি বিশৃঙখল পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো। নানা জায়গা থেকে বদলির জন্য সুপারিশ, যোগাযোগ, অনুরোধ, আবেদন, সাক্ষাৎ এগুলো ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। এতে শিক্ষকেরা ঠিকমতো বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারতেন না, পাঠদান কার্যক্রম বিঘ্নিত হতো। এ জন্য তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির সহায়তায় সফটওয়্যার তৈরি করে বদলির কাজটি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর ফলে শিক্ষকদের আর এখানে–সেখানে বদলির জন্য দৌড়াদৌড়ি করতে হবে না, কারও কাছেও যেতে হবে না।

    এর আগে গত ৩০ জুন গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এই কার্যক্রমের পরীক্ষামূলক (পাইলটিং) উদ্বোধন করেছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। পরীক্ষামূলকভাবে ১৫ জুলাই পর্যন্ত যেসব শিক্ষক ওই উপজেলায় বদলির আবেদন করেছিলেন, তাঁদেরই বদলির আওতায় আনা হয়েছে। যার মাধ্যমে আজ বদলি করা হয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আমিনুল ইসলাম খান ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) মহিবুর রহমান।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      রাজশাহীতে ট্রেনের সামনে শুয়ে ভর্তি–ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২৭ জুলাই, ২০২২ ২০:৩৯
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      রাজশাহীতে ট্রেনের সামনে শুয়ে ভর্তি–ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

      ট্রেনের ভেতরে দমবন্ধ অবস্থা। গরমে অস্থির হয়ে কেউ গায়ের জামা খুলে ফেলেছেন। আবার কেউ হাতপাখা আর বই নাড়ছেন। প্রতিটি দরজার সামনে জটলা। ওই ট্রেনের সামনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থীরা শুয়ে পড়ে বিক্ষোভ করেন।

      শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাঁদের গায়ে হাত তোলা হয়েছে। টিকিট থাকা সত্ত্বেও তাঁদের ঘাড়ধাক্কা দিয়ে ট্রেন থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এখন এ ঘটনার বিচার করতে হবে। সবাইকে এক ট্রেনে নিয়ে যেতে হবে। অন্যথায় তাঁরা রেললাইন ছাড়বেন না। এর মধ্যে বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ারও দাবি করেন তাঁরা।

      এভাবে সন্ধ্যা পৌনে ছয়টা বেজে যায়। ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের দাবি মেনেই কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত কোচ লাগানোর চেষ্টা করছে। এটা রাজশাহী ও ঢাকার মধ্যে চলাচলকারী আন্তনগর পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের ঘটনা। বিকেল চারটায় ওই ট্রেন ছাড়ার কথা ছিল।

      উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য রাজশাহী রেলস্টেশনে র‍্যাব ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) অসীম কুমার তালুকদার ট্রেনের সামনে শুয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে তাঁদের সব অভিযোগ শোনেন এবং ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি তাঁদের বলেন, সবাইকে এক ট্রেনে নেওয়া সম্ভব নয়, রাতের ধূমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হবে। তখন শিক্ষার্থীরা তাঁর কাছে লিখিত চান। তিনি একটি কাগজে তাঁর লিখিত বক্তব্য দেন। তখন প্রায় দেড় ঘণ্টা বিলম্ব হয়ে যায়। শুয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা উঠে পড়েন। সবাইকে রেললাইন থেকে সরে আসতে বলেন।

      এরই মধ্যে একজন এসে বললেন, ‘রাতের ট্রেনেই যদি যাব তাহলে এতক্ষণ গলা ফাটাইলাম কেন। কেন আমাদের ঘাড়ধাক্কা দেওয়া হলো, কেন ট্রেন থেকে বের করে দেওয়া হলো। কেন গালাগাল করা হলো। এর বিচার চাই।’ এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে শতাধিক শিক্ষার্থী ‘বিচার চাই, বিচার চাই’ বলে আবারও স্লোগান দেওয়া শুরু করেন। আবারও অচলাবস্থা শুরু হয়ে যায়।

      নগরের বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম তাঁদের বোঝানোর চেষ্টা করতে থাকেন। সবচেয়ে উত্তেজিত এক শিক্ষার্থী তখন বলেন, তাঁদের সঙ্গে পাকিস্তানিদের মতো আচরণ করা হয়েছে। তাঁদের অনেকের টিকিট থাকা সত্ত্বেও ঘাড়ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছে। এর বিচার করতে হবে। কেন তাঁদের গায়ে হাত তোলা হবে। এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে সবাই আবারও ‘বিচার চাই, বিচার চাই’ স্লোগান দিতে থাকেন।

      এ সময় শিক্ষার্থীদের ভেতর থেকে একটি পাথর ছুড়ে মারা হয়। পাথরটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল যমুনার ক্যামেরাপারসন আবদুল জাবিদের মাথায় লাগে। এতে তিনি আহত হন। তখন একটি মেয়ে ভিড়ের মধ্য থেকে বলতে থাকেন, তাঁদের সুষ্ঠু আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে প্রশাসনের লোকেরাই এটা করেছে। একজন শিক্ষার্থী বলেন, তাঁদের আরও দাবি আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা বিভাগীয় শহরে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। তাঁদের সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

      সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে ওই ট্রেনের সঙ্গে আরেকটি কোচ লাগানোর সিদ্ধান্ত হয়। তখন হ্যান্ডমাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়, শুধু ইঞ্জিন যাবে নতুন কোচ আনতে। রেললাইন থেকে সবাইকে সরে দাঁড়ানোর অনুরোধ করা হয়। বিকেল ৫টা ৫৩ মিনিটে শিক্ষার্থীরা সরে দাঁড়ালে ইঞ্জিন নতুন কোচ আনতে যায়।

      পশ্চিমাঞ্চল রেলের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদার প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের কারও টিকিট নেই। বসার কিংবা দাঁড়ানোর কোনো টিকিটই নেই। তাঁরা এখন বলছেন, তাঁদের না নিয়ে ট্রেন যেতে পারবে না। ভেতরে যতটা সম্ভব নেওয়া হয়েছে। তাঁরা এখন ট্রেনের ছাদে উঠতে চান। উঠতে দেওয়া হয়নি। তাঁদের রাতের ট্রেনে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তখন তাঁরা বলা শুরু করেন, রাতের ট্রেন আগাম ছাড়তে হবে। কিন্তু এটা তো সম্ভব নয়। তিনি বলেন, এখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আছেন। অতিরিক্ত কোচ লাগিয়ে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        যে সিলেবাসে হবে কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২৭ জুলাই, ২০২২ ২০:৩৫
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        যে সিলেবাসে হবে কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা

        আগামী ১০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ৮টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা। ভর্তি পরীক্ষা কোন সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়টি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি। জানা গেছে, ভর্তি পরীক্ষা কোন সিলেবাসের আলোকে হবে সেটি আগেই নির্ধারণ করেছে কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত কমিটি। তবে সমালোচনার জন্য সিলেবাসের কথা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।

        সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসের আলোকেই কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রশ্নপত্র তৈরির সাথে যুক্ত শিক্ষকদের সেভাবেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

        নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার সাথে যুক্ত একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বুধবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

        তিনি বলেছেন, যেহেতু আমরা কোন সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সেটি সিলেবাসে উল্লেখ করিনি। তার মানে সম্পূর্ণ সিলেবাসের আলোকেই কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এখন পর্যন্ত এটিই আমাদের সিদ্ধান্ত আছে।

        জানা গেছে, চলতি বছরের ভর্তি পরীক্ষায় ২০১৭-১৮-১৯ সালের মাধ্যমিক ও ২০২০-২০২১ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন।

        এবারে আবেদনের যোগ্যতা সর্বমোট ন্যূনতম জিপিএ ৮ থেকে বাড়িয়ে ৮.৫ করা হয়েছে। এ যোগ্যতার মধ্যে প্রত্যেক ভর্তিচ্ছুই পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

        এবারের ভর্তি পরীক্ষায় আসন সংখ্যা আগের মতই রয়েছে। তবে এ গুচ্ছের সঙ্গে নতুন ‍যুক্ত হওয়া হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০টি আসন যোগ হয়েছে।

        আগের আসন সংখ্যা অনুযায়ী, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ১১৬টি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩০টি, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০৪টি, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩১টি, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৪৩টি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৪৫টি, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫০টি।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          সাত কলেজে আবেদন করেছে ৫৫ হাজার ভর্তিচ্ছু

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৭ জুলাই, ২০২২ ২০:৩১
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          সাত কলেজে আবেদন করেছে ৫৫ হাজার ভর্তিচ্ছু

          ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত রাজধানীর সরকারি সাত সরকারি কলেজে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করেছেন ৫৫ হাজার হাজার ভর্তিচ্ছু। গত শুক্রবার আবেদন শুরু হয়েছে।

          ঢাবির অনলাইন ভর্তি কমিটি সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৭ জুলাই) বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনলাইনে ভর্তি আবেদন করেছেন ৫৫ হাজার শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষার ফি জমা দিয়েছেন প্রায় ৫০ হাজার। সবচেয়ে বেশি আবেন করেছেন বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীরা। আর সবচেয়ে কম আবেদন পড়েছে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে।

          এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজের অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

          জানা গেছে, আগামী ১২ আগস্ট বিজ্ঞান অনুষদ, ১৯ আগস্ট কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ এবং ২৬ আগস্ট বাণিজ্য অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবারে আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০০ টাকা। এবারে সরকারি সাতটি কলেজে সর্বমোট ২২ হাজার ৩৪০টি আসনে এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

          সাত কলেজ আবেদন যোগ্যতা ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীকে অবশ্যই ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে এসএসসি বা সমমান এবং ২০২১ সালে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। ইউনিট ভিত্তিক আবেদনের ক্ষেত্রেও আলাদাভাবে কিছু যোগ্যতা চাওয়া হয়েছে।

          ইউনিট ভিত্তিক আবেদন যোগ্যতা হলো- বিজ্ঞান ইউনিটে আবেদনের যোগ্যতা এসএসসি ও এইচএসসির (৪র্থ বিষয়সহ) মোট জিপিএ ৭.০০, কলা ও মানবিক এসএসসি ও এইচএসসির (৪র্থ বিষয়সহ) মোট জিপিএ ৬.০০ এবং বাণিজ্য এসএসসি ও এইচএসসির (৪র্থ বিষয়সহ) জিপিএ ৬.৫০।

          অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজ হলো- ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত