The Rising Campus
News Media
শুক্রবার, ২৭শে জানুয়ারি, ২০২৩

জাবিতে মসজিদ পুনঃনির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

জাবি প্রতিনিধিঃ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আ ফ ম কামালউদ্দিন ও শহীদ সালাম-বরকত হল সংলগ্ন মসজিদ অতিসত্বর পুনঃনির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে দুই হলের শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (২১ নভেম্বর) সকাল ৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় শহীদ সালাম-বরকত হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রাফি বলেন, ‘আমাদের মসজিদটি ভেঙেছে ৬-৭ মাস হয়ে গেছে, কিন্তু বর্তমানে এর কাজের কোন অগ্রগতি হচ্ছে না। ছাপড়া একটা মসজিদে আমাদের নামাজ পড়তে খুবই কষ্ট হচ্ছে, বিশেষ করে এই শীতের মধ্যে খোলা মসজিদে নামাজ পড়া খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ছে। আমাদের দাবি হচ্ছে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে মসজিদের কাজ শুরু করতে হবে। নইলে ১ ডিসেম্বর থেকে আমরা অবশ্যই কঠিন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হব।’

আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো: মূসা বলেন,‘আমাদের আন্দোলনের ফলেই ঝুঁকিপূর্ণ মসজিদ ভেঙে ফেলে নতুন মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। কিন্তু প্রস্তাবিত নকশায় মুসল্লি ধারণক্ষমতা, অযুখানা, টয়লেট সবকিছু কম থাকায় আমাদের পুনরায় আন্দোলন করতে হয় যার প্রেক্ষিতে নতুন নকশা প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু নতুন নকশা চলে আসার এক-দেড় মাস পার হয়ে গেলেও মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হচ্ছে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘বটতলায় অনেক লোক আসে যারা আমাদের মসজিদে নামাজ পড়ে, এছাড়াও দুই হল ও কোয়ার্টারের অনেকেই নামাজ পড়ে এখানে। স্থায়ী মসজিদ না থাকায় অবর্ণনীয় কষ্ট করতে হচ্ছে এই সকল মুসল্লিদের। আমরা চাইনা মসজিদ এই অবস্থায় থাক, আমরা চাই মসজিদ নির্মাণের কাজ অতিদ্রুত শুরু হোক। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে অবিলম্বে মসজিদের কাজ শুরু করতে হবে অন্যথায় অপ্রীতিকর কিছু হলে এর দায় প্রশাসনেরই নিতে হবে।’

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকার পর ২০২২ সালের এপ্রিল মাস থেকে নতুন করে নির্মাণের উদ্দেশ্যে মসজিদটি ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়। কিন্তু মসজিদের ধারণ ক্ষমতা কর্তৃপক্ষ থেকে ৭৫০ জন বলা হলেও নকশায় মসজিদের ধারণক্ষমতা ৫৩৪ জন জানতে পেরে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয় শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে সংশোধিত নকশা প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু পরিবর্ধিত নকশায় নির্মাণ খরচ বৃদ্ধির কারণে মসজিদ নির্মাণ বন্ধ রয়েছে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

0
You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

  1. হোম
  2. ক্যাম্পাস
  3. জাবিতে মসজিদ পুনঃনির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

জাবিতে মসজিদ পুনঃনির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

জাবি প্রতিনিধিঃ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আ ফ ম কামালউদ্দিন ও শহীদ সালাম-বরকত হল সংলগ্ন মসজিদ অতিসত্বর পুনঃনির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে দুই হলের শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (২১ নভেম্বর) সকাল ৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় শহীদ সালাম-বরকত হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রাফি বলেন, ‘আমাদের মসজিদটি ভেঙেছে ৬-৭ মাস হয়ে গেছে, কিন্তু বর্তমানে এর কাজের কোন অগ্রগতি হচ্ছে না। ছাপড়া একটা মসজিদে আমাদের নামাজ পড়তে খুবই কষ্ট হচ্ছে, বিশেষ করে এই শীতের মধ্যে খোলা মসজিদে নামাজ পড়া খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ছে। আমাদের দাবি হচ্ছে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে মসজিদের কাজ শুরু করতে হবে। নইলে ১ ডিসেম্বর থেকে আমরা অবশ্যই কঠিন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হব।'

আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো: মূসা বলেন,‘আমাদের আন্দোলনের ফলেই ঝুঁকিপূর্ণ মসজিদ ভেঙে ফেলে নতুন মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। কিন্তু প্রস্তাবিত নকশায় মুসল্লি ধারণক্ষমতা, অযুখানা, টয়লেট সবকিছু কম থাকায় আমাদের পুনরায় আন্দোলন করতে হয় যার প্রেক্ষিতে নতুন নকশা প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু নতুন নকশা চলে আসার এক-দেড় মাস পার হয়ে গেলেও মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হচ্ছে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘বটতলায় অনেক লোক আসে যারা আমাদের মসজিদে নামাজ পড়ে, এছাড়াও দুই হল ও কোয়ার্টারের অনেকেই নামাজ পড়ে এখানে। স্থায়ী মসজিদ না থাকায় অবর্ণনীয় কষ্ট করতে হচ্ছে এই সকল মুসল্লিদের। আমরা চাইনা মসজিদ এই অবস্থায় থাক, আমরা চাই মসজিদ নির্মাণের কাজ অতিদ্রুত শুরু হোক। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে অবিলম্বে মসজিদের কাজ শুরু করতে হবে অন্যথায় অপ্রীতিকর কিছু হলে এর দায় প্রশাসনেরই নিতে হবে।’

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকার পর ২০২২ সালের এপ্রিল মাস থেকে নতুন করে নির্মাণের উদ্দেশ্যে মসজিদটি ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়। কিন্তু মসজিদের ধারণ ক্ষমতা কর্তৃপক্ষ থেকে ৭৫০ জন বলা হলেও নকশায় মসজিদের ধারণক্ষমতা ৫৩৪ জন জানতে পেরে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয় শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে সংশোধিত নকশা প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু পরিবর্ধিত নকশায় নির্মাণ খরচ বৃদ্ধির কারণে মসজিদ নির্মাণ বন্ধ রয়েছে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

পাঠকের পছন্দ

মন্তব্য করুন