ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

নবীনদের পদচারণায় মুখর চবির নরসিংদী জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৪:২১
নিজস্ব প্রতিবেদক
নবীনদের পদচারণায় মুখর চবির নরসিংদী জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতি

সারওয়ার মাহমুদ, চবিঃ 'এসো হে নবীন, বাজিয়ে সুর-লহরী উল্লাসিত নব বীণ। আজ সুর মিলিয়ে গাইব জয়যাত্রার গান, আনন্দে আহ্লাদিত নবীন প্রাণ।’ নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করতে এমন বাক্যই যেন উচ্চারিত হচ্ছে প্রবীণদের কন্ঠে'। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রত্নভূমি নরসিংদী থেকে আগত ২১-২২সেশনের সকল শিক্ষার্থীর নবীন বরন অনুষ্ঠিত হয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম জেলা এসোসিয়েশন নরসিংদী জেলা ছাত্র কল্যান সমিতি কতৃর্ক নবাগত চবিয়ানদের গতকাল বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারী) ক্যাম্পাসের বোটানিক্যাল গার্ডেনে দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নবীনদের বরণ করে নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সমিতির সভাপতি হোসাইন আল মামুনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলামের সন্ঞ্চালনায় স্বাগত ও দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রিত শিক্ষক মন্ডলী ও অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ড.দানেশ মিয়া বলেন-আমি ৮৯-৯০ সেশনের ছাত্র ছিলাম। ১৯৯০ সালে নরসিংদী জেলা ছাত্র কল্যান সমিতির সমিতির বেড়ে উঠা আমার চোখের সামনেই।সমিতির গঠনতন্ত্র আমার নিজের হাতে লেখা।সেই থেকে এই সমিতির সাথে আমার আত্মিক সম্পর্ক। অনেক সময় ব্যস্ততায় সময় দিতে পারি না।আমার জম্মভূমি নরসিংদীর নবীনদের দেখে সত্যি অনেক আনন্দিত।

এছাড়া আমন্ত্রিত শিক্ষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হালিমা বেগম,বন ও পরিবেশে বিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড.সোহাগ মিয়া ,নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তানজীম আফরিন,সহযোগী অধ্যাপক নুসরাত জাহান,চবির সহকারী প্রক্টর হাসান মোহাম্মাদ রুমান, দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুমান আহমেদ,ফলিত রসায়ন বিভাগের প্রভাষক শারমিন জামান প্রমুখ। অতিথি হিসেবে ছিলেন সাবেক কাস্টমস কর্মকর্তা মানিক মিয়া,সিবিএ সদস্য সাখাওয়াত হোসেন সহ চট্টগ্রাম জেলা সমিতির নেতৃবৃন্দ।

সভাপতির বক্তব্যে হোসাইন আল মামুন বলেন-নরসিংদী জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক ছাত্র সমিতি গুলোর অন্যতম। এই সংগঠন নরসিংদী জেলা থেকে আগত শিক্ষার্থী এবং ছাত্র ছাত্রীদের একটা বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করে দেয় পাশাপাশি যে কোনো ধরনের সামাজিক কার্যক্রমে এগিয়ে আসে। নবীন শিক্ষার্থীদের আগমন উপলক্ষে নরসিংদী জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের সাথে অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্যারদের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে উঠবে বলে আশা রাখছি তাছাড়া নতুন শিক্ষার্থীরা এই সমিতির বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত হবে।

বক্তৃতা পর্ব শেষে চলে ছাত্র- শিক্ষক,নবীন-প্রবীন সবাই মিলে মধ্যাহ্নভোজ। এরপর শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে নাচ, গান, কৌতুক,দিয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের মাতিয়ে তোলেন কলেজের শিক্ষার্থীরা।পাশাপাশি নবাগত শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

নবীণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনুভুতি প্রকাশ করতে গিয়ে মার্কেটিং বিভাগের ২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী মোসা:সুমাইয়া বলেন-আমাদের জেলা সমিতির পক্ষ থেকে, আমাদের জন্য এতো বড়ো পরিসরে নবীণ বরণের আয়োজন করেছে, ভাবতেই খুব গর্ব হচ্ছে। শিক্ষক ও সিনিয়র ভাই-বোনদের স্নেহ-ভালোবাসা ছিল সেরাদের সেরা৷আমাদের এ বন্ধন সবসময় অটুট থাকবে। আমি "রত্নভূমি নরসিংদী" এর একজন হতে পেরে গর্বিত।সবাই দোয়া রাখবেন আমিও যেন "রত্নভূমি নরসিংদী"র ঐশ্বর্য্য-গর্ব-আভিজাত্য বাজায় রাখতে পারি।

নবীণ বরণ পেয়ে অত্যন্ত খুশি নরসিংদী জেলা থেকে আসা ২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থীরা । নৃবিজ্ঞান বিভাগের ইমরান মাহমুদ এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের তাজুল ইসলাম নেহাল ও নবীণ বরণ শেষে রাইজিং ক্যাম্পাস কে জানান-আলহামদুলিল্লাহ প্রথমেই আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি শ্রদ্ধেয় শিক্ষকমন্ডলী, প্রিয় অবিভাবক ও আমাদের বড় ভাই,আপুদের প্রতি,,তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমেের ফলে আমরা এমন সুন্দর নবীনবরণ উপহার পেয়েছি ,আজকের এই দিনটা আমাদের জীবনের সেরা একটা মুহুর্ত ছিলো, নিজের শিকড় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বুকে একখন্ড নরসিংদী জেলা ছাএ কল্যাণ সমিতিকে পেয়ে আমার মনে হয়েছে আমরা আমাদের নিজেদের পরিবারকে কাছে পেয়েছি। আমাদের এ নবীনবরণ এককথায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়া সবচেয়ে সেরা একটা নবীনবরণ। আমরা সত্যিকার অর্থে গর্বিত, আমরা বড় ভাইদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমাদের সংগঠনকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবো এবং সংগঠনের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।

উল্লেখ্য যে, বিগত বছর গুলোতে ভর্তি পরীক্ষা, ক্লিন ক্যাম্পাস কর্মসূচি, বনভোজন, চড়ুইভাতি সহ আরো অনেক গুলো সেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অঞ্চল ভিত্তিক সংগঠন নরসিংদী জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতি।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    দেশে ‘প্রবাসী বিশ্ববিদ্যালয়’ স্থাপনের প্রস্তাব

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৪:১৬
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    দেশে ‘প্রবাসী বিশ্ববিদ্যালয়’ স্থাপনের প্রস্তাব

    সাঈদ মঈন: দেশে ‘প্রবাসী বিশ্ববিদ্যালয়’ স্থাপনের প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছে সংসদের অধিবেশনে। বিদেশগামী মানুষের প্রবাস জীবনের দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এ ধরণের বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পক্ষে মত দিয়েছেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারী। গতকাল বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে জনমত যাচাইয়ের উপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এ দাবি তুলে ধরেন তিনি। পরে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষে অবস্থান তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

    শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, বছরে আমাদের ৮-১০ লাখ লোক বিদেশে যায়। তাদের জন্য আমাদের দেশে প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা কিছুই করেনি বলে মতামত ব্যাক্ত করেন তিনি। তাদের ভাষাও শেখানো হতে শুরু করে পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন সম্পর্কিত জ্ঞানার্জনেও আমাদের সীমাবদ্ধতা আছে বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, “আমাদের ‘প্রবাসী বিশ্ববিদ্যালয়’ দরকার। যেখানে প্রবাসীদের ছেলে-মেয়েরা পড়বে এবং প্রবাসে গিয়ে কী করবে তার দীক্ষা লাভ করবে।”

    সংসদ সদস্য আরো বলেন, “অল্পকিছু লোক দেশে চাকরি পায়। প্রবাস ছাড়া কোথাও আমাদের উল্লেখযোগ্য চাকরির বাজার নেই। এজন্য প্রবাসীদের দিকে আলাদা নজর দেওয়া উচিৎ। শিক্ষাব্যবস্থায় সেই দক্ষতা উন্নয়নে মনোযোগ না করে গতানুগতিক বিশ্ববিদ্যালয় করলে বেকার বাড়বে, দেশের খুব একটা লাভ হবে না রেমিট্যান্সও বাড়বে না। ”

    ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের সঙ্গে ট্যালেন্ট পাটনারশিপে আগ্রহী দাবি করে তিনি বলেন, “আমাদের উচিত ট্যালেন্ট পার্টনারশিপে যাওয়া। এটা না করে শুধু স্নাতক বানালে তারা সারা পৃথিবীতে বেকার হয়ে ঘুরবে।

    শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড ছিল, আছে, থাকবে। যে দেশে কোন সম্পদ, তেল, গ্যাস নেই সে দেশে জনগণই সম্পদ। তাদের শিক্ষিত ও দক্ষ করাই সম্পদ। সেখান থেকে আমরা ইট, পাথরকে বেশি ফোকাস দিচ্ছি। ব্রিজ, কালভার্টকে জাতির মেরুদণ্ড ভাবছি। শিক্ষা ও দক্ষতা জাতির মেরুদণ্ড হতে হবে।”

    ‘‘আমরা বানাচ্ছি রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতির স্নাতক কিন্তু প্রয়োজন হলো নার্স, চালক, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট। এই গবেষণা বাংলাদেশ কখনোই হয়নি। এটা না করার কারণে আমাদের স্নাতকরা বেকার হচ্ছে।’’

    জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বক্তব্যে জবাবে জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি দেশে বিদ্যমান ৫৩টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা উল্লেখ করেন।

    শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, সম্প্রতি স্থাপিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এখন পর্যন্ত নিজেদের কোনো স্থান নেই। কাজই শুরু হয়নি। তার বাইরেও কিছু আছে একেবারে নতুন তৈরি হয়েছে। সেখানে শুধুমাত্র উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ ছাড়া অধ্যাপক পদমর্যাদার কেউ নেই।

    তিনি আরও বলেন, আমরা যত্রতত্র অনার্স খুলেছি। সেটি জনপ্রতিনিধিদের আগ্রহেই হয়েছে। সেখানে শিক্ষার্থীও অনার্স মানের নয়। শিক্ষকও হয়তো অনার্স মানের নয়, কিন্তু আমরা খুলেছি।

    মন্ত্রী উল্লেখ করেন, “ আমাদের উচ্চশিক্ষার প্রায় ৭০ ভাগ শিক্ষার্থী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করে। সারাদেশে ২২৫৭টি কলেজে এসব শিক্ষার্থীরা পাঠদান নিচ্ছেন। আমরা এ মেয়াদে দায়িত্বগ্রহণের পরপরই এসব প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করি।”

    তিনি আরো বলেন, “এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখন ১২টি পোস্টগ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা সংযুক্তির কাজ আগামী মার্চ থেকে শুরু হবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব শিক্ষার্থীরা যে ডিগ্রিই নিচ্ছেন না কেন, সেটি শেষ করার পর এ ১২টি বিষয়ে একবছর মেয়াদী পোস্টগ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ডিগ্রি নিতে পারবেন। এছাড়াও এ বছর থেকে ১৯টি শর্ট কোর্সও যুক্ত করা হচ্ছে।”

    ‘‘এসব কোর্সগুলো বর্তমান সময়ে দেশে এবং বিদেশের চাকরির বাজারের যে চাহিদা সেটি বিবেচনায় নিয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শক্রমে সাজানো হয়েছে। এ বিষয়ে পর্যায়ক্রমে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এসব কোর্সগুলো খুব শিগগিরই শুরু হবে।’’

    এ বিষয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, এসব কোর্সগুলোর সঙ্গে আরও কিছু বিষয় যুক্ত থাকবে। যেমন কোনো একজন শিক্ষার্থী যে বিষয়ে শিক্ষাগ্রহণ করেন না কেন তার সঙ্গে ভাষা, আইসিটি, অন্ট্রাপ্রেনারশিপ এবং আরেকটি হচ্ছে সফট স্কিল। অন্যান্য দেশের তুলনায় চাকরির বাজারে আমাদের গ্র্যাজুয়েটরা যে বিষয়ে পিছিয়ে পড়েন সে বিষয়গুলো যুক্ত করা হচ্ছে।

    জাতীয় সংসদে মুজিবনগর বিশ্ববিদ্যালয়, মেহেরপুর বিল-২০২৩ এর সংশোধনীর আলোচনায় এসব তথ্য উঠে আসে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ভুলে ভরা বাকৃবির ৮ম সমাবর্তনের অনুষ্ঠানসূচি প্রকাশ

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১০:২৫
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ভুলে ভরা বাকৃবির ৮ম সমাবর্তনের অনুষ্ঠানসূচি প্রকাশ

      বাকৃবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ৮ম সমাবর্তন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এই সমাবর্তনের ভুলে ভরা একটি অনুষ্ঠানসূচি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। অনুষ্ঠানসূচিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন বাকৃবি শাখা ছাত্রলীগের এক নেতা।

      জানা গেছে, ভুলে ভরা অনুষ্ঠানসূচিটি বৃহস্পতিবার বিকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে প্রকাশ করেন বাকৃবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি খন্দকার তায়েফুর রহমান রিয়াদ। অনুষ্ঠানসূচি অনুযায়ী বাকৃবির ৮ম সমাবর্তনের কার্যক্রম রাত ১২ টা থেকে রাত ১টা ১০মিনিট পর্যন্ত এবং সকাল ১১টা থেকে ১১টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত চলবে। সমাবর্তনের বক্তা হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি রাত সাড়ে ১২টায় বক্তব্য দিবেন।

      ভুলে ভরা অনুষ্ঠানসূচি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাকৃবির মতো বিশ্ববিদ্যালয় কি করে এত বড় ভুল করল, প্রশ্ন সাধারণ শিক্ষার্থীদের। এই ভুল অনুষ্ঠানসূচির মাধ্যমে আসন্ন সমাবর্তনের মান নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন শিক্ষার্থীরা।

      এবিষয়ে জানতে চাইলে সমাবর্তন বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যসচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. ছাইফুল ইসলাম জানান, ‘এটি প্রিন্টিং মিসটেক। ভুলে তারা টাইপ করে ফেলেছে। এটি সংশোধনীর জন্য প্রেসে আবার পাঠানো হয়েছে। তবে এটি এখনও অফিশিয়ালি কাউকে পাঠানো হয়নি। কে বা কারা আমার বিনা অনুমতিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছে তা আমার জানা নেই।’

      এবিষয়ে জানতে চাইলে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি খন্দকার তায়েফুর রহমান রিয়াদ বলেন, ‘আমি রেজিস্ট্রারের অনুমতি নিয়েই প্রকাশ করেছি।’

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে সমাবর্তনের দাবিতে বাকৃবিতে মানববন্ধন

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১০:১৭
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে সমাবর্তনের দাবিতে বাকৃবিতে মানববন্ধন

        বাকৃবি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ৮ম সমাবর্তন বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মহামান্য রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে করার দাবিতে মানববন্ধন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

        বৃহস্পতিবার (০২ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জয়নুল আবেদিন মিলনায়তন মুক্তমঞ্চের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

        জানা যায়, দীর্ঘ ছয় বছর পর ৮ম সমাবর্তন মহামান্য রাষ্ট্রপতির উপস্থিতি ছাড়াই আয়োজিত হতে যাচ্ছে । প্রতিটি শিক্ষার্থী চায় শিক্ষাজীবন শেষে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে সনদ নিয়ে কর্মক্ষেত্রে যোগদান করতে। বাকৃবিতে নিয়মিত সমাবর্তন হয় না। যার কারণে শিক্ষার্থীর মহামান্য রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে সমাবর্তন পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।

        মানববন্ধনে কৃষি অনুষদ ছাত্র সমিতির ভিপি তারেক জামান জয় বলেন, রাষ্ট্রপতি ছাড়া একটি সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হতে পারে না। রাষ্ট্রপতি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তনে অংশগ্রহণ করেছেন। এছাড়াও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ ফেব্রুয়ারি সমাবর্তনে অংশগ্রহণ করবেন। তাহলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রপতি না আসা প্রশাসনের ব্যর্থতা। এছাড়াও বাকৃবির ৮ম সমাবর্তনে নেই কোনো সম্মানিত অতিথি। যেখানে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে নোবেলজয়ী অতিথিরা আসেন। আমাদের দাবি রাষ্ট্রপতি যে সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে ইচ্ছা পোষন করেন সে সময়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হোক। রাষ্ট্রপতি ছাড়া আমরা সমাবর্তন মানি না।

        মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীর উপাচার্য বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সাধারণ শিক্ষর্থীদের দাবিগুলো হচ্ছে সমাবর্তনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির উপস্থিতি নিশ্চিত করতে যথাযথ প্রচেষ্টা, বরেণ্য বক্তার উপস্থিতি, প্রাতিষ্ঠানিক বাতি রক্ষা করা, সাধারণ শিক্ষার্থীর লালিত স্বপ্ন পূরণ করা, নিয়মিত সমাবর্তন আয়োজন করা।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ইবির অর্থনীতি বিভাগের পুনর্মিলনী ৪ ফেব্রুয়ারি

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১০:১৪
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ইবির অর্থনীতি বিভাগের পুনর্মিলনী ৪ ফেব্রুয়ারি

          ইবি প্রতিনিধি : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অর্থনীতি বিভাগের পুনর্মিলনী উৎসব আগামী শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হবে। দিনব্যাপী এ উৎসবে বিভিন্ন ব্যাচের সাবেক ও বর্তমান মিলিয়ে প্রায় ৯ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবেন।

          বিভাগ সূত্রে জানা যায়, অর্থনীতি বিভাগের সাবেক ও বর্তমান’সহ ৩৩টি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রথম বারের মতো পুনর্মিলনী উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় ১৪০০ জনের আয়োজন রাখা হয়েছে এ উৎসবে। যার মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অতিথি’সহ ইতিমধ্যে ১২৩০ জন তাদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছেন।

          এ উপলক্ষ্যে শুক্রবার বিকেল ৪টায় মীর মোশাররফ হোসেন একাডেমিক ভবন প্রাঙ্গনে পিঠা উৎসব এবং সন্ধ্যার পর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

          পুনর্মিলনী উৎসবের মূলপর্ব শুরু হবে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং অতিথিদের অংশগ্রহণে আয়োজিত র‍্যালির মধ্য দিয়ে। র‍্যালি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে অলোচনাসভা এবং সম্মাননা প্রদান করা হবে। এছাড়াও প্রয়াত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হবে।

          উক্ত অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া’সহ বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত থাকবেন।

          পুনর্মিলনী উৎসবের সার্বিক বিষয়ে অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. কাজী মোস্তফা আরিফ বলেন, বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে উৎসবটির আয়োজন সম্পন্ন করেছে। আমরা এই বিষয়ে অ্যালামনাইদের থেকেও যথেষ্ট পরিমাণ সাহায্য পেয়েছি। এবারই প্রথম অর্থনীতি বিভাগের আয়োজনে কোন পুনর্মিলনী উৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত