ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

শুক্র-শনিবারও থাকবে কারফিউ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৬ জুলাই, ২০২৪ ১০:৯
নিজস্ব প্রতিবেদক
শুক্র-শনিবারও থাকবে কারফিউ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, শুক্রবার ও শনিবার ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জে কারফিউ বহাল থাকবে। তবে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত তা শিথিল করা হবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) রাতে মন্ত্রীর ধানমন্ডির বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।

আসাদুজ্জামান খান জানান, আন্দোলনে নাশকতার সঙ্গে জড়িত সবাই গ্রেপ্তার হওয়ার আগ পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর চিরুনি অভিযান চলবে।

বুধবার (২৪ জুলাই) থেকে দিনের নির্দিষ্ট সময়ে কারফিউ শিথিল করে চার ঘণ্টা সরকারি-বেসরকারি সব অফিসের কার্যক্রম চালু করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবারও ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর এবং নরসিংদী জেলায় কারফিউ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিথিল থাকে। আর বাকি জেলাগুলোর কারফিউ শিথিলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনকে।

বুধবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা বাধ্য হয়ে কারফিউ জারি করেছি, সেনাবাহিনীকে ডেকেছি। তারা সহযোগিতা করেছে। আগামী দু-চারদিনের মধ্যে আশা করি সবকিছু কন্ট্রোলে (নিয়ন্ত্রণে) নিয়ে আসতে পারবো। কারণ দেশের মানুষ এটা পছন্দ করছে না। এরই মধ্যে জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের উত্থান এবং বিএনপি-জামাতের চক্রান্ত আমরা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের পরিবেশ যখন ঠিক হবে সেনাবাহিনী তাদের কাজে চলে যাবে।

প্রসঙ্গত, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সারাদেশে সহিংসতার জেরে গত শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে সেনাবাহিনী মোতায়েন করে কারফিউ জারি করে সরকার। এসময় শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির পর রোববার, সোমবার ও মঙ্গলবার পর্যন্ত ৩ দিন নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ‘পুলিশের পোশাক পরে ছাত্রদের ওপর আক্রমণ করেছে দুষ্কৃতকারীরা’

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৬ জুলাই, ২০২৪ ৯:৫৭
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ‘পুলিশের পোশাক পরে ছাত্রদের ওপর আক্রমণ করেছে দুষ্কৃতকারীরা’

    পুলিশের পোশাক পরে দুষ্কৃতকারীরা নিরীহ ছাত্রদের আক্রমণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

    গুগল নিউজে ফলো করুন আরটিভি অনলাইন বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) চট্টগ্রাম বন্দরে এক অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেছেন তিনি।

    নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশের পোশাক পরে দুষ্কৃতকারীরা নিরীহ ছাত্রদের আক্রমণ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ওপর দোষ চাপানোর মতোও ঘটনা ঘটিয়েছে। ছাত্রদের আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে বিদেশ থেকেও উসকানি দেওয়া হয়েছে।’

    খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘দেশ দখল করতে বিদেশ থেকে উসকানি দেওয়া হয়েছে। সে উসকানিতে মির্জা ফখরুল বললেন, কোটা আন্দোলনের সঙ্গে বিএনপি আছে, সরকার উৎখাত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। কিন্তু এখন মির্জা ফখরুল বলছেন, এ আন্দোলনের সঙ্গে আমরা নেই, আমরা সমর্থন দিয়েছি, সম্পৃক্ত হইনি।’

    মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ্যে করে তিনি বলেন, ‘এতবড় অভিনেতা আমি কোনোদিন রাজনৈতিক অঙ্গনে দেখিনি।’

    এর আগে বর্তমান পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বন্দরের নেওয়া বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘুরে দেখেন নৌ প্রতিমন্ত্রী।

    পরে এক অনুষ্ঠানে বন্দরের ৬ হাজার ৭০০ শ্রমিকের মাঝে ১২ কেজি করে শুকনো খাবার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      আলোচনায় রাজি নন আন্দোলনকারীরা, কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৮ জুলাই, ২০২৪ ২০:২৪
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      আলোচনায় রাজি নন আন্দোলনকারীরা, কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা

      সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি নন কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা। তাদের প্ল্যাটফর্ম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় তা জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন।

      বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে সহিংসতা চালিয়ে সরকার উদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এর দায় সরকারেরই। সরকার আলোচনার কোনো পরিস্থিতি রাখেনি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে যদি রাজপথ থেকে সরানো না হয়; হল, ক্যাম্পাস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে না দেয়া হয়; গুলি যদি অব্যাহত থাকে তাহলে সরকারকেই সম্পূর্ণ দায় নিতে হবে।

      তাদের দাবি, কেবল কোটা সংস্কার করলেই ফয়সালা হবে না। প্রথমে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে সরকার তাদের দাবি কর্ণপাত করেনি৷ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় ক্যাডার দিয়ে আন্দোলন দমনের প্রচেষ্টা করছে। এখন সংলাপের নামে দাবি আদায়ের নামে নতুন প্রহসন করছে।

      সকল ছাত্র হত্যার বিচার করতে হবে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ক্যাম্পাসগুলোকে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসমুক্ত করতে হবে। অনতিবিলম্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নিরস্ত্র করে রাজপথ থেকে অপসারণ করতে হবে। শহীদের রক্তের ওপর কোনো সংলাপ হবে না। সরকারকেই সমাধানের পথ বের করতে হবে৷

      সরকারকে সমর্থন না দিয়ে ছাত্রদের পাশে থাকতে নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে আহ্বানও জানানো হয়। বাংলাদেশের জনগণকে রক্ষা করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। তাদের দাবি, বাংলাদেশে গণহত্যা চলছে।

      আজ রাতের মধ্যেই কোটাবিরোধী আন্দোলনের নেতাদের গ্রেফতার অথবা গুম করার শঙ্কা প্রকাশ করে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আপনারা কর্মসূচি অব্যাহত রাখবেন। সবাই জনগণকে সাথে নিয়ে প্রতিটা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করুন।

      কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সাথে বসার বিষয়ে আজ দুপুরে ইতিবাচক বার্তা দেয় সরকার। সংসদ ভবন এলাকায় ব্রিফিংয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানান, কোটা আন্দোলনকারীদের আলোচনার প্রস্তাবকে স্বাগত জানাই। তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলকে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারা যখনই বসতে চান, তখনই বসা হবে।

      এরপরই কোটাবিরোধী আন্দোলনের নেতা সার্জিস আলম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন এ নিয়ে। তাতে ইঙ্গিত মিলে সংলাপে বসতে রাজি নয় সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

      সার্জিস আলম স্ট্যাটাসে লিখেন, একদিকে গুলি আর লাশ অন্যদিকে সংলাপ! আমার ভাইয়ের রক্তের ওপর দিয়ে কীভাবে সংলাপ হতে পারে?

      কোটাবিরোধী আন্দোলনের আরেক নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ লিখেন, গুলি আর আলোচনা একইসঙ্গে চলতে পারে না।

      সংগঠনটির আরেক সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ ফেসবুকে লিখেন, রক্তের ওপর চেয়ার-টেবিল বসিয়ে চা খাওয়ার মতো দৃষ্টতা দেখাতে পারবো না। শুরুতে আমরাই বারবার সংলাপ চাচ্ছিলাম। খুন করে সেই পথ অবরুদ্ধ করেছে সরকার। সকল বাহিনীকে নিরস্ত্র করুন, খুনগুলোর জন্য দায়ী সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলকে শাস্তির আওতায় আনুন, ক্যাম্পাসগুলো আমাদের হাতে ফিরিয়ে দিন।

      তিনি আরও লিখেন, নিরস্ত্র অবস্থায় যাদের শহীদ করেছেন, তাদের রক্তের মূল্য পরিশোধ করা ছাড়া কোনো সংলাপ অসম্ভব। সারাদেশের ছাত্র-জনতার প্রতি আহ্বান করছি লড়াই চালিয়ে যাবার, প্রতিরোধ জারি রাখার। বারবার, প্রতিবার হেরে যেতে পারে না বাংলাদেশ।

      কোটাবিরোধী আন্দোলনের নেতাদের এমন ফেসবুক স্ট্যাটাসের পরই আসে সংগঠনটির বিজ্ঞপ্তি। এর আগে ব্রিফিংয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানান, শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় হাইকোর্টের বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানকে দিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান আইনমন্ত্রী।

      আনিসুল হক এ সময় আরও বলেন, আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল কোটা সংস্কার করা। তাদের কথা বিবেচনা করে আমরাও (সরকার) রাজি হয়েছি। পিতৃতুল্য নাগরিক হিসেবে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান, তারা যেন তাদের আন্দোলন প্রত্যাহার বা স্থগিত করেন।

      দেরিতে কেন আলোচনার সিদ্ধান্ত— সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে এ সময় তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা আজ প্রস্তাব দিয়েছে আলোচনার। আমরাও বসতে চাই। তাতে দেরি কই হলো।

      কোটা সংস্কারসহ আন্দোলনকারীদের সব দাবির সঙ্গে আপনারা একমত কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে আইনমন্ত্রী বলেন, কোটা সংস্কারে বিষয়ে আমরা নীতিগতভাবে ঐক্যমত পোষণ করছি।

      আইনমন্ত্রীর ব্রিফিংয়ের আগে দুপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংবাদি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরতে চায়। সরকারের কাছ থেকে দৃশ্যমান পদক্ষেপ সমাধানের পথ তৈরি করতে পারে। আন্দোলনের পাশাপাশি আলোচনার পথও খোলা থাকবে।

      তবে, সারাদিনে ঘটা নানা ঘটনার প্রেক্ষিতে শেষপর্যন্ত সরকারের সাথে আলোচনায় না বসার পক্ষেই থাকলো কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীরা।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছি, এটা দুর্বলতা নয় : ডিবিপ্রধান হারুন

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৮ জুলাই, ২০২৪ ২০:১২
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছি, এটা দুর্বলতা নয় : ডিবিপ্রধান হারুন

        ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, ‘আমাদের সব ধরনের ব্যবস্থা আছে। তবে আমরা ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছি, এটা দুর্বলতা নয়।’

        আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমাদের ধৈর্যকে যারা দুর্বলতা মনে করছেন তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। আমি অনুরোধ করছি আপনারা ঘরে ফিরে যান।’

        বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে যাত্রাবাড়ী এলাকা পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

        হারুন বলেন, ‘কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের মধ্যে মাদরাসার ছাত্র, ছাত্রদল, যুবদল, জামায়াত-শিবিরের লোক ঢুকে গেছে। তারা পুলিশের গায়ে হাত দিচ্ছে, ভাঙচুর করছে। আমরা কাউকে ছাড় দেবো না।’

        কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরতদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে সকাল থেকেই উত্তপ্ত রাজধানী ঢাকা। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে রাজধানীতে একাধিক পুলিশ বক্স। ক্যান্টিনের পর এবার আগুন দেওয়া হয়েছে বিটিভির মূল ভবনে। টোল প্লাজায়ও দেওয়া হয়েছে আগুন। মিরপুরে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ফুটওভার ব্রিজ। অফিস-আদালতও থমথমে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে বনানীর সেতুভবন ও আগারগাঁও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

        এদিকে কমপ্লিট শাটডাউনের মধ্যে রাস্তায় গণপরিবহন নেই বললেই চলে। প্রয়োজন ছাড়া কেউ বের হচ্ছেন না। সব মিলিয়ে উত্তাল ঢাকায় জনমনে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা।

        গতকাল থেকে রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়া যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, কাজলা অঞ্চল এখনো শান্ত হয়নি। গতকাল হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজায় আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। রাতভর চলে সংঘর্ষ। বৃহস্পতিবার সকালেও দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে যাত্রাবাড়ী অঞ্চলে। আবারও টোল প্লাজায় আগুন দেওয়া হয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ছেলে হত্যার বিচার চান ফারহানের মা

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৮ জুলাই, ২০২৪ ১৯:৪৩
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ছেলে হত্যার বিচার চান ফারহানের মা

          কোটা আন্দোলনে উত্তাল গোটা দেশ। দেশের বিভিন্ন স্থানে নিহতের খবর পাওয়া গেছে। ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম মো. ফারহানুল ইসলাম ভূঁইয়া (ফারহান ফায়াজ)। তার বয়স ১৮ বছর। তিনি উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং ২০২৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের কথা ছিল।

          কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল ফাতেমাতুজ জোহরা ফারহানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি সন্ধ্যা ছয়টায় গণমাধ্যমকে জানান, একটু পরেই ফারহানের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

          সন্তানের মৃত্যুর খবর জানিয়ে ফেসবুকে বৃহস্পতিবার বিকালে এক পোস্টে ফায়াজের মা নাজিয়া খান জানিয়েছেন, তারা আমার শিশুকে হত্যা করেছে। এমনকি তার বয়স ১৮ বছরও ছিল না। আমি ফারহান ফাইয়াজ এর হত্যার বিচার চাই।

          নাজিয়া খানের পোস্টে উম্মে মোহাম্মদ নামের একজন কমেন্ট করেছেন, আর কত রক্ত ঝরবে! কত মায়ের বুক খালি হবে। সহ্য করার মত না পরিস্থিতি।

          বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ‘কমপ্লিট শাটডাউন‘ চলছে। বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় পুলিশ-আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

          কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষে যুদ্ধাবস্থার রূপ নেয় ধানমন্ডির পুরনো ২৭ নম্বর সড়ক এলাকা। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার পর থেকেই ধানমন্ডির রাপা প্লাজার পাশের মোড় থেকে শুরু হয় সংঘর্ষ, পড়ে তা ছড়িয়ে পড়ে আরও বিস্তৃত এলাকায়। সেই সময় নিহত হন ফারহান।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত