ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বিশ্বের বৃহৎ মুসলিম দেশে দেখা যায়নি ঈদের চাঁদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৯ মার্চ, ২০২৫ ২১:৬
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিশ্বের বৃহৎ মুসলিম দেশে দেখা যায়নি ঈদের চাঁদ

শাওয়াল ও পবিত্র ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখা যায়নি বিশ্বের বৃহৎ মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ায়। দেশটিতে কোথাও চাঁদ দেখা না যাওয়ায় আগামী সোমবার (৩১ মার্চ) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। এর ফলে ইন্দোনেশিয়ার মানুষ ৩০টি রোজা পূর্ণ করবেন।

ইন্দোনেশিয়ার সংবাদমাধ্যম অন্তরা নিউজ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

তারা বলেছে, “ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকার সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, হিজরি ১৪৪৬ সনের শাওয়াল মাসের ১ তারিখ পড়বে আগামী সোমবার ৩১ মার্চ। শনিবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ে ইসবাতের (চাঁদ দেখা কমিটি) বৈঠকের পর এ ঘোষণা দেয়া হয়।

বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে জাকার্তার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ভবনে। সে হিসেবে কালও রোজা থাকবে।

এদিকে বাংলাদেশে কাল রোববার (৩০ মার্চ) জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক বসবে। এদিন বাংলাদেশের আকাশে শাওয়াল ও ঈদের চাঁদের অনুসন্ধান করা হবে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতে ঈদের তারিখ নিয়ে যা জানাল আন্তর্জাতিক সংস্থা

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৯ মার্চ, ২০২৫ ২১:০
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতে ঈদের তারিখ নিয়ে যা জানাল আন্তর্জাতিক সংস্থা

    বাংলাদেশে কবে ঈদ হবে সে বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানা যায়নি। রোববার সন্ধ্যার পর চাঁদ দেখে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। তবে এর আগেই বাংলাদেশে ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্র।

    শনিবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে সংস্থাটি জানিয়েছে, বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর হবে আগামী সোমবার (৩১ মার্চ)। বাংলাদেশে এখন সূর্য অস্ত গেছে। আজ (সেখানে) ২৮ রমজান। কাল রোববার খালি চোখে চাঁদ দেখা যাবে।

    সংস্থাটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত ও পাকিস্তানে ঈদের সম্ভাব্য তারিখও ঘোষণা করেছে। এক্সে-এর অফিসিয়াল পেজে পৃথক পোস্টে বলা হয়েছে, ভারতে ও পাকিস্তানে ঈদুল ফিতর সোমবার (৩১ মার্চ) হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আজ সেখানে রমজানের ২৮তম দিন। আগামীকাল রোববার অর্ধচন্দ্র খালি চোখে দেখা যাবে।

    এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল ফিতরের দিন এখনও নির্ধারিত হয়নি। দেশগুলোতে শনিবার রাতে অনুসন্ধান চালাবে সংশ্লিষ্ট সংস্থা। জনসাধারণকেও চাঁদ দেখতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      দেশের রিজার্ভ ২৫ বিলিয়ন ডলার

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২৯ মার্চ, ২০২৫ ২০:৫৪
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      দেশের রিজার্ভ ২৫ বিলিয়ন ডলার

      ঈদুল ফিতর উৎসব উদযাপনকে কেন্দ্র করে পরিবার-পরিজনের কাছ থেকে শত-হাজার মাইল দূরে থাকলেও তাদের জন্য কষ্টার্জিত অর্থ পাঠাচ্ছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। ফলে চলতি মার্চে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ বাড়ছে।

      কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সবশেষ ২৭ মার্চ পর্যন্ত দেশে বৈদেশিক মুদ্রার গ্রোস রিজার্ভ ২৫ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার। তবে ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ এখনো ১৫ বিলিয়নের ঘরে রয়েছে।

      এর আগে গত ৯ মার্চ আকুর বিল পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ২৫ বিলিয়ন ডলার নেমে এসেছে। বিপিএম-৬ ১৯ দশ‌মিক ৭০ বিলিয়ন ডলার হয়। এরপর রমজান মাসে রেমিট্যান্সের উচ্চ প্রবৃদ্ধি ও রপ্তানি আয় ইতিবাচক থাকায় রিজার্ভ বাড়ছে।

      মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়। তবে এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, তা হ‌লো ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ। এ তথ্য আনুষ্ঠানিক প্রকাশ ক‌রে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেখানে আইএমএফের এসডিআর খাতে থাকা ডলার, ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসাবে থাকা বৈদেশিক মুদ্রা এবং আকুর বিল বাদ দিয়ে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ এর হিসাব করা হয়।

      সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সেই হিসাবে দেশের ব্যয়যোগ্য প্রকৃত রিজার্ভ এখন ১৫ বিলিয়ন ডলারে আছে। প্রতি মাসে ৫ বিলিয়ন ডলার হিসেবে এ রিজার্ভ দিয়ে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়।

      বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ১৪ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামে। সে সময় বৈদেশিক ঋণ ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে ডলার কেনার মাধ্যমে রিজার্ভ বাড়ানো হয়। আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন গভর্নর এসে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ রেখেছে।

      আবার বিভিন্ন সোর্স থেকে ডলার জোগানের চেষ্টাও করছে। তবে আগের দায় পরিশোধ করতে গিয়ে রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারে কাছে ওঠানামা করছে এখন।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করবে: প্রধান উপদেষ্টা

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২৯ মার্চ, ২০২৫ ১৪:৫৬
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করবে: প্রধান উপদেষ্টা

        ‘চীনকে ভালো বন্ধু হিসেবে দেখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ’ উল্লেখ করে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমাদের সম্পর্ক বছরের পর বছর ধরে খুবই শক্তিশালী। আমাদের ব্যবসা খুবই শক্তিশালী এবং চীনের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা থেকে আমরা উপকৃত হচ্ছি।

        চীনের সরকারি বার্তা সংস্থা সিনহুয়াকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করবে বলে তিনি আশা করেন।

        চীন যা অর্জন করেছে তাতে বাংলাদেশের সবাই অনুপ্রাণিত-উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাজ হল একটি নতুন বাংলাদেশ পুনর্গঠন করা এবং জনগণ আশা করে যে, তারা নিজ দেশের উন্নয়নে চীনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে পারবে।

        চীনের দারিদ্র্য হ্রাসের অর্জন সম্পর্কে ইউনূস বলেন, বেশিরভাগ দেশ সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণের পরিবর্তে জিডিপি প্রবৃদ্ধির ওপর জোর দেয়। কিন্তু চীন নিম্ন আয়ের গোষ্ঠীর ওপর জোর দেয়। এ কারণেই চীনারা দ্রুত দারিদ্র্য হ্রাসে খুব সফল।

        সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা উচ্চপর্যায়ের উন্নয়ন প্রত্যক্ষ করেছে। চীন টানা ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ১,০০০ চীনা প্রতিষ্ঠান কাজ করছে, যা মোট ৫,৫০,০০০ এরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।

        ইউনূস উল্লেখ করেন যে, দুই দেশ ব্যাপক সহযোগিতার সম্পর্ক স্থাপন করেছে, যা অনেক ইতিবাচক ফলাফল এনেছে। চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানি বাড়ছে। আমাদের শিল্প-ব্যবহারের বেশিরভাগ পণ্য আসে চীন থেকে।

        ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে ইউনূস দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক পরিপূরকতা এবং তাদের বিশাল সহযোগিতার সম্ভাবনার ওপর জোর দেন।

        তিনি আশা করেন, আরও চীনা বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে আসবেন এবং স্থানীয় অংশীদারদের সঙ্গে একত্রে একটি বৃহত্তর বাজার উন্মুক্ত করবেন।

        সম্প্রতি বাংলাদেশি রোগী, ডাক্তার এবং ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর প্রথম দলটি চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ে চিকিৎসা পরীক্ষা ও চিকিৎসা পর্যটন বাজারের সম্ভাবনা অন্বেষণ করতে গিয়েছিল।

        ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ চীনের কাছ থেকে শিখতে এবং জনগণের উপকারে একটি উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে।

        এবছর চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী এবং এটিকে চীন ও বাংলাদেশ জনগণের সাথে জনগণের বিনিময় বছর হিসেবেও মনোনীত করা হয়েছে।

        বাংলাদেশ ও চীনের বিগত ৫০ বছরের সম্পর্ক চমৎকার ছিল উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আগামী ৫০ বছর আরও সুদৃঢ় হবে।’

        তিনি বলেন, বৃহত্তর ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার জন্য উন্মুখ আমরা। এটাই দেখার অপেক্ষায় আছি।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ড. ইউনূসকে পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৯ মার্চ, ২০২৫ ১২:২৬
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ড. ইউনূসকে পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান

          বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেছে। শনিবার (২৯ মার্চ) এক বিশেষ অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্রঋণ ও দারিদ্র্য বিমোচনে বৈশ্বিক নেতৃত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তার হাতে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি তুলে দেওয়া হয়।

          প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক গং কিয়ান বলেন, ‘অধ্যাপক ইউনূস শুধু একজন অর্থনীতিবিদ নন, তিনি বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অগ্রপথিক।’

          তিনি আরও বলেন, ‘আমরা গর্বিত যে পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় তাকে এই সম্মান প্রদান করতে পারছে। তার কাজ চীনের তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হবে।

          অধ্যাপক ইউনূস ভাষণে বলেন, ‘এই সম্মান শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি বিশ্বের সেইসব মানুষের জন্য যারা দারিদ্র্য ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছে।’

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত