শিরোনাম
চাঁদাবাজির সংবাদ প্রকাশ, খেপলেন জবি ট্রেজারার
জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ক্যাম্পাস ও এর আশপাশে ছিনতাই ও চাঁদাবাজি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ। এমন সংবাদ প্রকাশ করার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাংবাদিকদের আলোচনা করে নেয়ার কথা বলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) দুপুরের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে একটি অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচকের বক্তব্যের শুরুতে অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, ‘আমি একটি নিউজ দেখলাম আজ, প্রক্টরকে পাঠিয়েছি। কারা চাঁদা উঠাবে, এখানে রিকশা থামিয়ে ইয়ে করবে। আমি জানিনা। আমি সাংবাদিককে বলবো, এগুলো নিউজ করার আগে অন্ততপক্ষে ছাত্রলীগের যারা নেতৃবৃন্দ আছে, প্রক্টর আছে তাদের সঙ্গে আলোচনা করে যেন নিউজটা করা হয়। কারণ এটাও একটা বস্তুনিষ্ঠ হতে হবে। আমি একটা নিউজ করে দিলাম যে, ছাত্রলীগের নেতারা এখান থেকে চাঁদা উঠায় রিকশা থামিয়ে। এগুলো কারা করে আমাদের তা জানতে হবে, বের করতে হবে। যাই হোক আমরা এটা কোনোভাবে দিবোনা। এখন ছাত্রলীগের যে সুনাম আছে সেই সুনামটা ধরে রাখতে হবে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ প্রিন্ট ও অনলাইনে ‘রাতে ছাত্র, দিনে ছিনতাইকারী’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এই চক্রের সদস্যদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। একজনের নাম সাজবুল ইসলাম। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ও বিভাগ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। এর আগে সে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে ‘ফাও’ খেতে গিয়ে বাধা দেওয়ায় ম্যানেজার কে মারধর করে রক্তাক্ত করে। ছাত্রলীগের প্রভাব খাটিয়ে বিচার করতে দেয়া হয়নি বলে জানা যায়। এছাড়া নানা সময়ে তার বিরুদ্ধে একাধিক নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে ‘অসৌজন্যমূলক’ আচরণের অভিযোগ রয়েছে। বাকি দু’জন অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ও বিভাগীয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর মুকিত ও বিভাগীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি মৃদুল হাসান। সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
তারা বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের মারধর, হুমকি এবং ক্যাম্পাস সংলগ্ন দোকান, বাসস্ট্যান্ড থেকে চাঁদা দাবিসহ নানা অপকর্মে জড়িত।
এদের সঙ্গে একই শিক্ষাবর্ষের আরও অন্তত চার-পাঁচজন সহযোগী রয়েছে বলে জানায় এসব সূত্র। যেখানে মধ্যরাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ফটকের সামনের এলাকায় পথচারীদের টেনে বাসের আড়ালে নিয়ে টাকা ও মোবাইল ছিনতাই এবং বাহাদুর শাহ পার্ক এলাকায় ট্রাকচালকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের ঘটনা তুলে ধরা হয়। এই সংবাদে এসব ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনের নাম পরিচয়ও তুলে ধরা হয়। যারা সবাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিভাগীয় ছাত্রলীগের পদধারী নেতা।
বেরোবি'র ইতিহাস ও প্রত্নতত্ব বিভাগে অভিনব কায়দায় মঞ্চ নাটকের মাধ্যমে প্রেজেন্টেশন
পুলক আহমেদ, বেরোবি প্রতিনিধি: রংপুরের বেগম বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি)ইতিহাস ও প্রত্নতত্ব বিভাগের আয়োজনে অভিনব পদ্ধতিতে মঞ্চনাটক মাধ্যমে প্রেজেন্টেশন প্রদর্শন করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১০আগস্ট) বিকেল তিনটায় কবি হেয়াত মামুদ ভবনের ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে কোর্স শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক সোহাগ আলীর পরিচালনায় মঞ্চনাটকের মাধ্যমে প্রেজেন্টেশনের আয়োজন করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিল বিভাগের প্রভাষক রবিউল ইসলাম এবং বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা প্রেজেন্টেশনের আদলে মঞ্চনাটকটির আয়োজন করে ইতিহাস ও প্রত্নত বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা। তারা তাদের পূর্ব এশিয়ার ইতিহাস ইতিহাস (৪১০৩)কোর্সের অংশে ব্যবহারিক বাস্তব জ্ঞান অর্জনের জন্য অভিনব পদ্ধতিতে মঞ্চ নাটকের আয়োজন করেন। তাদেরকে প্রায় ৬৫ জনের মধ্যে নয়টি গ্রুপে বিভক্ত করে পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশ জাতির ইতিহাস ঐতিহ্য আলোকে বিশেষ করে চীন, জাপান,মঙ্গোলিয়া, কোরিয়ার, রাজনীতি অর্থনীতি, ভৌগোলিক, বিভিন্ন সম্রাজ্যবাদী আন্দোলন, জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ইত্যাদি আলোচনার বিষয় ছিল।গ্রুপ নয়টি ছিল পূর্ব এশিয়ার ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক গুরুত্ব, ক্যান্টন বাণিজ্য, আফিম যুদ্ধ, অসম চুক্তি,মেইজি রেস্টোরেশনের প্রেক্ষাপট, জাপানের পরিবর্তন, সংবিধান,কোরিয়া যুদ্ধ ও বিভক্তি,তাইওয়ান রাষ্ট্র তৈরির প্রেক্ষাপট, অর্থনৈতিক পরিবর্তন,মোগলিয়ার ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব, হংকং এর অর্থনীতি, ম্যাকাও,সান ইয়াৎ সেন, মাও সে তুং, লং মার্চ। চীনের জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও জাপানের সাম্রাজ্যেবাদী মনোভাব, সামুরাই।

মঞ্চ নাটক দেখতে আসা মাস্টার্সের শিক্ষার্থী স্বপন মাহমুদ বলেন, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব সোহাগ আলী স্যারের আওতাধীন একটি কোর্সের প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠিত হলো, যেটি ছিল ছোট নাটকের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। উপস্থাপনায় সকলেই যেন চরিত্রে ডুকে গিয়েছিল, বুধ করে রেখেছিল দর্শকদের। ইতিহাসের বিষয়গুলো নিয়েও যে নাটক, সংলাপ করা যায় সেটির জীবন্ত উদাহরণ আজকের এই প্রেজেন্টেশন অর্থাৎ নাটকের মাধ্যমে উপস্থাপনা। সত্যিই প্রশংসনীয় উদ্যোগ, সাধুবাদ জানাই এবং ভবিষ্যতে এরকম আয়োজন বড় আকারে দেখার তীব্র আশঙ্কা প্রকাশ করছি।
প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী প্রদীপ কুমার বলেন,বইয়ের বাইরে এসে আমরা এই নাটকের মাধ্যমে অনেক কিছু শিখতে পারলাম, জানতে পারলাম আমাদের অনেক ভালো লাগতেছে।
ইতিহাস ও প্রত্নতত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং কোর্স শিক্ষক সোহাগ আলী বলেন,পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশের ঔপনিবেশিক শাসন, সাম্রাজ্যবাদী আন্দোলন,জাতীয়তাবাদী আন্দোলন এগুলো আমরা ক্লাসে পরিয়েছি, সেই বিষয় গুলোকে অর্থাৎ ইতিহাস কে যে ভিন্ন ভাবে শেখানো যায় সেটাই মঞ্চায়নের মাধ্যমে আমরা তুলে ধরার চেষ্টা করতেছি।এখানে বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা আসতেছে এবং অনুপ্রাণিত হচ্ছে এবং শিখতেছে ইতিহাসকে কিভাবে ভিন্ন ভাবে শেখা যায় তারই একটা চেষ্টা করতেছি।
বাকৃবিতে এগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগের সনদ বিতরণী অনুষ্ঠিত
বাকৃবি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) 'স্ট্যাটিসটিক্যাল প্যাকেজ ফর এমএস স্টুডেন্টস ইন এগ্রিকালচার' শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সনদ বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগের সম্মেলনে কক্ষে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. আরিফ হোসেন খান রবিনের সভাপতিত্বে ও বিভাগের প্রভাষক উম্মে সুমাইয়া শাম্মীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. আবু হাদী নূর আলী খান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের 'এগ্রোমেটিওরোলজিক্যাল ইনফরমেশন সিস্টেমস ডেভেলপমেন্ট' প্রজেক্টের প্রধান শাহ কামাল খান। এছাড়া ছাত্র বিষয়য়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলামসহ এগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ ও প্রশিক্ষণ কর্মশালার প্রশিক্ষণার্থীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে স্নাতকোত্তর অধ্যয়নরত ৪৬ জন শিক্ষার্থীদের জন্য কৃষিজ স্ট্যাটিক্যাল প্যাকেজ প্রশিক্ষণ আয়োজন করে এগ্রোমেটেরিওলজি বিভাগ। এর মধ্যে জুলাই সেশনে ২৫ জন ও আগস্ট সেশনে ২১ জন অংশগ্রহণ করেন। প্রতি সেশনে ৮ দিনব্যাপী কর্মশালায় মিনিট্যাব, আর ও এসপিএসএস বিষয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
এসময় অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক চৌধুরী বলেন, কৃষি আবহাওয়া বিভাগ চালু করতে বাকৃবিকে পছন্দ করায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। এটি একটি জীবন ঘনিষ্ঠ প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান চর্চার মাধ্যমে অব্যাহত রাখতে হবে। । পরবর্তীতে উচ্চতর প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয় সহায়তা করবে।
কুবিতে সংবাদকর্মীদের পঞ্চম দিনের মতো অবস্থান, অনড় প্রশাসন
কুবি প্রতিনিধি: সংবাদ প্রকাশের জেরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার প্রতিনিধি ও ইংরেজি বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী ইকবাল মনোয়ারকে আইনবহির্ভূত বহিষ্কার প্রত্যাহারের দাবিতে পঞ্চম দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকবৃন্দ।
বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) বিকাল ৩ টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান করেন তারা। অবস্থান কর্মসূচিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মুহা. মহিউদ্দিন মাহি এবং সাধারণ সম্পাদক আহমেদ ইউসুফ আকাশের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিনিধি জান্নাতুল ফেরদৌস, দৈনিক শেয়ার বীজের প্রতিনিধি শাহীন আলম,মানবকণ্ঠের প্রতিনিধি জুবায়ের রহমান দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিনিধি মো. হাবিবুর রহমান, মানবজমিনের প্রতিনিধি সাঈদ হাসান, ভোরের ডাক প্রতিনিধি রকিবুল হাসান, দৈনিক আনন্দবাজারের প্রতিনিধি চাঁদনী আক্তার, দেশ রূপান্তরের প্রতিনিধি নাঈমুর রহমান রিজভী, দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি মানসুর আলম, আমাদের নতুন সময়ের প্রতিনিধি হাসান আল মাহমুদ, আজকের দৈনিকের প্রতিনিধি তুষার ইমরান,বাংলাভিশনের প্রতিনিধি মুরাদুল মুস্তাকিম, স্বদেশ প্রতিদিনের প্রতিনিধি মোহাম্মদ রাজীব, রাইজিং বিডি প্রতিনিধি হেদায়েতুল ইসলাম নাবিদ, অধিকারপত্রের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম ও ডেইলি দর্পনের প্রতিনিধি হোসাইন মোহাম্মদ ।
প্রসঙ্গত, গত ৩১শে জুলাই উপাচার্যের বক্তব্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় ২ আগস্ট সাংবাদিক সমিতির অর্থ সম্পাদক ও যায়যায়দিনের প্রতিনিধি ইকবাল মনোয়ারকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বশেমুরবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের অনশন-আন্দোলন; একাডেমিক-প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ!
রাসেল হোসেন, বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন। শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোন সমাধান না আসায় বুধবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যা থেকে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবন অবরুদ্ধ করে অনশনে করছেন। পরে প্রক্টরের অনুরোধে আন্দোলনস্থল পরিবর্তন করে আজ বৃহষ্পতিবার প্রশাসনিক ভবনের সামনে অনশন-অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, তিন বছর ধরে বিভাগের শিক্ষক সংকট ভুগছি,দুইজন শিক্ষক দিয়ে একটা বিভাগ চলছে। এতে আমাদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে।
তারা আরও বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষক নিয়োগের জন্য উপাচার্য, শিক্ষক পরিষদ আবেদন করেলেও এখন পর্যন্ত কোন প্রতিকার পাননি। তাই তারা তাদের দাবি আদায়ে অনশনে বসেছেন। শিক্ষক নিয়োগের অঙ্গীকার হিসেবে যদি শিক্ষামন্ত্রী কিংবা ইউজিসির স্বাক্ষরিত কোন পত্র আসে তাহলেই কেবল তারা আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়াবেন অন্যথায় শিক্ষক নিয়োগ না হলে তারা আরো কঠোর আন্দোলনে যাবেন। এদিকে রাতভর অনশনে থেকে ৯ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাতেই অনশনরত শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন বশেমুরবিপ্রবি প্রেসক্লাব। একাত্মতা প্রকাশ করে সংগঠনটির সভাপতি বলেন, "এই সংগঠনের সবাই শিক্ষার্থী। তাই শিক্ষার্থীদের ন্যায্য আন্দোলনে আমরা একাত্মতা প্রকাশ করছি।" এ সময় বিভিন্ন বিভাগ, শিক্ষক ও সংগঠনকে একাত্মতা প্রকাশের অনুরোধ জানান তিনি।
আজ সকালে অনশনস্থলে এসে একাত্মতা প্রকাশ করেন একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ,ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মোঃ মোবারক হোসেন।
ঢাকায় অবস্থান করা প্রক্টর ড. মোঃ কামরুজ্জামান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলে আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে আন্দোলনের স্থান পরিবর্তনের অনুরোধ জানান। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবন থেকে আন্দোলনস্থল স্থানান্তরিত করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অনশন-অবস্থান করছেন।
এর আগে সকালে হাসপাতালে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের দেখতে যান প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য। এদিকে আন্দোলনের কারণে বন্ধ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য