বিএনপি মিথ্যা বলার কারখানা: শেখ হাসিনা

বিএনপি কথা বানানো এবং মিথ্যা কথা বলার কারখানা বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় (ভার্চ্যুয়াল) প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউর আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘তাদের (বিএনপি) একটা ভালো ইয়ে আছে- মিথ্যা কথা বানানোর আর মিথ্যা কথা বলার একটা কারখানা যদি থেকে থাকে সেটা হলো বিএনপি। তারা মিথ্যা কথা বানানো এবং বলতে খুব ভালো পারে। যত রকম মিথ্যা এটার প্রডাকশন তারা খুবই ভালোই দেয়, বলেও যায়। আমাদের কিছু লোক সেটা নিয়েও বেড়ায়। ‘

পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি নিয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমরা পদ্মা সেতু করেছি আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে। এটা নিয়েও প্রশ্ন তোলে। বিএনপি আবার প্রশ্ন তোলে কোন মুখে যাদের আপাদমস্তক দুর্নীতিতে ভরা। এতিমের অর্থ আত্মসাৎ করে। সাজা পেয়েছে খালেদা জিয়া। শুধু এতিমের অর্থ কেন নাইকো, গেটকো এ রকম বহু কেস ঝুলে আছে। ’

তারেক জিয়াকে দেশ আসতে দেওয়া হচ্ছে না বিএনপির এমন অভিযোগের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির এক নেতা বলেছেন যে তারেক জিয়াকে নাকি আসতে দেওয়া হয় না। কথাটা ঠিক না। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বলেছে। ২০০৭ সালে তখন তারেক জিয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে মুছলেখা দিয়েছিল, একেবারে লিখিত দলিল সে আর রাজনীতি করবে না। এই শর্তে সে কারাগার থেকে মুক্তি নিয়ে সে বিদেশে পাড়ি জমায়। এটাতো বিএনপি নেতাদের ভুলে যাওয়ার কথা না। ’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘একজন রাজনৈতিক নেতার তার যদি সাহস না থাকে ফিরে আসার সে আবার নেতৃত্ব দেয় কীভাবে। আমাকে তো বাধা দিয়েছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার। আমার বিরুদ্ধে মার্ডার কেস দিয়েছিল। ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছিল। আমি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে আমি বলেছিলাম যে আমি দেশে যাবো। আমি কোর্টে হাজিরা দেবো এবং আমি মামলা মোকাবিলা করবো। আমি তো জোর করে দেশে ফিরে এসেছি। তারপর আমাকে কারাবন্দী করা হয়েছে, ঠিক আছে। আমি রাজনীতি করি, কারাবন্দী হতেই হবে। আমাকে তো খালেদা জিয়া, তারেক জিয়ারা গ্রেনেড মেরে হত্যাও করতে চেয়েছিল। … বার বার আমার ওপর আঘাত করেছে, গুলি, বোমা। কারা করেছে এরাই তো করেছে। ’

সভায় অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা বক্তব্য রাখেন।