The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
বৃহস্পতিবার, ১৮ই এপ্রিল, ২০২৪

ঈদ যাত্রার দ্বিতীয় দিনে সদরঘাটে ভীড়

জবি প্রতিনিধি: আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি ছুটির প্রথম দিনের ন্যায় দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীর প্রধান নদীবন্দর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে বেড়েছে যাত্রীদের চাপ। পরিবারের সঙ্গে ঈদ কাটাতে বাড়ি ফেরা ঘরমুখী যাত্রীদের ছিলো উপচে পড়া ভিড়। নৌপথে গ্রামে যাওয়া দক্ষিণাঞ্চলের বাসিন্দাদের নির্বিঘ্নে পৌঁছে দিতে হাজার হাজার যাত্রী বোঝাই লঞ্চগুলোও নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই ঘাট ছেড়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, পল্টুনগুলোতে নৌপথে বাড়ি ফেরা যাত্রীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। দিনের আলো বাড়ার সঙ্গে বাড়তে থাকে যাত্রীর চাপ। সকালে চাঁদপুর, ভোলা, বরগুনা, হাতিয়া, পটুয়াখালীগামী পল্টুনে দেখা যায় যাত্রীদের ভিড়। তবে রোদের তাপ বাড়ায় দুপুরের দিকে ঘাটে দেখা মেলেনি যাত্রীর। বিকেল ঘনিয়ে সন্ধ্যা নামার মুহূর্তে যাত্রী চাপ বাড়তে থাকতে থাকে। বিকেলে যাত্রীদের বেশিরভাগই বরিশালগামী লঞ্চগুলোতে ভীড় করেছেন। এছাড়াও পটুয়াখালী বগা ইলিশা এসব রুটেও যাত্রী চাপ দেখা যায়। তবে বরিশাল রুটের যাত্রী বরাবরের মতোই কম ছিলো। পর্যাপ্ত লঞ্চ থাকায় অনেকটা আরামদায়কভাবে বাড়ি ফিরতে পারছেন আশা করছেন যাত্রীরা।

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ও এর আশপাশের এলাকায় এদিন বিকেলে সিএনজি, রিকশা ও প্রাইভেটকারের প্রচন্ড জ্যামের সৃষ্টি হয়। ঘরমুখো যাত্রীদের ব্যাগ বস্তা হাতে ঘাটের দিকে আসতে দেখা যায়। কেউ যাচ্ছেন পরিবার নিয়ে, কেউবা বন্ধুদের সাথে আবার কেউবা একা। নাড়ির টানে বাড়ি ফেরাই যেনো তাদের একমাত্র লক্ষ্য। অনেক লঞ্চের স্টাফরা কেবিং বুকিংয়ের জন্য যাত্রী ডাকছেন। অনেকে লঞ্চে কাথা বালিশ দিয়েও ভাড়া আদায় করছেন। এদিন কুলিদেরও বেশ হাকডাক শুনা যায়।

লঞ্চ স্টাফ ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিগত ঈদের মতো এবারও লঞ্চে কেবিনের চাহিদা বেশি। তবে অনেকে লঞ্চ ছাড়ার অনেকটা সময় পূর্বে ঘাটে আসলেও পাচ্ছেন না কেবিন। বাধ্য হয়েই অনেককে ঈদ যাত্রায় ডেকে বসে যাতে হচ্ছে। টিকিটের চাহিদাও অনেক বেশি বলে জানান বিক্রেতারা। ঘাটে ভিড়ানো কিছু সময়ের মধ্যেই লঞ্চগুলো কানায় কানায় ভরে যাচ্ছিলো।

পটুয়াখালীর যাত্রী রাসেল শিকদার বলেন, ঢাকায় প্রচন্ড গরম। তাই ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ছি। এখন এসেছি কেবিন বুকিং দিতে। ভাড়া সামান্য বেশি দিয়ে কেবিন পেয়েছি। ঈদের সময় ভাড়া তো একটু বেশি নিবেই। পরিবারের সবার সাথে ঈদ করবো, এই আনন্দটাই অনেক। যাত্রায় কোনো ভোগান্তি পোহাতে হবে না বলে আশা করছি।

যাত্রাবাড়ী থেকে ভোলা যাওয়ার উদ্দ্যেশ্যে পরিবারসহ সদরঘাটে আসেন আরিয়ান সুমন। তিনি জানান, ঈদে সদরঘাটে চাপ কম থাকবে। এই আশায় কেবিন বুকিং করেছিলাম। তবে এসে দেখি প্রচন্ড ভীড়। অনেক কষ্টে বাচ্চা, বাচ্চার মাকে নিয়ে লঞ্চে উঠেছে। এখন ভালোভাবে বাড়ি যেতে পারলেই হলো।

মিরপুর থেকে আসা বরগুনাগামী যাত্রী ওমর ফারুক বলেন, ঈদের মানুষের বাড়ি যাওয়ার ইচ্ছে থাকবেই। ঢাকার রাস্তায় জ্যাম ছিলোনা। কিন্তু সদরঘাটে এসে আটকে গিয়েছিলাম। রোজার মধ্যে অনেক কষ্টে খোঁজাখুঁজি করে লঞ্চ পেয়েছি।

বাড্ডা থেকে আসা ষাটোর্ধ্ব আসমা বেগম বলেন, ঈদটা বাড়িতে কাটাতে ছেলে আর ছেলের বৌয়ের সঙ্গে বাড়ি যাচ্ছি৷ নাতি নাতনীদের সঙ্গে ঈদ করবো। বাড়িতে সবার সাথে দেখা হবে। এটাই ঈদের আনন্দ।

এদিকে ঢাকা-বরিশাল রুটের এমভি সুরভী-৯ লঞ্চের স্টাফ আমিরুল ইসলাম জানান, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে আমাদের যাত্রীর সংখ্যা একেবারেই কমে গেছে। ঈদ উপলক্ষে যাত্রী বেশ বেড়েছে। বেশিরভাগ কেবিনগুলো আগে থেকেই বুকিং দেয়ায় খালি যাচ্ছে না।

যাত্রীদের চাপ বাড়ায় লঞ্চ কেবিনগুলোর ভাড়া স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বাড়ানো হয়েছে বলে জানান যাত্রীরা। তবে বরিশালগামী লঞ্চগুলোর ভাড়া স্বাভাবিক থাকলেও ভোলাগামী লঞ্চগুলোর ভাড়া স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি নেয়া হয়েছে বলে জানান যাত্রীরা।

ভাড়ার বিষয়ে ভোলাগামী পারাবত-১৩ লঞ্চের পরিচালক শাহিন হোসেন বলেন, আমাদের টিকিটের মূল্য বৃদ্ধির কোনো নির্দেশনা এখনও দেয়া হয়নি। তাই আমরা নির্ধারিত ভাড়াই নিচ্ছি, পূর্বেই ভাড়া বহাল রেখেছি।

এম ভি পূরবী-১০ লঞ্চের টিকিট বিক্রেতা সোহানুর রহমান বলেন, কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা টিকিট বিক্রি করছি। ভাড়া বেশি নেয়া হচ্ছে না। আমাদেরকে যে ভাড়া নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে তাই নিচ্ছি। ঈদে স্পেশাল সার্ভিসের টিকিট লঞ্চ ছাড়ার পূর্বে দেয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল যাত্রী পরিবহন সংস্থার মহাসচিব সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী জানান, বরিশাল ও পটুয়াখালী রুটে ৮টি করে লঞ্চ ও অন্যান্য রুটগুলোতে কমপক্ষে ২-৩টি করে লঞ্চ যাবে। যাত্রী চাপ আছে, তবে আশানুরূপ নয়। অন্যান্য সময়ের তুললায় চার ভাগের এক ভাগ। কাল পরশু চাপটা বাড়বে বলে আশা করছি।

তিনি আরও বলেন, টিকিট কালোবাজারির রেওয়াজ অনেক পুরনো। অভিযোগ পেলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নিবো। তবে আমাদের কাছে এখনও কোনো অভিযোগ আসেনি।

বিআইডব্লিউটিএ সদরঘাটের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. কবীর হোসেন বলেন, লঞ্চ মালিকদের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। যাত্রী চাপ সামলাতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। যাত্রী হয়রানি, ভোগান্তি বা টিকিট কালোবাজারির কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবো। ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক টার্মিনাল মনিটরিং করছেন।

সদরঘাট নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুর রহমান খান বলেন, আজ যাত্রীর চাপ আগের থেকে বেড়েছে। পুলিশ, র‍্যাব সহ আনসার সদস্যরা যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। সন্দেহজনক কিছু দেখলে তল্লাশিও চালানো হচ্ছে। যাত্রীর চাপ বাড়লে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে। আমাদের নৌপুলিশ ঘাটে ও লঞ্চে উভয় স্থানে কাজ করছে।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

  1. প্রচ্ছদ
  2. জাতীয়
  3. ঈদ যাত্রার দ্বিতীয় দিনে সদরঘাটে ভীড়

ঈদ যাত্রার দ্বিতীয় দিনে সদরঘাটে ভীড়

জবি প্রতিনিধি: আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি ছুটির প্রথম দিনের ন্যায় দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীর প্রধান নদীবন্দর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে বেড়েছে যাত্রীদের চাপ। পরিবারের সঙ্গে ঈদ কাটাতে বাড়ি ফেরা ঘরমুখী যাত্রীদের ছিলো উপচে পড়া ভিড়। নৌপথে গ্রামে যাওয়া দক্ষিণাঞ্চলের বাসিন্দাদের নির্বিঘ্নে পৌঁছে দিতে হাজার হাজার যাত্রী বোঝাই লঞ্চগুলোও নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই ঘাট ছেড়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, পল্টুনগুলোতে নৌপথে বাড়ি ফেরা যাত্রীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। দিনের আলো বাড়ার সঙ্গে বাড়তে থাকে যাত্রীর চাপ। সকালে চাঁদপুর, ভোলা, বরগুনা, হাতিয়া, পটুয়াখালীগামী পল্টুনে দেখা যায় যাত্রীদের ভিড়। তবে রোদের তাপ বাড়ায় দুপুরের দিকে ঘাটে দেখা মেলেনি যাত্রীর। বিকেল ঘনিয়ে সন্ধ্যা নামার মুহূর্তে যাত্রী চাপ বাড়তে থাকতে থাকে। বিকেলে যাত্রীদের বেশিরভাগই বরিশালগামী লঞ্চগুলোতে ভীড় করেছেন। এছাড়াও পটুয়াখালী বগা ইলিশা এসব রুটেও যাত্রী চাপ দেখা যায়। তবে বরিশাল রুটের যাত্রী বরাবরের মতোই কম ছিলো। পর্যাপ্ত লঞ্চ থাকায় অনেকটা আরামদায়কভাবে বাড়ি ফিরতে পারছেন আশা করছেন যাত্রীরা।

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ও এর আশপাশের এলাকায় এদিন বিকেলে সিএনজি, রিকশা ও প্রাইভেটকারের প্রচন্ড জ্যামের সৃষ্টি হয়। ঘরমুখো যাত্রীদের ব্যাগ বস্তা হাতে ঘাটের দিকে আসতে দেখা যায়। কেউ যাচ্ছেন পরিবার নিয়ে, কেউবা বন্ধুদের সাথে আবার কেউবা একা। নাড়ির টানে বাড়ি ফেরাই যেনো তাদের একমাত্র লক্ষ্য। অনেক লঞ্চের স্টাফরা কেবিং বুকিংয়ের জন্য যাত্রী ডাকছেন। অনেকে লঞ্চে কাথা বালিশ দিয়েও ভাড়া আদায় করছেন। এদিন কুলিদেরও বেশ হাকডাক শুনা যায়।

লঞ্চ স্টাফ ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিগত ঈদের মতো এবারও লঞ্চে কেবিনের চাহিদা বেশি। তবে অনেকে লঞ্চ ছাড়ার অনেকটা সময় পূর্বে ঘাটে আসলেও পাচ্ছেন না কেবিন। বাধ্য হয়েই অনেককে ঈদ যাত্রায় ডেকে বসে যাতে হচ্ছে। টিকিটের চাহিদাও অনেক বেশি বলে জানান বিক্রেতারা। ঘাটে ভিড়ানো কিছু সময়ের মধ্যেই লঞ্চগুলো কানায় কানায় ভরে যাচ্ছিলো।

পটুয়াখালীর যাত্রী রাসেল শিকদার বলেন, ঢাকায় প্রচন্ড গরম। তাই ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ছি। এখন এসেছি কেবিন বুকিং দিতে। ভাড়া সামান্য বেশি দিয়ে কেবিন পেয়েছি। ঈদের সময় ভাড়া তো একটু বেশি নিবেই। পরিবারের সবার সাথে ঈদ করবো, এই আনন্দটাই অনেক। যাত্রায় কোনো ভোগান্তি পোহাতে হবে না বলে আশা করছি।

যাত্রাবাড়ী থেকে ভোলা যাওয়ার উদ্দ্যেশ্যে পরিবারসহ সদরঘাটে আসেন আরিয়ান সুমন। তিনি জানান, ঈদে সদরঘাটে চাপ কম থাকবে। এই আশায় কেবিন বুকিং করেছিলাম। তবে এসে দেখি প্রচন্ড ভীড়। অনেক কষ্টে বাচ্চা, বাচ্চার মাকে নিয়ে লঞ্চে উঠেছে। এখন ভালোভাবে বাড়ি যেতে পারলেই হলো।

মিরপুর থেকে আসা বরগুনাগামী যাত্রী ওমর ফারুক বলেন, ঈদের মানুষের বাড়ি যাওয়ার ইচ্ছে থাকবেই। ঢাকার রাস্তায় জ্যাম ছিলোনা। কিন্তু সদরঘাটে এসে আটকে গিয়েছিলাম। রোজার মধ্যে অনেক কষ্টে খোঁজাখুঁজি করে লঞ্চ পেয়েছি।

বাড্ডা থেকে আসা ষাটোর্ধ্ব আসমা বেগম বলেন, ঈদটা বাড়িতে কাটাতে ছেলে আর ছেলের বৌয়ের সঙ্গে বাড়ি যাচ্ছি৷ নাতি নাতনীদের সঙ্গে ঈদ করবো। বাড়িতে সবার সাথে দেখা হবে। এটাই ঈদের আনন্দ।

এদিকে ঢাকা-বরিশাল রুটের এমভি সুরভী-৯ লঞ্চের স্টাফ আমিরুল ইসলাম জানান, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে আমাদের যাত্রীর সংখ্যা একেবারেই কমে গেছে। ঈদ উপলক্ষে যাত্রী বেশ বেড়েছে। বেশিরভাগ কেবিনগুলো আগে থেকেই বুকিং দেয়ায় খালি যাচ্ছে না।

যাত্রীদের চাপ বাড়ায় লঞ্চ কেবিনগুলোর ভাড়া স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বাড়ানো হয়েছে বলে জানান যাত্রীরা। তবে বরিশালগামী লঞ্চগুলোর ভাড়া স্বাভাবিক থাকলেও ভোলাগামী লঞ্চগুলোর ভাড়া স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি নেয়া হয়েছে বলে জানান যাত্রীরা।

ভাড়ার বিষয়ে ভোলাগামী পারাবত-১৩ লঞ্চের পরিচালক শাহিন হোসেন বলেন, আমাদের টিকিটের মূল্য বৃদ্ধির কোনো নির্দেশনা এখনও দেয়া হয়নি। তাই আমরা নির্ধারিত ভাড়াই নিচ্ছি, পূর্বেই ভাড়া বহাল রেখেছি।

এম ভি পূরবী-১০ লঞ্চের টিকিট বিক্রেতা সোহানুর রহমান বলেন, কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা টিকিট বিক্রি করছি। ভাড়া বেশি নেয়া হচ্ছে না। আমাদেরকে যে ভাড়া নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে তাই নিচ্ছি। ঈদে স্পেশাল সার্ভিসের টিকিট লঞ্চ ছাড়ার পূর্বে দেয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল যাত্রী পরিবহন সংস্থার মহাসচিব সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী জানান, বরিশাল ও পটুয়াখালী রুটে ৮টি করে লঞ্চ ও অন্যান্য রুটগুলোতে কমপক্ষে ২-৩টি করে লঞ্চ যাবে। যাত্রী চাপ আছে, তবে আশানুরূপ নয়। অন্যান্য সময়ের তুললায় চার ভাগের এক ভাগ। কাল পরশু চাপটা বাড়বে বলে আশা করছি।

তিনি আরও বলেন, টিকিট কালোবাজারির রেওয়াজ অনেক পুরনো। অভিযোগ পেলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নিবো। তবে আমাদের কাছে এখনও কোনো অভিযোগ আসেনি।

বিআইডব্লিউটিএ সদরঘাটের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. কবীর হোসেন বলেন, লঞ্চ মালিকদের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। যাত্রী চাপ সামলাতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। যাত্রী হয়রানি, ভোগান্তি বা টিকিট কালোবাজারির কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবো। ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক টার্মিনাল মনিটরিং করছেন।

সদরঘাট নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুর রহমান খান বলেন, আজ যাত্রীর চাপ আগের থেকে বেড়েছে। পুলিশ, র‍্যাব সহ আনসার সদস্যরা যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। সন্দেহজনক কিছু দেখলে তল্লাশিও চালানো হচ্ছে। যাত্রীর চাপ বাড়লে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে। আমাদের নৌপুলিশ ঘাটে ও লঞ্চে উভয় স্থানে কাজ করছে।

পাঠকের পছন্দ

মন্তব্য করুন