ঢাকা, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
৯ জানুয়ারি, ২০২৩ ১১:৫৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন

পটুয়াখালীর দুমকিতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে দুই দিন ধরে অনশনে আছেন এক তরুণী। তরুণীর অনশন নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

অনশনকারী শিক্ষার্থী ও প্রেমিকের পারিবারের কাছ থেকে জানা যায়, মৃত. ইউনুস হাওলাদারের ছেলে রিয়াজুল ইসলাম রাব্বির (২৬) সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের কল্যাণে পৌনে চার বছর আগে পরিচয় থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে অনশনকারী তরুণীর সাথে। তারই প্রেক্ষিতে মাস দুই আগে উভয় পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের কথাবার্তা ও দেখাদেখি হয়। কিন্তু সেটি বেশিদুর আগায়নি। এরপর থেকে তরুণী প্রেমিক রাব্বিকে বিয়ের চাপ দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু রাব্বি তার পরিবারকে রাজি করাতে না পারার অজুহাতে তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়। এমনকি গত সপ্তাহ থেকে ওই তরুণীর সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

কোনো উপায় না পেয়ে গত শনিবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে ওই তরুণী বিয়ের দাবিতে রাব্বির বাড়িতে অনশন শুরু করে। বিষয়টি মুহূর্তেই এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। রাব্বি ঢাকায় চাকরি করায় তাকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি।

অনশনকারী তরুণী জানায়, আমার সরলতার সুযোগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ও আমার সব শেষ করে দিয়েছে। তার বাড়ির লোকজন আমাকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। জোরপূর্বক বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে। হয় বিয়ে না হয় আত্মহত্যা; এছাড়া এখন আমার আর কোনো পথ নেই।

রাব্বির মা বলেন, আমার বড় ছেলের বউ আর আমার ভাই এই মেয়েকে তার বাড়িতে দেখতে গিয়েছিল। পছন্দ না হওয়ায় বিয়ে হয়নি।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, ৯৯৯-এ কল পেয়ে সেখানে ফোর্স পাঠানো হয়েছে।

দুমকি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল ইমরান বলেন, যেহেতু দুজনেই প্রাপ্তবয়স্ক, এ বিষয়ে দুই পরিবারকে মিলে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে যদি কোনো পক্ষ মনে করে আইন লঙ্ঘন হয়েছে তাহলে আইনের আশ্রয় নিতে পারেন। আমি যতটা জানি, সোমবার দুই পক্ষই নিজেদের মধ্যে আলোচনা সাপেক্ষে একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    তথ্য-যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং কারিগরি শিক্ষায় মনোযোগ দিয়েছে সরকার: আ.ক.ম মোজাম্মেল হক

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৮ জানুয়ারি, ২০২৩ ১১:২৩
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    তথ্য-যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং কারিগরি শিক্ষায় মনোযোগ দিয়েছে সরকার: আ.ক.ম মোজাম্মেল হক

    মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আ.ক.ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং কারিগরি শিক্ষার ধারনা নিয়েই সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি,বাংলাদেশসহ অনেকগুলো টেকনিক্যাল কলেজ, ভোকেশনাল স্কুল এবং ট্রেনিং সেন্টারের বিষয়ে গভীর মনোযোগ দিয়েছে।

    ০৭ জানুয়ারি,২০২২ (শনিবার) দুপুরে ভাওয়াল রাজবাড়ি মাঠে গাজীপুর জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত দুই দিনব্যাপী চাকরি মেলার শুভ উদ্বোধন ও চাকরি মেলা উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় মন্ত্রী একথা বলেন।

    গাজীপুরের জেলা প্রশাসক জনাব আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড.মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল মঈন,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড.মো.গিয়াস উদ্দীন মিয়া, বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান।

    আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় মন্ত্রী আরও বলেন,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ড. কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন গঠন করেছিলেন এবং রিপোর্টও হাতে পেয়েছিলেন।সেই রিপোর্টে স্পষ্ট করে কারিগরি এবং ভোকেশনাল শিক্ষার কথা বলা ছিলো। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য জাতির পিতা সেই রিপোর্ট বাস্তবায়ন করে যেতে পারেন নি।কারণ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে সপরিবারে জাতির পিতাকে হত্যা করা হয়।

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি,বাংলাদেশ এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড.মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলামের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মাননীয় মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক বলেন, মাননীয় উপাচার্য যথার্থই বলেছেন যে,“ইন্ডাস্ট্রির যে ধরনের লোকবল প্রয়োজন তা আমাদের জানালে আমরা ইন্ডাস্ট্রির মতো করে প্রস্তুত করে দিবো”। এটাই আমাদের চাহিদা এবং এটাই আমাদের প্রয়োজন। আমাদের দেশকে স্বাবলম্বী করতে হলে আমাদেরে যে সকল শিল্প-কারখানা আছে বা যেখানে চাকরি দেয়া হয় সেই চাকরি করার জন্য যে যোগ্যতার প্রয়োজন তা আমাদের অর্জন করতে হবে। সেই বিষয়টি আমাদেরে আগে বুঝতে হবে তারপর প্রয়োজনীয় শিক্ষা বা দক্ষতাটি আমাদের শিক্ষার্থীদের দিতে হবে।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি,বাংলাদেশ এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড.মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন স্মার্ট জনশক্তি।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে এবং তাঁর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এর দিকনির্দেশনায় আজকের তরুণ প্রজন্মকে সঠিক উপায়ে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা একযোগে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা বিশ্বাস এই তরুণ প্রজন্ম বাংলাদেশকে বদলে দিবে এবং ২০৪১ সালের মধ্যেই স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত হয়ে বাংলাদেশের এই তরুণরা সারা বিশ্বকে নেতৃত্ব দিবে।

    মাননীয় উপাচার্য বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি,বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রির সাথে এক হয়ে কাজ করতে আগ্রহী। ইন্ডাস্ট্রিগুলোর কোন কোন যোগ্যতার গ্রাজুয়েট প্রয়োজন তা আমাদের জানতে পারেন।আমরা সেই যোগ্যতা সম্পন্ন গ্রাজুয়েট ইন্ডাস্ট্রিগুলোকে উপহার দিতে চাই। আমাদেরে কারিকুলামসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও ইন্ডাস্ট্রিগুলোকে যুক্ত করতে চাই। শিক্ষা পদ্ধতিকে আমরা ইন্ডাস্ট্রি ওরিয়েন্টেড করতে চাই।

    দুই দিনব্যাপী এই মেলায় ৪০ টির মতো প্রখ্যাত শিল্পপ্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেন। মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড.মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রতিটি স্টল ঘুরে দেখেন এবং এমন একটি চমৎকার আয়োজনের জন্য গাজীপুরের জেলা প্রশাসক জনাব আনিসুর রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং ধন্যবাদ জানান।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ৭.৮ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে যশোর

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৮ জানুয়ারি, ২০২৩ ১০:৫০
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৭.৮ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে যশোর

      রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ঠান্ডার প্রকোপ, শৈতপ্রবাহ। তীব্র ঠান্ডায় বিপর্যস্ত প্রায় জনজীবন। এবার সবচেয়ে তীব্র ঠান্ডার মুখোমুখি দক্ষিণের জেলা যশোরের জনসাধারণ। আজ (রোববার) সারাদেশের মধ্যে যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

      যশরো আজ সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো: বজলুর রশিদ।

      তিনি বলেন, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের সব জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বগুড়া, চাঁপাই নবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, পাবনা, নওগাঁ, নাটোর, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, রংপুর, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আজ দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার খুব বেশি হবে না। দিনের তাপমাত্রা বাড়লে সেটা খুব অল্প সময়ের জন্য হবে।

      আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ বলেন, রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। আজ সকালে ঢাকাতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকালের তুলনায় আজ রাজধানীর তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        দেশের কোন জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কত?

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৭ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৬:৩৬
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        দেশের কোন জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কত?

        গত কয়েকদিন ধরেই তাপমাত্রার পারদ চড়ছেই না, দিনকে দিন তাপমাত্রা নিম্নমুখী হচ্ছে। বেলা গড়িয়ে দুপুর হলেও মিলছে না সূর্যের দেকা। সেই সঙ্গে বয়ে যাওয়া উত্তরের হাওয়ায় নাকাল দেশের লোকজন। এ অবস্থার মধ্যে শনিবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকায় চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

        তবে পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা আরো কমেছে, সেখানে শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

        আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ ঢাকা, খুলনা, রংপুর, রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এতে বেশ কয়েকটি জেলায় তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমেছে।

        আজ বিকেলে আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন গণমাধ্যমে বলেন, আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়। ঢাকায়ও আজ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল।

        এছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকায় রেকর্ড করা সর্বনিম্ন তাপমাত্রার তথ্যে বলা হয়েছে, যশোরে- ৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মাদারীপুরে- ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রাজশাহীতে- ৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কুষ্টিয়ায়- ৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ঈশ্বরদীতে- ৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দিনাজপুরে- ৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ফরিদপুরে- ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, নওগাঁয়- ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পঞ্চগড়ে- ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বরিশালে- ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, নীলফামারীতে- ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সাতক্ষীরায়- ৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কিশোরগঞ্জে- ৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সিরাজগঞ্জে- ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বগুড়ায়- ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

        রোববার (৮ জানুয়ারি) আবহাওয়ার পরিস্থিতির বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে মনোয়ার হোসেন বলেন, ঢাকায় আবহাওয়া প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          পাগলা মসজিদের দানবাক্সে রেকর্ড ২০ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৭ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৩:৪৪
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          পাগলা মসজিদের দানবাক্সে রেকর্ড ২০ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

          কিশোরগঞ্জ শহরে অবস্থিত ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদে আটটি লোহার দানবাক্স আছে। তিনি মাস ছয় দিন পর আজ শনিবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় এগুলো খোলা হয়েছে। এতে ২০ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে।

          অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এটিএম ফরহাদ চৌধুরী টাকা গণনার স্থানে উপস্থিত আছেন। তিনি ২০ বস্তা টাকা পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছন।

          এর আগে ২০২২ সালের ১ অক্টোবর ৩ মাস ১ দিন পর দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। তখন রেকর্ড ৩ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার ৮৮২ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া যায়।

          মসজিদ পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৯টায় জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মসজিদের আটটি দান দানবাক্স খোলা হয়েছে। দান দানবাক্সগুলো খুলে রেকর্ড ২০টি বস্তায় টাকাগুলো আনা হয়েছে গণনার জন্য। এখন চলছে টাকা গণনার কাজ।

          মসজিদের খতিব, এলাকাবাসী ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা লোকজন সূত্রে জানা যায়, এ মসজিদে মানত করলে মনের আশা পূর্ণ হয়। এমন ধারণা থেকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এ মসজিদে দান করে থাকেন।

          টাকা গণনা কাজে সিনিয়র সহকারী কমিশনার অহনা জিন্নাত, শেখ জাবের আহমেদ, সুলতানা রাজিয়া, সহকারী কমিশনার মোছা. নাবিলা ফেরদৌস, মো. মাহমুদুল হাসান, রওশন কবীর, মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি খলিলুর রহমান ও রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রফিকুল ইসলামসহ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছেন।

          জনশ্রুতি আছে, এক সময় এক আধ্যাত্মিক পাগল সাধকের বাস ছিল কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া ও রাখুয়াইল এলাকার মাঝ দিয়ে প্রবাহিত নরসুন্দা নদের মধ্যবর্তী স্থানে জেগে ওঠা উঁচু টিলাকৃতির স্থানটিতে। মুসলিম-হিন্দু নির্বিশেষে সব ধর্মের লোকজনের যাতায়াত ছিল ওই সাধকের আস্তানায়। ওই পাগল সাধকের দেহাবসানের পর তার উপাসনালয়টিকে কামেল পাগল পীরের মসজিদ হিসেবে ব্যবহার শুরু করে এলাকাবাসী।

          দেশের অন্যতম আয়কারী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত মসজিদটিকে ‘পাগলা মসজিদ ইসলামি কমপ্লেক্স’ নামকরণ করা হয়েছে। এছাড়া মসজিদের আয় থেকে বিভিন্ন সেবামূলক খাতে অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত