শিরোনাম
কুবিতে ১০৪ আসন ফাঁকা, বাড়লো ভর্তির সময়সীমা
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) স্নাতক ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একের পর এক মেধাতালিকা দিয়েও আসন ফাঁকা রয়েছে ১০৪ টি। যা বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট আসনের ১০ ভাগ।
পূর্বঘোষিত নির্দেশনা অনুযায়ী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলার কথা থাকলেও ফের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছেন ‘বি’ ইউনিটের আহবায়ক অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম।
রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, মোট ১০৪ টি আসনের মধ্যে ‘এ’ ইউনিটের ১১ টি আসন, ‘বি’ ইউনিটের ৮৪ টি আসন এবং ‘সি’ ইউনিটে ৯ টি আসন খালি রয়েছে। মূলত আসন ফাঁকা থাকায় কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটি আবারও ভর্তির সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৩০ মার্চের পর আর কোন মেরিট লিস্ট প্রকাশ করা হবে না বলে জানিয়েছিল প্রশাসন। আসন ফাঁকা থাকলেও ফাঁকা আসন নিয়েই শিক্ষা কার্যক্রম চলবে বলে সেসময় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে ১০ শতাংশের বেশি আসন ফাঁকা থাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নতুন করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম।
তিনি বলেন, আসন ফাঁকা থাকায় ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ভর্তির সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এদিকে আজ বুধবার (৩০ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে নবীনবরণ থেকে বঞ্চিত হবেন নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা।
নবীনবরণের আয়োজক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা কার্যালয়ের পরিচালক ড. মোহা. হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি তিনদিন আগে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সবেমাত্র। এছাড়া প্রতিটি বিভাগই নবীনবরণ করেছে। আমি একটা ট্রেন্ড চালু করতে চাই আজকের নবীনবরণের মধ্য দিয়ে যাতে করে প্রতি বছরই এটা চালু থাকে।
শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন বই পড়ার অভ্যাস করার আহ্বান
শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন নিয়ম করে বই পড়ার অভ্যাস করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান।
মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী কলেজে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও নবীনবরণ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, জ্ঞান-বিজ্ঞানের চেতনায় বিকশিত হওয়ার জন্য প্রতিটি শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন ৬-৮ ঘণ্টা লাইব্রেরিতে ও নিজের পড়ার টেবিলে বই পড়ায় সময় ব্যয় করতে হবে। যদি সেটি না করা হয় তবে দুটি মানুষকে রক্তাক্ত করা হবে। একটি নিজেকে, আরেকটি দেশকে।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে উপাচার্য মশিউর রহমান বলেন, গত ৫০ বছরে কী হয়েছে, না হয়েছে সেই হিসাব করে লাভ নেই। যদি পৃথিবীতে টিকে থাকতে হয় ও এ সমাজে মানুষের মতো বাঁচতে হয় তাহলে আগামী ৫০ বছরে তোমাদের হাত দিয়ে গোটা সমাজ কাঠামোকে বদলে ফেলতে হবে। এক্ষেত্রে অধ্যবসায়ের বিকল্প নেই। এরমধ্যে নিরলস ডুবে থাকতে হবে।
প্রিয় মাতৃভূমিকে অন্য কেউ এসে সাজিয়ে দেবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ অগোছালো সমাজে যতদিন বাস করবো, ততদিন নিজেরাই অগোছালো থাকবো। তোমাদের হাত দিয়ে বাংলাদেশটিকে সোনায় মুড়িয়ে, সবুজে শ্যামলে ভরিয়ে দিতে হবে। তারপর নিজেদের মতো করে মানুষের মতো মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকতে হবে। এজন্য বিজ্ঞান, পরিকল্পনা ও সততা দরকার। দুর্নীতির বিরুদ্ধে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা দরকার। তোমাদের মধ্যে যেন দুর্নীতি-অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ছবি ভেসে ওঠে। তোমাদের ছবিতে যেন মা, মাতৃভূমি সবুজ-শ্যামল বাংলা ভেসে ওঠে এ প্রত্যাশা রইলো।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন কারাগারে ছিলেন, তখন তার মনে সন্তানের চিন্তায় থাকার কথা। কিন্তু বঙ্গবন্ধু সেদিন সেই শিশুপুত্রের যে অবয়ব তার বদলে তিনি অন্য একটি মানচিত্র এঁকেছেন। তার বদলে কারাগারে নির্যাতন সয়ে বাংলার মুক্তিগাঁথা এঁকেছেন। আমাদের জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংগীত ও জাতীয় মুক্তির পথ রচনা করেছেন।
সিদ্ধেশ্বরী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শেখ জুলহাস উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন, অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন, বিশেষ অতিথি ছিলেন সিদ্ধেশ্বরী কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সাবেক সচিব ভুঁইয়া সফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
দুই বিসিএস থেকে নিয়োগের সুপারিশ পেলেন ৮৮৩
৪২তম বিশেষ বিসিএস থেকে ৫৩৯জন চিকিৎসক ও ৩৮তম বিসিএস থেকে ৩৪৪ জনকে নন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন পিএসসি। আজ মঙ্গলবার এক সভা শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পিএসসি জানায়, ৪২তম বিসিএস থেকে প্রথম শ্রেণির নবম গ্রেডে ও ৩৮তম বিসিএস থেকে ১০ম গ্রেডে ৩২০ ও ১১ নম্বর গ্রেডে ২৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।
সংসদে শিক্ষামন্ত্রী বরেণ্য শিক্ষাবিদেরা উপাচার্য হতে আগ্রহী হন না
শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, বরেণ্য শিক্ষাবিদদের অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী হন না।
দলীয় বিবেচনার বাইরে গিয়ে প্রকৃত শিক্ষাবিদদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়ার দাবি উঠেছে জাতীয় সংসদে। আজ মঙ্গলবার একটি বিল পাসের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দলের দুজন সদস্য এই দাবি জানান। তাঁরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে সমালোচনা করেন। এর জবাবে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ওই মন্তব্য করেন।
আজ ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিল-২০২২’ জাতীয় সংসদে তোলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
বিল পাসের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপির সাংসদ হারুনুর রশীদ বলেন, একের পর এক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হচ্ছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থা কী। উপাচার্যরা বিদায় নিচ্ছেন, পুলিশ প্রহরায় তাঁদের ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে হচ্ছে। সম্প্রতি রুয়েটের উপাচার্যকে নিয়ে কলঙ্কজনক তথ্য এসেছে। তিনি প্রকৃত শিক্ষাবিদদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য নিয়োগ করার দাবি জানান।
জাতীয় পার্টির সাংসদ মুজিবুল হক বলেন, আগে উপাচার্যদের কথা শুনলে শ্রদ্ধায় মাথানত হয়ে আসত। এখন তাঁদের দুর্নীতির খবর শুনে লজ্জায় মাথানত হয়ে আসে। তাঁরা পরিবারের সদস্যদের নিয়োগ দিচ্ছেন, দুর্নীতি করছেন। তিনি দলীয় বিবেচনার বাইরে গিয়ে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানান।
বিএনপির সাংসদ রুমিন ফারহানা বলেন, একটার পর একটা বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে। কিন্তু কর্মসংস্থান তৈরিতে এসব বিশ্ববিদ্যালয় ন্যূনতম ভূমিকা রাখছে না। তিনি বলেন, এখন সরকারি চাকরি লোভনীয়, সন্দেহ নেই। দেড়–দুই বছর আগেও বিসিএস নিয়ে এত উন্মাদনা ছিল না। কারণ শিক্ষিত তরুণদের এখনকার তুলনায় ভালো চাকরির সুযোগ তখন বেশি ছিল।
বিরোধী সদস্যদের বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যকলাপ নিয়ে কিছু কিছু সমালোচনা আছে। যেগুলোর সত্যতাও আছে এবং সেগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হচ্ছে। কিন্তু ঢালাওভাবে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে নিয়ে মন্তব্য করা সমীচীন নয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের জন্য যখন প্যানেল প্রস্তুত করে পাঠানো হয়, তখন কিছু বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে তালিকা করা হয়। তাঁদের একাডেমিক একসিলেন্স, গবেষণাকর্ম, বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছেন কি না এসব দেখা হয়। উপাচার্য শুধু একাডেমিক দিক দেখেন না, নেতৃত্ব দেওয়ার গুণাবলিও জরুরি। একই সঙ্গে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছেন কি না, সেটাও দেখা হয়। এসব বিবেচনায় যাঁদের সবচেয়ে ভালো মনে করা হয়, তাঁদের নাম প্রস্তাব করা হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বরেণ্য শিক্ষকেরা আছেন, যাঁদের উপাচার্য হিসেবে পেলে গর্ব অনুভব করতাম। কিন্তু তাঁদের অনেকেই এ প্রশাসনিক দায়িত্ব নিতে আগ্রহী হন না। আমরা চাইলেও সবচেয়ে ভালো কেউ আগ্রহী হবেন, তেমন নয়।’
শিক্ষামন্ত্রীর এ বক্তব্যের জবাবে বিএনপির সাংসদ হারুন বলেন, আস্থার সংকট এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নেই বলে বরেণ্য শিক্ষাবিদেরা উপাচার্য হতে আগ্রহী হন না।
পরে কণ্ঠভোটে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিল-২০২২’ সংসদে পাস হয়। এর আগে বিলের ওপর দেওয়া সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।
বিলে বলা হয়েছে, পিরোজপুর সদরে এ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য এক বা একাধিক ইনস্টিটিউট স্থাপন করা যাবে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নতুন এ আইন করা হয়েছে।
বিলে আরও বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি চার বছর মেয়াদের জন্য দুজন সহ-উপাচার্য নিয়োগ করবেন, যাঁদের একজন একাডেমিক এবং আরেকজন প্রশাসনিক কার্যক্রম দেখবেন।
মুক্তিযোদ্ধার উত্তরাধিকারী ১৪৯৭ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিচ্ছে ভারত
বাংলাদেশের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ভারত সরকার প্রতিবছর মুক্তিযোদ্ধার উত্তরাধিকারীদের বৃত্তি প্রদান করে। চলতি বছর ১ হাজার ৪৯৭ জন শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পাচ্ছেন। ২৭ মার্চ ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভারত সরকার ২০০৬ সালে মুক্তিযোদ্ধার উত্তরাধিকারীদের জন্য ‘মুক্তিযোদ্ধা বৃত্তি প্রকল্প’ শুরু করেছিল। প্রাথমিকভাবে উচ্চমাধ্যমিক এবং স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা হয়েছিল। স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর ২৪ হাজার টাকা করে ৪ বছর এবং উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের ১০ হাজার টাকা করে ২ বছর বৃত্তি হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। কোভিড-১৯ মহামারির সময়ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশ সফরের ধারাবাহিকতায় এই বৃত্তি অব্যাহত ছিল। এটি বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণ ও সরকারের সঙ্গে বন্ধুত্বের প্রতি ভারতের সরকার ও জনগণের চিরস্থায়ী অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
২০১৭ সালের এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে বর্তমান বৃত্তি প্রকল্প ঘোষণা করা হয়। নতুন বৃত্তি প্রকল্পের অধীন পরবর্তী ৫ বছরে ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে এই বৃত্তি দেওয়া হবে। উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ২০ হাজার টাকা এবং স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ৫০ হাজার টাকা করে বৃত্তির পরিমাণ ধার্য করা হয়। এখন পর্যন্ত ১৯ হাজার ৮২ জন শিক্ষার্থী এই প্রকল্পের আওতায় উপকৃত হয়েছেন এবং এ লক্ষ্যে ৪৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। ভারত সরকার ২০২২-২৩ সাল থেকে আরও ৫ বছরের জন্য বৃত্তি প্রকল্পটি নবায়ন করেছে।
চলতি বছর উচ্চমাধ্যমিক এবং স্নাতক পর্যায়ের মোট ১ হাজার ৪৯৭ জন শিক্ষার্থী (৫০১ জন উচ্চমাধ্যমিক ও ৯৯৬ জন স্নাতক পর্যায়ের) এই প্রকল্পের আওতায় বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের সব এলাকা থেকে শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করতে ব্যাপক সহযোগিতা করেছে। ডিরেক্ট ব্যাংক ট্রান্সফার (ডিবিটি) পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বৃত্তির সমপরিমাণ টাকা সরাসরি জমা হবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য