ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইসি গঠনে প্রস্তাবিত নামের তালিকায় ৩২২ জন (তালিকা)

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ২১:৩৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
ইসি গঠনে প্রস্তাবিত নামের তালিকায় ৩২২ জন (তালিকা)

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য প্রস্তাবিত নামের তালিকা প্রকাশ করেছে সার্চ কমিটি। সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ব্যক্তি, দল, সংগঠনের প্রস্তাবিত সব নাম মন্ত্রিপরিষদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। এতে মোট ৩২২ জনের নাম পাওয়া গেছে।

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন গঠনে প্রথমবারের মতো আইন করে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে প্রধান করে সার্চ কমিটি গঠন করা নির্দেশ দেন রাষ্ট্রপতি।

সার্চ কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামান, মহাহিসাব নিরীক্ষক (সিএজি) মুসলিম চৌধুরী এবং সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান সোহরাব হোসাইন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার ছহুল হোসাইন এবং কথাসাহিত্যিক ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ আনোয়ারা সৈয়দ হক। সার্চ কমিটির পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সাধারণভাবে নাম প্রস্তাবের আহ্বান জানানো হয়।

নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে চিঠি দিয়ে নাম প্রস্তাবের আমন্ত্রণ জানায় সার্চ কমিটি। অন্যদিকে তিন ধাপে দেশের বিশিষ্টজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করার সিদ্ধান্ত হয়। সার্চ কমিটির সঙ্গে তিন দফার বৈঠকে অংশ নেন- শিক্ষাবিদ, সাবেক সরকারি কর্মকর্তা, সামরিক বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা, গণমাধ্যমের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তি, পেশাজীবী সংগঠনের নেতারাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট নাগরিকরা।

আইন অনুযায়ী সার্চ কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ পেশ করতে হবে। এ হিসাবে সার্চ কমিটির হাতে সময় আছে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। কমিটি সিইসি পদের জন্য ২টি ও ইসি পদে ৮ জনের নাম প্রস্তাব করবে। এর মধ্য থেকে একজন সিইসি ও সর্বোচ্চ চারজন ইসি সদস্য বেছে নেবেন রাষ্ট্রপতি। সার্চ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দিচ্ছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ‘সরকার কখনোই নির্বাচন কমিশনে প্রভাব বিস্তার করেনি’

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ১৮:৪১
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ‘সরকার কখনোই নির্বাচন কমিশনে প্রভাব বিস্তার করেনি’

    নির্বাচন পরিচালনার কাজে বর্তমান সরকার কখনোই নির্বাচন কমিশনের ওপর প্রভাব বিস্তার করেনি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর বলে উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের।

    তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে সর্বদাই নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করা হয়ে থাকে।

    নির্বাচন কমিশন ও সার্চ কমিটি নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের প্রতিবাদে সেতুমন্ত্রী এই কথা বলেন।

    বিবৃতিতে তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জনমনে ধোঁয়াশা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত নির্বাচন কমিশন ও সার্চ কমিটি নিয়ে মিথ্যাচার করে চলেছেন। অথচ আমরা সবাই জানি, নির্বাচন অনুষ্ঠান কমিশনের কাজ। কমিশন দেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইনের মধ্য থেকেই নির্বাচন পরিচালনা করে থাকে। কোনো দল বা সরকার নির্বাচন পরিচালনা করে না। নির্বাচনকালীন সরকার শুধুমাত্র তাদের রুটিন ওয়ার্ক করে থাকে।

    বিএনপির সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির শাসনামলে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য প্রভাব খাটিয়ে নির্বাচন কমিশনকে যথেচ্ছভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ক্ষমতাকে নিরঙ্কুশ করতে মাগুরা ও মিরপুর উপ-নির্বাচনে ব্যাপক ভোট কারচুপির ঘটনার জন্ম দেয় তারা।

    তিনি আরও বলেন, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপি ভোটারবিহীন যে নির্বাচন করেছিল বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে তা একটি কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত আছে। প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই গণতন্ত্রের বিপরীত মেরুতে বিএনপির অবস্থান করছে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ শান্তিপূর্ণ জনপদে রূপান্তরিত হয়েছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক দল এবং জনগণের পারস্পরিক বোঝাপড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      সত্যের জয় হয়েছে, মিথ্যা পরাভূত: শাবিপ্রবি ভিসি

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ১৮:২৭
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      সত্যের জয় হয়েছে, মিথ্যা পরাভূত: শাবিপ্রবি ভিসি

      শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সত্যের জয় হয়েছে, মিথ্যা পরাভূত হয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে সুশাসন বলতে যা বুঝায় ৯৯.৯৯% সুশাসন রয়েছে। সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

      শাবিপ্রবি ভিসি বলেন, ২০১৭ সালে আমি আসার পরে বলেছিলাম, এ বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ধরনের অন্যায়-অবিচার হবে না, কোনো দূর্নীতি থাকবে না। এটি আজকে সাড়ে ৪ বছর পরে অত্যন্ত আনন্দের সাথে ঘোষণা করছি এ বিশ্ববিদ্যালয় সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত একটি বিশ্ববিদ্যালয়।

      তিনি বলেন, এখানে যারা অন্যায় করবে তারা কোনো সময় পার পাবে না। যারা ভালো কাজ করবে আমরা তাদেরকে অনেকভাবে উৎসাহিত করবো। যারা অন্যায় করবে তাদেরকে আমরা কোনোভাবেই আশ্রয়-প্রশ্রয় দেব না। এই দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন এটা আমরা পালন করে আসছি।

      বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, আপনারা জেনে খুশি হবেন আমি যখন এখানে আসি তখন এ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার ফান্ড ছিলো মাত্র ৯০ লাখ টাকা। আজকে এই জায়গায় দাড়িয়ে আমি বলতে পারি তা ৮ গুণ বেড়ে এটা ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা হয়েছে। শুধুমাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া আর কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে এতবড় গবেষণার আছে বলে আমার জানা নাই।

      এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালে অবদান রাখায় সংশ্লিষ্ট সকলকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন শাবিপ্রবি ভিসি। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে শিক্ষামন্ত্রীদ্বয়, বিভিন্ন এজেন্সি, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে অবদান ও সহযোগিতার জন্য তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

      বিশ্ববিদ্যালয়টিতে সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন নিয়ে তিনি বলেন, যেকোনো কারণেই হোক আপনারা সবাই জানেন সর্বশেষ কয়েকদিনে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হয়ে গেছে। এতে তাদের শিক্ষাজীবনে একটা দাগ লেগেছে। আমরা সবাই মিলে যাতে তাদের ক্ষতিটা পুষিয়ে নিতে পারি সেজন্য একযোগে কাজ করবো।

      ‘‘আমি-আমার সকল শিক্ষার্থীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাবো, তোমরা সবাই মনোযোগ দিয়ে আগে যেভাবে পড়াশোনা করেছো এভাবে করো (পড়াশোনা)। আমরা তোমাদের পাশে আছি, যেকোনো সমস্যায় তোমাদের সাথে থাকবো।’’

      অধ্যাপক ফরিদ বলেন, আমি এ কথাটা একেবারে দৃঢ়ভাবে বলতে পারি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো সমস্যা থাকবে না। কোনো সমস্যা যখন আসে সে সমস্যাটা আমরা সরকারের সাথে আলাপ করে সমাধান করতে পারি।

      বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেন তিনি বলেন, আমি আসার পর থেকে ১৪টি বাস কিনেছি। এ বছর আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য আমরা আরো ৪টি বড় বাস কেনার জন্য ব্যবস্থা নিয়েছি। দুই বছরের করোনাকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের টংগুলো ধ্বসে পড়েছে। আমরা এতোগুলো ব্যবস্থা নিয়েছি এতোগুলো আধুনিক স্মার্ট টং আমরা বানাচ্ছি।

      ‘‘আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে এত টং হবে শিক্ষার্থীদের খাবারের কোনো রকম সমস্যা থাকবে না। হলের মধ্যে ইন্টারনেট সমস্যাসহ যেসব সমস্যা রয়েছে তা ইন্সট্যান্টলি সমাধান করে যাচ্ছি এবং আগামীতেও করে যাব।’’

      তিনি আরও বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের সকল শিক্ষার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে আছে। আগামী দিনেও যেন আমরা সর্বস্তরে এগিয়ে থাকতে পারি- আমরা সবসময় তোমাদের পাশে আছি।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        বইমেলায় টিকার সার্টিফিকেট ছাড়া খাবার নয়

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ১৮:৭
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        বইমেলায় টিকার সার্টিফিকেট ছাড়া খাবার নয়

        অমর একুশে বইমেলার অভ্যন্তরে খাবার স্টলে খাবার খেতে হলে টিকার সনদ বাধ্যতামূলক লাগবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব আবুল মনসুর। আজ সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে বইমেলার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

        সচিব বলেন, বইমেলা আমাদের সংস্কৃতির একটা অঙ্গন। সেই মেলা কোভিড পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে শুরু করা যায়নি। প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক ইচ্ছায় আমরা মেলা শুরু করতে পারছি।

        খাবার হোটেল থেকে করোনা বেশি বিস্তার লাভ করে জানিয়ে সচিব বলেন, মেলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাডেমির কর্মকর্তা, প্রকাশক, স্টল ও প্যাভিলিয়নের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং বিক্রয়কর্মীদের ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট থাকতে হবে। কারও না থাকলে মেলায় মোবাইল কোর্টের কাছে ধরা পড়লে জরিমানা এবং শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে বলেও জানান তিনি।

        বইমেলার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মেলার সদস্য সচিব ও বাংলা একাডেমির পরিচালক জালাল আহমেদ জানান, অমর একুশে বইমেলার এবারের মূল আয়তন সাত লাখ বর্গফুটের বেশি। সেই সঙ্গে এবার ৫৩৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৭৬টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আছে ৩৫টি প্যাভিলিয়ন।

        মেলায় প্রতিবারের মতো এবারও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে শিশুদের জন্য আলাদা মঞ্চের ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিশুরা খেলাধুলা করতে পারবে। বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের জন্যেও রাখা হয়েছে মঞ্চের ব্যবস্থা।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ৪৪তম বিসিএসে অ্যাপিয়ার্ড হিসেবেও আবেদন করা যাবে

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ১৮:০
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৪৪তম বিসিএসে অ্যাপিয়ার্ড হিসেবেও আবেদন করা যাবে

          ৪৪তম বিসিএসের আবেদনের যোগ্যতায় সংশোধনী আনা হয়েছে। স্নাতক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত না হলেও অ্যাপিয়ার্ড হিসেবে আবেদন করা যাবে। এ ছাড়া এই বিসিএসের আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টার পরিবর্তে আগামী ২ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

          বাংলাদেশ কর্ম কমিশনের (পিএসসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

          বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৪৪তম বিসিএসের আবেদনের সময় বাড়ানোর পরিপ্রেক্ষিতে প্রার্থীদের আবেদনের যোগ্যতায় সংশোধনী আনা হয়েছে। সংশোধনী অনুযায়ী, স্নাতকের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত না হলেও অ্যাপিয়ার্ড হিসেবে ৪৪তম বিসিএসে আবেদন করা যাবে। তবে তা সাময়িকভাবে গ্রহণ করা হবে।

          সংশোধিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যদি কোনো প্রার্থী এমন কোনো পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়ে থাকেন, যে পরীক্ষায় পাস করলে তিনি ৪৪তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করবেন এবং যদি তাঁর ওই পরীক্ষার ফলাফল ৪৪তম বিসিএস পরীক্ষার আবেদনপত্র দাখিলের শেষ তারিখ পর্যন্ত প্রকাশিত না হয়, তাহলেও তিনি অবতীর্ণ প্রার্থী (অ্যাপিয়ার্ড) হিসেবে অনলাইনে আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে তা সাময়িকভাবে গ্রহণ করা হবে। কেবল সেই প্রার্থীকেই অবতীর্ণ প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হবে, যাঁর স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ের সব লিখিত পরীক্ষা আবেদন গ্রহণের শেষ তারিখের মধ্যে, অর্থাৎ আগামী ২ মার্চের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে শেষ হবে।

          আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা এ ওয়েবসাইটে (http://bpsc.teletalk.com.bd/) গিয়ে পিএসসির নির্ধারিত ফরমের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছে ৩০ ডিসেম্বর। ৪৪তম বিসিএস হবে সাধারণ (জেনারেল)। এ বিসিএসে নেওয়া হবে ১ হাজার ৭১০ জনকে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হবে।

          ৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৭১০ জন কর্মকর্তা নেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২৫০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ৫০, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ১০, আনসার ক্যাডারে ১৪, নিরীক্ষা ও হিসাবে ৩০, করে ১১, সমবায়ে ৮, রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিকে ৭, তথ্যে ১০, ডাক ২৩, বাণিজ্যে ৬, পরিবার পরিকল্পনায় ২৭, খাদ্যে ৩, টেকনিক্যাল ক্যাডারে ৪৮৫ ও শিক্ষা ক্যাডারে ৭৭৬ জন।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত