কৃষি গুচ্ছের ৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন ফাঁকা, ভর্তির শেষ সময় ২৯ মার্চ

২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত ৭টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪টিতে কিছু সংখ্যক আসন এখনো ফাঁকা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ফাঁকা আসনে ভর্তির জন্য প্রার্থীদের আহ্বান জানানো হয়েছে। আগামী ২৯ মার্চ পর্যন্ত আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে ভর্তি হতে পারবেন।

রবিবার (২৭ মার্চ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম তালুকদার এসব তথ্য জানিয়েছেন।

আসন ফাঁকা থাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৪টি হলো- পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, তালিকায় থাকা ৪টি বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া কৃষি গুচ্ছের বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সবগুলো আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি শেষ হয়েছে। এ ৪টিতে সীমিত সংখ্যক আসন ফাঁকা থাকায় নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য আহ্বান করা হয়েছে। আগামী ২৯ মার্চ পর্যন্ত ভর্তি চলবে।

এদিকে, কৃষিগুচ্ছের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষায় ৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে সীমিত সংখ্যক আসন শুন্য হওয়ায় সেগুলোতে ভর্তিচ্ছুক সাধারণ অপেক্ষমান তালিকার মেধাক্রম ২০১৯ হতে ২৫১৭ পর্যন্ত প্রার্থীদেরকে ভর্তির জন্য আহ্বান করা হয়েছে।

ভর্তি জন্য আগামী ২৯ মার্চের মধ্যে ঢাকাস্থ শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সশরীরে উপস্থিত হতে হবে। উপস্থিত প্রার্থীদের মধ্য হতে মেধা ও অপশনের ভিত্তিতে শূন্য আসনসমূহে তাৎক্ষণিকভাবে ভর্তি সম্পন্ন করা হবে। প্রার্থীদেরকে ভর্তির জন্য নির্ধারিত পরিমাণ ভর্তি ফি, মূল ট্রান্সক্রিপ্ট ও প্রশংসাপত্র সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে।

কৃষি গুচ্ছের ৭টি বিশ্ববিদ্যালয় হলো- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

গত বছরের ২৭ নভেম্বর ৭টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৭টি কেন্দ্রে ৩ হাজার ৪১৯টি আসনের বিপরীতে ৩৪ হাজার ৮৪৬ জন শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। এরপর ০১ ডিসেম্বর ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।