ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ অক্টোবর, ২০২২ ১৬:৩৪
নিজস্ব প্রতিবেদক
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে অনুষ্ঠিত GST ভর্তি পরীক্ষায় ন্যূনতম ৩০ নম্বর প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের যোগ্যতা: কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, এপ্লায়েড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, এপ্লায়েড ম্যাথমেটিক্স ও পরিসংখ্যান বিষয়ে আবেদনের ক্ষেত্রে অবশ্যই এইচএসসি গণিত বিষয় থাকতে হবে। বি ও সি ইউনিট থেকে পরিসংখ্যানে আবেদনের ক্ষেত্রে উচ্চমাধ্যমিকে পরিসংখ্যায়ন অথবা গণিত থাকতে হবে।

ফার্মেসি, মাইক্রোবায়োলজি, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে উচ্চমাধ্যমিকে জীববিজ্ঞান থাকতে হবে। তবে ফার্মেসি বিষয়ে ভর্তির জন্য উচ্চমাধ্যমিকে গণিত এবং জীববিজ্ঞান উভয়ই থাকতে হবে।

ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স, ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশন সায়েন্স, এনভায়রনমেন্ট সায়েন্স অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট, এগ্রিকালচার ওশানোগ্রাফি, জুয়োলজি বিভাগে ভর্তির জন্য উচ্চমাধ্যমিকে অবশ্যই জীববিজ্ঞান থাকতে হবে। তবে ওশানোগ্রাফিতে ভর্তির জন্য উচ্চমাধ্যমিকে গণিত ও জীববিজ্ঞান উভয়ই থাকতে হবে।

মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক কোনো ভিন্ন কোনো শর্ত আরোপক করা হয়নি। জিএসটিতে ৩০ নম্বর প্রাপ্ত সবাই এই দুই ইউনিটে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন ফি প্রতি ইউনিটের জন্য ৫০০.০০ (সকল চার্জ ব্যতীত) টাকা আবেদন ফি প্রদান করতে হবে। আবেদন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে (www.admission.nstu.edu.bd) জানা যাবে।

কোটায় আবেদনের শর্তাবলী কোটায় আবেদনের ক্ষেত্রে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারীর পোষ্য কোটা (কেবল ছেলে/মেয়ে/স্ত্রী/স্বামী), মুক্তিযোদ্ধা (সান/নাতি/নাতনি), ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, হরিজন ও দলিত সম্প্রদায়, প্রতিবন্ধী (দৃষ্টি, বাক ও শ্রবণ) এবং খেলোয়াড় (শুধু বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদেরকে সংশ্লিষ্ট ইউনিটে আবেদন করার সময় কোটা উল্লেখ করতে হবে এবং ভর্তির সময় যথাযথ প্রত্যয়নপত্র বা সনদপত্র প্রদর্শন করতে হবে।

মেধাতালিকা তৈরি করা হবে ২০০ নম্বরের ভিত্তিতে। SSC/সমমানের পরীক্ষায় (চতুর্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত GPA-এর ৮ গুনণ, HSC/সমমানের পরীক্ষায় (চতুর্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত GPA এর ১২ গুণ এবং GST ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর।

ভর্তি সংক্রান্ত নিয়মনীতির যেকোন ধারা ও উপধারা পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন, সংযোজন এবং পুনঃসংযোজনের অধিকার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে। ভর্তি সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.admission.nstu.edu.bd এবং জাতীয় দৈনিক পত্রিকার মাধ্যমে জানানো হবে। বিশেষ প্রয়োজনে ভর্তি সংক্রাপ্ত তথ্যের জন্য ই-মেইল admission@nstu.edu.bd-এ যোগাযোগ করা যাবে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    এইচএসসির প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু ২২ অক্টোবর

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৪ অক্টোবর, ২০২২ ১৫:২৫
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    এইচএসসির প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু ২২ অক্টোবর

    আগামী ২২ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু হবে। ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন কলেজগুলো প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।

    বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আবুল বাশার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ২২ অক্টোবর ঢাকা মহানগর ও ঢাকা জেলা, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ এবং মানিকগঞ্জ জেলার প্রবেশপত্র বিতরণ করা হবে। আর ২৩ অক্টোবর নরসিংদী, টাংগাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, ও কিশোরগঞ্জ জেলার প্রবেশপত্র বিতরণ করা হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘‘২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র আগামী ২২ ও ২৩ অক্টোবর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শাখা হতে বিতরণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিজে অথবা তাঁর প্রাধিকার প্রাপ্ত কোন শিক্ষককে (স্বাক্ষর সত্যায়িতসহ) কেন্দ্রের আওতাধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রবেশপত্র অফিস সময়ে গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

    কোন অবস্থাতেই শিক্ষক ব্যতীত অন্য কাউকে প্রবেশপত্র নেয়ার জন্য ক্ষমতা প্রদান করা যাবে না। কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হলে, আবেদন পত্রে গভর্নিং বডির সভাপতি জেলা প্রশাসক/উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিস্বাক্ষর থাকতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানগণকে প্রবেশপত্র যাচাইপূর্বক কোন প্রকার ত্রুটি/কম/বেশি হলে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে উপ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (উচ্চমাধ্যমিক) এর নিকট নিম্নের ছক অনুযায়ী আবেদন পত্র জমা দিয়ে সংশোধন করে নিতে হবে। অন্যথায় পরীক্ষায় কোন প্রকার জটিলতার সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানগণই দায়ী থাকবেন।’’

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      পিওন থেকে প্রফেসর! চা-জল-খাতা দেওয়ার ফাঁকেই গবেষণা সম্পূর্ণ, নেট পরীক্ষায় সাফল্যও

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৪ অক্টোবর, ২০২২ ১২:৩৬
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      পিওন থেকে প্রফেসর! চা-জল-খাতা দেওয়ার ফাঁকেই গবেষণা সম্পূর্ণ, নেট পরীক্ষায় সাফল্যও

      ২০ বছর ধরে পিওনের চাকরি করেছেন কমল কিশোর মণ্ডল। রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে স্নাতক হওয়া সত্ত্বেও পরিস্থিতির প্রয়োজনে এক বিশ্ববিদ্যালয়ের পিওনের চাকরি নিতে হয়েছিল তাঁকে।

      নয়ে না হলে নাকি নব্বইয়েও হয় না— প্রচলিত এই লব্জকে ভুল প্রমাণ করে ছাড়লেন ৪২ বছরের কমলকিশোর মণ্ডল। বিহারের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রতি অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসাবে কাজে যোগ দিয়েছেন তিনি। অথচ এই তিনিই কিছু দিন আগে পর্যন্ত এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই টেবলে টেবলে চা-জল পৌঁছে দেওয়ার কাজ করেছেন!

      ২২ বছর বয়স থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পিওনের চাকরি করছেন কমলকিশোর। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক পাশ করেও কেরিয়ার শুরু করেছিলেন নাইট গার্ডের চাকরি দিয়েই। আপাতত তিনি এমএ, পিএইচডি। গত চার বছরে গবেষণা শেষ করে, নেট পরীক্ষায় সফল হয়ে অবশেষে পুরনো কর্মক্ষেত্রে তিনি ফিরে এসেছেন অধ্য়াপক হয়ে। জীবন যতই পরীক্ষা নিক, পরিশ্রম যে বিফলে যায় না তা-ই প্রমাণ করে দিয়েছেন কমলকিশোর।

      পিওন থেকে প্রফেসর! চা-জল-খাতা দেওয়ার ফাঁকেই গবেষণা সম্পূর্ণ, নেট পরীক্ষায় সাফল্যও ২০ বছর ধরে পিওনের চাকরি করেছেন কমল কিশোর মণ্ডল। রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে স্নাতক হওয়া সত্ত্বেও পরিস্থিতির প্রয়োজনে এক বিশ্ববিদ্যালয়ের পিওনের চাকরি নিতে হয়েছিল তাঁকে।

      নয়ে না হলে নাকি নব্বইয়েও হয় না— প্রচলিত এই লব্জকে ভুল প্রমাণ করে ছাড়লেন ৪২ বছরের কমলকিশোর মণ্ডল। বিহারের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রতি অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসাবে কাজে যোগ দিয়েছেন তিনি। অথচ এই তিনিই কিছু দিন আগে পর্যন্ত এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই টেবলে টেবলে চা-জল পৌঁছে দেওয়ার কাজ করেছেন!

