শিরোনাম
মেরিন ফিশারিজ একাডেমি, চট্টগ্রামের ক্যাডেট ভর্তির চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত
আব্দুল্লাহ আল মাসুদ (এমএফএ প্রতিনিধি): মেরিন ফিশারিজ একাডেমি, চট্টগ্রামের ক্যাডেট ভর্তির চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।
গত ২৯ অক্টোবর ২০২২ তারিখে মেরিন ফিশারিজ একাডেমি, চট্টগ্রামের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ৪৩তম ব্যাচে মেরিন ফিশারিজ বিভাগে ক্যাডেট ভর্তির লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় । লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের দুইটি গ্রুপে বিভক্ত করে যথাক্রমে গ্রুপ-১ এর ৭ নভেম্বর ও গ্রুপ-২ এর ৮ নভেম্বর মৌখিক পরীক্ষা, সাঁতার পরীক্ষা, প্রাথমিক স্বাস্থ্য এবং চক্ষু ও রং দর্শন পরীক্ষা মেরিন ফিশারিজ একাডেমি’র সুইমিংপুল, সিক বে, প্রশাসনিক ভবনে অনুষ্ঠিত হয় ।
১৩ নভেম্বর ২০২২ তারিখে একাডেমির ওয়েবসাইটে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে । প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলে মেধা তালিকায় ৩০ জন ও অপেক্ষমান তালিকায় ৩০ জন মনোনীত হয়েছে ।
মেধা তালিকার মনোনীত প্রার্থী আগামী ১৫ নভেম্বর ২০২২ হতে ১৭ নভেম্বর ২০২২ পর্যন্ত সকাল ৯:০০ ঘটিকা হতে বিকাল ৩:০০ ঘটিকা পর্যন্ত ভর্তি হতে পারবে । উপরোক্ত সময়ের মধ্যে যদি কোন প্রার্থী কোন কারণে ভর্তি হতে ব্যর্থ হয় তবে তার ভর্তির যোগ্যতা সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে।
আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে অপেক্ষমান তালিকা হতে মেধাক্রমানুসারে ২০ নভেম্বর ২০২২ হতে ২৩ নভেম্বর ২০২২ পর্যন্ত ভর্তি করানো হবে ।
ক্যাডেট ভর্তির সকল তথ্য ও নির্দেশনাবলী মেরিন ফিশারিজ একাডেমি’র ওয়েব সাইটে প্রকাশিত হয়েছে । ওয়েবসাইটের লিংক ক্লিক করুনা।

চার বছর ধরে শিক্ষার্থী সেজে ছিলেন: তিনি এখন লাপাত্তা!!
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র না হয়েও আবাসিক হলে থাকতেন তিনি। বিভিন্ন সংগঠনের সভা-সমাবেশে, মিছিল-মিটিং সব জায়গায় ছিলেন সরব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরছে বিভিন্ন শিক্ষকের সঙ্গে তাঁর ছবি। বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত বিভিন্ন ক্রীড়া অনুষ্ঠানে অংশও নিয়েছেন হরহামেশা। এত কিছুর পরে জানা গেল, অন্যের পরিচয়পত্র ব্যবহার করে শিক্ষার্থী সেজে তিনি এসব করে বেড়াতেন।
দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। ওই ভুয়া শিক্ষার্থীর নাম মফিজুর রহমান ওরফে রাফি। মফিজুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মাফিজুর রহমানের পরিচয়পত্র ব্যবহার করতেন। আসল মাফিজুর রহমান ১৯তম ব্যাচের কৃষি অনুষদের সি গ্রুপের শিক্ষার্থী। তাঁদের দুজনের নাম এত কাছাকাছি হওয়ায় বিষয়টি প্রায় চার বছর ধরে বোঝা যায়নি বলে ধারণা করা হচ্ছে। মাফিজুর রহমান ডরমিটরি-২ (জিয়াউর রহমান) আবাসিক হলের শিক্ষার্থী। তবে তাঁর বাড়ি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে হওয়ায় তিনি হলে থাকতেন না। বাড়ি থেকেই ক্যাম্পাসে যাতায়াত করেন। এ সুযোগে তাঁর পরিচয়পত্র দেখিয়ে মফিজুর সেখানে থাকতেন।
শিক্ষার্থীরা বলেন, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক ব্যাডমিন্টন খেলার আয়োজন করে। ১৯তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থী সে খেলায় নিবন্ধন করতে গিয়ে দেখেন মফিজুরও নিবন্ধন করেছেন। কিন্তু তাঁর আইডি নম্বর তাঁর পরিচিত একজনের সঙ্গে মিলে গেছে। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে ওই ছাত্র প্রকৃত শিক্ষার্থী মাফিজুর রহমানকে বিষয়টি জানান। পরে মাফিজুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরের কাছে গত বৃহস্পতিবার লিখিত অভিযোগ দেন।
মুঠোফোনে মাফিজুর রহমান বলেন, ‘বন্ধুর কাছে জানতে পেরে খোঁজ নিয়ে দেখি মফিজুর রহমান রাফি নামের কোনো শিক্ষার্থী নেই। স্যাররাও খোঁজ নিয়ে ওই নামের কাউকে পাননি। পরে প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ করি। আমি জানি না সে আমার আইডি ব্যবহার করে আরও কোনো অপরাধ করেছে কি না?’
ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকে মফিজুর রহমান ওরফে রাফি আত্মগোপন করেছেন। মুঠোফোনটিও বন্ধ রেখেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি অনুষদের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কৃষি অনুষদে এ, বি, সি—তিনটি গ্রুপ আছে। প্রতিটি গ্রুপে শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৩০-১৫০ জন। এ গ্রুপের শিক্ষার্থীরা জানতেন, মফিজুর বি গ্রুপের ছাত্র আবার বি গ্রুপের শিক্ষার্থীরা জানতেন মফিজুর সি গ্রুপের ছাত্র। তবে কেউই তাঁকে ক্লাস করতে দেখেনি। ক্লাস করার কথা বললে মফিজুর বলতেন, ক্লাস করতে তাঁর ভালো লাগে না। তাই ক্লাসে যান না। শুধু পরীক্ষায় অংশ নেন।
কৃষি অনুষদের ডিন রওশন আরা বলেন, ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে প্রক্টরের সঙ্গে কথা হয়েছে। সব শিক্ষকের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া যাবে। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।
মফিজুর রাফি বিশ্ববিদ্যালয়ে ডরমিটরি-২ (জিয়াউর রহমান) আবাসিক হলে থাকতেন। ডরমিটরি-২ আবাসিক হলের হল সুপার আবু সাঈদ বলেন, এ বিষয়ে তাঁরা তদন্ত শুরু করেছেন।
প্রক্টর মামুনুর রশিদ বলেন, প্রকৃত ঘটনা জানতে তাঁরা কাজ করছেন। তাঁরা অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন।
নোবিপ্রবিতে ‘ব্লূ ইকোনমি: দ্যা নিউ ফ্রন্টিয়ার্স’ শীর্ষক সেমিনার
নোবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ওশানোগ্রাফি বিভাগের আয়োজনে ‘Blue Economy: The new frontiers’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১৩ নভেম্বর-২০২২) বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ দিদার-উল-আলম। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিয়ার এডমিরাল (অব.) মো: খুরশেদ আলম, সচিব (মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিট), পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ।
নোবিপ্রবি ওশানোগ্রাফি বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমুস সাকিব খানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও শিক্ষা বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর।
নোবিপ্রবির উপাচার্য ও অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. মোঃ দিদার-উল-আলম এ ধরণের ব্যতিক্রমধর্মী একটি সেমিনার আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
নোবিপ্রবিতে ব্লু ইকোনমির ওপর আয়োজিত এ সেমিনারে বাংলাদেশ সরকারের ঐতিহাসিক সমুদ্র বিজয়ের বিস্তারিত তথ্যাদি অত্যন্ত সাবলীলভাবে উপস্থাপন করেন সমুদ্র বিজয়ের অন্যতম কান্ডারি রিয়ার এডমিরাল (অব.) মো: খুরশেদ আলম। সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন, নোবিপ্রবির বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ, ওশানোগ্রাফি, ফিশারিজ এন্ড মেরিন সায়েন্স, পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত শিক্ষার্থীবৃন্দ।
ডিআইইউ'তে নাটক “এ মিডসামার নাইট'স ড্রিম” মঞ্চস্থ
ডিআইইউ প্রতিনিধিঃ ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) এর ইংরেজি বিভাগের প্রযোজনায় নাটক "এ মিডসামার নাইট'স ড্রিম" মঞ্চস্থ হয়েছে। আজ (রবিবার) বিকেল ৫.৩০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে নাটকটি মঞ্চায়ন হয়।
বিভাগের সকল শিক্ষার্থীদের সহোযোগিতায় নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন বিভাগের স্নাতকোত্তর ২য় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী মাসউদ আহমেদ। নাটকটির সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মিলি রহমান এবং প্রভাষক নাহিদ খান সৈকত।
শেক্সপিয়ার রচিত অন্যতম জনপ্রিয় ও সারা বিশ্বের অভিনীত কমেডি নাটক "এ মিডসামার নাইট'স ড্রিম"। এথেন্সের ডিউক থিসিয়াস ও আমাজনের রানী হিপোলিটার বিবাহের পারিপার্শ্বিক ঘটনা অবলম্বনে এই নাটক রচিত। নাটকে দুই প্রণয়ী যুগল ও একদল শখের অভিনেতার অ্যাডভেঞ্চার প্রদর্শিত হয়েছে।
নাটকটিতে অভিনয় করেছেন- জামিল, রিমা, সায়মন, জাহিদ,আয়াত, পুন্য, রোহান, নবাব, সাকিব, ন্যান্সি, রিয়া, ওয়াহিদ, আবির, রাহাত, শাওন, স্বজন, রাসেল, নূরনবী, মুক্তা, শোভা, মিথিলা, আয়েশা, নির্জনা, শুখতারা প্রমুখ।
নাটকটিতে দেখা যায়, হার্মিয়া নামের এক যুবতীকে তার পিতা দিমেত্রিয়াস নামের এক যুবকের সাথে বিয়ে দিতে চায়। কিন্তু হার্মিয়া ভালোবাসে লাইসান্ডারকে। লাইসান্ডার ও হার্মিয়া সিদ্ধান্ত নেয় দূরে কোথাও পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করবে তারা। কিন্তু সে ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়। অন্যদিকে পরী রাজ্যের রাজা ওবেরন ও রানী টিটানিয়া একটি ভারতীয় বালককে কেন্দ্র করে ঝগড়ায় মত্ত হয়। ওবেরন রানী টিটিয়ার কথায় ক্ষুদ্ধ হয় এবং রানীকে উপযুক্ত জবাব দেওয়ার পরিকল্পনা করে। ওবেরন তার অনুচর পাককে একটি শ্বেতশুভ্র ফুল এনে দিতে বলে যে ফুলের নির্যাস ঘুমন্ত কারো চোখে এক ফোঁটা ঢেলে দিলেই ঘুম হতে জেগে ওঠে সে যাকে দেখবে তারই প্রেমে পরে যাবে। শ্রমিকদল জঙ্গলে নাটকের মহড়া দিতে এসেছে। পাক ইতিপূর্বে জাবদুলে বটমের মাথাকে গাধার মাথাতে পরিনত করে দেয়। টিটানিয়া গাধারুপী বটমকে দেখেই ভালোবেসে ফেলে। এদিকে লাইসেন্ডার ঘুম হতে জেগে হার্মিয়াকে ভূলে হেলেনাকে প্রেম নিবেদন করে। পরী রাজা ওবেরনের নির্দেশে পাক সবার দৃষ্টি হতে মোহজাল সরিয়ে দেয়।
অবশেষে মোহভঙ্গ ঘটে সবার। রাজা থিসিয়াস ও রানী হিপোলিটার বিবাহ অনুষ্ঠানে যোগ দেয় এবং একসাথে শ্রমিক দলের নাটক উপভোগ করে। এমন ত্রিমুখী প্রেমের সংঘর্ষে সৃষ্টি হয় দারুণ এক হাস্যরসাত্মক পরিস্থিতি যা "এ মিডসামার নাইট'স ড্রিম" নাটকের মূল দিক।
নাটকটির মঞ্চপরিকল্পনা করেছেন বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল কাইয়ুম। আলোক প্রক্ষেপণে রয়েছেন রেজওয়ানা করিম সারা এবং মিউজিকে নাহিদ সৈকত এবং রেশমি। পোষাক পরিকল্পনা ও অঙ্গরচনা তত্ত্বাবধায়ন করেছেন ফারিয়া শর্মিষ্ঠা ও রাফি। নাচের কোরিওগ্রাফি তত্ত্বাবধায়নে ছিলেন রিমি রফিক, মুদ্রণ ও প্রকাশনায় সজীব হাসান, রিফাত। সাজসরঞ্জম রিয়াজ, কাশেম। শব্দ সংযোজনায় শাকিল আহমেদ ও মাসউদ। হল ব্যাবস্থাপনায় নাহিদ, তুলি, মাফিন, ইলমা ও হ্যাপি। সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছেন বিভাগের চেয়ারম্যান জুবায়ের আল আহমেদ ও শিক্ষকবৃন্দ। এছাড়াও বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা নেপথ্যে রয়েছেন।
নাটক প্রসঙ্গে নির্দেশক মাসউদ আহমেদ বলেন, ইংরেজি বিভাগের প্রথম পূর্নাঙ্গ প্রযোজনায় উইলিয়াম শেক্সপিয়ার রচিত "এ মিডসামার নাইট'স ড্রিম" এই নাটক নির্মানের ক্ষেত্রে ক্লাসিকের গুরুত্ব অক্ষুণ্ণ রেখে সমসাময়িক বিষয়কে যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। "কমেডি" খুব সহজভাবে হাস্যরসের মধ্য দিয়ে জীবনের অসঙ্গতিগুলোকে সমাজের সামনে প্রকাশ করে। নাটকের কল্পকাহিনির মূল বিষয় হলো হাস্যরস এবং প্রেম। প্রেম যেন একটি শৃঙ্খলাবিহীন হাস্যকর বিষয়। প্রেমে পরা মানুষ অতি সহজেই জীবনের ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে পরিনত হয়। তিনি আরো বলেন, এই নাটকের প্রতিটি চরিত্রই যেন স্বপ্নের ঘোরের মাঝে বসবাস করে। এ যেন জগৎ নয়, দর্শন করা কোনো পরী রাজ্যের বিচরণ। বটমের ভাষায়- 'Love and reason can't live together' অর্থ্যাৎ প্রেম আর যুক্তির সহাবস্থানের ক্ষেত্রে যে প্রশ্ন উত্থাপিত হয় এই নাটকে তার উত্তর খোজার চেষ্টা করেছে কলাকুশলীবৃন্দ। এই সংকটময় জটিল জীবনে প্রেমের জটিলতা যে হাস্যরস তৈরী করে তা দর্শক মনকে প্রফুল্ল করেছে এই আশাবাদ ব্যাক্ত করছি।
সাত কলেজের প্রথম বর্ষের ফরম পূরণের সময় শেষ হচ্ছে আগামীকাল
ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়ের ( ঢাবি) অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের ২০২১ সনের প্রথম বর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির নিয়মিত, অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষার ফরম পূরণ শেষ হবে আগামীকাল অর্থাৎ সোমবার (১৪ নভেম্বর) রাত ১১ টা ৫৯ মিনিট।
এর আগে সোমবার (১০ নভেম্বর) অধিভুক্ত সাত কলেজের ফরম পূরণ শেষ হবার কথা ছিলো। কিন্তু শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত সাত কলেজের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো.বাহালুল হক চৌধুরির স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তি সাত কলেজের ওয়েবসাইট প্রকাশ করা হয়।।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়ের ( ঢাবি) অধিভুক্ত রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের প্রথম বর্ষের নিয়মিত, অনিয়মিত, ও মানোন্নয়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ করা যাবে আগামী ১৪ নভেম্বর সোমবার ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।
শিক্ষার্থীরা উক্ত তারিখের মধ্যে অনলাইনে সাত কলেজের ওয়েবসাইট ক্লিক করে ফরম পূরণ অপশনে গিয়ে নিজের ডাটা এন্ট্রি পূরণ করে। একটি নিজের প্রফাইল তৈরি করতে হবে এবং প্রিন্ট করে নিতে হবে। স্ব স্ব কলেজের ওয়েবসাইট গিয়ে টাকা পেমেন্ট করে নিশ্চিত করতে ফরম পুরণ। এবং পেমেন্ট স্লিপ প্রিন্ট করে তা কলেজে জমা দিতে হবে। ফরম পূরণ না করলে অনার্স প্রথম বর্ষ পরীক্ষা দেয়া যাবে না।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য