ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ছাত্র সংসদ না থাকলে রাজনীতি পেশিশক্তির হাতে চলে যাবে : নূরুল হক

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
২৯ জুলাই, ২০২৫ ২১:৪৫
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
ছাত্র সংসদ না থাকলে রাজনীতি পেশিশক্তির হাতে চলে যাবে : নূরুল হক

ছাত্র সংসদ না থাকলে রাজনীতি পেশিশক্তির হাতে চলে যাবে মন্তব্য করে জাতীয় নির্বাচনের আগে ছাত্রসংসদ নির্বাচন দেবার আহবান জানিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর।


মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুরে কবি নজরুল সরকারি কলেজে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে কলেজ ছাত্র অধিকার পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 


নূরুল হক নূর বলেন, অনেক রাজনৈতিক দল মুখে সংস্কারের কথা বললেও অন্তরে ফ্যাসিবাদ লালন করছে।


নূর আরো বলেন, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কমিশনগুলো স্বাধীনভাবে পরিচালনা করতে হবে, নইলে প্রশাসনে দুর্নীতি কখনও কমবে না। সরকারি চাকরিতে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নিয়োগ এবং শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়নের দাবিও জানান তিনি।


বর্তমান সরকার প্রধানের বিশ্বজুড়ে খ্যাতি থাকলেও গত ১ বছরে দেশে বাস্তব কোন পরিবর্তন আসেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, শুধু আবু সাঈদ নয়, তার মতো সব শহিদদেরই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে। এছাড়া শহিদদের পরিবার থেকে দ্রুত বিচারের দাবি জানানো হয়।


কবি নজরুল কলেজ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাহিদ হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান, গণ অধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ প্রমুখ।


মন্তব্য

সাজিদের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে প্রয়োজনে আমরা পিবিআইকে দায়িত্ব দিব: ইবি ভিসি

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
২৯ জুলাই, ২০২৫ ২১:৪৩
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
সাজিদের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে প্রয়োজনে আমরা পিবিআইকে দায়িত্ব দিব: ইবি ভিসি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আজিজুর রহমান হলের পুকুরে ভেস উঠা আল কুরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহর মৃত্যুর ঘটনা উদঘাটনে প্রয়োজনে পিবিআইকে দায়িত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। 


তিনি বলেন, সাজিদের মৃত্যুতে আমিও সমভাবে ব্যথিত। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচার হোক এটা আমিও চাই। প্রশাসন সাজিদের মৃত্যুকে কোনোভাবেই ধামাচাপা দিতে চায় না। তদন্ত কমিটি যদি মৃত্যুর রহস্য বের করতে না পারে তাহলে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করানো হবে। প্রয়োজনে আমরা পিবিআইকে দায়িত্ব দেব।


সোমবার (২৯ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনের নিচে সাজিদের মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির অগ্রগতির বিষয়ে শিক্ষার্থীদের অবগত করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।


ইবি উপাচার্য বলেন, এ বিষয়ে আমি সামান্যভাবেও ছেড়ে দেব না, আমরা এর শেষ দেখতে চাই। ডিআইজি সাহেবের সাথে আমার কথা হয়েছে, তাকেও অতিদ্রুত ভিসেরা রিপোর্ট দিতে বলেছি। ভিসেরা রিপোর্ট আসার পরেই তদন্ত কমিটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দিতে পারবে।’


এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান, তদন্ত কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, ধর্মতত্ত্ব অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আ ব ম ছিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী, আল কুরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. নাসিরউদ্দিন মিঝি, জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফারুকুজ্জামান খান, ইউট্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 


বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন বলেন, ‘তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পরেই আমরা বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সাথে কথা বলেছি, অগ্রগতির ব্যাপারে সাংবাদিকদের অবহিত করেছি। সাজিদোর ভিসেরা রিপোর্টের ব্যাপারে আমরা তাগাদা দিয়েছি আগামীকালকের মধ্যে আমরা সেটি হাতে পাব। আজকে এবং আগামীকাল সারাদিন সারারাতের মধ্যে আমরা একটি পর্যায়ে হয়তো পৌঁছাতে পারব। আগামী রোববার তদন্ত প্রতিবেদন দিতে পারব বলে আশা করছি।


এর আগে, সাজিদ আব্দুল্লাহর মৃত্যুর ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দাবিতে সকাল থেকে আল কুরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় সাজিদের মৃত্যুর তদন্ত রিপোর্ট দিতে না পারলে প্রশাসনকে গদি ছেড়ে দেওয়ার আহবান জানান তারা। আল কোরআন বিভাগের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে অবস্থান কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, শাখা ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন, ছাত্র ইউনিয়ন, বাংলাদেশ জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    পবিপ্রবির ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার নতুন নেতৃত্বে ড. সগিরুল ইসলাম মজুমদার

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ২৯ জুলাই, ২০২৫ ২১:৩৯
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    পবিপ্রবির ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার নতুন নেতৃত্বে ড. সগিরুল ইসলাম মজুমদার

    পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার সহকারী পরিচালক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়েছেন মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও তরুণ কৃষি বিজ্ঞানী ড. মো. সগিরুল ইসলাম মজুমদার।


    বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। আদেশে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন এবং পূর্ববর্তী নিয়ম অনুযায়ী আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আদেশ সংশোধন বা পরিবর্তনের অধিকার সংরক্ষণ করবে বলেও উল্লেখ করা হয়।


    দায়িত্বপ্রাপ্তির পর প্রতিক্রিয়ায় ড. মজুমদার বলেন, “আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ ও ধন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি। একাডেমিক কৃতিত্ব, সততা ও দায়বদ্ধতাকে মূল্যায়ন করে যে গুরুদায়িত্ব আমার কাঁধে অর্পণ করা হয়েছে, তা আমি সর্বোচ্চ নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে পালনে অঙ্গীকারবদ্ধ।”


    জাপান সরকারের মনবুশো বৃত্তিতে উচ্চশিক্ষা নেওয়া ড. মজুমদার এমএস ও পিএইচডি ডিগ্রিধারী একজন মেধাবী ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন শিক্ষাবিদ। তরুণদের নৈতিকতা, নেতৃত্ব বিকাশ, মানসিক উৎকর্ষ এবং ক্যারিয়ার পরিকল্পনায় তাঁর বিশেষ আগ্রহ ও দক্ষতা রয়েছে বলেই জানান সহকর্মীরা।


    তরুণ এই বিজ্ঞানীর নেতৃত্বে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি, উদ্যম ও গতিশীলতা আসবে—এমনটাই আশা করছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষার্থীরা। তাঁর দায়িত্বপ্রাপ্তিকে শিক্ষার্থীদের জীবনগঠনে একটি ইতিবাচক সংযোজন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।


    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      রাবি ছাত্রদলের সভাপতি রাহী, সম্পাদক জহুরুল

      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      ২৯ জুলাই, ২০২৫ ২১:৩৫
      ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
      রাবি ছাত্রদলের সভাপতি রাহী, সম্পাদক জহুরুল

      দীর্ঘ চার বছর পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদলের নতুন কমিটি দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০০৮-০৯ সেশনের শিক্ষার্থী সুলতান আহমেদ রাহীকে সভাপতি ও সংগীত বিভাগের ২০১১-২০১২ সেশনের শিক্ষার্থী সর্দার জহুরুলকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।


      মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) বিকালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মোঃ রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


      রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের এ আংশিক কমিটির অন্যান্যরা হলেন সিনিয়র সহসভাপতি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী সাকিলুর রহমান সোহাগ, সহসভাপতি ভূগোল বিভাগের ২০১২-১৩ সেশনের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান, সাবিহা আলম মুন্নি ও লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী জান্নাতুন নাঈম তুহিনা। 


      সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০১২-১৩ সেশনের শিক্ষার্থী শফিকুল ইসলাম শফিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফার্সি বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী তাহের রহমান ও সঙ্গীত বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী জাহিন বিশ্বাস এষা, সাংগঠনিক সম্পাদক ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান মিঠু এবং দপ্তর সম্পাদক আরবি বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী নাফিউল জীবন। 


      আগামী ৭ দিনের মধ্যে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করে কেন্দ্রীয় দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। সম্মেলনের মাধ্যমে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সকল হল কমিটি গঠনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। হল কমিটি গঠনের পর সম্মেলনের মাধ্যমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠিত হবে।


      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ২৯ জুলাই কারফিউ ভেঙে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তোলে রাবির শিক্ষার্থীরা

        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        ২৯ জুলাই, ২০২৫ ২১:৩১
        ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
        ২৯ জুলাই কারফিউ ভেঙে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তোলে রাবির শিক্ষার্থীরা

        কারফিউ, ট্যাংক মোতায়েন, সশস্ত্র বাহিনী এবং গুম আতঙ্ক সব মিলিয়ে দেশের পরিস্থিতি ছিল থমথমে। ২০২৪ সালের ২৯ জুলাই সেই ভয়াবহ আবহেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শুরু হয় এক সাহসী প্রতিবাদ। নিখোঁজ আন্দোলনকারী, দমনমূলক হুমকি সবকিছুকে উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীরা গর্জে ওঠে মূল ফটকের সামনে। দিনটি এখন শুধুই একটি তারিখ নয়, বরং সাহসিকতার প্রতীক হয়ে উঠেছে।


        আগের দিন রাতে চলমান ছাত্রআন্দোলনের ছয়জন শীর্ষ সমন্বয়ককে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় গোয়েন্দা কার্যালয়ে। সেখানে তাদের ওপর কর্মসূচি প্রত্যাহারের চাপ প্রয়োগ করা হয়। একই রাতে নিখোঁজ হন আন্দোলনের মুখ্য সমন্বয়ক আরিফ সোহেল ও নুসরাত তাবাসসুম। এ ঘটনার পর পুরো ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক, গুজব, আর আন্দোলন থেমে যাওয়ার আশঙ্কা।


        সেই দিনের প্রত্যক্ষদর্শী ও আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার জানান, ‘আমরা কয়েকজন সিদ্ধান্ত নিই, এই ভয় দেখিয়ে আন্দোলন থামানো যাবে না। ঠিক করি, আগে থেকেই মূল ফটকের সামনে অবস্থান করবো। তাই রেডিও বেতার মাঠের পাশে গাছের আড়ালে গিয়ে লুকিয়ে থাকি। উদ্দেশ্য ছিল, শিক্ষকরা এলে আমরা তাদের সঙ্গে সামনে যাব।’

         

        পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির আগেই সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে মূল ফটকে উপস্থিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য সালেহ্ হাসান নকীব, অধ্যাপক ইফতেখার মাসুদ এবং অধ্যাপক জামিরুল ইসলাম। শিক্ষকদের উপস্থিতির অপেক্ষায় থাকা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা তখন সাহস সঞ্চয় করে মাজার এলাকা পেরিয়ে গিয়ে ফটকের সামনে এসে দাঁড়ান।

         

        সেখানে এসে পুলিশ জানায় ‘স্লোগান দেওয়া যাবে না, প্রোগ্রাম করতে দিচ্ছি, এটাই অনেক।’ তবে শিক্ষকরা পুলিশের অবস্থান প্রত্যাখ্যান করে স্পষ্ট জানান কর্মসূচি চলবেই। এরপর শুরু হয় স্লোগান। প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন শিক্ষার্থী সম্মিলিত কণ্ঠে স্লোগান দিতে থাকেন ‘নির্লজ্জ ভিসি পদত্যাগ করতে হবে’, ‘তুমি কে, আমি কে সমন্বয়ক, সমন্বয়ক’।

         

        হঠাৎই তৈরি হয় একটি ইংরেজি স্লোগান, যা পরবর্তীতে আন্দোলনের প্রতীক হয়ে ওঠে। সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমরা এমন কিছু বলতে চেয়েছিলাম যেটা আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় যাবে। হঠাৎ মাথায় আসে আমি বলি ‘শেইম শেইম’, সবাই জবাব দেয় ‘ডিক্টেটর’। এটা একেবারেই তাৎক্ষণিক ছিল, কিন্তু পরে সেটিই হয়ে দাঁড়ায় প্রতিরোধের প্রতীক।’

         

        সেদিন বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর ঘিরে ছিল পুলিশের কড়া অবস্থান, সশস্ত্র বাহিনীর উপস্থিতি এবং ট্যাংক মোতায়েন। সবকিছুর মাঝেই শিক্ষার্থীদের মিছিল এগিয়ে যায় বিনোদপুর মোড় পর্যন্ত, যেখানে শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয় সেই দিনের কর্মসূচি।

         

        আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক মেহেদি সজিব বলেন, কেন্দ্রীয় ৬ জন সমন্বয়কে ডিবি ভবনে ধরে নিয়ে আন্দোলন স্থগিত করা হয়। আমরা পরে এটা প্রত্যাখান করি। সর্ব প্রথম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ২৯ জুলাই কারফিইউ ভঙ্গ করে আন্দোলন করি। যারা সেদিন মেইগেটের সামনে ছিল তাদের ধরে নিয়ে যাওয়ার একটা সম্ভাবনা ছিল। স্যাররা সহ আমরা সবাই বারবার অনুরোধ করি যাতে গুলি না করে। তখন আমরা সেম সেম ডিকটেটর স্লেগান দিতে শুরু করি পরে এটি দেশব্যাপি ছড়িয়ে পরে।


        প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য
        সর্বশেষ সংবাদ
          সর্বাধিক পঠিত