      ২২ বছর বয়স থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পিওনের চাকরি করছেন কমলকিশোর। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক পাশ করেও কেরিয়ার শুরু করেছিলেন নাইট গার্ডের চাকরি দিয়েই। আপাতত তিনি এমএ, পিএইচডি। গত চার বছরে গবেষণা শেষ করে, নেট পরীক্ষায় সফল হয়ে অবশেষে পুরনো কর্মক্ষেত্রে তিনি ফিরে এসেছেন অধ্য়াপক হয়ে। জীবন যতই পরীক্ষা নিক, পরিশ্রম যে বিফলে যায় না তা-ই প্রমাণ করে দিয়েছেন কমলকিশোর।

      Advertisement

      পারিারিক অনটনের জেরেই স্নাতক পড়াশোনা ছেড়ে কাজে ঢুকতে হয়েছিল। বাবার চায়ের দোকান। সেটি এখনও চালান তিনি। কিন্তু সেই সময়ে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়ায় সংসারের হাল ধরতে হয় কমলকিশোরকে।দোকান সামলে নাইট গার্ডের কাজ করতেন। এরপরই তিলকা মাঝি ভাগলপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পিওনের চাকরির প্রস্তাব আসে। চাকরিটা নিয়েও নেন কমল।

      প্রফেসরদের টেবলে চা-জল-খাতা-বই পৌঁছে দেওয়ার কাজ ছিল। কিন্তু ক্লাসরুমে ঢোকা-বেরোনোর ফাঁকে ছাত্র-ছাত্রীদের দেখে তাঁরও ইচ্ছা হতে পড়াশোনা করার। শেষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে এমএ পড়া শুরুও করে দেন। এমএ শেষ হলে পিএইচডি। তার জন্য অবশ্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে রাজি করাতে বেশ সময় লেগেছিল তাঁর। কিন্তু কমলকিশোরের ইচ্ছেই জিতে গিয়েছিল শেষ পর্যন্ত।

      ২০১৩ সালে পিএইচডির পড়াশোনা শুরু করেন। চার বছর লাগে গবেষণা সম্পূর্ণ করতে। তার পর থেকেই নেটের প্রস্তুতি শুরু করে দেন কমল। তখনও পিওনের চাকরি করছেন তিনি। কিন্তু লেকচারারের চাকরির জন্যও আবেদন করতে থাকেন।

      নেট পাশ করার পর ২০২০ সালে আচমকাই একটা সুযোগ আসে। বিহার স্টেট ইউনিভার্সিটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানায় তারা তিলকা মাঝি ভাগলপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য চারটি শূন্য পদে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর নিয়োগ করবে। পুরনো কর্মক্ষেত্র যেখানে পিওন হিসেবে কাজ করেছেন, সেখানে অধ্যাপক হয়ে ফেরা যাবে! মনে হতেই চাকরির আবেদন করেন তিনি। সম্প্রতি ফল বেরোয়। কমলকিশোর জানতে পারেন তিনি যে বিভাগে পিওনের চাকরি করতেন সেখানেই অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসেবে যোগ দিতে চলেছেন। বৃত্ত সম্পূর্ণ হয়।

      সম্প্রতি এক সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কমলকিশোর বলেন, ‘‘কষ্ট করতে হয়নি তা নয়। কিন্তু আমি আমার দারিদ্রকে আমার বিদ্যার্জনের পথে বাধা হয়ে আসতে দিইনি। সকালে ক্লাস করে দুপুরে কাজ করতাম। রাতে বাড়ি ফিরেও চলত পড়াশোনা।’’

      কমল কিশোরকে নিয়ে গর্বিত প্রফেসাররাও। অনেকেই যাঁরা কমলের দুঃসময়ে তাঁকে দেখেছেন, তাঁরা বলছেন, ‘‘ওঁর কাহিনি অনেককে অনুপ্রেরণা দেবে। আশাহতরা নতুন করে বাঁচতে শিখবে ওঁকে দেখলে। ওঁর কথা জানলে।’’

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        বিইউপিতে মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৪ অক্টোবর, ২০২২ ১০:৩৬
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        বিইউপিতে মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

        রাজধানীর মিরপুর ক্যান্টনমেন্টে অবস্থিত বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালে (বিইউপি) জানুযারি-এপ্রিল (১৭তম ব্যাচ) ২০২৩ এ আইন বিভাগে ‘মাস্টার অব ল (এলএলএম-প্রফেশনাল)’ প্রোগ্রামে ভর্তির কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

        বিইউপির এক বছর মেয়াদী ৩৬ ক্রেডিটের ‘মাস্টার্স অব ল’ এ ভর্তির আবেদনের জন্য আবেদনকারীর অবশ্যই শিক্ষাজীবনে প্রাপ্ত ফলাফল মোট ন্যূনতম ৭ পয়েন্ট থাকতে হবে। আইন বিভাগে স্নাতক (সম্মান ও পাস) ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীরা এই কোর্সে আবেদন করতে পারবে।

        বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল (বিইউপি)-এ এলএলএম কোর্স করতে একজন শিক্ষার্থীর মোট খরচ হবে ১ লক্ষ ১৮ হাজার ৯৫০ টাকা। আবেদন ফি: ১০০০ টাকা।

        এই কোর্সে আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীদের অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (www.bup.edu.bd) থেকে আবেদন করতে হবে। ভর্তির আবেদনের শেষ সময়: ৩০ নভেম্বর ২০২২।

        ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট অথবা ০১৭৬৯০২৮৫৮৩ থেকে জানা যাবে।

        বিইউপিতে শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল ক্লাসরুমসহ রয়েছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বনামধন্য অধ্যাপক ও সুপ্রীম কোর্টের অভিজ্ঞদের দ্বারা বিইউপিএ আইন বিভাগের ক্লাস নেয়া হয়। সবুজে ঘেরা বিইউপি ক্যাম্পাসের সব শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে পরিবহন সুবিধা।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          সময় পেলেই বিদ্যালয়ে ছুটে গিয়ে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেন ইউএনও

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৪ অক্টোবর, ২০২২ ৭:৪৩
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          সময় পেলেই বিদ্যালয়ে ছুটে গিয়ে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেন ইউএনও

          সম্প্রতি করোনার ধকল কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ।গেলো করোনার কারণে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছিলো ।শিক্ষাক্ষেত্রেও এর প্রভাব পড়েছে ।শিক্ষাক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রাথমিক পর্যায়ে ক্ষুদে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।শিক্ষাজীবন শুরুতে তাদের বড় ধাক্কা পেতে হয়েছে।বর্তমানে সবকিছু স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও শিক্ষাব্যাবস্থা কিছুটা পিছিয়ে গেছে।তাই শিক্ষার প্রতি গুরত্ব দিচ্ছে শিক্ষক অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সকলেই।এরই লক্ষে শিক্ষাব্যাবস্থাত্বরান্বিত করতে এবং কোমলমতি ক্ষুদ্রশিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে নিরলস কাজ যাচ্ছেন নওগাঁর সাপাহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আব্দুল্যাহ আল মামুন।

          সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি প্রাথমিকশিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় জেলাপর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষাপদক-২০২২” পেয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন উপজেলা নির্বাহীঅফিসার (ইউএনও) আব্দুল্যাহ আল মামুন।তার উপর সরকারি অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ পালনেরপাশাপাশি সময় পেলেই ছুটে যান উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া এগিয়ে নিতে নিজেই ক্লাস নেওয়া শুরুকরেন তিনি।

          তারই ধারাবাহিতায় বুধবার (১২ অক্টোবর) বেলা ১২ টার দিকে উপজেলার জয়পুর রাজ্যধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় যান ইউএনও আব্দুল্যাহ আল মামুন। ওই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর ধর্ম শিক্ষা ও পঞ্চম শ্রেণীর গণিত ক্লাস নেন তিনি। এসময় উপজেলা শিক্ষা অফিসার তৃষিত কুমার চৌধুরী, উপজেলা জনস্বাস্থ্য উপ-সহকারী প্রকৌশলী সন্তোষ কুমার, জয়পুর রাজ্যধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

          জয়পুর রাজ্যধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী রাফি ও ফাহমিদা বলেন, আজ ইউএনও স্যার আমাদের গণিত ক্লাস নিয়েছে। গণিত বই হতে স্যার আমাদের বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। আমরা স্যারের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পেয়ে খুবই খুশি।

          জয়পুর রাজ্যধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বলেন, ইউএনও স্যার সময় পেলেই মাঝে মধ্যে হঠাৎ করে স্কুলে ছুটে আসেন। বিভিন্ন ক্লাসে গিয়ে ক্লাস নেন। শিক্ষা ব্যাবস্থা বিষয়ক বিভিন্ন পরামর্শ দেন যা আমাদের জন্য অবশ্যই অনেক ভালো লাগার বিষয়। ইউএনও স্যার আজ বুধবার আমাদের স্কুলে এসে দ্বিতীয় শ্রেণীর ধর্ম শিক্ষা ও পঞ্চম শ্রেণীর গণিত ক্লাস করান। এতে আমরা খুবই আনন্দিত।

          সাপাহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আব্দুল্যাহ আল মামুন বলেন, উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী এবং দেশের একজন নাগরিক হিসেবে শিক্ষা খাতের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারা আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের। প্রাথমিকের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। প্রাথমিক পর্যায়েই শিশুদের শিক্ষার প্রতি মনযোগী করে তুলতে হবে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত