ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বন্ধের সময় যে ১১ দফা নির্দেশনা মানতে হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ জানুয়ারি, ২০২২ ১২:৪৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
বন্ধের সময় যে ১১ দফা নির্দেশনা মানতে হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে

করোনার সংক্রমণের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীর শ্রেণি কার্যক্রম আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হলেও এই সময়ে অনলাইন বা ভার্চ্যুয়ালি প্ল্যাটফর্মে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এই সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ও চালু থাকবে। সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। জরুরি প্রয়োজনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষক-কর্মচারীদের দায়িত্বে নিয়োজিত রাখতে পারবেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার এক দিন পর আজ শনিবার এ বিষয়ে এসব বিষয়ে মোট ১১ দফা নির্দেশনা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে প্রায় দেড় বছর বন্ধের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছিল। এরই মধ্যে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে চার মাস পর আবারও বন্ধের ধারায় ফিরল দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আপাতত আগামী দুই সপ্তাহের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে গতকাল শুক্রবার সকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধসহ নতুন বিধিনিষেধের কথা জানায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এখন এই বন্ধের মধ্যে কীভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চলবে, তার জন্যই ১১ দফা নির্দেশনা দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নির্দেশনার মধ্যে আরও রয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা কার্যক্রম চলমান থাকবে। এ ক্ষেত্রে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস ও উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস স্থানীয় প্রশাসন ও সিভিল সার্জনের সঙ্গে সমন্বয় করবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সময় শ্রেণিকক্ষ, গ্রন্থাগার, গবেষণাগারসহ প্রতিষ্ঠানের সব বিদ্যুৎ, টেলিফোন, ইন্টারনেট, পানি ও গ্যাস–সংযোগ নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এই সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ ও সামগ্রিক নিরাপত্তার বিষয়টির প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

এ ছাড়া যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রাবাস বা ছাত্রীনিবাসে বৈধ আবাসিক শিক্ষার্থীরা অবস্থান করছে, তাদের সুবিধার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেগুলো খোলা থাকবে। তবে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন সব দপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব কর্মকর্তা, শিক্ষক ও কর্মচারীর অবশ্যই টিকা সনদ গ্রহণ করতে হবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠকে শাবিপ্রবির আন্দোলন নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৩ জানুয়ারি, ২০২২ ১২:৩৮
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠকে শাবিপ্রবির আন্দোলন নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি

    শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল। সেই বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ নিয়ে আলোচনা চলবে। চলমান সংকট নিয়ে আরও আলোচনা করতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের অনশন ভেঙে আলোচেনায় আসতেও আহ্বান জানান।

    আজ শনিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর হেয়ার রোডে মন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ধলেশ্বরীতে এ বৈঠক শুরু হয়। প্রায় সোয়া দুই ঘণ্টা ধরে চলে এ বৈঠক। বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। এ নিয়ে সৃষ্ট উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

    বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, সব সমস্যার সমাধান আলোচনা। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গেও আরও আলোচনা হবে। সবার মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    তিনি বলেন, আজ শিক্ষক প্রতিনিধিরা বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেছেন। আমি তাদের কথা শুনেছি। শিক্ষার্থীদের সঙ্গেও আলোচনা করতে চেয়েছি, তারা আলোচনা করতে রাজিও হয়েছিল। কিন্তু সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ করে তারা আলোচনা করতে আর চায়নি।

    ডা. দীপু মনি বলেন, প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আবার আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। আমি এই মুহূর্তে অসুস্থতার কারণে শাবিতে যেতে পারছি না। শিক্ষার্থীরা যদি আলোচনায় রাজি থাকে, তাহলে সেখানে আমি আমার প্রতিনিধি পাঠাব।

    শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনে কোনো ষড়যন্ত্র হচ্ছে কি-না, তাও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ছাত্রীদের অনশনে অসুস্থ হওয়া এবং শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনা- কোনোটিই কাম্য নয় আমাদের জন্য।

    বৈঠকে শাবিপ্রবি শিক্ষক ছাড়াও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানও উপস্থিত ছিলেন। তবে বৈঠকে কোনো শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন না।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকলেও অনলাইনে ক্লাস চলবে

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২২ জানুয়ারি, ২০২২ ২১:২৫
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকলেও অনলাইনে ক্লাস চলবে

      দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ফের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ফের বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রথম দফায় স্কুল-কলেজ বন্ধের ঘোষণা রয়েছে। তবে এই সময়ে অনলাইনে শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকবে বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

      শনিবার (২২ জানুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) শাহেদুল খবির চৌধুরীর স্বাক্ষর করা ১১ দফা নির্দেশনা থেকে এ তথ্য জানা যায়।

      নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ১২-১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে অফিস কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া, অধিদপ্তরের অধীন সকল দপ্তর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সকল কর্মকর্তা, শিক্ষক ও কর্মচারীর অবশ্যই টিকা সনদ গ্রহণ করতে হবে।

      ১১ দফা নির্দেশনা হলো:

      ১. আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত সশরীরে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

      ২. এ সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ বাস্তবতার ভিত্তিতে অনলাইন/ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে শিখন-শেখানা কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

      ৩. যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ১২-১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম চলমান থাকবে।

      ৪. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধকালীন শ্রেণি কক্ষ, গ্রন্থাগার, গবেষণাগারসহ প্রতিষ্ঠানের সকল বিদ্যুৎ, টেলিফোন, ইন্টারনেট পানি এবং গ্যাস সংযোগ নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

      ৫. এ সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ ও সামগ্রিক নিরাপত্তার বিষয়টির প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

      ৬. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান প্রতিষ্ঠানের জরুরি প্রয়োজনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষক ও কর্মচারীদের দায়িত্বে নিয়োজিত রাখতে পারবেন।

      ৭. যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রাবাস/ছাত্রীনিবাসে বৈধ আবাসিক শিক্ষার্থীরা অবস্থান করছে তাদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ছাত্রাবাস/ছাত্রীনিবাসসমূহ খোলা থাকবে। তবে সকলকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

      ৮. অধিদপ্তরের অধীন সকল দপ্তর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সকল কর্মকর্তা, শিক্ষক ও কর্মচারীর অবশ্যই টিকা সনদ গ্রহণ করতে হবে।

      ৯. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যালয় যথারীতি চালু থাকবে; সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

      ১০. জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি ক্রীড়া সমিতির আয়োজনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।

      ১১. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

      এর আগে, দেশে করোনা পরিস্থিতির অবনতির কারণে গতকাল শুক্রবার আগামী ১৪ দিনের জন্য স্কুল-কলেজ এবং সমমনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধের ঘোষণা দেয় সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এদিন এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়েছে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        শাবিপ্রবির আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আবার আলোচনায় বসার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২২ জানুয়ারি, ২০২২ ২১:২১
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        শাবিপ্রবির আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আবার আলোচনায় বসার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

        সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালনরত শিক্ষার্থীদের আবারও আলোচনায় বসার অনুরোধ জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

        বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করে শিক্ষামন্ত্রী এই অনুরোধ জানান। আজ শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর হেয়ার রোডে শিক্ষামন্ত্রীর বাসায় এই বৈঠক শুরু হয়। পরে রাতে শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

        শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই তাঁরা (শিক্ষার্থীরা) অনশন প্রত্যাহার করুক, তারা আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসুক। এখন যদি অনশনরত অবস্থাতেও বসতে চায় তাও করতে পারে। যেকোনো সমস্যার একমাত্র সমাধান আলোচনা। কাজেই আমরা আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করতে চাই। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য দ্বার সব সময়ই উন্মুক্ত।’

        এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পারিবারিক অসুস্থতার কারণে এখন তিনি সিলেটে যেতে পারছেন না। তবে প্রয়োজনে তাঁর প্রতিনিধি যেতে পারেন। শিক্ষার্থীরা যখনই কথা বলতে রাজি হবে তখনই যেতে পারবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

        তবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন এর আগে শিক্ষার্থীরা এত উৎসাহ নিয়ে আলোচনায় বসার জন্য রাজি হয়েও কি কারণে পাল্টে গেল তা খতিয়ে দেখতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী।

        বৈঠকে শাবিপ্রবির শিক্ষক প্রতিনিধি ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ, সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমগীর, উপাচার্যদের সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক হাবিবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

        এর আগে গতকাল শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির সঙ্গে দেখা করতে ঢাকায় আসেন। প্রতিনিধিদলের মধ্যে আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি তুলসী কুমার দাস, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মুহিবুল আলম, ফিজিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন মো. রাশেদ তালুকদার, অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেস অনুষদের ডিন আরিফুল ইসলাম ও ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন খায়রুল ইসলাম।

        গতকাল শুক্রবার বিকেলে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তিনি আন্দোলনকারী এবং শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান। সেদিন তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে চাই না। তবে সেখানে আমাদের শিক্ষার্থীরা অনশন করছেন, কেউ কেউ কিছুটা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে গেছেন। আমি এখন ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলেছি, কারও কোনো আশঙ্কাজনক কিছু নেই। যাঁরা এখনো অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন, তাঁদের দু-তিনজনকে হয়তো স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। আমি চাই, তাঁদের একটি প্রতিনিধিদল যদি পাঠাতে পারেন। তাঁরাও আসতে চান। যত দ্রুত সম্ভব তাঁরা এলে আলাপ-আলোচনা করতে চাই। শিক্ষক সমিতির নেতাদের সঙ্গেও একটু আলাপ করতে চাই।’ আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেও যেকোনো সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব বলে মনে করেন দীপু মনি।

        উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে এক সপ্তাহ ধরে উত্তাল শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়। সর্বশেষ গত বুধবার উপাচার্যের বাসার সামনে আমরণ অনশনে বসেছেন ২৪ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে একজনের বাবা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় তিনি অনশন শুরুর পরের দিনই বাড়ি চলে যান। বাকি ২৩ অনশনকারীর মধ্যে এখন ১৫ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। বাকি ৮ শিক্ষার্থী উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সূত্রপাত হয় ১৩ জানুয়ারি। ওই দিন রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের কয়েক শ ছাত্রী। ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ছাত্রলীগ ছাত্রীদের আন্দোলনে হামলা চালায়। পরের দিন বিকেলে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি ভবনে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করেন। তখন শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটা ও তাঁদের লক্ষ্য করে শটগানের গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে পুলিশ। ওই দিন রাতে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ও শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার্থীরা তা উপেক্ষা করে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। ওই হামলার প্রতিবাদে ঢাকা, রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর, খুলনা, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন নাগরিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          কুমিল্লা জেলা পরিষদে চাকরির সুযোগ

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২২ জানুয়ারি, ২০২২ ১৩:১৯
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          কুমিল্লা জেলা পরিষদে চাকরির সুযোগ

          কুমিল্লা জেলা পরিষদ বেশ কয়েকটি শূন্য পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত আবেদন ফরম পূরণ করে ডাকযোগে/ সরাসরি পৌঁছাতে হবে।

          ১. পদের নাম: সাঁটলিপিকার পদসংখ্যা: ১ যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। দ্রুতলিপিতে প্রতি মিনিটে ইংরেজিতে ১০০ ও বাংলায় ৭০ শব্দ এবং মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে ইংরেজিতে ৫০ ও বাংলায় ৩৫ শব্দের গতিসম্পন্ন হতে হবে। বেতন গ্রেড: ১৩ বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা

          ২. পদের নাম: উচ্চমান সহকারী পদসংখ্যা: ১ যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি ও দাপ্তরিক চিঠিপত্র লেখার কাজে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বেতন গ্রেড: ১৪ বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা

          ৩. পদের নাম: নিম্নমান সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক/ কম্পিউটার অপারেটর পদসংখ্যা: ১ যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। প্রতি মিনিটে ইংরেজিতে ৪০ ও বাংলায় ৩০ শব্দ টাইপ করার যোগ্যতাসহ কম্পিউটার চালনায় দক্ষ হতে হবে। বেতন গ্রেড: ১৬ বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

          ৪. পদের নাম: বার্তাবাহক পদসংখ্যা: ১ যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: অষ্টম শ্রেণি পাস। বেতন গ্রেড: ২০ বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা

          ৫. পদের নাম: প্রহরী পদসংখ্যা: ১ যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: অষ্টম শ্রেণি পাস। বেতন গ্রেড: ২০ বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা

          বয়সসীমা আগ্রহী প্রার্থীদের বয়স ২০২২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা/ শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতি-নাতনি এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।

          আবেদন যেভাবে আগ্রহী প্রার্থীদের সরকার নির্ধারিত এক পাতার চাকরির আবেদন ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ কুমিল্লা জেলা পরিষদ কার্যালয়ে ডাকযোগে/ সরাসরি পৌঁছাতে হবে। আবেদন ফরম জেলা পরিষদ, কুমিল্লার ওয়েবসাইট, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট বা এই ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। আবেদনের নিয়ম ও আবেদন ফি জমা দেওয়ার বিস্তারিত প্রক্রিয়া এই লিংক থেকে জেনে নিতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে ১০ টাকা মূল্যের ডাকটিকিটসহ (অব্যবহৃত) নাম-ঠিকানা সংবলিত ১০.৫ ইঞ্চি বাই ৪.৫ ইঞ্চি সাইজের ফেরত খাম সংযুক্ত করতে হবে।

          আবেদন ফি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ, কুমিল্লার অনুকূলে ১-৩ নম্বর পদের জন্য ৫০০ টাকা ও ৪-৫ নম্বর পদের জন্য ২০০ টাকা মূল্যের ব্যাংক ড্রাফট/ পে–অর্ডার করে আবেদনপত্রে রশিদ সংযুক্ত করতে হবে।

          আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা: প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ, কুমিল্লা।

          আবেদনপত্র পাঠানোর শেষ সময়: আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত