ঢাকা, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আদালতের নির্দেশে পরীক্ষায় বসছেন বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ৮:৩৯
নিজস্ব প্রতিবেদক
খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আদালতের নির্দেশে পরীক্ষায় বসছেন বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) লালন শাহ হলের প্রাধ্যক্ষ মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন তাঁরা। আজ বৃহস্পতিবার কুয়েটে অনলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ফার্স্ট সেমিস্টার (পর্ব) পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ২৪ মার্চ ওই পরীক্ষা শেষ হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণবিষয়ক পরিচালক ইসমাঈল সাইফুল্যাহ বলেন, করোনা মহামারির কারণে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকায় দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীর শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়, তবে অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় অনলাইনের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার থেকে কুয়েটে পরীক্ষা গ্রহণ শুরু হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা থাকায় সম্প্রতি বহিষ্কারসহ বিভিন্ন ধরনের শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদেরও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। শাস্তি পাওয়া যন্ত্রকৌশল বিভাগের তিনজনসহ বৃহস্পতিবার কেউ কেউ পরীক্ষা দিয়েছেন।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ নভেম্বর ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক ও লালন শাহ হলের প্রাধ্যক্ষ সেলিম হোসেন ক্যাম্পাসের কাছের ভাড়া বাসায় মারা যান। অভিযোগ ওঠে মৃত্যুর দিন দুপুরে বাসায় ফেরার পথে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা অধ্যাপক সেলিমকে বিভাগে তাঁর কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর ওপর মানসিক নিপীড়ন চালানো হয়। ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে।

গত ২৮ নভেম্বর প্রশাসনের কাছে ৯টি সুপারিশসহ ৪৮ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন জমা দেয় ওই কমিটি। এরপর গত ৫ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্তে চারজনকে চিরতরে কুয়েট থেকে বহিষ্কার, সাতজনকে দুই শিক্ষাবর্ষ বহিষ্কার, একজনকে এক শিক্ষাবর্ষ বহিষ্কার করা হয়। এর বাইরে ২২ জন শিক্ষার্থীকে এক শিক্ষাবর্ষ বহিষ্কার করা হয়। তবে ওই ২২ জনের বহিষ্কার আদেশ আপাতত স্থগিত ছিল। এ ছাড়া ১০ জন ছাত্রকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ২৭ জানুয়ারি সাদমান নাহিয়ান ১২ জন শিক্ষার্থীর পক্ষে বহিষ্কারাদেশসহ সব ধরনের শাস্তির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে এক রিট আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত ১ ফেব্রুয়ারি রিট আবেদনের শুনানি শেষে তাদের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন। গত ২ ফেব্রুয়ারি আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সাজা পাওয়া শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের কাছে চিঠি দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. আনিছুর রহমান ভূঞা।

মো. আনিছুর রহমান ভূঞা প্রথম আলোকে বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনার চিঠি পেয়ে আমরা সেই মোতাবেক তা বাস্তবায়ন করেছি। আইনি অন্য কোনো বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

কুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদমান নাহিয়ান প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের ১২ জনের সবারই কোনো না কোনো পরীক্ষা আছে। কেউ কেউ শুরুর দিন পরীক্ষা দিয়েছেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    মাল্টিমিডিয়া ও অনলাইন ক্লাস নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ২৩:২১
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    মাল্টিমিডিয়া ও অনলাইন ক্লাস নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের আদেশ জারির পর মাল্টিমিডিয়া ও অনলাইন ক্লাস জোরদার এবং গ্রহণ করা ক্লাসগুলো এমএমসি (MMC) ড্যাশবোর্ডে এন্ট্রি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশান উইংয়ের পরিচালক অধ্যাপক মো. আমির হোসেনেই করা আদেশে জারি করা হয়।

    অফিস আদেশে বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বিষয়ক সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানানো যাচ্ছে যে, চলমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে দেশের সকল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (সরকারি ও বেসরকারি) শ্রেণি কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করার নির্দেশনা রয়েছে। ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকেও পরিপত্র জারি করা হয়েছে। উল্লিখিত নির্দেশনা মোতাবেক যথাযথভাবে শ্রেণি কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে এবং অনলাইনে গৃহীত মাল্টিমিডিয়া ক্লাসের তথ্য যথাযথভাবে ড্যাশবোর্ডে এন্ট্রি নিশ্চিত করতে হবে।

    অফিস আদেশে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসের পাশাপাশি মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করে কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমে যে ক্লাসগুলো অনলাইনে শিক্ষকরা নিচ্ছেন তার তথ্য এমএমসি অ্যাপের মাধ্যমে (http://mmcm.gov.bd) ড্যাশবোর্ডে এন্ট্রি নিশ্চিত করতে অনুরোধ করা হলো।

    অফিস আদেশে সকল আঞ্চলিক উপ-পরিচালক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বিধিনিষেধ বাড়লো ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ২৩:১৮
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      বিধিনিষেধ বাড়লো ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত

      করোনার সংক্রমণ রোধে চলমান বিধিনিষেধ আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

      বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিধিনিষেধ বাড়িয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

      প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসজনিত রোগের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাব ও বাংলাদেশে এ রোগের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগের জারি করা সব বিধিনিষেধ ও নির্দেশনার সঙ্গে দুটি শর্ত সংশোধন করে সার্বিক কার্যাবলি/চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হলো। এই বিধিনিষেধ আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

      এর আগে ১৩ জানুয়ারি ১১ দফা নির্দেশনা দিয়ে বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ১১ দফা নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে- ১. দোকান, শপিংমল ও বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা এবং হোটেল-রেঁস্তোরাসহ সব জনসমাগমস্থলে বাধ্যতামূলকভাবে সবাইকে মাস্ক পরিধান করতে হবে। অন্যথায় আইনানুগ শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে;

      ২. অফিস-আদালতসহ ঘরের বাইরে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে ব্যত্যয় রোধে সারাদেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে।

      ৩. রেঁস্তোরায় বসে খাবার গ্রহণ এবং আবাসিক হোটেলে থাকার জন্য অবশ্যই করোনা টিকা সনদ প্রদর্শন করতে হবে।

      ৪. ১২ বছরের ঊর্ধ্বের সকল ছাত্র-ছাত্রীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত তারিখের পরে টিকা সনদ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

      ৫. স্থলবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দরসমূহে স্ক্রিনিং-এর সংখ্যা বাড়াতে হবে। পোর্টসমূহে ক্রু-দের জাহাজের বাইরে আসার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে হবে। স্থলবন্দরগুলোতেও আগত ট্রাকের সাথে শুধুমাত্র ড্রাইভার থাকতে পারবে। কোনো সহকারী আসতে পারবে না। বিদেশগামীদের সঙ্গে আসা দর্শার্থীদের বিমানবন্দরে প্রবেশ বন্ধ করতে হবে। ৬. ট্রেন, বাস এবং লঞ্চে সক্ষমতার অর্ধেক সংখ্যক যাত্রী নেওয়া যাবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কার্যকারিতার তারিখসহ সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা জারি করবে। সর্বপ্রকার যানের চালক ও সহকারীদের আবশ্যিকভাবে কোভিড-১৯ টিকা সনদধারী হতে হবে।

      ৭. বিদেশ থেকে আগত যাত্রীসহ সবাইকে বাধ্যতামূলক কোভিড-১৯ টিকা সনদ প্রদর্শন ও Rapid Antigen Test করতে হবে;

      ৮. স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন এবং মাস্ক পরিধানের বিষয়ে সকল মসজিদে জুমার নামাজের খুতবায় ইমামগণ সংশ্লিষ্টদের সচেতন করবেন। জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ এ বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

      ৯. সর্বসাধারণের করোনার টিকা এবং বুস্টার ডোজ গ্রহণ ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় প্রচার এবং উদ্যোগ গ্রহণ করবে। এক্ষেত্রে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সহায়তা গ্রহণ করবে।

      ১০. কভিড আক্রান্তের হার ক্রমবর্ধমান হওয়ায় উন্মুক্ত স্থানে সর্বপ্রকার সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং সমাবেশসমূহ পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হবে।

      ১১. কোনো এলাকার ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে সেক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিতে পারবে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        জাবি, আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত ও সাত কলেজের পরীক্ষা স্বাস্থ্যবিধি মেনে

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ২৩:১৫
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        জাবি, আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত ও সাত কলেজের পরীক্ষা স্বাস্থ্যবিধি মেনে

        জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীভুক্ত সাত কলেজের পূর্বনির্ধারিত পরীক্ষা স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত হবে। আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এসব কথা জানান।

        দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দুই সপ্তাহ স্কুল–কলেজ ছুটি ঘোষণা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। এই প্রজ্ঞাপনের পরপরই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও সশরীর ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রাখে। তবে অনলাইনে পাঠদান কার্যক্রম চলছে।

        দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে সংক্রমণ ও মৃত্যু ব্যাপক হারে বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় ছুটি ঘোষণার সুপারিশ করে কোভিড-১৯–সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটি। পরে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে ১৮ মাস পর ২০২১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর আবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়। এর পাঁচ মাস পর করোনাভাইরাস ও এর নতুন ধরন অমিক্রন সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় আবার ছুটি ঘোষণা করে সরকার। গতকাল বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের সাংবাদিকদের শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের আলোকে জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আরও দুই সপ্তাহ বাড়ছে। এর অর্থ, ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি থাকবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          শুরু হচ্ছে বইমেলা, জানা গেল তারিখ

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ২৩:৮
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          শুরু হচ্ছে বইমেলা, জানা গেল তারিখ

          অমর একুশে বইমেলা আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে বলে দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানান বাংলা একাডেমির সচিব এ এইচ এম লোকমান। আজ বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলা একাডেমির সচিব। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওইদিন বিকেল ৩টায় ভার্চুয়ালি বইমেলা উদ্বোধন করবেন।

          এর আগে অমর একুশে বইমেলা ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত শর্ত সাপেক্ষে করার প্রস্তাব দেয় বাংলা একাডেমি।

          মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলা একাডেমির বইমেলা আয়োজক কমিটির এক সভায় এ প্রস্তাব গৃহীত হয়। এরপর এটি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব আকারে পাঠানো হয়। বইমেলা আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব জালাল আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

          ওইদিন তিনি বলেন, ‌স্বাস্থ্যবিধি মানা ও টিকা নেওয়ার শর্তে ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত বইমেলা আয়োজনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর আগে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বইমেলা শুরুর কথা থাকলেও গত ১৬ জানুয়ারি তা দুই সপ্তাহের জন্য পিছিয়ে দেওয়া হয়।

          ১৬ জানুয়ারি সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির জন্য সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী একুশে বইমেলা দুই সপ্তাহ পেছানোর সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।’

          প্রতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি বইমেলা শুরু হয়ে থাকে। তবে গত বছর করোনার প্রকোপের কারণে প্রায় দেড় মাস পর শুরু হওয়া এই মেলা কঠোর বিধিনিষেধের কারণে তেমন জমেনি। এবার যথাসময়ে বইমেলা শুরু হবে বলে জানিয়েছিল বাংলা একাডেমি। তবে গত প্রায় দুই মাস ধরে করোনার প্রকোপ উদ্বেগজনকভাবে বাড়তে থাকায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসে বইমেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত