ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন আজ আমাদের স্বাধীনতার রূপকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ মার্চ, ২০২২ ৯:৪
নিজস্ব প্রতিবেদক
বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন আজ আমাদের স্বাধীনতার রূপকার

১৯২০ সালের ১৭ মার্চ খোকার জন্মদিন ছিল বাঙালির এক শুভক্ষণ। কারণ, সেই খোকা, শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের দিয়েছেন একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। তাঁর নেতৃত্বে হাজার বছরের ইতিহাস পার হয়ে বাঙালি বাংলাদেশ নামে একটি রাষ্ট্র পেয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের জাতির পিতা। ২০০৪ সালে বিবিসির এক বিশেষ জরিপে তাই তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে।

পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে বঙ্গবন্ধু সঞ্চারিত করেছিলেন স্বাধীনতার প্রবল স্পৃহা। বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছেন স্বপ্ন দিয়ে, মানুষকে সংগঠিত করে, লক্ষ্যে অবিচল থেকে এবং ত্যাগ স্বীকার করে। এ জন্য অসম্ভব কষ্ট স্বীকার করেছেন, জেল-জুলুম সহ্য করেছেন, কিন্তু লক্ষ্য থেকে কখনো সরে যাননি। তাঁর জীবনের বহু বছর কেটেছে কারান্তরালে। মুচলেকার বিনিময়ে গোয়েন্দাদের কারাগার থেকে মুক্তির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন বারবার। বলেছেন, তিনি জীবন দেবেন কিন্তু বাংলার মানুষের মুক্তি অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম থেকে বিরত থাকবেন না।

একাধিকবার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। আগরতলা মামলায় ক্যান্টনমেন্টে বন্দী থাকার সময় তাঁকে পেছন থেকে গুলি করে মারার ষড়যন্ত্র হয়েছিল। তথ্য পেয়ে তিনি সাবধান হয়ে যান। সার্জেন্ট জহুরুল হক সেই বন্দিশালায় শহীদ হন। আগরতলা মামলায় তাঁকে ফাঁসিতে ঝোলানোর পরিকল্পনাই করেছিলেন পাকিস্তানের সামরিক শাসক আইয়ুব খান। কিন্তু বাংলার মানুষ উনসত্তরের বীরোচিত গণ–আন্দোলন গড়ে তুলে তাঁকে মুক্ত করে আনে। তাঁকে ভালোবেসে উপাধি দেয় ‘বঙ্গবন্ধু’। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের কারাগারে তাঁকে প্রচণ্ড গরমে নিঃসঙ্গ সেলের মধ্যেই কেবল বন্দী করে রাখা হয়নি, তাঁর শাস্তি সাব্যস্ত করে রাখা হয়েছিল মৃত্যুদণ্ড।

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার লক্ষ্যে এগিয়েছেন নির্ভুলভাবে, ধাপে ধাপে। তিনি ছয় দফা ঘোষণা করেছেন, ইয়াহিয়া খানকে নির্বাচন দিতে বাধ্য করেছেন। তিনি জানতেন, নির্বাচনে তিনি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবেন। নির্বাচন হলো।

পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তান মিলে আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকশ্রেণি বাঙালিদের হাতে ক্ষমতা না দেওয়ার ষড়যন্ত্র করল। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে বঙ্গবন্ধু অসহযোগের ডাক দিলেন। ৭ মার্চ অবিস্মরণীয় এক ভাষণে বললেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ অবস্তুগত বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত সেই ভাষণ ছিল একই সঙ্গে কাব্যময় এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞার এক অনন্য উদাহরণ।

বঙ্গবন্ধু সে ভাষণে ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়েছেন, যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকতে বলেছেন, শত্রুর মোকাবিলা করতে বলেছেন—যদি বাঙালিদের হত্যার চেষ্টা করা হয়। তিনি মুক্তি ও স্বাধীনতার আহ্বান জানিয়েছেন, কিন্তু রাজনৈতিক ভারসাম্য ক্ষুণ্ন করে একটি শব্দও বলেননি।

১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বদেশে ফিরে বঙ্গবন্ধু প্রথমেই ছুটে গেছেন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান), তাঁর মানুষের কাছে। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে একই ফ্লাইটে ভারত থেকে ঢাকা এসেছিলেন ভারতীয় কর্মকর্তা ভেদ মারওয়া। প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানকে দেওয়া ভেদ মারওয়ার সাক্ষাৎকার থেকে আমরা জেনেছি, বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘ফাঁসির কাষ্ঠে গিয়েও আমি বলব, আমি বাঙালি, বাংলা আমার ভাষা, বাংলা আমার দেশ, স্বাধীন বাংলা, জয় বাংলা।’ বলেছিলেন, এই বাংলাদেশে হবে গণতন্ত্র, এই বাংলাদেশ হবে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। বলেছিলেন, এই স্বাধীনতা পূর্ণ হবে না, যদি বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত খেতে না পায়, যদি বাংলার মা-বোনেরা কাপড় না পায়, যুবকেরা কাজ না পায়।

বঙ্গবন্ধু রক্ত দিয়ে মানুষের ভালোবাসার ঋণ শোধ করেছেন। কিন্তু তাঁর কাছে আমাদের যে ঋণ, তা শোধ হবে কী করে? হবে বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর মধ্য দিয়ে; গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ এবং শোষণ ও বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে।

আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁকে গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    জাতীয় খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ছে

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ১৬ মার্চ, ২০২২ ১৮:১২
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    জাতীয় খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ছে

    বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে আগের দুটি শর্তেই মুক্তির মেয়াদ আরও ছয়মাস বাড়নো হচ্ছে। এ সংক্রান্ত আবেদনে দণ্ড স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ আরও ছয়মাস বাড়ানোর বিষয়ে মত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। এরপর আবেদনটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো হয়েছে।

    বুধবার (১৬ মার্চ) আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মন্ত্রী বলেন, ‘আমি ফাইলটি ছেড়ে দিয়েছি। এটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চলে গেছে।’

    আনিসুল হক বলেন, ‘আগের শর্তে (বিদেশে যাওয়া যাবে না এবং দেশে চিকিৎসা নিতে হবে) তার মুক্তির মেয়াদ আরও ছয়মাস বাড়ানোর জন্য মতামত দেওয়া হয়েছে। সব কিছু আগের মতো, নতুন কিছু যুক্ত করা হয়নি।’

    আইন মন্ত্রণালয়ে মতামতের পর এখন খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ।

    খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ আগামী ২৪ মার্চ শেষ হবে। কয়েকদিন আগে খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো এবং চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার জন্য তার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন।

    বুধবারই দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো সংক্রান্ত একটি আবেদন পেয়েছেন। সেটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

    মতামত বুধবারের মধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো হচ্ছে বলে সচিবালয়ে ভিন্ন অনুষ্ঠানে জানিয়েছিলেন আইনমন্ত্রী।

    খালেদা জিয়ার নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা রয়েছে। গত ১৩ নভেম্বর রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। সেখানে তার ‘পরিপাকতন্ত্রে’ রক্তক্ষরণ এবং লিভার সিরোসিসের কথা জানান মেডিকেল বোর্ড। গত ১ ফেব্রুয়ারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান তিনি।

    গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও দুই দফা খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে যেতে হয়। ৭৬ বছর বয়সী এ সাবেক প্রধানমন্ত্রী অনেক বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন।

    দুটি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া কারাবন্দি ছিলেন। নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত রয়েছে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বকশীবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ আদালত।

    রায় ঘোষণার পর খালেদাকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রাখা হয়। এরপর ৩০ অক্টোবর এ মামলায় আপিলে তার আরও পাঁচ বছরের সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন হাইকোর্ট।

    একই বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন একই আদালত। রায়ে সাত বছরের কারাদণ্ড ছাড়াও খালেদা জিয়াকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয়মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

    ২০২০ সালের মার্চে করোনা মহামারি শুরু হলে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাহী আদেশে দণ্ড স্থগিত করে কারাবন্দি খালেদা জিয়াকে সরকার শর্তসাপেক্ষে ছয়মাসের জন্য মুক্তি দেয়।

    প্রথম দফা মুক্তির মেয়ার শেষ হয়ে আসলে ওই বছরের ২৫ আগস্ট বেগম জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে স্থায়ী মুক্তি চেয়ে আবেদন করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকার দ্বিতীয় দফায় গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ মাসের জন্য তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ায়।

    খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার আবেদনও করে পরিবার। কিন্তু সরকার সেই প্রস্তাব আমলে না নিয়ে আরও দুদফা মুক্তির মেয়াদ বাড়ায়, যার মেয়াদ শেষ হবে আগামী ২৪ মার্চ।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      এমপিওভুক্তিতে আদালতের রায় মানতে হবে: মন্ত্রণালয়

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৬ মার্চ, ২০২২ ১৭:৫৫
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      এমপিওভুক্তিতে আদালতের রায় মানতে হবে: মন্ত্রণালয়

      বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ৩৫ ঊর্ধ্বো শিক্ষকদের এমপিওভুক্তিতে আদালতের দেয়া রায় মানতে হবে। এর ব্যতিক্রম হওয়ার সুযোগ নেই।

      বুধবার (১৬ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে আলাপকালে এ তথ্য জানান তারা।

      কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন এমপিও নীতিমালায় ৩৫ বছর কিংবা তার বেশি বয়সের শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। তবে যেহেতু বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালত একটি রায় দিয়েছে তাই ওই রায় মানতেই হবে। রায় না মানলে আদালত অবমাননা করা হবে।

      এ প্রসঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) ফৌজিয়া জাফরীন বলেন, শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে আদালতের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। আদালতের রায় থাকার পরও যদি কারো এমপিওভুক্তিতে সমস্যা হয় সেক্ষেত্রে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

      কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব (প্রশাসন অধিশাখা-২ এবং অতিরিক্ত দায়িত্ব মাদ্রাসা অধিশাখা) ড. মো. আয়াতুল ইসলাম বলেন, ৩৫ ঊর্ধ্বো শিক্ষকদের ক্ষেত্রে আদালত কি রায় দিয়েছে সেটি আমার জানা নেই। তবে আদালতের নির্দেশ অবশ্যই মানতে হবে।

      তিনি আরও বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষকদের এমপিওভুক্তিতে আদালতের দেয়া রায়ের কপিটি দেখতে হবে। এরপর এ বিষয়ে মাদ্রাসা অধিদপ্তরের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

      প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ১৫ জুলাই বেসরকারি বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ করা হয়। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি শিক্ষক হিসেবে যোগদানের জন্য ৩৪ হাজার ৭৩ জনকে চূড়ান্ত সুপারিশপত্র দেয়া হয়।

      চূড়ান্ত সুপারিশপত্রে উচ্চ আদালতের দেয়া রায়ের বিষয়টি উল্লেখ করে দেয় এনটিআরসিএ। সেখানে তারা জানায় ‘‘উচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী ২০১৮ সালের পূর্বে যারা শিক্ষক নিবন্ধনের সনদ অর্জন করেছেন তাদের এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে বয়স শিথিলযোগ্য।’’ তবে উচ্চ আদালতের এই রায় না মেনে অনেকেরেই এমপিও ফাইল রিজেক্ট করে আসছে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পেছালো

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৬ মার্চ, ২০২২ ১৪:৩৩
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পেছালো

        সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ পিছিয়েছে। এ পরীক্ষা আগামী ৮ এপ্রিল শুরু হতে পারে। পাঁচ ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই পরীক্ষা আগামী ১৩ মে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

        মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলমের সই করা পরীক্ষার কেন্দ্র নির্বাচন সংক্রান্ত চিঠি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

        এতে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ-২০২০ এর লিখিত পরীক্ষা আগামী ৮, ১৫ ও ২২ এপ্রিল এবং ১৩ মে বিকেল ৩টায় গ্রহণের জন্য আপনার প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

        আরও বলা হয়, উল্লিখিত তারিখসমূহে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের জন্য আপনার প্রতিষ্ঠান কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য অনুমতি প্রদানের অনুরোধ করা হলো।

        এদিকে গত ১০ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ১ এপ্রিল পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এপ্রিলের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়া শেষে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের জুলাই মাসের মধ্যে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে সভায় জানানো হয়।

        সভায় জানানো হয়, সহকারী শিক্ষকের ৩২ হাজার ৫৭৭টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। ইতোমধ্যে অবসরজনিত কারণে আরও ১০ হাজারেরও বেশি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য হয়ে পড়েছে।

        এতে বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এ সমস্যার সমাধানে মন্ত্রণালয় আগের বিজ্ঞপ্তির শূন্য পদ ও বিজ্ঞপ্তির পরের শূন্য পদ মিলিয়ে প্রায় ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          যুদ্ধ নয়, শান্তিতে বিশ্বাস করি: প্রধানমন্ত্রী

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৬ মার্চ, ২০২২ ১৪:২৫
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          যুদ্ধ নয়, শান্তিতে বিশ্বাস করি: প্রধানমন্ত্রী

          বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা যুদ্ধে নয়, শান্তিতে বিশ্বাস করি। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি অত্যন্ত সুস্পষ্ট। সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়।

          তিনি বলেন, যদি আমরা কখনো আক্রান্ত হই, তখন নিজ দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে। সে কারণে আমাদের প্রযুক্তিগত শিক্ষাসহ সব ধরনের শিক্ষা নিতে হবে।

          বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে আগামীতে বেশ কিছু সামরিক সরঞ্জাম যুক্ত হতে যাচ্ছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীকেও আধুনিক অস্ত্রবিদ্যায় প্রশিক্ষিত হতে হবে।

          বুধবার (১৬ মার্চ) যশোরে বাংলাদেশে বিমানবাহিনীর বহরে গ্রোব জি-১২০টিপি প্রশিক্ষণ বিমান সংযোজন অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

          বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর উদ্যোগে দেশেই প্রোটোটাইপ বিমান তৈরির গবেষণা চলছে বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন ধরনের বিমান, রাডার যন্ত্রপাতির সুস্থ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রক্ষণাবেক্ষণের লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু অ্যারোনটিক্যাল সেন্টার। সম্প্রতি বিমানবাহিনীর উদ্যোগে প্রোটোটাইপ বিমান দেশেই তৈরি করার গবেষণা চলছে। এটা আমাদের আরও আশাবাদী করে তুলেছে।

          তিনি বলেন, আজ বিমানবাহিনীতে যুক্ত হলো ১২টি প্রশিক্ষণ বিমান। এ বিমানের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন। এটা আমরা জার্মান থেকে সংগ্রহ করেছি। আগামীতে আরও কয়েকটি বিমান বিমানবাহিনীতে যুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ। সে প্রচেষ্টা চলছে।

          জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অবদান তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, একটি কথা মনে রাখতে হবে, শুধু আমাদের দেশ নয়, আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষায়ও আমাদের বাহিনী ভূমিকা রাখছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বৈমানিকদের সঙ্গে তাদের কাজ করতে হয়। আমি চাই আমাদের প্রত্যেক বৈমানিক আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ পাক। আমি সে বিষয়ে গুরুত্ব দিই।

          ‘মহাকাশ গবেষণা, বিমানবাহিনীর উন্নয়ন এবং বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি আমরা লালমনিরহাটে প্রতিষ্ঠা করেছি। এ প্রতিষ্ঠানে আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা শিক্ষা গ্রহণ করবে এবং গবেষণা করবে’- যোগ করেন শেখ হাসিনা।

          বিমানবাহিনীর অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ সব ধরনের উন্নয়ন এবং সরঞ্জাম সংগঠনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত