ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

চিন্ময় কৃষ্ণসহ ১৭ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৯ নভেম্বর, ২০২৪ ১৩:১১
নিজস্ব প্রতিবেদক
চিন্ময় কৃষ্ণসহ ১৭ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট: চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১৭ সদস্যের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, হিসাব জব্দ করা ব্যক্তিদের নামে ব্যক্তি মালিকানা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্ট স্থগিত থাক‌বে। আগামী ৩০ দিন এসব হিসাবে কোনো ধরনের লেনদেন করতে পারবে না। প্রয়োজনে লেনদেন স্থগিত করার এ সময় বাড়ানো হবে। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ২৩(১) (গ) ধারার আওতায় এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সাধারণত অর্থপাচার, অবৈধ লেনদেন হলে এই আইনে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে বিএফআইইউ।

অ্যাকাউন্ট ফ্রিজের তালিকায় রয়েছেন- চন্দন কুমার ধর ওরফে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। তাকে গ্রেপ্তার এবং কারাগারে পাঠানোকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচি চলমান আছে। এসব কর্মসূচি থেকে ইসকনকে রাষ্ট্রীয়ভাবে নিষিদ্ধ করার দাবি উঠেছে।

ব্যাংক হিসাবে লেনদেন স্থগিত হওয়া ব্যক্তিদের তালিকায় আরও যারা রয়েছেন- কার্ত্তিক চন্দ্র দে, অনিক পাল, সরোজ রায়, সুশান্ত দাস, বিশ্ব কুমার সিংহ, চন্ডিদাস বালা, জয়দেব কর্মকার, লিপী রানী কর্মকার, সুধামা গৌর দাস, লক্ষণ কান্তি দাশ, প্রিয়তোষ দাশ, রূপন দাস, রূপন কুমার ধর, আশীষ পুরোহিত, জগদীশ চন্দ্র অধিকারী এবং সজল দাস।

হিসাব জব্দ হওয়া ব্যক্তিদের নামে একক মালিকানা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্ট স্থগিত থাক‌বে। এসব হিসাবে আগামী ৩০ দিন কোনো ধরনের লেনদেন করতে পারবে না। প্রয়োজনে হিসাব স্থগিতের সময় বাড়ানো যাবে। বিএফআইইউয়ের চিঠিতে হিসাব স্থগিত হওয়া ব্যক্তিদের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২৫ নভেম্বর রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। ২৬ নভেম্বর তাকে চট্টগ্রামের আদালতে তোলা হয়। আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতে পাঠানোর পথে তাকে বহনকারী প্রিজন ভ্যান আটকে দেয় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের অনুসারীরা। তাদের সরিয়ে দিয়ে চিন্ময় কৃষ্ণকে কারাগারে নেয়ার পথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আইনজীবীদের সঙ্গে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর অনুসারীদের সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ নিহত হয়।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    আয়নাঘরে আমারও থাকার অভিজ্ঞতা হয়েছিল : উপদেষ্টা নাহিদ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৯ নভেম্বর, ২০২৪ ১৩:২
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    আয়নাঘরে আমারও থাকার অভিজ্ঞতা হয়েছিল : উপদেষ্টা নাহিদ

    ডেস্ক রিপোর্ট: আয়নাঘরে থাকার অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, যেখানে মানুষকে গুম করা হতো, সেখানে আমারও ২৪ ঘণ্টা থাকার অভিজ্ঞতা হয়েছিল।

    বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে বিদ্রূপ ও উপহাসের রাজনীতি: জুলাই বিদ্রোহের সময় কার্টুন ও গ্রাফিতি শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

    নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আয়নাঘরের ভয়াবহ অভিজ্ঞতাসহ নিপীড়নের গল্প এতটাই ভয়াবহ যে ভুক্তভোগীরা এখনো সেগুলো বলতে চায় না। যেখানে সরকার থেকে তাদেরকে বারবার বলতে অনুরোধ করা হচ্ছে, কিন্তু তারপরও তারা বলতে চায় না, তাদের সেই অভিজ্ঞতাগুলো এতটাই ভয়াবহ ছিল।

    আয়নাঘরে থাকার অভিজ্ঞতার কথা জানয়ে তিনি বলেছেন, যেখানে মানুষকে গুম করা হতো, সেখানে আমারও ২৪ ঘণ্টা থাকার অভিজ্ঞতা হয়েছিল। আমি থেকেছি সেই রুমটায় এবং দেখেছি দেয়ালে তাদের লেখা, যারা দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বন্দি ছিলেন।

    তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আয়নাঘরের ভয়াবহ অভিজ্ঞতাসহ নিপীড়নের গল্প এতটাই ভয়াবহ যে ভুক্তভোগীরা এখনো সেগুলো বলতে চায় না। যেখানে সরকার থেকে তাদেরকে বারবার বলতে অনুরোধ করা হচ্ছে, কিন্তু তারপরও তারা বলতে চায় না, তাদের সেই অভিজ্ঞতাগুলো এতটাই ভয়াবহ ছিল।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রায় ১৬ শর মতো আবেদন করেছে গুম কমিশনে এবং সংখ্যাটা বেড়ে পাঁচ হাজার হতে পারে। মানে পাঁচ হাজার মানুষের গুমের অভিজ্ঞতা হয়েছে গত ১৫-১৬ বছরে।

    এই যে তাদের অভিজ্ঞতাগুলো, এগুলো পুরোটাই এড়িয়ে ছিল আমাদের রাষ্ট্রের। আমরা এ কথাগুলো কেউ বলতে পারতাম না।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      স্বপ্নতে চাকরির নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৩

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২৯ নভেম্বর, ২০২৪ ১২:৩৫
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      স্বপ্নতে চাকরির নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৩

      ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রিটেইল চেইনশপ স্বপ্নতে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করে আসছিল একটি চক্র। প্রতারণার অভিযোগে এই চক্রের তিন সদস্যকে স্বপ্নর ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট টিমের তথ্য অনুযায়ী ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এর উত্তরা পূর্ব থানার টিমের যৌথ চেষ্টায় গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, সিম, মানি রিসিভসহ বেশি কিছু কাগজ জব্দ করা হয়।

      ২৮ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) তাদের উত্তরার ৪নং সেক্টর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন শাহীন রব্বানী, স্বপন দাস ও পারভেজ মোশারফ ।

      থানার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামি তালিকার ১নং বিবাদী শাহীন রব্বানী ড্রাগন শিল্ড সিকিউরিটি সলিউশন কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর। তার অধীনে অন্য আসামিরা চাকরি করতেন।

      স্বপ্নতে প্রায় ৮ হাজারের বেশি কর্মী কাজ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন সময় প্রায়ই নতুন কর্মীর নিয়োগ করতে হয়। কিন্তু স্বপ্ন সবসময় তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ এবং লিংকডিনের মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে থাকে। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে এই চক্র স্বপ্নের লোগো, আউটলেটের ছবি ফেসবুকে ব্যবহার করে কর্মী নিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে প্রত্যাশীদের কাছ থেকে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে।

      বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে স্বপ্ন কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এরপর গত বুধবার (২৮ নভেম্বর) উত্তরা পূর্ব থানার সহযোগিতায় অপরাধীর অফিসে গিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় । এ সময় অনেকে কৌশলে পালিয়ে যাওয়ারও চেষ্টা করে। এ সময় সুজন পাল নামের এক চাকরিপ্রত্যাশী সেই অফিসে উপস্থিত ছিলেন। তার বাসা টাঙ্গাইল।

      সুজন পাল বলেন, আমাকে স্বপ্নতে চাকরি দেওয়া এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এর কথা বলে টাকা চাওয়া হয় । আমি কিছু টাকা দিয়েছি, এরপর আরও টাকা চাওয়া হয়। আমার মতো অনেকে অফিসে এসে টাকা প্রতিনিয়ত দিচ্ছে বলে জানতে পারি। সরল বিশ্বাসে চাকরির আশায় অনেকেই টাকাও দিয়েছি, তাদের উপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত ।

      স্বপ্নর ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট টিমের প্রধান মাসুম বিল্লাহ বলেন, ২০১৯ সাল থেকে এই চক্রটি অনলাইনের মাধ্যমে উত্তরা হাউস বিল্ডিং, বাড্ডা নতুন বাজার, মোহাম্মদপুর ও সাভার এলাকায় স্বপ্নের লোগো ব্যবহার করে চাকরির ভুয়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিল। স্বপ্নে যোগদান করতে কোনো অর্থ নয় যোগ্যতা প্রয়োজন। উত্তরা পূর্ব থানার ডিসি, ওসি, এসিসহ পুরো টিমকে স্বপ্নের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

      এ বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তরা পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মুহিবুল্লাহ জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি কৌশলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল বলে জানা যায় । গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি আমাদের থানা জানতে পারে, এরপর ঘটনাস্থলে অভিযুক্তদের তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে প্রতারণা ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আটক করা হয়। এ বিষয়ে রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানায় বৃহস্পতিবার রাতে মামলা রুজু করা হয়।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এবার যেসব পরিবর্তন আসছে

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২৯ নভেম্বর, ২০২৪ ১২:১৭
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এবার যেসব পরিবর্তন আসছে

        ডেস্ক রিপোর্ট: এমবিবিএস কোর্সে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে আগামী ১৭ জানুয়ারি ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এতোদিন কোর্সের পুরো ফি একসঙ্গে পরিশোধের নিয়ম ছিল। যা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য কষ্টসাধ্য ছিল। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থীরা তিন ধাপে দিতে পারবেন এই ফি।

        এর মধ্যে ভর্তির সময় ৬০ শতাংশ, প্রথম প্রফেশনাল পরীক্ষার আগে ২০ শতাংশ, আর বাকি ২০ শতাংশ তৃতীয় প্রফেশনাল পরীক্ষার আগে দিতে পারবেন। সরকারি ও বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে নতুন ভর্তিচ্ছুদের জন্য নীতিমালায় আরো বেশকিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। এবার ৩০০ নম্বরের পরিবর্তে ২০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

        স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, সবশেষ এইচএসসি ঊত্তীর্ণরা জীববিজ্ঞানসহ বেশ কয়েকটি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি।

        আর এসএসসির নম্বরের ভিত্তিতে এইচএসসিতে ফল প্রকাশ করা হয়েছে। তাই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল মিলিয়ে ২০০ নম্বরের স্কোরকে কমিয়ে ১০০ করা হয়েছে।

        স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রুবিনা ইয়াসমিন বলেন, এবার ইনস্টলমেন্টের মাধ্যমে বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ফি দিতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। এটা তাদের জন্য একটা বড় স্বস্তির জায়গা। এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো ইমপ্রুভমেন্ট থাকলেও ওরাও ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারবে। এটা একটা নতুন পরিবর্তন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ছাত্রলীগের হাতে নির্যাতিত হলেই সিট পেলেন রাবি শিবির সভাপতি

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৯ নভেম্বর, ২০২৪ ১২:২
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ছাত্রলীগের হাতে নির্যাতিত হলেই সিট পেলেন রাবি শিবির সভাপতি

          রাবি প্রতিনিধি: গত ৮ বছর আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের তৎকালীন ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে নির্যাতিত হন বর্তমান রাবি শাখা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আব্দুল মোহাইমিন। অবশেষে সেই হলেই এমফিলের শিক্ষার্থী হিসেবে আবাসিকতা পেয়েছেন তিনি।

          বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) রাতে হলে উঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে জানান। সেখানে তিনি নির্যাতনের বিষয়ে তুলে ধরেন।

          সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ৮ বছর আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে ঘটে যাওয়া নির্মম নির্যাতনের স্মৃতিগুলো আজও আমার মনে তাজা। সেদিন ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী তাণ্ডব, তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়ার নেতৃত্বে সেক্রেটারি ফয়সাল আহমেদ রুনুর ২২৯ নম্বর কক্ষে ঘটে যাওয়া নির্মমতার স্মৃতিগুলো আজও আমার মনে অমলিন। সেই ভয়াবহ রাত সেই নির্যাতনের রক্তাক্ত অধ্যায় আজও আমাকে তাড়া করেক।

          তিনি পোস্টে লিখেছেন, আজ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফলস্বরূপ ক্যাম্পাসগুলো ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী (নিষিদ্ধ) সংগঠন ছাত্রলীগের দখলমুক্ত। এই পরিবর্তন একদিনে আসেনি। অসংখ্য শিক্ষার্থীর সংগ্রাম, ত্যাগ, এবং সাহসের ফলেই ক্যাম্পাসগুলো আজ সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বাদ পাচ্ছে।

          ফেসবুক পোস্টে আরও বলেন, দীর্ঘ সময় পর সেই একই হলে নতুন পরিচয়ে ফিরেছি । এই নতুন স্বাধীনতার আলোয় বঙ্গবন্ধু হলে আবার ফিরে আসতে পেরে আমি আবেগে আপ্লুত। এমফিল শিক্ষার্থী হিসেবে এই হলে আমার জন্য বরাদ্দ হওয়া রুমটি আমার কাছে শুধু থাকার জায়গা নয়, বরং এটি অতীতের দুঃখকে জয় করার এবং ভবিষ্যতের জন্য নতুন এক অধ্যায় রচনা করার সুযোগ।

          বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও হলগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য শুধু থাকার জায়গা নয়, বরং এটি জ্ঞানচর্চা, একাডেমিক উন্নয়ন, এবং পারস্পরিক বন্ধুত্বের একটি নিরাপদ ক্ষেত্র। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও মননশীলতাকে বিকশিত করার জন্য এগুলো হওয়া উচিত সহিংসতামুক্ত ও শান্তির আশ্রয়।

          তবে আজ আমি শুধু আমার নিজের জন্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে যেন শিক্ষার্থীরা আর কখনো সহিংস রাজনীতি বা অন্যায় অত্যাচারের শিকার না হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য হলগুলো হবে জ্ঞানচর্চা ও বন্ধুত্বের নিরাপদ স্থান, ত্রাস ও বিভেদের নয়।

          প্রসঙ্গত, ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর গত ২৩ সেপ্টেম্বর প্রকাশ্যে আসেন রাবি শাখা ছাত্র শিবিরের এই সভাপতি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্ট্যাডিজ বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি এমফিল করছেন।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত