শিরোনাম
ওবায়দুল কাদেরের কললিস্ট থেকে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
ডেস্ক রিপোর্ট: ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালানোর মাস্টারমাইন্ড ওবায়দুল কাদের ঠিক কোথায় আছে তা নিয়ে যখন নতুন করে চলছে জল্পনা কল্পনা। ঠিক তখনই তার ব্যবহৃত সিমের লোকেশন ও কললিস্ট ট্র্যাক করে পাওয়া গেছে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য।
ক্ষমতায় থাকাকালীন বিলাসী ও সৌখিন এ নেতার সঙ্গে বিভিন্ন নায়িকা ও মডেলের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ছিল নিয়মিত ঘটনা। অনেক নায়িকার সঙ্গেই তার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে ব্যাপক গুঞ্জন ছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অবশ্য, প্রকাশ্যে সেগুলো নিয়ে কেউ কথা বলতে সাহস করতো না।
কিন্তু, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে সাবেক সড়ক যোগাযোযোগ ও সেতুমন্ত্রীকে নিয়ে। সবশেষ গেল ৫ আগস্টও দুপুর ২টা ৪২ মিনিটে ওবায়দুল কাদেরের ব্যক্তিগত ফোন নম্বরটির ফোন ট্র্যাক লোকেশন ছিল মোহাম্মদপুর।
এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত হলো তার একটি কললিস্ট।
ওই কললিস্ট অনুযায়ী ৫ আগস্ট আগে-পরে দুই মাসে অসংখ্য নম্বরে কথা বলেছেন। যেখানে অনেক নায়িকা ও মডেল অভিনেত্রীদের সাথে যোগাযোগ রাখার বিষয়টি উঠে এসেছে। ওই কললিস্ট অনুযায়ী নায়িকা কেয়া, মিস বাংলাদেশ ফারজানা, অ্যানজেনা এলিনসহ মডেল নায়িকারা যেমন আছেন। তেমনি ফোন দিয়েছেন ময়মনসিংহের নেত্রী কবিতাকেও।
ওবায়দুল কাদেরের ৫ আগষ্ট সহ আগের এবং পরবর্তী সময়ের কললিস্টের সিডিআর কপির আংশিক প্রকাশ করে সাংবাদিক জাওয়ার নির্ঝর। তবে এই সিডিআর কপি বের করেছেন সাংবাদিক মুনওয়ার আলম নির্ঝর।
জাওয়ার নির্ঝর ফেসবুকে এক পোস্টে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি ওবায়দুল কাদের কললিস্টের সিডিআর কপির আংশিক প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘এতো নম্বর যাচাই বাছাই করতে সময় লাগছে। নম্বরগুলো ট্রু কলারসহ বিভিন্ন মাধ্যমে যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। সেটাও মুনওয়ার আলম করছেন।’
তিনি আরও লিখেন, ‘ওবায়দুল কাদেরের কললিস্ট পর্যালোচনা করে দেখলাম, ফোনে সে কম কথা বলতো। কিন্তু তার ফোন লিস্টে নায়িকা মডেল অভিনেত্রীদের নম্বর কেনো? তাদেরকেও কি রাজনীতি শেখাতেন ওবায়দুল কাদের??’
এর আগে দেশের বিভিন্ন লোকেশনে ওবায়দুল কাদের আছেন বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিকবার খবর ছড়িয়ে পড়ে। কোথাও কোথাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযানও চালিয়েছে। তবে কোথাও মেলেনি তার খোঁজ। গুঞ্জন আছে, অন্যান্য নেতাদের মতো দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন ওবায়দুল কাদেরও। তিনিও ভারতে আছেন।
তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওবায়দুল কাদেরের ব্যবহৃত সিমের লোকেশন ও কললিস্ট ভাইরাল হয়েছে। তবে ওই কল লিস্টের সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। ভাইরাল ওই তালিকায় দেখা যায়, সর্বশেষ ৫ আগস্টের দিন দুপুর ২টা ৪২ মিনিটে তার ফোন ট্র্যাক লোকেশন ছিল মোহাম্মদপুর।
ওই তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোড ৪৭(২/৬) সর্বশেষ অবস্থান পাওয়া যায় ওবায়দুল কাদেরের। ওই তালিকায় দেখা গেছে, ওবায়দুল কাদের মোবাইল ফোনে খুব কম কথা বলতেন। দলীয় কার্যালয়, নিজের বাসা ছাড়া খুব বেশি স্থানে তার কল লোকেশন পাওয়া যায়নি।
‘যায়যায়দিন’ পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন বাতিল
ডেস্ক রিপোর্ট: দৈনিক ‘যায়যায়দিন’ পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন বাতিল করেছে সরকার। প্রকাশের ক্ষেত্রে নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে পরিপ্রেক্ষিতে পত্রিকাটির সাবেক সম্পাদক শফিক রেহমানের আবেদনের পর সরকার এই সিদ্ধান্ত নেয়।
বুধবার (১২ মার্চ) ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদের সই করা অফিস আদেশে এ তথ্য জানা যায়।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকাটি প্রকাশের জন্য যে অনুমোদিত প্রেস রয়েছে সেখান থেকে ছাপা হচ্ছে না, কিন্তু প্রিন্টার্স লাইনে মিথ্যা তথ্য দেওয়া হচ্ছে মর্মে শফিক রেহমান অভিযোগ জানিয়েছেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার পর এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় পত্রিকাটি মুদ্রণের ডিক্লেয়ারেশন বা ঘোষণাপত্র বাতিল করা হয়েছে।
আদেশ অনুযায়ী, দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকা প্রকাশে ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন, ১৯৭৩ এর ১০ ধারার লঙ্ঘন হয়েছে। এ কারণে ‘দৈনিক যায়যায়দিন’ পত্রিকার প্রকাশক ও মুদ্রাকর সাঈদ হোসেন চৌধুরীর নামে যে ঘোষণাপত্র ছিল তা বাতিল করা হয়েছে।
ফারজানা সিঁথিকে ধর্ষ’ণের হুমকি, কনটেন্ট ক্রিয়েটরের নামে মামলা
ডেস্ক রিপোর্ট: এবার সেই ফারজানা সিঁথি ধর্ষণের হুমকি পেয়ে মামলা করলেন খালেদ মাহমুদ হৃদয় খান নামের এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি ফেসবুক লাইভে এসে সিঁথিকে ধর্ষণের হুমকি দেন হৃদয়। সেইসঙ্গে নেটিজেনদেরও উদবুদ্ধ করেন।
বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার (১১ মার্চ) রাতে হৃদয়ের নামে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন সিঁথি। খবরটি সংবাদমাধ্যমকে সিঁথি নিজেই নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘২৭ ফেব্রুয়ারি হৃদয় ফেসবুক লাইভে এসে আমাকে ধর্ষণের হুমকি দেন। পাশাপাশি আমার জীবন যাপন, চলাফেরা, পোশাক আশাক নিয়ে নোংরাভাবে কথা বলে। সেইসঙ্গে আমাকে ধর্ষণ করলে তিনি পুরস্কার দেবেন বলেও ঘোষণা দেন।’
এরপর বলেন, ‘লাইভটি তখন দেখিনি। সম্প্রতি নজরে আসে আমার। এ অবস্থায় তার ওই লাইভ অনেকেই দেখেছেন। ফলে বিষয়টি আমার জন্য হুমকিস্বরূপ। আমি অনিরাপদ বোধ করছি। সেকারণে গতকাল মঙ্গলবার শেরে বাংলা নগর থানায় গিয়ে মামলা করি।’
বলে রাখা ভালো, সম্প্রতি পাগলের বেশ ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বানিয়ে নারীদের প্রতি অশালীন অঙ্গভঙ্গি ও মন্তব্য ছড়ানোর অভিযোগে হৃদয়কে গ্রেপ্তার করেন পুলিশ।
বিষয়টি উল্লেখ করে সিঁথি বলেন, ‘ওনাকে আপনারা চিনবেন, সম্প্রতি সাভার থানা তাকে গ্রেপ্তার করেছে সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য। আমি তার নামে একটি এফআইআর দায়ের করেছি ধর্ষণের হুমকি ও মানহানির জন্য। যারা মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চায়, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা উচিত।’
এবার প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে ২০ বছরের যুবককে ধর্ষ’ণের অভিযোগ
ডেস্ক রিপোর্ট: নারায়ণগঞ্জে রাস্তা থেকে ডেকে নিয়ে ২০ বছরের এক যুবককে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত শনিবার নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার শাহী মসজিদ পল্লী বিদ্যুৎ রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ধর্ষণের শিকার ওই যুবকের মা বাদী হয়ে গতকাল মঙ্গলবার রাতে বন্দর থানায় মামলা করেছেন।
মামলার আর্জিতে উল্লেখ করা হয়, তার ছেলে সহজ-সরল প্রকৃতির। গত শনিবার রাতে যুবকটি বাড়ির সামনের রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় প্রতিবেশী ওই ব্যক্তি জরুরি কথা আছে বলে তাকে ডেকে বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করেন।
বিষয়টি কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী যুবক বিষয়টি পরিবারকে জানালে বন্দর থানায় মামলা করা হয়।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পলাতক সাঈদকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
ট্যাক্স বাড়িয়ে সিগারেটের ব্যবহার কমানোর ধারণা ব্যর্থ হয়েছে: প্রেস সচিব
ডেস্ক রিপোর্ট: ট্যাক্স বাড়িয়ে সিগারেটের ব্যবহার কমানোর ধারণা কাজ করছে না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
বুধবার (১২ মার্চ) রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) কার্যালয়ে আসন্ন ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে তামাক পণ্যের কার্যকর কর ও মূল্য বৃদ্ধি বিষয়ক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।
শফিকুল আলম বলেন, ট্যাক্স বাড়িয়ে দিলে সিগারেটের ব্যবহার কমে যাবে। এজন্য গত ২০ বছর ধরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চাপ দেয়া হচ্ছে। কিন্তু এই ধারণা কাজ করছে না।
হুট করে সিগারেট ব্যবহার বন্ধ করা সম্ভব নয় জানিয়ে তিনি বলেন, তামাকবিরোধী সংস্থাগুলো সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি না করে এনবিআরকে ভ্যাট বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে তামাক ব্যবহার কমানোর চেষ্টা করেছে; যা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
তামাকবিরোধী কার্যক্রমে সব সংস্থা ব্যর্থ হয়েছে বলেও জানান প্রেস সচিব। তিনি বলেন, দেশকে তামাকমুক্ত করতে নতুন ধারণা দরকার। এজন্য সবাই সচেতন থেকে দেশব্যাপী প্রচারণা চালাতে পারলে সিগারেট ব্যবহারে আমূল পরিবর্তন আসতে পারে।
উত্তম বিকল্প না ভেবে তামাক চাষিদের তামাক উৎপাদনে নিরুৎসাহিত করা সম্ভব নয় বলেও জানান শফিকুল আলম।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য