ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ড. ইউনূস ও পোপ ফ্রান্সিসের নামে ‘থ্রি জিরো ক্লাব’ চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬ নভেম্বর, ২০২৪ ১৯:৮
নিজস্ব প্রতিবেদক
ড. ইউনূস ও পোপ ফ্রান্সিসের নামে ‘থ্রি জিরো ক্লাব’ চালু

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘থ্রি জিরো’ নিয়ে ‘পোপ ফ্রান্সিস থ্রি জিরোস ক্লাব’ নামে একটি প্ল্যাটফর্ম শুরু করেছে ভ্যাটিকান সিটি। মানবতার জন্য একটি রূপান্তরমূলক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যতের সূচনার জন্য এ উদ্যোগটি চালু করা হয়েছে।

শনিবার (১৬ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এই কথা জানানো হয়।

রোমের ভিকার জেনারেলের (পোপের পরে সর্বোচ্চ প্রশাসনিক কর্মকর্তা) কার্ডিনাল বাল্ডো রেইনা’র কাছে এক চিঠিতে অধ্যাপক ইউনুস বলেছেন, তিনি এই উদ্যেগে ‘গভীরভাবে সম্মানিত’ হয়েছেন।

নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ড. ইউনূস শনিবার বলেছেন, ‘এই অসাধারণ উদ্যোগটি মহামান্য পোপ ফ্রান্সিসের অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এবং একটি রূপান্তরমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যতের জন্য আমার নিজের আকাঙ্ক্ষা মূর্ত করে।’

তিনি লিখেছেন, ‘এই উদ্যোগটি কেবল শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব, ও শূন্য নেট কার্বন নিঃসরণ লক্ষ্য অর্জনের একমাত্র উদ্দেশ্য নয় বরং সহমর্মিতা, ন্যায়পরায়ণতা ও স্থায়িত্বের ভিত্তিতে একটি নতুন সভ্যতার উত্থানকে উৎসাহিত করার আকাঙ্ক্ষাও লালন করে।’

তিনি বলেন, ‘একটি সভ্যতা যেখানে কাউকে পিছিয়ে রাখা হবে না, বরং যেখানে প্রতিটি ব্যক্তি তার ভাগ্যের নায়কও হতে পারবে, একই মানব পরিবারের অন্তর্ভুক্ত হতে পেরে গর্বিত বোধ করবে, যেমনটি মহামান্য পোপ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জোর দিয়েছেন।’

‘তার এনসাইক্লিক্যাল ‘ফ্রাতেল্লি তুত্তি’তে পোপ লিখেছেন, ‘আসুন, আমরা স্বপ্ন দেখি, তাহলে, একটি একক মানব পরিবার হিসাবে, একই রক্ত-মাংসের মানুষ ও পরিব্রাজক হিসেবে, আমাদের সকলের অভিন্ন আবাস একই ধরিত্রীর অপত্য হিসেবে, প্রত্যেকেই যার যার প্রতীতি ও প্রত্যয়ের উৎকর্ষ নিয়ে আমরা প্রত্যেক ভ্রাত্রা ও ভগ্নি সকলেই নিজ নিজ কণ্ঠস্বর উচ্চকিত করতে পারব।’

অধ্যাপক ইউনুস বলেন, ‘সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতি পোপ ফ্রান্সিসের অবিচল অঙ্গীকার এবং সামাজিক ব্যবসার শক্তিতে আমার বিশ্বাসের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে ত্রি-জিরো ক্লাব তরুণ মনকে এমন সব প্রকল্প কল্পনা করতে এবং বাস্তবায়ন করতে উৎসাহিত করে যা অর্থবহ পরিবর্তন আনবে।’

তিনি বলেন, ‘এই তরুণ নেতাদের সৃজনশীলতা ও উদ্যমী মনোভাব সযত্নে বিকশিত করে তাদের অধিকতর ন্যায়পরায়ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণের স্থপতি হওয়ার জন্য আমরা ক্ষমতায়ন করছি।’

পোপ ফ্রান্সিসের প্রতি তার ‘গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা’ জ্ঞাপন করে অধ্যাপক ইউনূস ‘সকলকে একযোগে এই রূপান্তরকামী অভিযাত্রা শুরু করার আহ্বান জানিয়ে আগামী প্রজন্মকে এমন একটি সভ্যতা গড়ে তুলতে অনুপ্রাণিত করেন যা প্রতিটি ব্যক্তির মর্যাদা সমুন্নত করবে এবং এবং আমাদের গ্রহের পবিত্রতা অক্ষুণ্ন রাখবে।’

সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী সারা বিশ্বে বর্তমানে নতুন সভ্যতার জন্য অধ্যাপক ইউনূসের দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা অনুপ্রাণিত কমপক্ষে ৪,৬০০টি থ্রি-জিরো ক্লাব রয়েছে। এর অধিকাংশই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ময়মনসিংহে বানরের খাদ্য সংকট মেটাতে ফলজ গাছ রোপণ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৬ নভেম্বর, ২০২৪ ১৯:২
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ময়মনসিংহে বানরের খাদ্য সংকট মেটাতে ফলজ গাছ রোপণ

    বাকৃবি প্রতিনিধি: ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়ার সন্তোষপুর এলাকায় খাদ্য সংকটে থাকা বানরদের জন্য প্রায় ৪ শতাধিক বিভিন্ন ফলজ গাছ রোপণ করেছে পরিবেশবাদী সংগঠন মিশন গ্রিন বাংলাদেশ।

    শনিবার (১৬ নভেম্বর, ২০২৪) তারা এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন করেন। এই উদ্যোগে আর্থিক সহযোগিতা করেছে জার্মান প্রবাসী সংগঠন আশা এবং সৈয়দ শাকিল ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট।

    জানা গেছে, ফুলবাড়িয়ার সন্তোষপুর বনবিট ও রাবার প্রকল্প এলাকায় বর্তমানে প্রায় ৫০০ বানর বসবাস করছে। তবে বনাঞ্চল উজাড় এবং স্থানীয় ফলজ গাছের অভাবের কারণে এসব বানরের খাবারের প্রধান উৎস হয়ে উঠেছে পর্যটকদের দেওয়া খাবার। সন্তোষপুর বিট অফিসের আশপাশে বানরের খাবার বিক্রি করতে তিনটি ভ্রাম্যমাণ দোকান থাকলেও তা প্রয়োজন মেটাতে পারছে না।

    পরিবেশবাদী সংগঠন মিশন গ্রিন বাংলাদেশ ও সহযোগী সংস্থাগুলো স্থানীয় পরিবেশ ও প্রাণিকুল রক্ষায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। মিশন গ্রিন বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক আহসান রনি বলেন, 'এই অঞ্চলের প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য আমরা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছি। ফলজ গাছগুলো শুধু বানরের খাদ্য সরবরাহ করবে না, পাশাপাশি বনাঞ্চলের প্রাকৃতিক ভারসাম্যও ফিরিয়ে আনবে।'

    এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছেন জার্মান প্রবাসী সৈয়দ শাকিল, যিনি ফেসবুকে একটি ভিডিও দেখে সন্তোষপুরের বানরদের খাদ্য সংকট সম্পর্কে জানতে পারেন। তিনি বলেন, 'ভিডিওতে বানরগুলোর করুণ অবস্থা দেখে আমি খুব মর্মাহত হই। বনাঞ্চলটি প্রায় ফলহীন, তাই তারা খাবারের জন্য পর্যটকদের দিকে তাকিয়ে থাকে। বিষয়টি জানার পর আমি মিশন গ্রিন বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ করি এবং ফলজ গাছ রোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করি।'

    মিশন গ্রিন বাংলাদেশের প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ আবুল বাশার মিরাজ বলেন, 'আমরা পেয়ারা, আম, জাম, আমড়াসহ অন্যান্য স্থানীয় ফলজ গাছ রোপণ করেছি, যা দ্রুত ফল দিতে সক্ষম। এগুলো বানরের খাদ্য চাহিদা পূরণ করবে এবং বনাঞ্চলের পরিবেশ উন্নত করবে। পরিবেশ ও প্রাণিকুল রক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ দেশের টেকসই উন্নয়ন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    ময়মনসিংহ রসুলপুর রেঞ্জের সন্তোষপুর বিট কর্মকর্তা মো. এমদাদুল হক বলেন, 'বানরদের জন্য পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থা না থাকায় তাদের স্বাস্থ্য ও বংশবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মিশন গ্রিন বাংলাদেশের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। গাছগুলো বেড়ে উঠলে বানরের খাদ্য সংকট অনেকটাই দূর হবে বলে আমরা আশা করছি।'

    এদিকে উদ্যোগের আওতায় রোপণকৃত গাছগুলোর পরিচর্যা নিশ্চিত করতে স্থানীয় সংগঠন রক্তদানে ফুলবাড়িয়, ক্লিন আপ বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয়রা প্রকৃতির প্রতি আরও যত্নশীল হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এই উদ্যোগ একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মিশন গ্রিন বাংলাদেশের সদস্যরা জানান, ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      যবিপ্রবির এপিপিটি বিভাগে এক মাস বন্ধ ক্লাস পরীক্ষা, সেশনজটের আশঙ্কা

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৬ নভেম্বর, ২০২৪ ১৮:৫৮
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      যবিপ্রবির এপিপিটি বিভাগে এক মাস বন্ধ ক্লাস পরীক্ষা, সেশনজটের আশঙ্কা

      যবিপ্রবি প্রতিনিধি: বিভাগ ও ডিগ্রির নাম পরিবর্তনের দাবিতে প্রায় এক মাস ধরে বন্ধ রয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) এগ্রো প্রোডাক্ট প্রসেসিং টেকনোলজি (এপিপিটি) বিভাগের ক্লাস-পরীক্ষা। দীর্ঘ দিন ধরে শিক্ষার্থীরা দাবি জানিয়ে আসলেও কার্যকর কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় গত ২১শে অক্টোবর থেকে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করে শিক্ষার্থীরা। এরপরও পরিবর্তনের বিষয়ে বিভাগটির শিক্ষকদের গড়িমসির কারণে বিভাগটিতে সেশনজটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

      শনিবার (১৬ নভেম্বর) দুপুর দেড়টায় যবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে (টিএসসি) সংবাদ সম্মেলন করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিভাগ ও ডিগ্রির নাম পরিবর্তন না করলে কঠোর কর্মসূচির হুশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

      এছাড়া বিভাগ ও ডিগ্রি পরিবর্তনের যৌক্তিক কারণ উল্লেখ করে যবিপ্রবি উপাচার্য, সকল অনুষদের ডীন ও সকল বিভাগের চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে এপিপিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। সংবাদ সম্মেলনে তারা ডীন, চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে বিভাগের নাম ও ডিগ্রি পরিবর্তনে সহযোগিতা চেয়েছেন।

      সংবাদ সম্মেলনে এপিপিটি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী জুবায়ের হোসাইন বলেন, "শুরু থেকেই আমাদের বিভাগের নাম এবং ডিগ্রি ছিল এগ্রো প্রোডাক্ট প্রসেসিং টেকনোলজি। কিন্তু যথেষ্ট কর্মক্ষেত্র না থাকায় শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে তখন ডিগ্রির নাম পরিবর্তন করে 'এগ্রো প্রসেস অ্যান্ড ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং' করা হয়। যদিও আমাদের সিলেবাস পুরোপুরি ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে সাজানো হয়েছে, তবুও বিভাগের নাম ও ডিগ্রির অসামঞ্জস্যতার কারণে আমাদের প্রাক্তন গ্রাজুয়েট শিক্ষার্থীরা সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন ও হচ্ছেন। ইতিপূর্বে আমরা আমাদের সমস্যার কথা বিভাগে জানালে বিভাগ থেকে শুধু আশ্বাস দিচ্ছিল। গত দুই মাস পূর্ব থেকে বিভাগের নাম ও ডিগ্রি পরিবর্তনের যৌক্তিকতার সকল ডকুমেন্টস সহ আবেদন করলেও বাস্তবিক অর্থে কাজের কোনো অগ্রগতি আমরা দেখতে পাইনি। আমাদের যৌক্তিক দাবি আদায়ে প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি, মানববন্ধন, ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনে সহ ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করছি। কিন্তু প্রশাসন শুধু আমাদের আশ্বাসই দিচ্ছে কোনো প্রক্রিয়া দেখতে পাচ্ছি না। দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমাদের দাবি পূরণ না করলে আমরা কঠোর থেকে কঠোরতর কর্মসূচির দিকে যাবো।

      এপিপিটি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমরা সমাধানের কোনো অগ্রগতি দেখতে পাইনি। বিভাগের শিক্ষকগণ ও ডিন মহোদয় একাডেমিক কাউন্সিলের জন্য অপেক্ষা করতে বলেছে। আমরা সে পর্যন্ত অপেক্ষা করব। তবে কোনো সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোনো ক্লাস-পরীক্ষা ও ল্যাবে অংশগ্রহণ করব না। আমরা প্রত্যাশা করি একাডেমিক কাউন্সিলে আমাদের বিষয়টি উত্থাপিত হবে এবং সময়ের প্রয়োজনে সকল শিক্ষকগণ আমাদের সমর্থন দেবেন। এরপরেও বিষয়টি সমাধান না হলে আমরা আরও কঠোর থেকে কঠোরতম আন্দোলন করতে বাধ্য হবো।

      এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শিরিন নিগার বলেন, আমরা একটি এক্সপার্ট কমিটি গঠন করেছি। বিভাগের নাম পরিবর্তন তো আমরা করতে পারি না। ইউজিসি তে আমরা আবেদন করবো, আশা করি খুব শীঘ্রই শিক্ষার্থীরা সুখবর পাবে। আমি শিক্ষার্থীদের বলেছি তারা যেনো ক্লাসে ফিরে যায়। আমরা আমাদের সাধ্য মতো চেষ্টা করছি।

      যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ বলেন, “প্রক্রিয়া চলমান। একাডেমিক কাউন্সিল শেষে আমরা এটি ইউজিসিতে পাঠাব। সেখানে থেকে অনুমোদন পেলেই সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে। আমি শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও বিষয়টির সমাধান চায়, তবে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় তো লাগবেই।”

      উল্লেখ্য, গত মাসের ২১ অক্টোবর মাইকেল মধুসূদন দত্ত কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার কাম একাডেমিক ভবনের সামনে মানববন্ধন থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ‘ব্রেকিং ছাড়ার প্রতিযোগিতায় অনেক গণমাধ্যম অপতথ্য ছড়ায়’

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৬ নভেম্বর, ২০২৪ ১৮:৫১
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ‘ব্রেকিং ছাড়ার প্রতিযোগিতায় অনেক গণমাধ্যম অপতথ্য ছড়ায়’

        ডেস্ক রিপোর্ট: আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, দ্রুত ব্রেকিং ছাড়ার প্রতিযোগিতায় অনেক সময় গণমাধ্যমগুলো অপতথ্য ছড়ায়।

        শনিবার (১৬ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

        আসিফ নজরুল বলেন, গণমাধ্যমগুলো সেনসেশন খোঁজে। দ্রুত ব্রেকিং ছাড়ার প্রতিযোগিতায় তথ্য যাচাই করা হয় না সঠিকভাবে। ফলে অনেকসময় অপতথ্য ছড়ায়।

        সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমের যুগে সবাই সাংবাদিক হয়ে উঠছে, মতমোড়ল হয়ে উঠছে বলেও মন্তব্য করেন আইন উপদেষ্টা।

        এ সময় উদ্বোধনী বক্তব্য দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ভিডিও বার্তা দেন মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ ও বলিভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট হোর্গে কিরোগা।

        সিজিএসের নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন সংস্থার চেয়ারপারসন মনিরা খান।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          এটা বৈষম্য নয়, আপনারা অঞ্চল দিয়ে দেখা বন্ধ করুন: সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৬ নভেম্বর, ২০২৪ ১৮:৩২
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          এটা বৈষম্য নয়, আপনারা অঞ্চল দিয়ে দেখা বন্ধ করুন: সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা

          ডেস্ক রিপোর্ট: অন্তর্বর্তী সরকারের সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ বলেছেন, তারা (সরকার) আঞ্চলিকতায় বিশ্বাস করে না। দেশের প্রয়োজনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস যাঁকে প্রয়োজন মনে করেছেন, তাঁকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ নিয়েছেন।

          আজ শনিবার দুপুরে রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেক বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শারমিন মুরশিদ এসব কথা বলেন। এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতারও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

          উপদেষ্টা শারমিন মুর্শিদ বলেন, আপনারা আঞ্চলিকভাবে চিন্তা করবেন না। এটা যদি করেন, তাহলে আপনারা নিজেদের ছোট করে ফেলবেন। দেশের প্রেক্ষাপটে প্রধান উপদেষ্টা যাদের মনে করেছেন উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত করা দরকার, তাদের যুক্ত করা হয়েছে। কাউকে ছোট বা বড় করে নয়। তিনি বলেন, আমাদের সমালোচনা করুন। আমরা সেগুলো শুধরিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।

          চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে অনেক উপদেষ্টা নিয়োগ হয়েছে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এটা কোনো বৈষম্য নয়। এভাবে দেখা বন্ধ করুন। এই এলাকায় যতখানি মেধা, শ্রম ও অর্থ দেব, তা অন্য এলাকাতেও দেব।

          জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, জুলাই শহীদ ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ প্রমুখ।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত