শিরোনাম
কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক
ডেস্ক রিপোর্ট: চায়না কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে ১৩ দিনের সফরে চীন যাচ্ছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে তিনি এই সফরে অংশ নেবেন। চায়না কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোর পক্ষ থেকে তাকে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
১৩ দিনব্যাপী এই সফর ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ৬ মার্চ শেষ হবে। সফরকালে প্রতিনিধি দলটি চীনের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মতবিনিময় করবে এবং আধুনিকায়ন ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করবে। সফরের মূল লক্ষ্য হলো চীনের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রশাসনিক কাঠামো এবং সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করা এবং সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ককে জোরদার করা।
প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে নাছির উদ্দীন নাছির চায়না কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের নেতাদের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হবেন। সফরকালে তিনি ‘চীনের আধুনিকায়ন প্রক্রিয়ার অর্জনসমূহ ও বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে অংশ নেবেন।
এছাড়া তিনি চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবিষয়ক শীর্ষস্থানীয় একটি কোম্পানি পরিদর্শন করবেন এবং চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির অগ্রগতি ও তার ব্যবহারিক প্রভাব পর্যবেক্ষণ করবেন। পাশাপাশি প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে তিনি চীনের অর্থনৈতিক অঞ্চল ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করবেন।
শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন এবং ব্যবসায়ী ও শিল্প নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এই সফরে চীনের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা অর্জন করবেন এবং এটি বাংলাদেশের কৃষিখাতে কীভাবে কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা যায় সে বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় করবেন।
এ সফরে প্রতিনিধি দলটির সদস্য হিসেবে নাছির উদ্দীন নাছির চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করবেন এবং সেখানে ছাত্র-শিক্ষকদের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেমিনারে অংশ নেবেন। এসব সেমিনারে তিনি আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং বাংলাদেশ-চীন শিক্ষা সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনায় অংশ নেবেন।
এ সফরে নাছির ছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত থাকবেন। প্রতিনিধি দলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা থাকবেন। তারা চীনের উন্নয়ন মডেল থেকে অভিজ্ঞতা গ্রহণের পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা করবেন।
নিজ বাড়িতে দিতিকন্যা লামিয়ার ওপর হা-মলা
ডেস্ক রিপোর্ট: নিজ বাড়িতে হামলার শিকার হয়েছেন প্রয়াত অভিনেত্রী দিতি ও অভিনেতা সোহেল চৌধুরীর কন্যা লামিয়া চৌধুরী। তিনি বলেন, জমিসংক্রান্ত ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের নিজ বাড়িতে প্রায় ৪০ জন তাকে আক্রমণ করেন। প্রাণ নিয়ে পালিয়ে কোনোমতে ঢাকা ফেরেন তিনি।
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লামিয়া ঘটনাস্থল থেকে ফেসবুক লাইভে আসেন। সেই সাথে একাধিক পোস্টও করেছেন তিনি।
লামিয়ার একটি ফেসবুক লাইভে দেখা যায়, উঠানের মতো জায়গায় বেশ জটলা। লামিয়ার কণ্ঠে এসময় শোনা যায়, ‘আমাদের গায়ে ইট মারতেছিলো। আমি পড়ে গেছি।’ এসময় বেশকিছু উত্তেজিত মানুষকে দেখা যায়।
এরপর আরেকটি ভিডিও পোস্ট করেন লামিয়া। এসময় তার পায়ে আঘাত পাওয়ার বিষয়টি সামনে আনেন। একজনকে দেখা যায়, আঘাত পাওয়া লামিয়ার পায়ে বরফ ধরে আছেন। এসময় কাঁদতে দেখা যায় লামিয়াকে।
এরপরের আরেকটি ভিডিওতে লামিয়াকে দেখা যায় প্রাইভেট কারের ভেতর বসে আসেন। গাড়ির সামনের কাঁচ ভাঙা। সামনে বেশ কিছু মানুষের জটলাও দেখা যায় এসময়। লামিয়া এসময় তার ডান পা দেখিয়ে বলেন, তার পা ভেঙে ফেলেছে ওরা।
লামিয়া বলেন, আমার বাবা ও মা মারা গেছেন অনেকদিন হলো। এরপর একেবারেই একা হয়ে পড়েছি। এ সুযোগে জমি দখলের চেষ্টায় হামলা চালানো হয়। পা ভেঙে দিয়েছে, কোনো রকম প্রাণ নিয়ে পালিয়ে ঢাকায় ফিরেছি।
এরপর আরও কয়েকটি স্ট্যাটাস দেন লামিয়া। একটি স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, আমার সাথে কেউ কি নাই? আমার বাবা মা মারা গেছে বলে আমার পাশে কেউ কি নাই? কেউ নাই নাই…। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে এদিন বিকেলে গুলশানের বাসায় সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন লামিয়া।
‘জুলাই সংগ্রাম পরিষদ’ সংগঠনের আত্মপ্রকাশ
ডেস্ক রিপোর্ট: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে গণঅভ্যুত্থানকে বিপ্লবে পরিণত করার লক্ষ্যে ‘জুলাই সংগ্রাম পরিষদ’ নামে নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। সংগঠনটির আহ্বায়ক হয়েছেন আবু বকর সিদ্দীক ও সদস্য সচিব মো. মুনতাসির রহমান।
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সংগঠনটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাদের আত্মপ্রকাশের তথ্য জানায়। তারা জানায়, ‘জুলাই সংগ্রাম পরিষদ’ জুলাই গণহত্যার বিচার, ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও নতুন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বন্দোবস্তের জন্য কাজ করবে এবং প্রজন্মান্তরে জুলাইয়ের চেতনা ছড়িয়ে দিবে।
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে সংগঠনের আহ্বায়ক আবু বকর সিদ্দীক বলেন, শুধু নিষিদ্ধ করলেই চলবে না, মুজিব ও হাসিনার আদর্শে কোন রাজনীতি করা যাবে না—এই মর্মে আইন করতে হবে। হাসিনার পতন হলেও আওয়ামী কালচারাল ইন্ডাস্ট্রির পতন হয়নি। ফ্যাসিবাদের সাংস্কৃতিক দোসররা ওত পেতে আছে। বিগত ১৬ বছর অনবরত প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে যে দূষিত মতাদর্শ মানুষের মন মগজে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে, সেটার ডিটক্সিফিকেশন করতে হবে।
তিনি বলেন, এটা পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে সাহসী প্রজন্ম। ৭১ ব্যর্থ হয়েছে, ৯০ ব্যর্থ হয়েছে, কিন্তু আমরা ২৪ কে ব্যর্থ হতে দিবো না। আমরা শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে চব্বিশকে বিজয়ী করার জন্য লড়ে যাবো। এমনকি জুলাইয়ের চেতনাকে পুঁজি করে কেউ ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চাইলে আমরা রুখে দিবো। জুলাই শুধু আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই না, জুলাই ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার চিরতরে বিলোপ চায়।
সদস্য সচিব মো. মুনতাসির রহমান বলেন, ৫ আগস্টের পর আমরা সবাই ঘরে ফিরে গিয়েছিলাম, আমরা ভেবেছিলাম, যারা রাজনৈতিক নেতৃত্ব আসবে তারা বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ে তুলবে এবং আমাদের নাগরিক অধিকার ফিরিয়ে দিবে, কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি ৬ মাস পরেও বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত হয়নি। তাই আমরা জুলাই সংগ্রাম পরিষদ নিয়ে সামনে এসেছি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—মানবাধিকার কর্মী জাকিয়া শিশির, ফেরদৌস বাংলাদেশ তরিকত পরিষদের (বিটিপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ আমিনুল এহসান, আইনজীবী ও চিন্তক হাবিব রহমান, গবেষক শামীম রেজায়ী, জুলাই সংগ্রাম পরিষদের মুখপাত্র নফিউল ইসলাম, যুগ্ম-আহ্বায়ক আজহারউদ্দীন লিংকন, কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ মাসুদ হাসান সুইট, মাহফুর আর রহমান, ইয়াসির আরাফাত, ফারদিন ইফতেখার, আসলাম সিদ্দিকী, সালাহ উদ্দীন গালিব, নাভিদ নওরোজ, এম আই রাসেল, জসিম উদ্দিন, মো শফিকুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান হাবিব, আফজালুর রহমান সাজিদ, আমিনুল হুদা, মো এনামুল হক প্রমুখ।
জুলাই আন্দোলনে ছাত্রলীগে গুপ্ত ছিল শিবির, মাঠে ছিল ছাত্রদল: রাকিব
ডেস্ক রিপোর্ট: জুলাই আন্দোলনের ক্রেডিট ছাত্রশিবির নিতে চাইলেও তারা প্রকাশ্যে মাঠে ছিল না বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের ফরম বিতরণ কর্মসূচিতে তিনি এ অভিযোগ করেন।
ছাত্রদল সভাপতি বলেন, শিবিরের কোন নেতা জুলাই আন্দোলনে সম্মুখ সারিতে ভূমিকা রেখেছিল সেটি আমরা দেখতে চাই।
শিবিরের নেতাকর্মীরা ছাত্রলীগের মধ্যে গুপ্ত অবস্থায় ছিল উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, শিবির হলো গুপ্ত সংগঠন। যারা ছাত্রলীগের আশ্রয় প্রশ্রয়ে ছিল, জুলাই বিপ্লব ব্যর্থ হলে তারা কি তাদের পরিচয় প্রকাশ করতো?
অন্যদিকে ছাত্রদল সব সময়ই মাঠে সক্রিয় ছিল। আন্দোলন ব্যর্থ হলে ছাত্রদলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে জেলে থাকতে হতো বলেও দাবি করেন তিনি।
ছাত্রদল সভাপতি রাকিব অভিযোগ করেন, বিগত ১৬ বছর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে চলেছে। কিন্তু ছাত্রদল সব সময়ই মাঠে ছিল, আছে ও থাকবে।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জুলাই আন্দোলন আমরা সব দল একসঙ্গে করেছি। এখন একটি গোষ্ঠী নিজেরা আন্দোলনের ক্রেডিট নিয়ে ক্ষমতায় বসেছে। এখন তারা বলছে তাদের দেয়া নিয়ম মেনে দেশ পরিচালনা করতে হবে। বিপ্লবকে হাইজ্যাক করে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা চলছে। এটাতো সেই পতিত স্বৈরাচারেরই পদ্ধতি।
নতুন প্রজন্ম পোল্ট্রি ভাতে বাঙালি: মৎস্য উপদেষ্টা
ডেস্ক রিপোর্ট: মৎস্যকে শিল্প বানালে মূল চরিত্র নষ্ট হয়ে যাবে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, তরুণরা মৎস্যখাতে কাজ করার জন্য যে আগ্রহ দেখাচ্ছে, এটা অত্যান্ত উৎসাহের বিষয়। কিন্তু এটাকে শিল্প বানালে এর মূল চরিত্র নষ্ট হয়ে যাবে।
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে দিনব্যাপী ‘ফিসারিজ এন্টারপ্রেনার সামিট-২০২৫’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
নতুন প্রজন্ম পোল্ট্রি-ভাতে বাঙালি বলে মন্তব্য করে ফরিদা আখতার বলেন, আমরা মাছে ভাতে বাঙালি বলি। কিন্তু আমাদের তরুণ প্রজন্ম কি মাছে ভাতে বাঙালি। ওরা কিন্তু পোল্ট্রি-ভাতে বাঙালি হয়ে যায়। অনেক সময় ডিম আর মাংস ছাড়া খেতে চায় না। নতুন প্রজন্মকে মাছ খাওয়াতে হবে।
মৎস্য উপদেষ্টা বলেন, বাচ্চাদের ছোট মাছ খাওয়ানো শিখাতে হবে। মাছের একটা অপরাধ হচ্ছে, তাদের কাটা আছে। কাটার জন্য খাবে না, এটা তো হবে না। কাটাসহ মাছ খাওয়া শিখাতে হবে। মাছকে জনপ্রিয় করে তোলবার জন্য কাজ করতে হবে। আন্তর্জাতিকভাবে দেখি, ইন্ড্রাষ্টিয়াল ফুড প্রোডাকশনের যে ক্ষতিকারক দিক রয়েছে, সেটা অনেকভাবে প্রভাবিত করবে। আপনারা শিল্প না লিখে এন্টারপ্রেনার লিখেছেন, খুশি হয়েছি। কারণ এন্টারপ্রেনার অনেক ক্রিয়েটিভ কাজ করে।
উপদেষ্টা বলেন, পানি দূষণ ও জলাশয় ভরাটের কারণে মাছ উৎপাদন ঝুঁকিতে রয়েছে। আমাদের দেশে এত বৈচিত্র্যময় মাছ আছে। এর সঙ্গে বৈচিত্র্যময় পরিবেশও আছে। তবে দুঃখের বিষয় আমাদের নদীগুলো দূষিত হয়ে গেছে। কৃষিতে কীটনাশকের ব্যবহার বেড়েছে। আমাদের জলাশয়গুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। আর এভাবে চলতে থাকলে মাছ টিকবে না।
সমস্যাগুলো বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট হওয়ায় সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য দেশে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন যেন আমরা করতে পারি সে লক্ষ্যে কাজ করার আহবান জানান তিনি।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য