The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
শনিবার, ১৩ই এপ্রিল, ২০২৪

চবির ‘ডি’ ইউনিটে পাসের চেয়ে ফেল বেশি, ফেল ২৬ হাজার ৭১৩ জন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে গত কাল রাতে। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে পাসের থেকে ফেলের সংখ্য দ্বিগুনেরও বেশি। ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষায় মোট ফেল (অকৃতকার্য) করেছেন ২৬ হাজার ৭১৩ জন। অন্যদিকে পাস করেছেনে অর্ধেকেরও কম ৩২ দশমিক ৮৩ শতাংশ। যা সংখ্যায় দাড়ায় ১৩ হাজার ৫৭ জনে।

শনিবার (২৭ মে) রাত সোয়া ৮টায় ফল প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেল। এ ব্যাপারে ‘ডি’ ইউনিট ভর্তি কমিটির সমন্বয়ক ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক সিরাজ উদ দৌল্লাহ বলেন, ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে ১৩ হাজার ৫৭ জন পাস করেছেন।

প্রসঙ্গত, গত ২২ ও ২৩ মে সমাজবিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। ১০০ নম্বরের বহুনির্বাচনি পদ্ধতিতে পরীক্ষা হয়। জিপিএর ওপর যোগ করা হয় আরও ২০ নম্বর। মোট ১২০ নম্বরের ওপর ফল তৈরি করা হয়। প্রতিটি ভুল নম্বরের জন্য কাটা হয় দশমিক ২৫ নম্বর। দ্বিতীয় বার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মোট নম্বর থেকে ৫ নম্বর কেটে নেওয়া হয়।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

  1. প্রচ্ছদ
  2. পরীক্ষা ও ফালাফল
  3. চবির ‘ডি’ ইউনিটে পাসের চেয়ে ফেল বেশি, ফেল ২৬ হাজার ৭১৩ জন

চবির ‘ডি’ ইউনিটে পাসের চেয়ে ফেল বেশি, ফেল ২৬ হাজার ৭১৩ জন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে গত কাল রাতে। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে পাসের থেকে ফেলের সংখ্য দ্বিগুনেরও বেশি। ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষায় মোট ফেল (অকৃতকার্য) করেছেন ২৬ হাজার ৭১৩ জন। অন্যদিকে পাস করেছেনে অর্ধেকেরও কম ৩২ দশমিক ৮৩ শতাংশ। যা সংখ্যায় দাড়ায় ১৩ হাজার ৫৭ জনে।

শনিবার (২৭ মে) রাত সোয়া ৮টায় ফল প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেল। এ ব্যাপারে ‘ডি’ ইউনিট ভর্তি কমিটির সমন্বয়ক ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক সিরাজ উদ দৌল্লাহ বলেন, ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে ১৩ হাজার ৫৭ জন পাস করেছেন।

প্রসঙ্গত, গত ২২ ও ২৩ মে সমাজবিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। ১০০ নম্বরের বহুনির্বাচনি পদ্ধতিতে পরীক্ষা হয়। জিপিএর ওপর যোগ করা হয় আরও ২০ নম্বর। মোট ১২০ নম্বরের ওপর ফল তৈরি করা হয়। প্রতিটি ভুল নম্বরের জন্য কাটা হয় দশমিক ২৫ নম্বর। দ্বিতীয় বার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মোট নম্বর থেকে ৫ নম্বর কেটে নেওয়া হয়।

পাঠকের পছন্দ

মন্তব্য করুন